
গজীপুরের কালিয়াকৈর উদ্ধারকৃত চোরাই গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে গত ৪জুন তারিখে উপজেলার মসজিদ চালাসহ উপজেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে চোরাই গরু উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এদিকে উদ্ধারকৃত গরুর ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হলেও গরুর কোন মালিক পাওয়া যায়নি। প্রতিদিন পাঁচটি গরুর খাবাব হিসেবে প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি খাবার দেওয়া হচ্ছে। এত অল্প খাবারে গরুগুলির প্রয়োজনীয় ক্ষুধা নিবারণ হচ্ছে না। এতে দীর্ঘদিন থানায় গরুগুলোকে রাখার ও প্রয়োজনীয় খাবারের অভাবে গরুগুলির স্বাস্থ্য দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
১ কেজি গরুর খাবারের দাম ৬০ টাকা হলে প্রতিদিন পাঁচটি গরুর পিছনে প্রায় ৬০০ টাকার খাবার দিতে হচ্ছে। এ টাকা কে খরচ করবে এটা নিয়েও নানা জটিলতা রয়েছে। এজন্য উদ্ধারকৃত চোরাই গরু নিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়েছে।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল ইসলাম পিপিএম জানান গরুর প্রকৃত মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে থানায় গরুগুলি রয়েছে। এগুলি লালন পালন করা খুবই কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম ফখরুল হোসাইন জানান বিষয়টি থানার পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হয়নি। এখন যেহেতু বিষয়টা জেনে তাই সরকারি নিয়ম নীতি মেনে গরুগুলি নিলামে বিক্রি করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




