ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দিলো উত্তর কোরিয়া

অনলাইন ডেস্ক

  ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
ছবি সংগৃহীত

এশিয়ান গেমসের বাংলাদেশকে ১০-০ গোলে হারিয়ে দাপুটে জয় পেয়েছে উত্তর কোরিয়া। সোমবার জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধেই সাতবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় উত্তর কোরিয়ার মেয়েরা।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদকের অন্যতম ফেভারিট উত্তর কোরিয়া। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে দলটি। উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক আক্রমণ সামলাতে পারেনি বাংলাদেশের রক্ষণ।

বিরতির আগেই সাত গোল হজম করায় ম্যাচের ফল কার্যত নির্ধারিত হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার কমায়নি উত্তর কোরিয়া। এ সময় দলের হয়ে আরও গোল করেন জাপানে জন্ম ও বেড়ে ওঠা স্ট্রাইকার রি সং-আ।

মাঠের বাইরেও উত্তর কোরিয়ার সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। লাল পোশাক পরা কয়েক শ সমর্থক ম্যাচজুড়ে নেচে-গেয়ে নিজেদের দলকে উৎসাহ দিয়েছেন।

আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর নাগোয়া-আইচিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এবারের এশিয়ান গেমস। আসরে উত্তর কোরিয়া ১৪টি ক্রীড়া ইভেন্টে শতাধিক ক্রীড়াবিদ পাঠিয়েছে।

বার্সা কোচ বললেন, ‘লামিন ইয়ামালই বিশ্বের সেরা’
লামিন ইয়ামালের জাদুকরী পারফরম্যান্সে ডানা মেলে উড়ছে বার্সেলোনা। ১০ জনের রিয়াল বেতিসকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়ে স্পর্শ করেছে রিয়াল মাদ্রিদের বহু পুরনো এক রেকর্ড। ম্যাচ শেষে ১৮ বছর বয়সী এই উইঙ্গারকে সংসংকোচে ‘বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বার্সা কোচ হানসি ফ্লিক। সেভিয়ার লা কারতুহা স্টেডিয়ামে শনিবার রাতে স্প্যানিশ লা লিগায় টানা নবম জয়ের স্বাদ পেল কাতালানরা। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে টানা নয় জয় দিয়ে লিগ শুরুর রেকর্ড গড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। দীর্ঘ ৫৭ বছর পর সেই কীর্তিতে ভাগ বসাল বার্সেলোনা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত টানা ১১ ম্যাচ জিতল ফ্লিকের দল। এই পারফেক্ট জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়ে স্পষ্ট ৫ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান সুসংহত করল তারা। ম্যাচের দশম মিনিটেই একক নৈপুণ্যে চোখধাঁধানো এক গোলে বার্সাকে এগিয়ে নেন ইয়ামাল। ডি-বক্সের মুখে চমৎকার টার্নে ফাকুন্দো বের্নালকে চক্কর খাইয়ে বাঁকানো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান এই তরুণ। সংবাদ সম্মেলনে বার্সা কোচের মুখে তাই কেবলই ইয়ামাল-বন্দনা, ‘ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ম্যাচটি দারুণ রোমাঞ্চকর ছিল। ইয়ামালের প্রথম গোলটার কথা যদি বলেন—এক কথায় অবিশ্বাস্য! আমার চোখে এই মুহূর্তে সে-ই বিশ্বের সেরা।’ আক্রমণে ঝড় তুললেও বার্সার রক্ষণে অবশ্য বেশ কিছু ভুলভ্রান্তি ছিল। ২৯ মিনিটে বালেনতিন গোমেসের হেডে সমতায় ফিরে ম্যাচের আমেজ বদলে দেয় বেতিস। তবে বেতিসের আনন্দ বেশি সময় স্থায়ী হতে দেয়নি সফরকারীরা। কর্নার থেকে আসা বলে নিখুঁত হেডে বার্সাকে ফের এগিয়ে দেন রদ্রি। এর পরপরই জিওভানি লো সেলসো দূরপাল্লার শটে গোল করলেও আক্রমণের শুরুতে কুচো এরনান্দেসের হ্যান্ডবল হওয়ায় ভিএআরে তা বাতিল হয়। বিরতির পর খেলা শুরুর ছয় মিনিটের মাথায় ব্যবধান ৩-১ করেন গাব্রিয়েল জেসুস। ইয়ামালের নিখুঁত কাট-ব্যাক থেকেই বল পান এই ব্রাজিলিয়ান। তবে কয়েক মিনিটের মাথায় বেতিসের হয়ে এক গোল শোধ করে ম্যাচে নাটকীয়তা ফেরান এজ আবদে। তবে সমতায় ফেরার সে চেষ্টা ভেস্তে যায় বের্নালের এক বোকামিতে। ইয়ামালকে মাথা দিয়ে আঘাত করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন তিনি। এ নিয়ে মাঠজুড়ে উত্তেজনা ছড়ালে অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে ইয়ামালকেও হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া বেতিসকে চেপে ধরতে দেরি করেনি বার্সা। কাছ থেকে ব্যবধান ৪-২ করেন এরিক গার্সিয়া। আর শেষ দিকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নিপুণ শটে বড় জয় নিশ্চিত করেন দানি ওলমো। আগামী সপ্তাহে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে এল ক্লাসিকোর মহারণ। তার আগে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে ইয়ামাল যাতে নিষিদ্ধ না হন, তাই শেষ দিকে তাকে তুলে নেন ফ্লিক। ফ্লিক বলেন, ‘এমন পরিস্থিতিতে তাকে তুলে নেওয়াটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। তাকে বলেছি, তার আজকের খেলায় আমি অত্যন্ত গর্বিত।’ লা লিগায় জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার পর এবার ইউরোপ সেরার মঞ্চে নামছে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজির মুখোমুখি হবে তারা।
বার্সা কোচ বললেন, ‘লামিন ইয়ামালই বিশ্বের সেরা’
মেসি জাদুকরের আরেকটি জাদুকরী ফুটবল শো
আরেকটি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আলো ছড়ালেন লিওনেল মেসি। তার চোখধাঁধানো জোড়া গোল এবং প্রথম গোলে প্রত্যক্ষ অবদানের ওপর ভর করে আটলান্টা ইউনাইটেডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। মার্সেডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই জয়ে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা তৃতীয় সাফল্য তুলে নিল ‘দ্য হেরনস’ খ্যাত মায়ামি। একই সঙ্গে পেশাদার ফুটবলে নিজের ক্যারিয়ার গোলের সংখ্যা ৯৩৬-এ উন্নীত করলেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা। খেলার প্রথমার্ধে জর্জিয়ার দল আটলান্টা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করলেও আক্রমণের দিক থেকে ইন্টার মিয়ামিই ছিল ক্ষুরধার। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে (৪৫তম মিনিট) গোলের খাতা খোলে কিয়ি গনসালেসের শিষ্যরা। মাঝমাঠ থেকে রদ্রিগো দে পল বল বাড়িয়ে দিলে জার্মেন বেরতেরামে ও লিওনেল মেসির পা ঘুরে বল পান লুইস সুয়ারেজ। চিলির ডিফেন্ডার পাওলো দিয়াজকে কাটিয়ে সুয়ারেসজর বাড়ানো নিখুঁত পাসে মেক্সিকান ফরোয়ার্ড বেরতেরামে লক্ষ্যভেদ করে মিয়ামিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। চলতি লিগে মেসির এটি ১৫তম অ্যাসিস্ট। এর ফলে  এমএলএসের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা তিন মৌসুমে অন্তত ১৫ অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়লেন তিনি।  বিরতির পর আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে খেলা আরও জমে ওঠে। ৫৬তম মিনিটে শুরু হয় ‘মেসি ম্যাজিক’। মাঝমাঠের ডান দিক থেকে বল নিয়ে একক প্রচেষ্টায় দৌড় শুরু করেন মেসি। বেরতেরামের সঙ্গে দুর্দান্ত ‘ডাবল ওয়ান-টু’ পাসিং কম্বিনেশনে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চুরমার করে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এক ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে বোকা বানিয়ে আটলান্টার গোলরক্ষক লুকাস হোয়োসের পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়ান (২-০)। এই নান্দনিক গোলের ঘোর কাটতে না কাটতেই চার মিনিট পর (৬০তম মিনিট) আবারও বল জালে পাঠান মেসি। এবার নিজের অর্ধে পেয়ে দূরপাল্লার পাস বাড়ান লুইস সুয়ারেস। বল ধরে একাই বক্সে ঢুকে আটলান্টার ডিফেন্ডার জুনিয়র আলোনসোকে নাচিয়ে নিখুঁত শটে দলের তৃতীয় গোলটি করেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। চলতি মৌসুমে এটি মেসির ২৪ ও ২৫ নম্বর গোল, যার মাধ্যমে লিগের গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিজের অবস্থান শক্ত করলেন। এমএলএসের ইতিহাসে জোসেফ মার্তিনেজের পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে নিয়মিত মৌসুমে দুইবার অন্তত ২৫টি করে গোল করার কীর্তি গড়লেন তিনি। বর্তমানে মৌসুমে মেসির মোট গোল অবদান (গোল + অ্যাসিস্ট) দাঁড়িয়েছে ৪০-এ। ২০১৯ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির হয়ে কার্লোস ভেলার গড়া সর্বোচ্চ ৪৯টি গোল অবদানের রেকর্ডটি ভাঙতে মেসির এখন আর প্রয়োজন মাত্র ৯টি গোল অবদান, যার জন্য হাতে রয়েছে আরও ৪টি ম্যাচ। ম্যাচের ৮৯তম মিনিটে হাইতিয়ান ফরোয়ার্ড ফাফা পিকল্ট পেনাল্টি থেকে আটলান্টার হয়ে একটি গোল পরিশোধ করলেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে। সাবেক কোচ হেরার্দো ‘তাতা’ মার্তিনোর আটলান্টার বিপক্ষে ৩-১ গোলের নিশ্চিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইন্টার মিয়ামি। এই জয়ে এমএলএস ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নিজেদের শক্ত অবস্থান বজায় রাখল ইন্টার মায়ামি, নিশ্চিত করেছে প্লে অফের টিকিটও। 
মেসি জাদুকরের আরেকটি জাদুকরী ফুটবল শো
মেসিকে ছাড়া নতুন আর্জেন্টিনার যাত্রা, নভেম্বরে খেলছে ২ দলের সঙ্গে
লিওনেল মেসি-পরবর্তী সময়ে আর্জেন্টিনার নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলের পরবর্তী ফিফা উইন্ডোতে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে আলবিসেলেস্তেরা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ দুটির মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে এই নতুন পথচলা। আগামী ১৩ নভেম্বর (শুক্রবার) বুয়েনস এইরেসে অনুষ্ঠিত হবে আর্জেন্টিনা ও দুবারের বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ের মধ্যকার রিও দে লা প্লাতা ডার্বি। টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ম্যাচটি আয়োজনের জন্য এগিয়ে রয়েছে বোকা জুনিয়র্সের ঐতিহ্যবাহী মাঠ লা বোম্বোনেরা। তবে বিকল্প হিসেবে রয়েছে লা প্লাতার এস্তাদিও উনিকো। সংস্কারকাজ চলায় স্টেডিয়ামটি এখনও পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। নভেম্বরের শেষ দিকে সেখানে আর্জেন্টিনার নারী দলের জার্মানির বিপক্ষে খেলার কথা রয়েছে। এরপর ১৭ নভেম্বর দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচে কোস্টারিকার মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। কর্দোবার মারিও আলবার্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে এ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে নিজেদের সর্বশেষ সফরে একই শহরে বলিভিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেই বছরের শেষ ফিফা উইন্ডো শেষ করতে চাইবে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা। আর্জেন্টিনা দলের জন্য এই দুটি ম্যাচের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে খেলে জাতীয় দল থেকে চিরবিদায় নেন মেসি। আবেগঘন সেই বিদায়ের পর এবার তাকে ছাড়াই অন্য সতীর্থদের পথচলা শুরু। তাই এখন কেমন করে দলটি, তা দেখার অপেক্ষায় থাকবেন সমর্থকরা। এদিকে মেসির পাশাপাশি জাতীয় দল থেকে অবসর নিয়েছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিও। ফলে নতুন নেতৃত্বে দলকে সাজানোর সুযোগ পাবেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। আসন্ন ক্যাম্পে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির চুক্তি নবায়ন নিয়েও অগ্রগতি হতে পারে। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আমি কোচ হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাব।’ টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ দুটি স্কালোনিকে নতুন খেলোয়াড় ও বিভিন্ন কৌশল পরীক্ষা করার সুযোগ দেবে। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পরবর্তী ধাপ শুরুর আগে দলের সম্ভাব্য একাদশ ও কৌশল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারবেন তিনি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পরবর্তী ধাপ ২০২৭ সালের মার্চে শুরু হওয়ার কথা। তবে ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যে মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
মেসিকে ছাড়া নতুন আর্জেন্টিনার যাত্রা, নভেম্বরে খেলছে ২ দলের সঙ্গে
এল ক্লাসিকোতে ‘বিশেষ’ জার্সি’ পড়ে মাঠে নামবে বার্সেলোনা
বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের লড়াই মানেই সমর্থকদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরেও দুই দলের মুখোমুখি হওয়াকে ঘিরে থাকে নানা আয়োজন। এবার মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোকে ঘিরে সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করছে বার্সেলোনা। বিশেষ নকশার জার্সি পরে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে খেলতে নামবে কাতালান ক্লাবটি। মার্কিন সংগীতশিল্পী টাইলার, দ্য ক্রিয়েটরের ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘গল্ফ ওয়াং’-এর সঙ্গে যৌথভাবে এই বিশেষ জার্সি তৈরি করেছে বার্সেলোনা। ফুটবল ও সংগীতজগতের সংযোগ আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এ উদ্যোগ। গোল ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নতুন এই সহযোগিতার ঘোষণা দেয় বার্সেলোনা। বিশেষ নকশার জার্সিটি প্রথমবার পরবে বার্সেলোনার নারী দল। আগামী ২৪ অক্টোবর রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ম্যাচে তাদের গায়ে দেখা যাবে নতুন এই পোশাক। এর পরদিন পুরুষ দলের খেলোয়াড়েরাও একই জার্সি পরে মাঠে নামবেন। ২৫ অক্টোবর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়াল মাদ্রিদের মুখোমুখি হওয়ার কথা বার্সেলোনার। মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোয় দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি তাই আলোচনায় থাকবে বার্সার নতুন জার্সিও। সংগীতজগতের তারকাদের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিশেষ জার্সি প্রকাশ বার্সেলোনার জন্য নতুন কিছু নয়। ২০২২-২৩ মৌসুম থেকে ক্লাবটির প্রধান স্পনসর হিসেবে রয়েছে সংগীত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম স্পটিফাই। এই অংশীদারত্বের আওতায় বিভিন্ন সময়ে বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের নাম, প্রতীক ও ব্র্যান্ডকে ক্লাবের জার্সিতে তুলে ধরা হয়েছে।
এল ক্লাসিকোতে ‘বিশেষ’ জার্সি’ পড়ে মাঠে নামবে বার্সেলোনা
মেসির পাসে গোল, প্লে-অফ নিশ্চিত মায়ামির
নিজে গোল পাননি, তবে গোল করাতে ঠিকই রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। লিওনেল মেসির দারুণ এক পাস থেকে গোল করেছেন রদ্রিগো দে পল। এর আগে আক্রমণ তৈরিতেও অবদান রেখেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তাতে নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে হারিয়ে মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে ইন্টার মায়ামি। একই সঙ্গে টানা দ্বিতীয় জয়ে ইস্টার্ন কনফারেন্সের দ্বিতীয় স্থানও আরও মজবুত করেছে ফ্লোরিডার ক্লাবটি। বুধবার ঘরের মাঠে নিউইয়র্ক সিটি এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়েছে মায়ামি। প্রথমার্ধেই গোল দুটি করেন জার্মান বেরতেরামে ও রদ্রিগো দে পল। এর মধ্যে মে মাসের পর প্রথমবারের মতো গোলের দেখা পেয়েছেন বেরতেরামে। আর দে পলের গোলটিতে সরাসরি অবদান রেখেছেন মেসি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে বেশ সক্রিয় ছিলেন মেসি। ২০ মিনিটে তার কাছ থেকেই প্রথম গোলের আক্রমণের সূচনা। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে দে পলকে পাস দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। সেখান থেকে দে পল বল বাড়ান লুইস সুয়ারেজকে। উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ডের নিচু ক্রসে খুব কাছ থেকে বল জালে পাঠান বেরতেরামে। দীর্ঘদিনের গোলখরা কাটিয়ে দলকে এগিয়ে নেন এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করে মায়ামি। দ্রুত পাল্টা আক্রমণে বল নিয়ে মাঝমাঠ পেরিয়ে আসেন বেরতেরামে। তার কিছুটা ভুল পাস ভাগ্যক্রমে পৌঁছে যায় মেসির কাছে। তিন ডিফেন্ডারকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে বাঁ পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে দারুণ এক পাস বাড়ান তিনি। সেই বল ধরে জোরালো শটে গোলরক্ষকের ডান পাশ দিয়ে জাল খুঁজে নেন দে পল। দুই গোলের এগিয়ে থেকে বিরতিতে যাওয়া মায়ামি দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ চালিয়ে যায়। তবে আর গোলের দেখা পায়নি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে মেসির একটি বাঁকানো শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ তৈরি করেন মেসি। তার ছোট কর্নার থেকে ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে দূরের ওপরের কোণা লক্ষ্য করে শট নেন দে পল। তবে দুর্দান্ত ঝাঁপিয়ে বল পোস্টে ঠেলে দেন নিউইয়র্কের গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিস। যোগ করা সময়ে অবশ্য ম্যাচে ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল নিউইয়র্ক। বদলি হিসেবে নামা তালেস মাগনোকে ডি-বক্সে ফাউল করেন ইয়ান ফ্রে। পেনাল্টি পায় সফরকারীরা। তবে দারুণ দক্ষতায় সেই পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মায়ামির গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ার। ফলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে নিজেদের জাল অক্ষত রেখে মাঠ ছাড়ে মায়ামি। এর আগে টানা ১০ ম্যাচের কোনোটিতেই প্রতিপক্ষকে গোল করা থেকে আটকাতে পারেনি দলটি।
মেসির পাসে গোল, প্লে-অফ নিশ্চিত মায়ামির
আরও পড়ুন
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, চালু হচ্ছে চীন-উত্তর কোরিয়ার নতুন সেতু
X