ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
চরফ্যাশন রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
ফ্যামিলি কার্ডের ছবি তোলার কথা বলে নারীর স্বর্ণের দুল ছিনতাই!
আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই: ক্রীড়া ও যুব প্রতিমন্ত্রী
আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই: ক্রীড়া ও যুব প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, আমরা ডিভাইসের হাত থেকে আমাদের সন্তানদেরকে দূরে রাখতে চাই। আমরা একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে চাই। সে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খেলাধুলা। খেলাধুলার জন্য মাঠের প্রয়োজন, ইতোমধ্যে আমাদের সরকার প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম তৈরি এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরি করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের জেলা প্রশাসক ও ইউএনওদেরকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সে খেলার মাঠে আমাদের আগামী প্রজন্ম খেলবে, তারা নিজেদেরকে সুস্থভাবে গড়ে তুলবে। আজ বৃহস্পতিবার (০১অক্টোবর) দুপুরে ভোলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।  তিনি আরো বলেন, আমাদের খেলোয়াড়দের পেশাগত যে স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতি বাবদ আমরা ক্রীড়া ভাতা, ক্রীড়া কার্ড প্রদান করছি। পড়াশোনা করে শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ব্যারিস্টার হবে না, পড়াশোনা করে যাতে খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরা কাজ করছি। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে আমাদের তৃণমূলের যে খেলোয়াড়রা রয়েছে, তাদের প্রতিভা অন্বেষণ করে আমরা বিকেএসপিতে ফাইনালি তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভর্তি করিয়ে সরকারিভাবে তাদের খেলাধুলা ও পড়াশোনার সকল দায়িত্ব সরকার বহন করছে। যারা ট্যালেন্ট তাদের মধ্য থেকে কেউ যদি ফুটবলের হয়, কেউ যদি ক্রিকেটের হয়, কেউ যদি ভলিবলের হয়, কেউ যদি সাঁতারের হয় তাদেরকে জাতীয় খেলোয়াড় বানিয়ে তাদেরকে মাঠে নামাব, এটি হচ্ছে আমাদের লক্ষ্য। প্রতিমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শ্রেণি থেকেই আমাদের আগামী যে শিক্ষাক্রম সেখানে ‘খেলাধুলা’ নামক একটি বই সংযোজন হচ্ছে। পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। যাতে আগামী প্রজন্মকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করে প্রত্যেকটি স্কুলে খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের এই সমাজ ব্যবস্থা, পারিবারিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় সত্যিকারর্থেই যাতে একটি গুণগত পরিবর্তন আনতে পারি, সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের বর্তমান সরকার কাজ করছে।  তিনি আরো বলেন, গত ১৭বছর ঐ স্বৈরাচার সরকার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করেছে, তাদের নিজেদের পকেটের উন্নয়ন করেছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কোনো উন্নয়ন করে যেতে পারেনি। আমাদের বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে এ সাত মাসের ভেতরে আমাদের যে নির্বাচনী ইশতেহার ছিল, সে ইশতেহার বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ইতিমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, আমাদের শিক্ষার ক্ষেত্রে নতুন আমূল পরিবর্তন করার জন্য প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আমাদের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আমরা নতুন কার্যক্রম ইতিমধ্যে হাতে নিয়েছি। খেলাধুলার ক্ষেত্রে আমরা একটা আমূল পরিবর্তন আনছি। গাছ লাগানো এবং খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা আমাদের পরিবেশের  ভারসাম্য রক্ষা করতে চাই। সর্বোপরি আমাদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদানের মাধ্যমে আমরা তাদেরকেও সম্মানিত করতে চাই। ইতোমধ্যে বর্তমান সরকার বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। আমি বিশ্বাস করি এটি শুধু আমি বা আমার সরকার পারবে না, এখানে আপনাদের প্রত্যেকের সহযোগিতা লাগবে। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া কখনোই আমরা এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারব না। আমিনুল হক বলেন, আমাদের ভোলা এবং বরিশাল জেলার প্রতিটি উপজেলায় ল্যাব তৈরি করা হবে। সে কম্পিউটার ল্যাব তৈরির মাধ্যমে আমরা বিশ্বাস করি আজকে যে কার্যক্রম উদ্বোধন করতে যাচ্ছি, সে কার্যক্রমে আরও অনেক বেশি অংশগ্রহণ বাড়বে। কারণ আমরা সত্যিকারর্থেই চাই যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি পরিবারে, প্রত্যেকটি বেকার যারা রয়েছে, তাদের যাতে কর্মসংস্থান আমরা নিশ্চিত করতে পারি। আমরা চাই প্রত্যেকটি মানুষের কল্যাণ এবং উন্নয়নের জন্য যাতে কাজ করতে পারি। বতর্মান সময়ে বিভিন্ন যায়গায় বিশৃঙ্খলা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি যে এখনও ঐ স্বৈরাচারের দোসররা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জনের সহযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। সে বিশৃঙ্খলা দমন করার জন্য আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। কারণ এই দেশটি আমাদের, আমরা এই দেশে জন্মেছি। আমরা যাতে এই দেশটিকে নিয়ে এগিয়ে যেতে পারি। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মো. জোবায়েদ হোসেন, ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।  অনুষ্ঠান শেষে ১৮জন সফল ফ্রিল্যান্সারকে স্বীকৃত স্বরূপ ল্যাপটপ ও স্মার্ট ফোন প্রদান করা হয়।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন  সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।  এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ভোলার ইলিশায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন বায়োগ্যাস পল্লী ও শহরের পুরাতন যুগীরঘোল এলাকায় জেলা ক্রীড়াদলের অফিস উদ্বোধন করেন।
ইসলামী আন্দোলন ভোলা নবগঠিত কমিটির শপথ অনুষ্ঠান 
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বোরহানউদ্দিনে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান
খাল থেকে শিশুর বস্তাবন্দি ম'রদেহ উদ্ধার
তজুমুদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আটক ৩
ভোলাহাট জামবাড়িয়ায় ধসে পড়া ব্রিজ পরিদর্শনে ইউএনও

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার বড় জামবাড়িয়া এলাকায় একটি ব্রিজের পাশের মাটি ধসে পড়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ নাহিদ হোসেন। জনস্বার্থে ব্রিজটির পাশ ধসে পড়ার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন, ভোলাহাট উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু সাঈদ, জামবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আফাজ উদ্দিন পানু মিঞা, স্থানীয় ইউপি সদস্য, সাংবাদিকসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। পরিদর্শনকালে ইউএনও মোঃ নাহিদ হোসেন এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করে বলেন, জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যত দ্রুত সম্ভব নতুনভাবে ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন। এদিকে, ব্রিজের পাশ ধসে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন এবং ব্রিজটি নতুনভাবে নির্মাণের আশ্বাস দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ হোসেনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অপরাধীরা বিএনপির হলেও কোনো ছাড় নেই: গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেছেন, আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পরে প্রধানমন্ত্রীর একটা মেসেজ ছিল যে, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসায়ী এবং সন্ত্রাসী সে যে দলেরই হোক এমনিক বিএনপিরও যদি কেউ যদি হয়ে থাকে কোনো ছাড় নাই। আমাদের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে স্পষ্ট বার্তা এ ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে এবং এটাই সর্বদা চলমান থাকবে। আজ বুধবার (১৬সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হল রুমে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ভোলার আইনশৃঙ্খলা অবনতি যেটা হয়েছে সেটাকে ঠিক করার জন্য যেসব হটস্পট আছে যেখানে ক্রাইম হয়, যেখানে হাট-বাজার আছে, সেগুলি আমরা নজরদারিতে নিয়ে আসব। সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে, এ ব্যাপারে একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বসে অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে কোথায় কোথায় লাগাতে হবে এটা খুব দ্রুত উনারা কাল থেকে পরশুদিনের মধ্যে রেডি করবেন। সে অনুযায়ী এটা আমরা লাগানোর ব্যবস্থা করব। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী অক্টোবরের ৫তারিখে আমাদের বিশ্ব বসতি দিবস আছে। ওই দিবসে আমাদের বিভিন্ন বুকলেট বের হবে। সেখানে জেলাওয়াইজ আমরা ডরমেটরি করবো, হাউজিং করবো। আবাসিক প্লট করার মতো যদি না হয়, তাহলে অ্যাপার্টমেন্ট যা করা যায়, নিম্ন এবং মধ্যম আয়ের নাগরিকদের জন্য সেটা আমাদের পরিকল্পনা আছে। ইনশাআল্লাহ আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জন্য আবাসনের উল্লেখ্যযোগ্য সমস্যার সমাধান অবশ্যই আমরা করবো। ভোলার উন্নয় নিয়ে তিনি বলেন, ভোলায় আরো গ্যাস পাওয়া গেছে, গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও ভোলার উন্নয়নের সামগ্রিকভাবে যেটা আগে করার দরকার সেটা পরিকল্পনা করে বাস্তবায়ন করার জন্য ব্যবস্থা নিবো। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী এসকল উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিবেন। এছাড়াও ভোলার যারা সংসদ সদস্যরা আছেন তাদের সাথে আলাপ করে কি কি প্রকল্প পাইপলাইনে আছে, সেগুলিকে কীভাবে গতিশীলতা আনা যায়, কত দ্রুত বাস্তবায়নের কাজ করা যায়, আমরা একসাথে কাজ করবো। সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ভোলা-২ (দৌলতখান-বোরহানউদ্দিন) আসনের সংসদ মো. হাফিজ ইব্রাহিম।   অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলম, জেলা বিজেপির সভাপতি আমিরুল ইসলাম রতন, জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা তরিকুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সভাপতি অ্যাডভোকেট নজরুল হক অনুসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ। 

প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকস সম্মেলনে সঠিক মর্যাদা দিয়ে ইনভাইট করেনি: স্পিকার হাফিজ

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন,ব্রিকস সম্মেলনের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের এখনো খোলাখুলি ভাবে পলিসি তারা জানায়নি। আগের সরকার থেকেই তাদেরকেই ব্রিকসে যোগদানের ব্যাপারে তাদের চিন্তাভাবনা ছিল,কিন্তু এখনও পর্যন্ত অপর পক্ষ থেকে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না। আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তো তারা ইনভাইট করে নাই। তিনি আরও বলেন,আরেকটা জিনিস বাংলাদেশ ভারতের ব্যাপারে কিছু কিছু রিজার্ভেশন আছে, বিশেষ করে পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তারা আশ্রয় দিয়েছেন এবং সেখানে বসে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। যেটা সৎ প্রতিবেশী সুলভ আচরণ বলে আমরা মনে করি না। ভারতের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার কিন্তু তারাও যে সুসম্পর্ক চায় তেমন কিছু দেখা যায়না, কেবল দুদেশের কুটনৈতিক পর্যায়ে কথাবার্তা চালাচালি হচ্ছে। আমরা আশা করবো ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে সৎ প্রতিবেশীসুলভ সমমর্যাদার ভিক্তিতে আমাদের সম্পর্ক আমরা চাই। বাংলাদেশ সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করতে চায়। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলায় ৪ দিনের সফরের শেষ দিনে ঢাকায় ফেরার পথে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার বলেন,তারেক রহমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে এবং নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছন। এ সরকারের বয়স মাত্র সাতমাস। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের দু:শাসনের ফল দেশের প্রতিটি বিভাগে,স্তরে ধস নেমেছে,হত্যা গুম খুন মানিলন্ডারিং অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে,এবং দেশকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বিগত সরকারের অবৈধ কর্মকাণ্ডে। এ পরিস্থিতি থেকে উন্নয়ন করতে অনেক সময় লাগবে। সাত মাস এটার জন্য খুবই অল্প সময়, তবুও শুরু করেছে।  সংস্কার প্রসঙ্গে  স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন,আমার মনে হয় সংস্কার পর্ব ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। প্রধানত আইনকানুনে অনেক সংস্কার আনতে হবে। যেগুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলাপ আলোচনা চলছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কিছুটা অসুবিধা দেখা দিচ্ছে রাজনৈতিক দল সমূহের মধ্যে এখনও তারা একমত হতে পারেনি কিভাবে তারা কিভাবে সংস্কার করা যাবে।  তিনি বলেন,আপনারা জানেন এখন আমি একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তি হিসেবেই কথা বলছি,বিএনপির স্থায়ী কমিটির পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। নিরপেক্ষ ভাবে সংসদ পরিচালনার চেষ্টা করছি। আমি আশা করছি শিগগিরই সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধীদল যদি একটা সমোঝোতায় আসে তাহলে বিগত ১৬-১৭ বছরের দু:শাসন ও বঞ্চনা থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে সরকার এবং বিরোধীদল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যখন এ সংস্কার কাজটি শুরু হবে এবং শেষ হবে সংবিধান সংস্কারের মাধ্যমে তখন আপনারা কাঙ্খিত ফল দেখতে পাবেন। এখনও মনে হচ্ছে যেন জনগণ যা আশা করে তা এখনও পায়নি,তার কারণ সংস্কার প্রক্রিয়া আইনগত ভাবে এখনও শুরু হয়নি।  আশা করি সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে সরকার এবং বিরোধী দল একমত হলে তাহলে দ্রুত যদি সংস্কার করতে পারি আইনে যে সংস্কার করে পরিবর্তন দরকার তা যদি আনতে পারি তাহলে এই যে গত ১৬ বছরের দু:শাসন থেকে জনগণ মুক্তি পাবে। সুতরাং নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। স্পিকার বলেন,একটা জিনিস আপনারা লক্ষ্য করেছেন বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে এদেশের জনগণ। আওয়ামী লীগ আমলে সত্যি কথা বলা সম্ভব ছিল না। এবং সত্যি কথা বলার কারনে অনেককে ক্রসফায়ারে জীবন দিতে হয়েছে গুম হয়েছে। বিএনপির সংসদ সদস্য ইলিয়াস আলীসহ বহু মানুষ গুম হয়েছে। অনেকেই নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে,দেশে এখন আর সেই পরিবেশ নেই,দিলখুলে সরকারের সমালোচনা করা যায়। ৭ মাস যথেষ্ট সময় নয় দু:শাসনের ফল সেগুলো নিরাময় করার জন্য। বিরোধী দলের লংমার্চ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,একটা স্থিতিশীল পরিবেশের প্রয়োজন। বিরোধী দলকেও ধৈর্য ধরতে হবে। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে যদি সুন্দর বোঝাপড়া থাকে তাহলে দেশ উন্নয়নের পথে যেতে পারবে। কিন্তু একবছর না যেতেই যদি ক্ষমতার লোভ কাউকে পেয়ে বসে বা ক্ষমতা আরহনের জন্য কেউ যদি পরিস্থিতি বিনষ্ট করতে চায় তাহলে হয়তো দেশবাসীর কপালে দু:খ আছে।  এসময় উপস্থিত ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা.শামীম রহমান,পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার,ভোলা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর প্রমুখ।  

ভোলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ আটক ২

ভোলায় ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারি আটক করেছে কোস্ট গার্ড।আটককৃত ব্যক্তির হলেন, নুর ইসলাম (৩১),মো: রাসেল (১৯) উভয়ে নোয়াখালী মাইজদী ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।  সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর)  সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করে  জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার বিকাল ৫ টায় ভোলার সদর থানাধীন পূর্ব ইলিশার ৬ নং বাঘার হাওলা সংলগ্ন এলাকায় কোস্ট গার্ড বেইস ভোলা কর্তৃক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক একটি সিএনজি তল্লাশি করে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা মূল্যের ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। জব্দকৃত গাঁজা এবং আটককৃত মাদক কারবারির পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।  

ভোলার মেঘনায় নিখোঁজ বিজিবি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

ভোলার মেঘনা নদীর পাড় ধসে নিখোঁজের ৩দিন পর বিজিবি সদস্য মো. আমজাদ হোসেনের (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আমজাদ ভোলা পৌরসভার ভদ্রপাড়া এলাকার মো. ইব্রাহীমের ছেলে ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একজন সদস্য। তিনি বান্দরবনের রুমা উপজেলায় কর্মরত ছিলেন। আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ৩টার দিকে ভোলার দৌলতখান উপজেলার মেঘনা নদীর মিজানের চরে ভাসতে থাকা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ভোলার খাল মাছঘাট সংলগ্ন মেঘনার তীরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গিয়ে তীর ধসে নিখোঁজ হন তিনি। ভোলার মির্জাকালু নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সনাতন চন্দ্র সরকার তার মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জেলে ও স্থানীয়রা চরে মরদেহটি দেখতে পেয়ে নৌ পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। মরদেহটি মেঘনা নদীতে নিখোঁজ হওয়া বিজিবি সদস্য আমজাদের বলে চিহ্নিত করেছেন তার পরিবার। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যায় আমজাদ, তার বন্ধু রাকিব, ফাহিম ও সাগর ও শাওনসহ মোট ৫বন্ধু মেঘনা নদীর তীরে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। আড্ডার একপর্যায়ে নদী তীর সুরক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বসানো জিওব্যাগসহ তীরের একাংশ হঠাৎ নদীতে ধসে পড়ে। এতে ৫বন্ধুই খরস্রোতা নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে ৩জন সাঁতার কেটে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও আমজাদ ও রাকিব নদীতে নিখোঁজ হন। উদ্ধার হওয়া ৩জনের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন, তবে তারা ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে নিখোঁজদের সন্ধ্যানে ভোলা সদর উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, সদর মডেল থানা পুলিশ ও নৌপুলিশের সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চালানো হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এরপর শুক্রবার সকালে ভাসমান অবস্থায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করেন সেখানকার নৌ পুলিশ। সর্বশেষ আজ শনিবার ভোলার দৌলতখান উপজেলা থেকে বিজিবি সদস্য আমজাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মেঘনার পাড় ধসে নদীতে নিখোঁজ দুই বন্ধুর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার

ভোলায় মেঘনা নদীর পাড় ধসে  নিখোঁজ দুইজনের মধ্যে  মো.রাকিব (২৭) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।  তবে এখনও নদীতে নিখোঁজ রয়েছেন বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মো.আমজাদ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকার গরিবের দুবাই খ্যাত মেঘনার তীর ধসে এ দুর্ঘটনা ঘটে।  নিহত রাকিব শান্তিরহাট বাজার সংলগ্ন সর্দার বাড়ির  বাবুলের ছেলে।  ভোলার ইলিশা নৌথানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মেঘনা নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেরা মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয় নৌপুলিশকে খবর দেয়। পরে স্থানীয় নৌপুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে স্বজনরা রামগতি গিয়ে মরদেহটি নদীতে নিখোঁজ হওয়া রাকিবের বলে চিহ্নিত করেন। সেখানকার নৌপুলিশ আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি হস্তান্তরেরপ্রক্রিয়া চলছে।

আরও
X