
গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রতিষ্ঠার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় চীনা দূতাবাস আয়োজিত জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা অংশ নিয়েছেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও জোরদার ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশ চীনকে অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করে। দুই দেশের সম্পর্ক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত। বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আফতাব আহমেদসহ বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেক কাটার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়।
এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ সময় তিনি চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের হাতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠি তুলে দেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, রফিকুল ইসলাম খান এমপি, মাওলানা আবদুল হালিম, মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন চীন-বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।




