
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের একমাত্র প্রবেশপথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবী জানিয়েছে এলাকাবাসী। শনিবার সকালে আখাউড়া উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ ও পরিবহন শ্রমিকের ব্যানারে ষ্টেশন চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবী জানানো হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনসহ পরিবহন শ্রমিকরা অংশ নেয়।
মানববন্ধনে জানানো হয়, গত ২ দিন ধরে আখাউড়া রেলওয়ে ষ্টেশনের ১নং প্লাট ফরমের ওভারব্রীজের পূর্ব পাশে ফেন্সি গেইটের বাইরে স্টেশন যাওয়ার সড়কে পাকা ঘর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামের প্রবাসী এস.এম. ইনামুল হক ভূইয়ার পক্ষে তার লোকজন সড়ক দখল করে নির্মাণ কাজ শুরু করেন। স্থানীয় লোকজনের বাঁধার মুখে কাজটি সাময়িক বন্ধ ছিল। রেলওয়ে অসাধু কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে আবারও কাজ শুরু করেছে। এখানে পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করা হলে ট্রেন যাত্রী ও যানবাহন চলাচলের সমস্যা হবে।
আখাউড়া রেলওয়ে ষ্টেশন অটো ইজি বাইক শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, আমরা ৭/৮ বছর ধরে এখানে যাত্রী সেবা দিচ্ছে কোন সমস্যা হচ্ছে না। হঠাৎ করে স্টেশনের পথে এক ব্যক্তি পাকা ঘর নির্মাণ করছে। এতে পাবলিক প্লেস নষ্ট হয়ে ষ্টেশনের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে। ষ্টেশনগামী যাত্রীদের যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটবে। শুনতে পাচ্ছি রেলওয়ে এখানে লীজ দিয়েছে।
আখাউড়া দক্ষিণ ইউপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, পার্কিংয়ের পাকা স্থাপনা করা হচ্ছে। তা আমাদের নজরে এসেছে। এতে আখাউড়ার মানুষের জনগণ দূর্ভোগ সৃষ্টি হবে। আখাউড়ার মানুষের সার্বিক চিন্তা করে আজকের মানববন্ধন।
আখাউড়া পৌরসভার সাবেক ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মন্তাজ মিয়া বলেন, আমরা আখাউড়ায় শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে চাই। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ আপনারা আখাউড়াবাসীর দাবী মেনে নিয়ে ষ্টেশনের সৌন্দর্যহানি করে পাকা স্থাপনা বন্ধ করুন। ক্যান্টিনের জায়গা উল্লেখ করা হয়েছে ওভাব্রীজের উত্তর পাশে। তাহলে সড়কে কেন করা হচ্ছে।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে আখাউড়া রেলওয়ে ষ্টেশনের সুপারিনটেনডেন্ট মো. নুরুন্নবী বলেন, রেলওয়ের যথাযথ কর্তৃপক্ষ এখানে ক্যান্টিন নির্মাণের দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিদের্শনা পালন করছি। এব্যাপারে এলাকাবাসীর আপত্তি থাকলে সেটা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের নিকট জানাতে পারে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কি করবে সেটা কর্তৃপক্ষের ব্যাপার। ১৫ বাই ২০ ফুট সাইজের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।




