ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

তাফসির মাহফিলের অনুমতি না দেয়ার কারণ জানতে চাইলেন আমির হামজা

অনলাইন ডেস্ক

  ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ এএম

রাজশাহীতে তাফসির মাহফিলের অনুমতি না দেয়ার ঘটনায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা। ধর্মীয় মাহফিলের অনুমতি প্রত্যাখ্যানের পেছনে কী আইনি ও সুনির্দিষ্ট কারণ রয়েছে, তা জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তার নিজের ফেসবুকে দেয়া এক বক্তব্যে আমির হামজা বলেন, নিরাপত্তার কোনো বাস্তব উদ্বেগ থাকলে প্রশাসনের উচিত তা যথাযথভাবে ব্যাখ্যা করা। তবে অস্পষ্ট অভিযোগ বা অজুহাতে ধর্মীয় সমাবেশের অধিকার সীমিত করা হলে সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাজনীতি কি কোরআনের বাইরে? রাষ্ট্র, সমাজ, সুশাসন, দুর্নীতি, জুলুম ও মানুষের অধিকার নিয়ে আলোচনা করা কি ইসলামী শিক্ষার পরিপন্থী?

আমির হামজা বলেন, পবিত্র কোরআন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, অন্যায় থেকে বিরত থাকা, জুলুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া এবং মানুষের অধিকার রক্ষার শিক্ষা দেয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের অসংগতি নিয়ে আলোচনা কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদকে রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবে বিবেচনা করা হলে তার জবাব যুক্তি ও নীতির ভিত্তিতে দেয়া উচিত। কিন্তু রাজনৈতিক বক্তব্যের অভিযোগ তুলে তাফসির মাহফিলের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্ত কেন নেয়া হয়েছে, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও মানুষের অধিকার নিয়ে আলোচনার সুযোগ থাকা উচিত। ধর্মীয় আলোচনা ও রাষ্ট্রের নীতি নিয়ে মতপ্রকাশের মধ্যে পার্থক্য কোথায়, সেটিও স্পষ্ট করা দরকার।

বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সময় ধর্মীয় বক্তাদের বক্তব্য ও মাহফিল ঘিরে বাধা এবং বিধিনিষেধের অভিযোগের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন আমির হামজা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় অধিকার এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু রাজশাহীর এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে—সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মানসিকতা ও পদ্ধতিতেও পরিবর্তন এসেছে কি না।

আমির হামজা বলেন, তার বক্তব্য কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য নয়; বরং ধর্মীয় আলোচনা, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলার সুযোগ সবার জন্য সমান কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর চাওয়ার জন্য।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের সামনে মাহফিলের অনুমতি না দেয়ার সিদ্ধান্তের যথাযথ ব্যাখ্যা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজশাহীর গোদাগাড়িতে মুফতি আমির হামজার তাফসির মাহফিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসনের অনুমতি না মেলায় তাফসির কমিটি তা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুজিবুর রহমানের।

এক ভিডিও বার্তায় মুজিবুর রহমান বলেন, ধর্মীয় আলোচনা এবং তাফসীর মাহফিল যেভাবে বন্ধ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনি। আশা করব, সরকার সচেতনভাবে প্রশাসনকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি যে সরকারের বিভিন্ন জায়গায় ফ্যাসিস্ট সরকারের মতোই বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এবং গণতান্ত্রিক অনুষ্ঠান করতে বাধা দিচ্ছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের মত যারা আচরণ করছে তাদেরকে সরকার দায়িত্ব থেকে অপসারিত করে গণতান্ত্রিক মন মানসিকতা পোষণ করেন এমন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব রাখবে।

যে কারণে নুসরাতের ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে বিতর্কের মুখে পড়েন ইশরাক হোসেন। এ প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। এমন ঘোষণার পর ‘ক্ষমতা’ নিয়ে মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি উদ্ধৃতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন তার স্ত্রী ব্যারিস্টার নুসরাত খান। যা ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ৩৪ মিনিটে দেওয়া ওই পোস্টে নুসরাত খান লেখেন, “Power properly understood is nothing but the ability to achieve purpose. It is the strength required to bring about social, political and economic change.” বাংলায় এর অর্থ দাঁড়ায়, “যথাযথভাবে বুঝলে ক্ষমতা হলো লক্ষ্য অর্জনের শক্তি। এটা সেই শক্তি, যা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার জন্য প্রয়োজন।” এদিকে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নুসরাতের পোস্টে প্রায় ২৩ হাজার রিঅ্যাকশন ও ৮০০ কমেন্টস পড়েছে। এ ছাড়া পোস্টটি প্রায় ৪০০ শেয়ার হয়েছে।  
যে কারণে নুসরাতের ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
যে ৮ কৌশলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ডলার কামান কনটেন্ট ক্রিয়েটররা!
ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ করেও অনেক সময় প্রত্যাশিত সাড়া পান না কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। এর পেছনে থাকতে পারে সঠিক পরিকল্পনার অভাব, অডিয়েন্সের পছন্দ সম্পর্কে অস্পষ্ট ধারণা কিংবা উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করতে না পারা। তাই এসব প্ল্যাটফর্মে সফল হতে হলে শুধু নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ করলেই হবে না, বরং দর্শকদের আগ্রহ বুঝে কার্যকর কৌশলও গ্রহণ করতে হবে। কনটেন্ট প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাজ শুরুর আগে কনটেন্ট প্রকাশের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করা জরুরি। অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানো, মনিটাইজেশনের মাধ্যমে আয় করা, ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরি কিংবা পণ্য ও সেবার প্রচার—লক্ষ্য হতে পারে একাধিক। উদ্দেশ্য নির্ধারণের পর নিজের আগ্রহ, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কনটেন্টের বিষয় নির্বাচন করতে হবে। এতে পরিকল্পিতভাবে কনটেন্ট তৈরি ও প্রকাশ করা সহজ হবে। অডিয়েন্সের পছন্দ ও আগ্রহ বুঝুন কাদের জন্য কনটেন্ট তৈরি করছেন, সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। দর্শকদের বয়স, পেশা, অবস্থান, আগ্রহ ও অনলাইন ব্যবহারের ধরন বিশ্লেষণ করে তাদের চাহিদা বোঝা যায়। ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকের অ্যানালিটিকস সুবিধা ব্যবহার করে অনুসারীদের বৈশিষ্ট্য, পোস্টে প্রতিক্রিয়া এবং ভিডিও দেখার প্রবণতা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া সম্ভব। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে দর্শকদের পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্টের বিষয় ও উপস্থাপনায় পরিবর্তন আনা যেতে পারে। কনটেন্টের ভাষা ও উপস্থাপনা নির্ধারণ করুন দর্শকদের কাছে স্বতন্ত্র পরিচিতি তৈরি করতে কনটেন্টের ভাষা ও উপস্থাপনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সহজ ও বন্ধুত্বপূর্ণ ভাষায় কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন, আবার কেউ তথ্যনির্ভর ও পেশাদার উপস্থাপনাকে প্রাধান্য দিতে পারেন। নিজের কাজের ধরন ও লক্ষ্য অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট উপস্থাপনা রীতি অনুসরণ করলে দর্শকদের সঙ্গে পরিচিতি ও আস্থার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম ও কনটেন্ট বেছে নিন সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একসঙ্গে সক্রিয় থাকার প্রয়োজন নেই। বরং নিজের কনটেন্টের ধরন ও লক্ষ্য দর্শকদের উপস্থিতি বিবেচনা করে উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন করা উচিত। যেমন, দীর্ঘ ভিডিওর জন্য ইউটিউব, স্বল্পদৈর্ঘ্য ভিডিওর জন্য টিকটক ও ইনস্টাগ্রাম রিলস এবং বিভিন্ন ধরনের পোস্ট ও কমিউনিটি কার্যক্রমের জন্য ফেসবুক কার্যকর হতে পারে। প্ল্যাটফর্ম অনুযায়ী লেখা, ছবি, ইনফোগ্রাফিক, রিলস, স্টোরি কিংবা লাইভ ভিডিও তৈরির পরিকল্পনা করা যায়। প্রয়োজনে অন্য কনটেন্ট ক্রিয়েটর বা ইনফ্লুয়েন্সারের সঙ্গে যৌথভাবেও কাজ করা যেতে পারে। কনটেন্ট ক্যালেন্ডার তৈরি করুন নিয়মিত ও পরিকল্পিতভাবে কনটেন্ট প্রকাশের জন্য কনটেন্ট ক্যালেন্ডার কার্যকর একটি উপায়। এতে কোন দিন, কখন এবং কী ধরনের কনটেন্ট প্রকাশ করা হবে, তা আগেই নির্ধারণ করা যায়। পাশাপাশি বিশেষ দিবস, প্রচারণা, নতুন পণ্য বা সেবা চালুর সময়সূচি, ক্যাপশন, ছবি, ভিডিও ও হ্যাশট্যাগের পরিকল্পনাও রাখা যেতে পারে। এতে কনটেন্ট তৈরির কাজ গোছানো থাকে এবং অনিয়মিত পোস্ট প্রকাশের প্রবণতা কমে।    দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান শুধু কনটেন্ট প্রকাশ করে থেমে গেলে চলবে না, দর্শকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও বজায় রাখতে হবে। পোস্টে আসা মন্তব্যের উত্তর দেওয়া, প্রশ্নের সমাধান করা এবং পোল বা প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে দর্শকদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে। একই সঙ্গে দর্শক বা গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা, ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার মাধ্যমে কনটেন্টকে আরও বিশ্বাসযোগ্য ও আকর্ষণীয় করে তোলা সম্ভব। এতে দর্শকদের সম্পৃক্ততা বাড়তে পারে। প্রাসঙ্গিক ট্রেন্ড অনুসরণ করুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় গান, চ্যালেঞ্জ, মিম ও ভিডিওর বিভিন্ন ধরন নিয়মিত ট্রেন্ডে পরিণত হয়। প্রাসঙ্গিক ট্রেন্ড কাজে লাগালে নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে শুধু জনপ্রিয়তার জন্য যেকোনো ট্রেন্ড অনুসরণ করা ঠিক নয়। বরং নিজের কনটেন্টের বিষয়, ব্র্যান্ড পরিচিতি ও দর্শকদের আগ্রহের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ট্রেন্ড বেছে নেওয়া উচিত। কনটেন্টের পারফরম্যান্স নিয়মিত বিশ্লেষণ করুন কোন ধরনের কনটেন্টে বেশি লাইক, মন্তব্য ও শেয়ার পাওয়া যাচ্ছে, কোন ভিডিও বেশি দেখা হচ্ছে এবং কোন পোস্টের মাধ্যমে নতুন অনুসারী যুক্ত হচ্ছেন, তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের অ্যানালিটিকস সুবিধা ব্যবহার করে এসব তথ্য বিশ্লেষণ করা যায়। ফলাফল থেকে কোন ধরনের কনটেন্ট বেশি কার্যকর হচ্ছে, তা শনাক্ত করে প্রকাশের সময়, উপস্থাপনা ও বিষয়বস্তুতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব।
মশিউর অর্ণব
ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যজনক পোস্ট
সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের স্ত্রী ব্যারিস্টার নুসরাত খান নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ক্ষমতা ও সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে তিনি মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরেছেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) নুসরাত খানের দেওয়া পোস্টের বাংলা অর্থ, ‘ক্ষমতাকে যথাযথভাবে বুঝলে তা হলো লক্ষ্য অর্জনের সক্ষমতা। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনতে যে শক্তির প্রয়োজন, ক্ষমতা মূলত সেটিই।’ ব্যারিস্টার নুসরাত খানের এই পোস্টে ক্ষমতার প্রকৃত অর্থ এবং সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে এর ভূমিকার বিষয়টি উঠে এসেছে। উদ্ধৃতিটির সাথে ইশরাক হোসেনের একটি ছবি যুক্ত করেছেন।  
ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যজনক পোস্ট
মুসলিমদের পূজায় যাওয়া যাবে কি? যা বললেন আহমাদুল্লাহ
বর্তমান সময় অনেক মুসলিমকে সনাতন ধর্ম হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজামণ্ডপে বা উপাসনালয়ে দেখা যায়। এ বিষয়ে এবার মতামত দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন অসাম্প্রদায়িকতা প্রমাণ করতে মুসলিমরা কি পূজায় যেতে পারবেন? জবাবে আহমাদুল্লাহ বলেন, মুসলমানদের যদি কেউ এমনটা করেন, সে ক্ষেত্রে তার ঈমান বিরোধী ও পরিপন্থি কাজ হবে। আপনি যা বিশ্বাস করেন না, তা করছেন। তিনি বলেন, এটি এক ধরনে আত্মপ্রচারণার শামিল।  একজন মুসলিমের চিন্তা অনেক উদার থাকবে, সবাইকে তিনি আপনভাবে রাখবেন, তার মানে এই না যে, আপনি অতি উদার সাজতে গিয়ে পূজায় চলে যাবেন।  তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন হাদিস থেকে জানা যায়, যদি কোনো জাতির দল ভারি করতে তাদের ভেতরে চলে যায়, তাহলে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এটা যাওয়া উচিৎ নয়। তাছাড়া শিরক যেখানে হয়, সেখানে আল্লাহর লানত বর্ষিত হয়। সেখানে যাওয়া মানে নিজেকে লানতের জায়গায় নিয়ে যাওয়া। এটা সমস্ত ওলামা কেরামের ঐকমত্যে না জায়েজ ও গোনাহর কাজ। অর্থাৎ অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সৌহার্দ্য ও প্রতিবেশীসুলভ আচরণ বজায় রাখা গেলেও ধর্মীয় উপাসনা বা শিরকপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ মুসলমানদের জন্য জায়েজ নই।
মুসলিমদের পূজায় যাওয়া যাবে কি? যা বললেন আহমাদুল্লাহ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলমের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। রোববার (১৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা লেখেন। পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘হাসনাত আবদুল্লাহকে সমন্বয়করা হাসিনার আবদুল্লাহ ডাকার সূত্রপাত হয়, ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে আবু সাইদ, ওয়াসিম আকরামসহ ৬ জন শহীদের জন্য আয়োজিত গায়েবানা জানাজা ও কর্মসূচিতে নারী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর বর্বর হামলার প্রতিবাদে রিফাত রশিদ একটা প্রতিবাদলিপি লিখে হাসনাত আব্দুল্লাহকে চেক করার জন্য দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকে।’ তিনি লেখেন, ‘ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে হাসনাত আব্দুল্লাহ সেই প্রতিবাদলিপির শেষের দিকে যুক্ত করে দেয় যে, ‘আলোচনার দরজা খোলা আছে’। এমনকি সমন্বয়কদের কারও সাথে আলোচনা না করে সেটি আবার ফেসবুকে পোস্টও করে দেয়। এনিয়ে সমন্বয়কদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা এক পর্যায়ে হাসনাত আব্দুল্লাহ স্বীকার করে যে, ডিজিএফআইয়ের পরামর্শে তিনি এ লাইন যুক্ত করেছেন।’   তিনি আরও লেখেন, ‘১০ জুলাই কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পর ৩ দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করার জন্য ঢাবির তৎকালীন সহকারী প্রক্টর, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রহিম স্যারের সাথে বসে ডিজিএফআইয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রেস নোটও হাসনাত-সারজিস লিখে ফেলেছিল। কিন্তু শাহবাগে হাসনাত-সারজিস উপস্থিত হওয়ার পর অন্যান্য সমন্বয়করা রাজি না হওয়ায় আন্দোলন স্থগিত ঘোষণার মতো সাহস দেখাতে পারেনি এ দুই জুলাই গাদ্দার।’ এ নেতা লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে এভাবে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে... ১৯ জুলাই শহীদের রক্ত মারিয়ে আ.লীগের মন্ত্রীদের সাথে বৈঠক কিংবা নাহিদ-আসিফ গুম হওয়ার পরে ডিজিএফআইয়ের গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো ও ডিবি হেফাজতে পুকুরপাড়ে বসে জুস খাওয়া সেই হাসিনার আব্দুল্লাহ যখন ৬১ দিন গুম ও দীর্ঘদিন নির্বাসিত থাকা জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে শুধুমাত্র  'সালাউদ্দিন সম্বোধন করে , ' বিএনপিই কিছুদিন পর সালাউদ্দিনের বিচার করবে' বলে গালমন্দ করে, তখন বলতে হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি ও শেখ হাসিনার পতনের ক্ষোভ থেকে শেখ হাসিনার দ্বারা গুম হওয়া একজন নেতা সম্পর্কে ওরা এ আক্রোশ লালন করতে পারে।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরতে পরতে হাসনাত-সারজিসের গাদ্দারি খুঁজে পাওয়া যাবে: রাশেদ খাঁন
আরও পড়ুন
আমির হামজার মাহফিলে ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’ বন্ধে স্মারকলিপি
কক্সবাজারে আগুন: যে কারণে প্রশংসায় ভাসছেন অটোচালক আমির হামজা!
দেবাশীষের মেয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন এমপি আমির হামজা
X