
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় বিএনপির কোনো রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তার দাবি, নিউ গিনি প্রপার্টিজে লিমিটেডের জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
রাশেদ খান লেখেন, ‘নিউ গিনি প্রোপার্টিজ সংলগ্ন সাবেক কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার ২৩ কাঠা জমি রয়েছে। এর মধ্যে আট কাঠা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সাবেক কর্মকর্তাদের অভিযোগ, নিউ গিনি প্রপার্টিজে মালিক নাজিম উদ্দীন প্রভাব বিস্তার করে ওই জমি দখল করেছেন।
রাশেদ খানের দাবি, সম্প্রতি নাজিম উদ্দীনের কাছ থেকে পাঁচ হাজার বর্গফুট জায়গা ভাড়া নিয়ে স্টুডিও করেন সালমান মুক্তাদির। পরে নাজিম উদ্দীন এমনভাবে তিনটি নতুন গেট স্থাপন করেন, যাতে অন্য জমির মালিকরা ভেতরে প্রবেশ করতে না পারেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সাবেক কর্মকর্তারা লোকজন নিয়ে গেট ভাঙতে গেলে ভুলবশত সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লেখেন, ‘এটা অনাকাঙ্ক্ষিত।
সরকারি সাবেক কর্মকর্তা হিসেবে তারা আইনের আশ্রয় নিতে পারতেন, তা না করে পাল্টা পেশিশক্তি দেখাতে গিয়ে পুরোপুরি বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে দিয়েছে।’
তিনি আরো লেখেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে পরে যারা ইসলামী ব্যাংক দখল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সম্পদ নিজেদের দাবি করে দখল করা শুরু করেছিল তারাই আজকে সব ঘটনায় বিএনপিকে দোষারোপ করে ভিলেন বানাতে অপচেষ্টা করে যাচ্ছে।’
রাশেদ খান লেখেন, ‘সালমান মুক্তাদিরের উচিত ছিল পুরো ঘটনা জেনে তারপর মন্তব্য করা। কিন্তু তিনি সব পক্ষের সঙ্গে কথা না বলে বিএনপির লোকজনকে চাঁদা দেয়নি বলে স্টুডিও ভেঙেছে মর্মে বক্তব্য দিলেন! আশা করি, এবার তিনি সত্যতা তুলে ধরবেন।’




