ঢাকা, বাংলাদেশ ||
সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

মা-স্ত্রীসহ নোবেলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

এপি নিউজ

  ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২২:৪৫
মাইনুল আহসান নোবেল। ছবি : সংগৃহীত

‘প্রতারণা’ করে ১৩ লাখ টাকা নিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল, তার মা ও স্ত্রীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।

নানা বিতর্কের জন্ম দিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় আসেন নোবেল। এবার তার বিরুদ্ধে ‘প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে’ টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনেন মামলার বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আদালত নোবেল, তার মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, তার সহকারী অ্যাসিস্ট্যান্ট মুনেম শাহ সৌমিক ও পরিচিত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গায়ক নোবেল এ মামলার বাদীসহ অনেকের কাছ থেকে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে টাকাপয়সা নেন। বাদী সাহস করে গত বছরের ১৩ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।’

আইনজীবী আরও বলেন, পিবিআইয়ের এসআই (উপপরিদর্শক) নুরুজ্জামান ‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে’ মর্মে গত ৭ জানুয়ারি পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হলে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বাদী মামলার অভিযোগে বলেন, তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নোবেল ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণা করে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। অপর আসামিরা তাকে সহযোগিতা করেন।

এর আগে ‘ধর্ষণ ও মারধরের’ অভিযোগে ডেমরা থানার মামলায় ২০২৫ সালের ১৯ মে গ্রেপ্তার হন নোবেল। পরে মামলার বাদীকে কারাগারে বসে বিয়ে করার পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ জুন জামিন পান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ভারতের জি-বাংলা টিভির রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নিয়ে তৃতীয় হয়ে আলোচনায় আসেন নোবেল। তবে নানা কর্মকাণ্ডে তাকে নিয়ে বিতর্কও বাড়তে থাকে।

মন্তব্য করুন

গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
সারা দেশে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এ রিট করেন। এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ বলেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটির শুনানি হতে পারে। জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধানসম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার ছিলেন ১২ কোটি ৭৭ লাখের কিছু বেশি। গণভোটে পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’-তে ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন ভোটার। অন্যদিকে বিপক্ষে অর্থাৎ ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। আরও পড়ুন :  মন্ত্রিসভায় শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা জাতীয় সংসদ হবে সমস্ত বিষয়ে আলোচনার কেন্দ্র: সালাহউদ্দিন আহমদ
গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত
রমজান মাসে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। এর আগে রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাসজুড়ে দেশের সব নিম্ন-মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওইদিন বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মণ্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। পবিত্র রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশনা চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মণ্ডল। গত ৫ জানুয়ারি পবিত্র রমজানে স্কুল বন্ধ রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, দেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলিম। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে—এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং একইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।
রমজান মাসে হাইস্কুল বন্ধের আদেশ স্থগিত
রমজানে হাইস্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
পবিত্র রমজান মাসের পুরোটা সময় সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে সব নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় আগামী ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ রমজানের শুরু থেকেই বন্ধ থাকছে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এর আগে, সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো রমজানের নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা স্থগিত করে উচ্চ আদালত এই নতুন নির্দেশনা দিলেন। ফলে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই মাধ্যমিক পর্যায়ের সব বিদ্যালয়ে শুরু হচ্ছে রমজানের ছুটি।
রমজানে হাইস্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধে হাবিবসহ ৫ আসামির রায় কবে, জানা যাবে আজ
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় একজনকে গুরুতর আহত করা এবং দুজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচ অভিযুক্তের রায় ঘোষণার তারিখ আজ (রোববার) নির্ধারিত হবে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এই মামলায় রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। অপর চার আসামি পলাতক। তারা হলেন খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও একই থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। গত ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। সেদিন আসামি চঞ্চলের পক্ষে আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন তাকে খালাস দেওয়ার আবেদন জানান। তার দাবি, প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের সঙ্গে চঞ্চলের কোনো সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়নি। পলাতক চারজনের পক্ষেও রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন তাদের নির্দোষ দাবি করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে এসব যুক্তি খণ্ডন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। এর আগে ২৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ তাদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ, ভিডিও ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর জবানবন্দি ও বিভিন্ন নথির ভিত্তিতে পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তারা সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানান। মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর, যখন ট্রাইব্যুনাল-১ আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করে। তার আগে ৭ আগস্ট প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই প্রাণ বাঁচাতে আমির হোসেন নামের এক তরুণ রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে আশ্রয় নেন। পুলিশ সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে সেখানে পৌঁছায়। একপর্যায়ে তিনি ছাদের কার্নিশের রড ধরে ঝুলে থাকলেও তার দিকে ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। একই দিনে বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে নাদিম ও মায়া ইসলাম নিহত হন।
রামপুরায় মানবতাবিরোধী অপরাধে হাবিবসহ ৫ আসামির রায় কবে, জানা যাবে আজ
বিএনপি প্রার্থী কায়কোবাদের নির্বাচন করতে বাধা নেই: আপিল বিভাগ
কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের প্রার্থিতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার নির্বাচন করতে আর বাধা নেই।  মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে কায়কোবাদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ও অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান। অপরদিকে জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন লিপু। এর আগে, কায়কোবাদের প্রার্থিতা রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাইয়ে বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে ইসিতে আপিল করেছিলেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইউসুফ সোহেল। নির্বাচন কমিশন ওই আবেদন খারিজ করে দিলে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। হাইকোর্ট রিট খারিজ করে দিলে লিভ টু আপিল করেন ইউসুফ সোহেল। আজ সেটিও খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
বিএনপি প্রার্থী কায়কোবাদের নির্বাচন করতে বাধা নেই: আপিল বিভাগ
কক্সবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
কক্সবাজারে একটি হত্যা মামলায় ৪ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় একজনকে বেকসুর খালাস ও অপর একজনকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দেড় বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মো. নজরুল ইসলাম এ রায় দেন বলে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— কক্সবাজার ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালী এলাকার মৃত এজহার মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম (৮০), আলী হোসেনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪৫) ও সেলিম উল্লাহ (৪৮) এবং নুরুল ইসলামের ছেলে আশরাফুজ্জামান (৪৫)। একই মামলায় মনজুরুল ইসলামকে (৪৪) বেকসুর খালাস ও ফরিদুল হক সোনা মিয়াকে (৪১) ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও দেড় বছরের সাজা দেন আদালত। এ মামলার ৫ নম্বর আসামি আব্দুল জলিল ও ১০ নম্বর আসামি আলী হোসেন মৃত্যুবরণ করেছেন। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুর রশীদ জানান, ২০১০ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নাপিতখালীর বাঁশকাটা এলাকার গোল্ডেন ফার্মের পূর্বপাশে জাফর আলমের জমি দখলে যায় আসামিরা। এ সময় জাফর আলম বাধা দিলে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জাফরকে জখম করে।  পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন জাফর আলম। এ ঘটনায় নিহত জাফর আলমের ছেলে আব্দুল মজিদ বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ কার্যক্রম শেষে আদালত সোমবার এ রায় দেন। রায় দেওয়ার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
কক্সবাজারে হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন
পদত্যাগ করলেন হাইকোর্টের দুই বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি নাইমা হায়দার পদত্যাগ করেছেন।
পদত্যাগ করলেন হাইকোর্টের দুই বিচারপতি
ফুলকোর্ট সভায় সিদ্ধান্ত / এখন থেকে দুই দফায় ১ মাসের ছুটিতে থাকবে অধস্তন আদালত
এখন থেকে অধস্তন আদালতে পুরো ডিসেম্বর মাসে বার্ষিক ছুটি থাকবে না। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরের ডিসেম্বর মাসে ১৫ দিন ও জুন মাসে ১৫ দিন ছুটিতে থাকবে অধস্তন আদালত। অর্থাৎ, টানা ১ মাসের পরিবর্তে দুই দফায় এক মাসের ছুটি কাটাবেন অধস্তন আদালতের বিচারকরা।
এখন থেকে দুই দফায় ১ মাসের ছুটিতে থাকবে অধস্তন আদালত
র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান
গুম-খুনের মতো অপরাধের অভিযোগ তুলে ধরে র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চেয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
র‌্যাব ও ডিজিএফআইয়ের বিলুপ্তি চাইলেন সাবেক সেনাপ্রধান