ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার মামলায় ক্যাসিনো সম্রাট গ্রেপ্তার, জব্দ স্মার্টফোন

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

  ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:১১ পিএম
ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়ার মামলায় ক্যাসিনো সম্রাট গ্রেপ্তার, জব্দ স্মার্টফোন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে অনলাইন জুয়া ও ক্যাসিনো-সংক্রান্ত মামলায় মো. সিরাজুল ইসলাম (২৮) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও দুটি অ্যাপের স্ক্রিনশটের মুদ্রিত কপি জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ধামদী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার সিরাজুল ইসলাম ধামদী এলাকার মৃত হাবিল উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় এবং গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেবাশীষ কর্মকারের তত্ত্বাবধানে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনের নেতৃত্বে ওয়ারেন্ট তামিল, মাদক উদ্ধার ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে ধামদী এলাকা থেকে সিরাজুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, সিরাজুল ইসলাম অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত এবং এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন। এ-সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারেও তাঁর নাম রয়েছে।

এদিকে স্থানীয়ভাবে তাঁকে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ বলে অভিহিত করা হয় বলে জানা গেছে। অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও এলাকায় আলোচনা রয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, সিরাজুল ইসলাম ক্যাসিনো-সংক্রান্ত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও দুটি অ্যাপের স্ক্রিনশটের মুদ্রিত কপি জব্দ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, অনলাইন জুয়া, মাদক ও ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে ডাকাতি
কক্সবাজারের ঈদগাঁও ও রামু উপজেলার পাহাড়ি এলাকার ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কে প্রকাশ্যে অস্ত্র দেখিয়ে যাত্রীদের জিম্মি করে লুটপাট চালিয়েছে ডাকাতরা।  সোমবার (১৯ অক্টোবর) সড়কের হিমছড়ি ঢালায় দুই দফায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতদের কবলে পড়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি যানবাহন। এসব যানবাহনের বেশির ভাগই সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। এ সময় শতাধিক যাত্রীর কাছ থেকে নগদ টাকা, মুঠোফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ভুক্তভোগীরা জানান, মুখোশ পরা ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল সড়কে যানবাহনের গতিরোধ করে যাত্রীদের জিম্মি করে। পরে তাদের পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করে টাকা ও মালামাল ছিনিয়ে নেয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে লুটপাট চললেও ঘটনাস্থলে পুলিশের টহল ছিল না বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম সিফাতুল মাজদার বলেন, স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যানবাহনে লুটপাট চালিয়ে জঙ্গলে আত্মগোপন করেছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। ওসি আরও বলেন, ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ঈদগাঁও–ঈদগড়–বাইশারী সড়কের গভীর বনাঞ্চল এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে মোট কতটি যানবাহনে লুটপাট হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি। একটি বেসরকারি সংস্থার ঈদগড় শাখার ব্যবস্থাপক মো. রবিউল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে ঈদগাঁও বাজার থেকে ঈদগড় যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিল ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। হিমছড়ি ঢালায় পৌঁছালে মুখোশধারী ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তাঁদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। এরপর দুজনকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে মারধর করা হয়। তাঁদের তল্লাশি করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, দুটি মুঠোফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় ডাকাতেরা। পরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
কক্সবাজারে অস্ত্রের মুখে ৫০-৬০ যানবাহনে ডাকাতি
ডুমুরিয়ায় মহাষ্টমীতে পূজা মণ্ডপে এমপি লবি, দিলেন সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যরে বার্তা
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা নিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমীতে খুলনার ডুমুরিয়া কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মঠের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আজগর লবী। সোমবার বিকালে তিনি প্রতিমা দর্শন করেন এবং মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী আজগর লবী বলেন, “হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে জাতীয় সংসদে কথা বলার সুযোগ পেয়েছি। এ জন্য আমি তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের একটাই পরিচয়, আমরা মানুষ। এ বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের একসঙ্গে বসবাস।” তিনি বলেন, “ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখা জরুরি। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট থাকলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে। আমি সকল ধর্মের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে চাই।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ, সরদার আব্দুল মালেক, শেখ শাহিনুর রহমান, মোল্লা কবির হোসেন, শেখ ফরহাদ হোসেন, ডুমুরিয়া কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি মঠের সেক্রেটারী সৌমেন্দ্র প্রসাদ কুন্ডু টুটুল, প্রশান্ত জোয়াদ্দার, শাহজাহান জমাদার, মোল্যা মনিমুর রহমান নয়ন ও মোল্লা মশিউর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রদীপ দেবনাথ। কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি মঠের পক্ষে বক্তব্যদেন মন্দির কমিটির কোষাধ্যক্ষ পরিমল কুমার কুণ্ডু। কালীবাড়ি মঠের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য আলী আজগর লবী খর্নিয়া, রুদাঘরা, রঘুনাথপুর, রংপুর ও ধামালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।        
মশিউর অর্ণব
বানিয়াচংয়ে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির উদ্বোধন
প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় উপজেলার কামালখানী গ্রামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন। উপজেলার ১ নম্বর উত্তর-পূর্ব, ২ নম্বর উত্তর-পশ্চিম ও ১১ নম্বর মক্রমপুর ইউনিয়নে প্রাথমিকভাবে শুমারির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নেও এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রান্তিক, হতদরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এ কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিতে শুমারির তথ্য হতে হবে নির্ভুল ও স্বচ্ছ। তিনি বলেন, “শুমারির কাজে নিয়োজিত গণনাকারীদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন। কোনো ধরনের অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব কিংবা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রকৃত উপকারভোগীরা যেন বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।” উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে শুমারির কাজে ব্যবহারের জন্য ১৫টি ট্যাব সরবরাহ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিয়নের গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজে নিয়োজিত করা হবে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুল হোসেন মারুফ, সাধারণ সম্পাদক নকিব ফজলে রকিব মাখন, সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ লুৎফুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন বকুল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জাহির হোসেন প্রমুখ। ফ্যামিলি কার্ড শুমারির এ উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে প্রত্যাশা—সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকৃত অসচ্ছল পরিবারগুলো চিহ্নিত হবে এবং সরকারি সহায়তা পৌঁছাবে তাদের কাছে, যাঁদের কাছে এই সহায়তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ক্যাপশন-
মশিউর অর্ণব
জীবননগরে কসাইয়ের জরিমানা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে কসাইখানায পশু জবাই না করার কারনে মনির হোসেন নামের এক কসাইকে জরিমানা করা হয়েছে।  সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জীবননগর পৌর এলাকায় অভিযান চালান জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি।  অভিযানে  উন্মুক্ত বা যত্রতত্র স্থানে পশু জবাই করার অপরাধে ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।  অভিযান পরিচালনা কালে ইউএনও সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি বলেন, জীবননগর পৌর এলাকায় গরু জবাই করার জন্য সুনির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে।ব্যবসায়ীদের সেখানে পশু জবাই করার জন্য বলা হয়েছে।আজ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইনে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খোলা বা যত্রতত্র স্থানে পশু জবাই করা হলে মারাত্মকভাবে পরিবেশ দুষিত হয়। এই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
জীবননগরে কসাইয়ের জরিমানা
ভিডিওকাণ্ডে আলোচনায় পশু চিকিৎসক বেলাল, সালিশি বৈঠকে সমাধান
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রপুরে পশু চিকিৎসক বেলালকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় বিষয়টিকে তৃতীয় পক্ষের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এ দাবি এবং ঘটনার প্রকৃত সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগ রয়েছে, এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পশু চিকিৎসক বেলালের সম্মানহানির চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদে সালিশি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সালিশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, কালীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) ওসমান গনি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে ভিডিওটি কীভাবে ছড়িয়েছে, এ ঘটনায় কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে তা সালিশি বিচারের মধ্যে ক্লিয়ার হয়।
মশিউর অর্ণব
আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম রেঞ্জে একদিনে গ্রেপ্তার ৫৪৮
চট্টগ্রাম রেঞ্জে একদিনে গ্রেপ্তার ৬২৭ জন
পটুয়াখালীর হত্যা মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
কটিয়াদীতে ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
X