
পিরোজপুরের জিয়ানগরে উপজেলা পরিষদের সরকারি পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কে এম মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে। পরে পুলিশের সহায়তায় মাছগুলো উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে মাছগুলো প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
উপজেলা পরিষদ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দিনভর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরেন ওই কর্মকর্তা। পরে মাছগুলো ককশিটের বাক্সে ভরে নিজ জেলা পাবনায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে উপজেলা খাদ্য গুদাম এলাকায় রাখা হয়।
বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে মাছগুলো হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। পরে পুলিশের সহায়তায় মাছগুলো উদ্ধার করে উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে নেওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মচারী জানান, সরকারি পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ ধরার ঘটনা নিয়ে তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, তিনি কয়েকটি মাছ ধরেছিলেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফোন করলে মাছগুলো তাঁর কাছে জমা দিয়েছেন।
জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, অনুমতি ছাড়াই সরকারি পুকুর থেকে মাছ ধরার বিষয়টি জানার পর পুলিশ পাঠিয়ে মাছগুলো জব্দ করা হয়। পরে শনিবার সকালে প্রায় ২০ কেজি মাছ প্রকাশ্যে নিলামে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। নিলামের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। এ ঘটনায় সরকারি নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হচ্ছে।




