
যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য অভিবাসী ভিসার আবেদনকারীদের ন্যাশনাল ভিসা সেন্টার (এনভিসি) থেকে কেস খোলার চিঠি পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে এই চিঠি পাওয়ার অর্থ ভিসা অনুমোদন বা সাক্ষাৎকারের তারিখ নিশ্চিত হওয়া নয়। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (ইউএসসিআইএস) কোনো অভিবাসন পিটিশন অনুমোদনের পর নির্দিষ্ট আবেদনগুলো এনভিসিতে পাঠায়। সেখানে কেস খোলার পর আবেদনকারীকে কেস নম্বর ও ইনভয়েস আইডি দিয়ে অনলাইনে আবেদনের অবস্থা যাচাই করতে হয়।
এরপর আবেদনকারীকে প্রযোজ্য ফি পরিশোধ, কনস্যুলার ইলেকট্রনিক অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (সিইএসি) ডিএস-২৬০ ফরম পূরণ এবং আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয়। নথিতে ঘাটতি থাকলে এনভিসি অতিরিক্ত কাগজপত্র বা সংশোধনের নির্দেশনা দিতে পারে। সরকারি নির্দেশনায় আলাদাভাবে বলা না থাকলে মূল কাগজপত্র ডাকযোগে পাঠানোর প্রয়োজন হয় না।
এনভিসি নথিপত্র পর্যালোচনা করে সবকিছু গ্রহণযোগ্য পেলে আবেদনকারীকে জানায় যে তাঁর কেস নথির দিক থেকে সম্পূর্ণ। তবে এরপরও সাক্ষাৎকারের জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। ভিসার ধরন, ভিসা নম্বরের প্রাপ্যতা এবং সংশ্লিষ্ট দূতাবাস বা কনস্যুলেটের অ্যাপয়েন্টমেন্টের ওপর সাক্ষাৎকারের সময় নির্ভর করে।
পাঠকের পাঠানো একটি চিঠির তারিখ ১১ অক্টোবর ২০২৩। তাই শুধু ওই চিঠি দেখে আবেদনটির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আবেদনকারীকে সিইএসি-তে কেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে এবং এনভিসির সর্বশেষ বার্তা ও নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজন হলে এনভিসির নির্ধারিত যোগাযোগব্যবস্থায় যোগাযোগ করা যেতে পারে।
এ ছাড়া কেস নম্বর, ইনভয়েস আইডি ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদে রাখা জরুরি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চিঠির ছবি প্রকাশের সময় এসব তথ্য ও বারকোড আড়াল করা উচিত। ভিসা নিশ্চিত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ দাবি করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, কেস খোলার চিঠি পাওয়া ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়। পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে ভিসার ধরন, আবেদনের বর্তমান অবস্থা ও সরকারি নির্দেশনার ওপর।




