ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

নবম পে স্কেল: পেনশনের হারে বড় পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক

  ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
ছবি সংগৃহীত

নতুন পে-স্কেলে শুধু কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নয়, অবসরভোগীদের পেনশনেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। কম পেনশন পাওয়া অবসরভোগীদের জন্য বৃদ্ধির হার রাখা হয়েছে তুলনামূলক বেশি।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

নতুন ব্যবস্থায় পেনশনযোগ্য চাকরিকাল পাঁচ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে।

পাঁচ বছর চাকরি হলে পেনশনের হার হবে মূল বেতনের ২১ শতাংশ। এরপর প্রতি বছর চাকরিকালের সঙ্গে পেনশনের হার বাড়বে। ১০ বছর চাকরিতে হার ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ। এছাড়া ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ ও ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ পেনশন পাওয়া যাবে। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধায় নতুন হিসাব নির্ধারণ করেছে সরকার। এতে বলা হয়, ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার ১ থেকে ২০ হাজার টাকায় ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ থেকে ৩০ হাজার টাকায় ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ থেকে ৪০ হাজার টাকায় ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধির বিধান করা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ নিট পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ হাজার ২০০ টাকা। অর্থাৎ যাদের পেনশন তুলনামূলক কম, তাদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার বেশি। অন্যদিকে বেশি পেনশন পাওয়া অবসরভোগীদের ক্ষেত্রে শতাংশের হার কম হলেও নির্ধারিত সীমার মধ্যে তাদের নিট পেনশন বাড়বে।

অর্থ বিভাগের ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এ অবসরভোগীদের জন্য এসব বিধান রাখা হয়েছে। আদেশটি ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। নতুন কাঠামোয় ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পাওয়া নিট পেনশনকে ভিত্তি ধরে বৃদ্ধির হিসাব করা হবে। এ হিসাবে ৯ হাজার টাকা নিট পেনশন পাওয়া কেউ নতুন কাঠামোয় ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন। আবার ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া অবসরভোগীদের জন্য সর্বোচ্চ সীমা ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে কেউ এই সীমার বেশি নিট পেনশন পেয়ে থাকলে ১ জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত তার বিদ্যমান নিট পেনশন বহাল থাকবে।

বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকার ২৯ শতাংশ: আইএমএফ
বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার প্রায় ২৯ শতাংশ। এছাড়া, উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের প্রায় অর্ধেক এমন কাজে নিয়োজিত, যেখানে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পুরোপুরি ব্যবহার হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশের তরুণদের সামগ্রিক বেকারত্বের হার ১২ থেকে ১৩ শতাংশের মধ্যে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অক্টোবর ২০২৬-এর ‘রিজিওনাল ইকোনমিক আউটলুক: এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ প্রতিবেদনে এসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এশিয়ার শ্রমবাজারের চ্যালেঞ্জ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (কিউএসএনসিসি) প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের তরুণদের সামগ্রিক বেকারত্বের হার ১২ থেকে ১৩ শতাংশের মধ্যে। তবে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ২৮ থেকে ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে। অর্থাৎ, উচ্চশিক্ষা অর্জন করেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক তরুণ কর্মসংস্থান পাচ্ছেন না। আবার যারা কাজ পাচ্ছেন, তাদের অনেকেই নিজেদের যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পদে নিয়োজিত হতে পারছেন না। যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ নেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের প্রায় ৫০ শতাংশ এমন কাজে নিয়োজিত, যেখানে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার পূর্ণ ব্যবহার হচ্ছে না। ফলে উচ্চশিক্ষা অর্জনের পরও অনেককে যোগ্যতার তুলনায় নিম্নমানের কাজে যুক্ত হতে হচ্ছে। শিক্ষাব্যবস্থা থেকে অর্জিত দক্ষতা এবং নিয়োগদাতাদের চাহিদার মধ্যে ব্যবধান এ সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা না থাকায় অনেক তরুণকে উপযুক্ত চাকরির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ কেউ নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন কাজ বেছে নিচ্ছেন। এ পরিস্থিতি শুধু শিক্ষিত তরুণদের কর্মসংস্থানের সংকটই নয়, মানবসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে। উচ্চশিক্ষায় বিনিয়োগের পরও কর্মীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা উৎপাদনশীল কাজে পুরোপুরি ব্যবহার করা না গেলে অর্থনীতিতে তার সুফল সীমিত হয়ে পড়ে। অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের আধিক্য বাংলাদেশের শ্রমবাজারে অনানুষ্ঠানিক খাতের আধিপত্যও বড় দুর্বলতা। বিশেষ করে কৃষিসহ বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডে কর্মসংস্থানের ওপর নির্ভরতা বেশি। এসব কাজে নিয়মিত চুক্তি, চাকরির নিরাপত্তা এবং পেশাগত উন্নতির সুযোগ সীমিত। ফলে কর্মসংস্থানে যুক্ত থাকলেও অনেক শ্রমিকের আয় ও কর্মপরিবেশ অনিশ্চিত থেকে যায়। প্রচলিত বেকারত্বের হিসাব দিয়ে শ্রমবাজারের এই বাস্তবতা পুরোপুরি বোঝা যায় না। কারণ, কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলেই যে একজন কর্মী তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করছেন কিংবা নিরাপদ কর্মসংস্থান পেয়েছেন, তা নয়। বাড়ছে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সামনে জনসংখ্যার কাঠামোগত পরিবর্তন বড় সুযোগ তৈরি করছে। আইএমএফের প্রতিবেদনে দেওয়া প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ বাড়বে। এই বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করা গেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে উৎপাদনশিল্প ও সেবা খাতে উচ্চ উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান বাড়াতে পারলে জনমিতিক সুবিধা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। তবে বিপুলসংখ্যক তরুণের জন্য সময়মতো মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা না গেলে এই সম্ভাবনা কাজে লাগানো কঠিন হবে। প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব এবং উপযুক্ত কাজের সংকট দীর্ঘায়িত হলে তরুণদের মধ্যে হতাশা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা ও প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এআই যুগে নতুন চ্যালেঞ্জ এশিয়ার শ্রমবাজারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার কর্মসংস্থানের ধরন ও প্রয়োজনীয় দক্ষতায় পরিবর্তন আনছে। আইএমএফের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এআইয়ের প্রভাব বেশি এমন পেশাগুলোতে নিয়োগের চাহিদা তুলনামূলক কম প্রভাবিত পেশাগুলোর চেয়ে প্রায় ১০ শতাংশ কমেছে। তবে এআই-সংক্রান্ত দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের চাহিদা বাড়ছে। এ পরিবর্তন বাংলাদেশের মতো তরুণ জনগোষ্ঠীনির্ভর অর্থনীতির জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে শ্রমিকদের দক্ষতা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে কর্মসংস্থানের বিদ্যমান সংকট আরও জটিল হতে পারে। বিপরীতে, প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারলে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাজের সুযোগও তৈরি হতে পারে। আইএমএফের প্রতিবেদনে এশিয়ার শ্রমবাজারের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে প্রশ্নগুলো সামনে এসেছে, তার মধ্যে রয়েছে— ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান কোথায় সৃষ্টি হবে, কর্মীরা প্রয়োজনীয় দক্ষতা কীভাবে অর্জন করবেন এবং শ্রমবাজার এআইনির্ভর পরিবর্তনের সঙ্গে কীভাবে খাপ খাওয়াবে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই চ্যালেঞ্জের গুরুত্ব আরও বেশি। কারণ, একদিকে বিপুলসংখ্যক তরুণের জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে, অন্যদিকে উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের দক্ষতা ও যোগ্যতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে রূপ দিতে হলে শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়নের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বাংলাদেশে শিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকার ২৯ শতাংশ: আইএমএফ
পেট্রোবাংলায় ৭৫৩ পদে নিয়োগ
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। পেট্রোবাংলা এবং এর আওতাধীন ১২টি কোম্পানিতে নবম ও দশম গ্রেডের ১৯ ক্যাটাগরিতে ৭৫৩ জন কর্মকর্তা নেওয়া হবে। আবেদন শুরু হবে ১৮ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৭ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ১. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ৯৭টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ২. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (আইন) ৬টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৩. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (অর্থ) ৬৩টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৪. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রকৌশল); মেকানিক্যাল ৭৪টি, ইলেকট্রিক্যাল ৪৯টি, সিভিল ৪০টি, সিএসই/আইটি ২৫টি, কেমিক্যাল ২৭টি, পেট্রোলিয়াম ১৪টি, আইপিই ৮টি, মেটালার্জি/এমএমই ৭টি, ইলেকট্রনিকস ২টি, অটোমোবাইল ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৫. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (জিওলজি) ১২টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৬. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (জিওফিজিকস) ২টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৭. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (জিওকেমিক্যাল) ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৮. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (কেমিস্ট্রি) ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ৯. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (এনভায়রনমেন্ট) ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ১০. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (চিকিৎসা) ১৫টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ১১. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ডিলার ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ১২. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী ব্যবস্থাপক (কারিগরি) ১১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৪৪,০০০-১,০৫,৯০০ টাকা। ১৩. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী কর্মকর্তা (প্রশাসন) ৭৩টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। ১৪. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী কর্মকর্তা (আইন) ৪টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। ১৫. পদের নাম ও সংখ্যা: অ্যাসিস্ট্যান্ট লাইব্রেরিয়ান ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। ১৬. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী কর্মকর্তা (অর্থ) ৫৩টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। ১৭. পদের নাম ও সংখ্যা: উপসহকারী প্রকৌশলী; মেকানিক্যাল ৫৬টি, ইলেকট্রিক্যাল ৩২টি, সিভিল ৩১টি, কম্পিউটার/আইটি ৮টি, ইলেকট্রনিকস ৩টি, অটোমোবাইল ৯টি, কেমিক্যাল ৫টি, পাওয়ার ৫টি, টেলিকম ১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। ১৮. পদের নাম ও সংখ্যা: ট্রেইনি ডিলার ৪টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। ১৯. পদের নাম ও সংখ্যা: সহকারী কর্মকর্তা (কারিগরি)/উপসহকারী কারিগরি কর্মকর্তা ১১টি, (গ্রেড-৯) বেতন স্কেল: ৩২,০০০-৭৭,৩০০ টাকা। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: পদভেদে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিন্নতা রয়েছে। বয়সসীমা: ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ ৩২ বছর। আবেদন ফি: সকল পদের আবেদন ফি টেলিটক সার্ভিস চার্জসহ মোট ২২৩ টাকা। তবে সকল গ্রেডের পদের ক্ষেত্রে অনগ্রসর শ্রেণির (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের) প্রার্থীদের আবেদন ফি টেলিটক সার্ভিস চার্জসহ মোট ৫৬ টাকা। আবেদনের নিয়ম: পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা লিংকে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময়: ১৭ নভেম্বর ২০২৬, বিকেল ৫টা। শুধু ইউজার আইডিপ্রাপ্ত প্রার্থীরা ওই সময়ের পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত (অর্থাৎ ২০ নভেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেল ৫টা পর্যন্ত) ফি জমা দিতে পারবেন। সূত্র: বিজ্ঞপ্তি
পেট্রোবাংলায় ৭৫৩ পদে নিয়োগ
বিটিভিতে লোভনীয় চাকরির অফার, আবেদন করবেন যেভাবে
সংবাদ উপস্থাপক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)। সরকারি মালিকানাধীন টেলিভিশন চ্যানেলটিতে বাংলা ও ইংরেজি সংবাদ উপস্থাপনার জন্য আবেদনপত্র গ্রহণ করা হচ্ছে। গতকাল রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেলিভিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদনের সময়সীমা: আবেদনের শেষ তারিখ ৭ অক্টোবর ২০২৬। আবেদন প্রক্রিয়া: ছবিযুক্ত জীবন-বৃত্তান্তসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে উপ-মহাপরিচালক (বার্তা), বাংলাদেশ টেলিভিশন, সদর দপ্তর ভবন, রামপুরা, ঢাকা-১২১৯ ঠিকানায়। এছাড়া ইমেইলে newsaudition@btv.gov.bd ঠিকানায় অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01332125138 নম্বরেও পাঠানো যাবে আবেদনপত্র।
বিটিভিতে লোভনীয় চাকরির অফার, আবেদন করবেন যেভাবে
অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো (পে-স্কেল) অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা জারি করেছে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীরা একসঙ্গে প্রায় তিন মাসের এরিয়ার বা বকেয়া বেতন তুলতে পারবেন। অর্থ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের এই বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হবে সমন্বিত বাজেট ও হিসাবরক্ষণ পদ্ধতি ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ (iBAS++)-এর পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে। চাকরিজীবীদের নির্দিষ্ট পোর্টালে প্রবেশ করে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মতারিখ, বর্তমান পদবি, গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনের সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে হবে। এর পাশাপাশি আগে কোনো পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড কিংবা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে তার পক্ষে থাকা অফিস আদেশের নথিপত্র প্রস্তুত রেখে তথ্য সঠিকভাবে মেলাতে হবে। কোনো কারণে এনআইডি না থাকলে চাকরির নথিতে থাকা তথ্য হালনাগাদ করে আবেদন সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনলাইনে তথ্য এন্ট্রির পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবে। তথ্যে কোনো গরমিল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ থাকবে। বেতন নির্ধারণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে অর্থ বিভাগের ‘এসপিএফএমএস’ কর্মসূচির আওতায় বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক (ডিসিএ), জেলা ও উপজেলা হিসাব কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হলেই নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়মিত বেতন বিল ও বকেয়া পাওনার হিসাব তৈরি হবে। দীর্ঘ ১১ বছরের ব্যবধানে গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকার নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের মধ্যে মোট তিনটি ধাপে এই মূল বেতন কার্যকর হবে। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে বিদ্যমান মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন সমন্বয় করা হবে। প্রথম ধাপে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পার্থক্যের ৭০ শতাংশ কার্যকর হবে এবং ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন পাবেন চাকরিজীবীরা। চলতি অর্থবছরে মূল বেতনের এই বর্ধিত অংশ পরিশোধে সরকারের পক্ষ থেকে ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে নতুন কাঠামোর বিভিন্ন ভাতার অংশটি ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এদিকে নতুন বেতন আদেশে পদোন্নতিহীন সন্তোষজনক চাকরির আট বছর পূর্তিতে প্রথম উচ্চতর গ্রেড এবং পরবর্তী ছয় বছর পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। তবে অতীতে একই পদে একাধিকবার টাইম স্কেল বা সিলেকশন গ্রেড নেওয়া কর্মীদের নতুন কাঠামোয় সমন্বয় নিয়ে কিছু জটিলতা দেখা দিয়েছে, যা অর্থ বিভাগ নিরসন করছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অতীতে একই পদে একাধিক উচ্চতর সুবিধা পেয়ে থাকলে নতুন কাঠামোয় আর কোনো সুবিধা মিলবে না; তবে একটি উচ্চতর স্কেল পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্ণ হলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হবেন। আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এসব ইতিহাস সঠিকভাবে যাচাই করেই প্রত্যেকের বকেয়া ও নতুন বেতনের চূড়ান্ত হিসাব নিষ্পত্তি করা হবে।
অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
জার্মানিতে সাড়ে ৬ লাখ দক্ষ কর্মীর চাকরির সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে
দক্ষ পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ রয়েছে জার্মানিতে। বর্তমানে দেশটিতে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার পদ খালি রয়েছে, যা দেশটিতে ক্যারিয়ার গড়া এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করা ব্যক্তিদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ। সম্প্রতি দুবাইয়ের দুসিত থানি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘গালফ নিউজ লেভেলআপ’ সম্মেলনের এক ফায়ারসাইড চ্যাটে ওয়াই-অ্যাক্সিসের ডিরেক্টর ক্লিন্ট খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) প্রায় ৩০ লাখ শূন্য পদ রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজারই রয়েছে জার্মানিতে, যা পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাহিদার প্রায় ২৫ শতাংশ। এটিই প্রমাণ করে জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের চাহিদা কতটা ব্যাপক।’ দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য জার্মানিতে প্রবেশের অন্যতম একটি মাধ্যম হলো ‘অপরচুনিটি কার্ড’। এটি মূলত চাকরি খোঁজার জন্য একটি রেসিডেন্স পারমিট, যার মাধ্যমে ইইউ-বহির্ভূত দেশের নাগরিকরা আগে থেকে কোনও চাকরির চুক্তি না থাকা সত্ত্বেও যোগ্য কোনও কাজ খোঁজার জন্য ১২ মাস পর্যন্ত জার্মানিতে অবস্থান করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, ‘অপরচুনিটি কার্ড আপনাকে জার্মানিতে গিয়ে চাকরি খোঁজার সুযোগ দিচ্ছে। শুরুতে আপনি খণ্ডকালীন বা পার্ট-টাইম কাজ করতে পারেন। পরবর্তীতে কোনও পূর্ণকালীন চাকরি পেয়ে গেলে এবং নিয়োগকর্তা স্পন্সর করতে রাজি হলে, আপনি তা নির্দিষ্ট ওয়ার্ক পারমিটে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।’ আবেদন করতে পারবেন যারা আবেদনকারীরা মূলত পয়েন্টভিত্তিক পদ্ধতির মাধ্যমে অথবা জার্মানিতে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বিদেশি শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন দক্ষ কর্মী হিসেবে এই কার্ডের জন্য যোগ্য বিবেচিত হতে পারেন। পয়েন্ট পদ্ধতির ক্ষেত্রে আবেদনকারীর একটি স্বীকৃত একাডেমিক বা ভোকেশনাল ডিগ্রি, নিজের খরচ চালানোর মতো পর্যাপ্ত অর্থ এবং নির্ধারিত পয়েন্ট থাকা আবশ্যক। পেশাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা, বয়স ও ভাষা দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এই পয়েন্ট দেয়া হয়। ক্লিন্ট খান উল্লেখ করেন, ‘যেসব পেশাজীবী উপযুক্ত চাকরি নিশ্চিত করতে পারেন, তাদের জন্য জার্মানিতে স্থায়ী হওয়ার আরেকটি মাধ্যম হলো ইইউ ব্লু কার্ড। নির্ধারিত বেতনের শর্ত পূরণকারী যোগ্য চাকরির অফার থাকা উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের লক্ষ্য করেই এটি প্রণয়ন করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘ব্লু কার্ড পারমানেন্ট রেসিডেন্সির পথ সুগম করে। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, এর ধারকরা নির্দিষ্ট শর্তপূরণ সাপেক্ষে ২৭ মাস পর স্থায়ীভাবে বসবাসের পারমিট পেতে পারেন। আর বি-১ (B1) লেভেলের জার্মান ভাষা দক্ষতা থাকলে মাত্র ২১ মাসের মধ্যেই এই সুযোগ পাওয়া সম্ভব।’
জার্মানিতে সাড়ে ৬ লাখ দক্ষ কর্মীর চাকরির সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে
আরও পড়ুন
‘পে-স্কেলের বেতন-ভাতার দাবিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আল্টিমেটাম’
পে স্কেল নিয়ে সুখবর, আওতায় আসছে আরও যেসব প্রতিষ্ঠান
পে-স্কেল বাস্তবায়নে ব্যাংক থেকে আরও ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
জানা গেল শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে
X