
নীলফামারীর সৈয়দপুরে যেখানে রেলওয়ের দখলকৃত জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে ব্যাংক-বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোটেল-রেস্তোরা নির্মাণ করে অনেকেইে হয়েছেন জিরো থেকে কোটি-কোটি টাকার মালিক। যদিও প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও হচ্ছে রেলওয়ের জমি অবৈধ দখলের কাজ সেখানে রোববার (০৪ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে বিমানবন্দর সড়কের (শহীদ ক্যাপ্টেন শামসুল হুদা সড়ক) ফুল বাগান হিসাবে পরিচিত রেলওয়ের প্রায় এক একর জায়গা নতুন করে দখলের চেষ্টা করে একটি কুচক্রিমহল।
কিন্তু, এলাকার সচেতন ক’জন মানুষ এ ঘটনা দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্নভাবে প্রশাসন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংবাদকর্মীদের দৃষ্টিতে আনলে খবর পেয়ে রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) সুফি নূর মোহাম্মদ রেলওয়ের সৈয়দপুরের সাবেক আইওডাবিøউ ও বর্তমানে সৈয়দপুরে কর্মরত এইএন (ভারপ্রাপ্ত) তহিদুল ইসলাম রেলওয়ের লোকবল নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তা’ দখল থেকে রক্ষা করতে পেরেছেন।
এনিয়ে এলাকার বোদ্ধামহল মনে করছেন রেলওয়ের এই জায়গাটি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে দেওয়াল নির্মাণ করে ঘিরে তাদের আয়ত্বে নিতে হবে তা’ না হলে আবার যে কোনো সময়ে দখল হওয়ার আশংকা রয়েছে।
জানা যায়, সৈয়দপুর পৌরসভার ভেতর রেলওয়ের ২৫.৭৫ একর জমি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে পৌরসভা ও রেলওয়ের মধ্যে দ্বন্দের জেরকে কাজে লাগিয়ে এসব জমির মালিক বনে যাওয়া সুযোগ-সন্ধানীরা এসব কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। মাঝে-মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের এস্টেট বিভাগ থেকে এসব দখলমুক্ত করতে অভিযান চালানোসহ মামলা দিলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। তাছাড়া অনেক সময় পৌরসভার কর্তৃপক্ষের বাঁধার মধ্যে অীভযান বন্ধ হয়ে যায়।
সৈয়দপুর পৌরসভা এলাকার ভেতর ২৫.৭৫ একর রেলওয়ের জমি থাকা ছাড়াও পৌরসভা এলাকার বাইরেও রেলওয়ের শত-শত একর জমি থাকলেও এগুলোর অনেক দখল হয়ে গেছে। এসব জমির মধ্যে কিছু কৃষিজমি, জলাশয় ও জমি কেউ কেউ লিজ নেওয়ায় রেলওয়ে কিছুটা রাজস্ব পেলেও বাকি জমিগুলো অবৈধ দখলে থাকায় লাখ-লাখ টাকার রাজস্ব আয় থেকে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বঞ্চিত হয়ে আসছে। অথচ, এসব দেখার যেনো কেউই নেই ? এমন প্রশ্ন এলাকার সচেতন মহলের মাঝে দীর্ঘদিন থেকেই বিরাজ করছে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর সড়কের ফুলবাগান এলাকার এক একর জমি দখলকারীর বিষয়ে ও কিভাবে দখলমুক্ত করা হলো তা’ জানতে রেলওয়ের সৈয়দপুরের সাবেক আইওডাবিøউ ও বর্তমানে সৈয়দপুরে কর্মরত সিনিয়র সহকারি নির্বাহী প্রকৌশলী (এইএন) তহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি জানান, খবর পেয়ে জায়গাটি দখলের চেষ্টা নসাৎ করে দেওয়া হয়। এসময় তিনি জানান, রেলওয়ের জমি কে ? কিভাবে ? দখলে নিচ্ছেন ? তা’ এলাকার সকলেই দেখেন। তবে, এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে তিনি জানান।




