‘প্রতারণা’ করে ১৩ লাখ টাকা নিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল, তার মা ও স্ত্রীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দেওয়া প্রতিবেদন আমলে নিয়ে এ আদেশ দেন।
নানা বিতর্কের জন্ম দিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় আসেন নোবেল। এবার তার বিরুদ্ধে ‘প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে’ টাকা নিয়ে তা আত্মসাৎ করার অভিযোগ আনেন মামলার বাদী।
বাদীপক্ষের আইনজীবী সাজিদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, আদালত নোবেল, তার মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, তার সহকারী অ্যাসিস্ট্যান্ট মুনেম শাহ সৌমিক ও পরিচিত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গায়ক নোবেল এ মামলার বাদীসহ অনেকের কাছ থেকে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে টাকাপয়সা নেন। বাদী সাহস করে গত বছরের ১৩ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলাটি পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।’
আইনজীবী আরও বলেন, পিবিআইয়ের এসআই (উপপরিদর্শক) নুরুজ্জামান ‘অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে’ মর্মে গত ৭ জানুয়ারি পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হলে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
বাদী মামলার অভিযোগে বলেন, তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নোবেল ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা প্রতারণা করে নিয়ে আত্মসাৎ করেন। অপর আসামিরা তাকে সহযোগিতা করেন।
এর আগে ‘ধর্ষণ ও মারধরের’ অভিযোগে ডেমরা থানার মামলায় ২০২৫ সালের ১৯ মে গ্রেপ্তার হন নোবেল। পরে মামলার বাদীকে কারাগারে বসে বিয়ে করার পাঁচ দিনের মাথায় ২৪ জুন জামিন পান তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ভারতের জি-বাংলা টিভির রিয়েলিটি শো ‘সা রে গা মা পা’তে অংশ নিয়ে তৃতীয় হয়ে আলোচনায় আসেন নোবেল। তবে নানা কর্মকাণ্ডে তাকে নিয়ে বিতর্কও বাড়তে থাকে।
মন্তব্য করুন







