
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রবিবার(১১ অক্টোবর) উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর উপজেলা পরিষদের হলরুমে প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রথম ধাপের আয়োজন করেন ।
আজ প্রথম ধাপে তিন জন সুপারভাইজার ও বারজন প্রশিক্ষণপ্রার্থী অংশগ্রহণ করেন।
এসময় প্রশিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন গাজীপুর জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তর ও দুস্থ্য শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মোঃ বোরহান উদ্দিন, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র কোনাবাড়ী শাখার সহকারী পরিচালক এ টি এম তৌহিদুজ্জামান ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান।
প্রশিক্ষণ কর্মশালা সকাল ৯ টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত চলে। তবে তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণের ট্যাব সরবরাহ না থাকার কারণে স্বল্প সংখ্যক প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জনাব মিজানুর রহমানবলেন, ফ্যামিলি গার্ড কর্মসূচির কার্যক্রমটির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। আমরা কালিয়াকৈর উপজেলায় ইতিমধ্যে ৩৬ জন সুপারভাইজার এবং ৩৬১ জন তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি।
আমাদের হাতে ইতিমধ্যে ১৫ টি ট্যাব এসে পৌঁছেছে। ১৫ জনকে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
বাকি প্রশিক্ষণ্থীদের পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সরেজমিনে প্রশিক্ষণ কক্ষে দেখা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে সারি সারি টেবিলে বসে তরুণ-তরুণীরা ট্যাব হাতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষকরা ল্যাপটপ ও প্রজেক্টরের মাধ্যমে কিভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, কিভাবে ছবি তুলতে হবে এবং তথ্য আপলোড করতে হবে তা শেখাচ্ছেন। প্রত্যেকের সামনে একটি করে ট্যাব এবং প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল রয়েছে।
জেলা সমাজসেবা ও দোস্ত শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক বোরহানউদ্দিন প্রশিক্ষনার্থীদের উদ্দেশ্য করে বলেন একটি পরিবারও যেন বাদ না পড়ে, কোনো প্রকার অনিয়ম, দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি বরদাস্ত করা হবে না। স্বচ্ছতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সরকারের সকল ভাতা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।
এছাড়া সহকারী পরিচালক তৌহিদুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহের ফলে প্রকৃত দরিদ্র ও যোগ্যরা সরকারি সহায়তা পাবে।




