ঢাকা, বাংলাদেশ || সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের চিঠি

অনলাইন ডেস্ক

  ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ এএম

সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় একটি মসজিদ এলাকায় ‘অনৈতিক’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আগে থেকে কিছু জানত না বাংলাদেশ সরকার। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বিষয়টি জানতে পারে ঢাকা।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

এরপর ঘটনার বিস্তারিত জানতে সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট। তবে ওই দুই বাংলাদেশির আটক, বিচারপ্রক্রিয়া ও আইনি সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সূত্র গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছে। গত শুক্রবার বিকালে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের একটি সূত্র এ প্রতিবেদককে জানায়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই বিষয়টি কনস্যুলেটের নজরে আসে। এরপর বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠিয়ে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে চাওয়া হয়।

সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) গত বুধবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তথ্য নিশ্চিত করে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতার।

মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক ও অশালীন কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সৌদি নিরাপত্তাবাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করেছিল।

ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর ভিত্তিহীন: প্রেস কর্মকর্তা
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ‘পদত্যাগ’ বা তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মর্মে প্রচারিত খবরকে 'সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বলে জানিয়েছে তার দপ্তর। রবিবার প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং এ ধরনের গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই। একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য কাল্পনিক তথ্য ছড়াচ্ছে।'  'গত ১৭ অক্টোবর নিজ সংসদীয় এলাকার গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে ব্যক্তিগত অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী ইতিপূর্বেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। কিন্তু সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার পদত্যাগ নিয়ে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি ও সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী' বলে উল্লেখ করা হয়। সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, 'যেসব মাধ্যম এই মিথ্যা খবর প্রচার করেছে, তাদের অবিলম্বে তা প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'
ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশের খবর ভিত্তিহীন: প্রেস কর্মকর্তা
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  রবিবার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে তাকে ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  গত শনিবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে এক হাতে হ্যান্ড মাইক্রোফোন ও অন্য হাতে পিস্তল নিয়ে একদল লোককে তাড়া করছেন তিনি। একপর্যায়ে পিস্তলের স্লাইড টেনে গুলি করার প্রস্তুতি নিয়ে লোকগুলোর দিকে অস্ত্র তাক করে ‘অ্যাই দাঁড়া, দাঁড়া’ বলে চিৎকার করতে দেখা যায় তাঁকে। ভিডিওতে সাদা পোশাকে থাকা আরও একজনকে অস্ত্র হাতে লোকজনকে তাড়া করতে দেখা যায়। ঘটনাটি রাজধানীর গেণ্ডারিয়া রেললাইন-সংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। বিষয়টিকে বাড়াবাড়ি হিসেবে দেখছেন তারা। দিনভর নানা সমালোচনার মুখে বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে পাঠান এবং পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এদিকে ইশরাক হোসেন এটাকে গুজব বলে এতে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। অন্যদিকে আজ ১৮ অক্টোবর ২০২৬ (রবিবার) বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের "পদত্যাগ" বা "তাকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে" মর্মে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন মাহফুজ কবির মুক্তা, প্রেস কর্মকর্তা, ইশরাক হোসেন এমপি ও প্রতিমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, প্রকৃত সত্য এই যে, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তার সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সাথে পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।
মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা
কক্সবাজারের উখিয়ায় পাটুয়ার টেক সৈকতে কাঠের ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের হৃদয়বিদারক ঘটনায় একই পরিবারের ছয় সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। এই মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি থেকে কোনোমতে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন পরিবারের তিনজন সদস্য- ইসমাইল রুহুল মাসুদ (৩৫), তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা মিনা (৩০) এবং তাদের ভাগ্নি জামাই আশিক। আহতদের মধ্যে মেহেরুন্নেসা মিনা বর্তমানে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, আর তার স্বামী ইসমাইল রুহুল মাসুদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ আছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ইনানীর পাটুয়ার টেক সৈকত এলাকার রিসোর্টটিতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আহত ইসমাইল রুহুল মাসুদ সীনহা গ্রুপের একজন মার্চেন্ডাইজার এবং তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা মিনা প্রিমিয়ার ব্যাংকে কর্মরত। তারা রাজধানীর উত্তরা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। ঢামেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয়ার পর মাসুদ জানান, গত বুধবার তাদের পরিবারের ১০ জন সদস্য একসঙ্গে কক্সবাজার ঘুরতে গিয়েছিলেন। ঘটনার আগের দিন একজন সদস্য ঢাকায় ফিরে আসেন। শনিবার তাদের কক্সবাজার থেকে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। ঘটনার মুহূর্ত বর্ণনা করে মাসুদ বলেন, সকাল ৭টায় পরিবারের সকলের হোটেল থেকে বেড় হওয়ার কথা ছিল, তাই ফোনে অ্যালার্ম দেওয়া ছিল। অ্যালার্মের শব্দে আমাদের ঘুম ভেঙে যায়। অ্যালার্ম বন্ধ করে আবার শুতেই দুই-তিন মিনিটের মধ্যে পটমট শব্দ শুনতে পাই এবং চারিদিক ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। আমরা দ্রুত বিছানা থেকে উঠে দাঁড়াতেই রুমের দরজার দিকে চোখ যায়। তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা ধোঁয়ার গন্ধ পেয়ে দরজার লক খুলতেই করিডোরে দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনের প্রকাণ্ড গোলা ঘরের ভিতর ঢুকে পড়ে। করিডোর পুরোটাই তখন আগুনে প্লাবিত, ফলে অন্য রুমে থাকা পরিবারের বাকি সদস্যদের সতর্ক বা উদ্ধার করার কোনো সুযোগই তাদের ছিল না। আগুন রুমে ঢুকে পড়ার পর ঘরটি ধোঁয়ায় অন্ধ হয়ে যায়। রুমের বাইরে যাওয়ার একমাত্র উপায় ছিল সামনের একপাশের একটি মোটা ট্রান্সপারেন্ট (স্বচ্ছ) গ্লাস। বাঁচার আকুতিতে মাসুদ, তার স্ত্রী মিনা এবং তাদের ভাগ্নি জামাই আশিক ঘরের গ্লাসে সজোরে লাথি মারতে থাকেন। কিন্তু মোটা কাঁচের সেই গ্লাস ভাঙছিল না। একপর্যায়ে ঘরের কোণায় থাকা একটি কাঠের চেয়ার দিয়ে সজোরে গ্লাসে পরপর আঘাত করেন মাসুদ। চেয়ারটির পা ভেঙে গেলে, সেই ভাঙা পা দিয়ে তৃতীয়বারে সজোরে আঘাত করে অবশেষে গ্লাসটি ভাঙতে সক্ষম হন তারা। দ্বিতীয় তলা থেকে লাফ ও অলৌকিক আত্মরক্ষা রুমের ভেতর তখন আগুন ধরে গেছে এবং বিছানায় আগুন জ্বলছে। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় মাসুদ তার স্ত্রীকে দ্বিতীয় তলার ভাঙা গ্লাস দিয়ে নিচে লাফ দেয়ার নির্দেশ দেন। ভয় পেয়ে স্ত্রী গ্লাস ধরে ঝুলে থাকলে মাসুদ তার হাত ছাড়িয়ে নিচে ফেলে দেন। এর পরপরই তিনি নিজে এবং তার পেছনে থাকা ভাগ্নি জামাই আশিক লাফিয়ে পড়েন। নিচে পড়ার সময় একটি কুল/বড়ই গাছের বাধার কারণে সরাসরি মাটিতে আঘাত পান মাসুদ। এতে তার কোমরে তীব্র চোট লাগে এবং তিনি আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিলেন না। অন্যদিকে তার স্ত্রীর পায়ের কিছু পরিমাণ অংশ গভীরভাবে কেটে গিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। অগ্নিকাণ্ডের অসহ্য উত্তাপ থেকে বাঁচতে তারা কোনোমতে হামাগুড়ি দিয়ে পাশের একটি ধানখেতে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে তারা হোটেলের সামনে আসলে দেখতে পান ভেতর আটকে পড়া মানুষজন বাঁচাও-বাঁচাও বলে আকুতি করছেন। তাদের স্বজনরা তখন চিৎকার করে বলছিলেন, আমার ছেলে-মেয়েদের বাঁচান, একটু পানি দেন! এই ট্যুরের পেছনের এক বিষাদময় করুণ গল্প তুলে ধরে মাসুদ জানান, তাদের বড় বোনের মেয়ে ফারিয়া কবির ছিলেন একজন মায়োপ্যাথিক (প্যারালাইজড) রোগী। তিনি কখনও সমুদ্র দেখেননি। ফারিয়ার ইচ্ছা পূরণ করতেই পুরো পরিবার মিলে এই ট্যুরের আয়োজন করেছিল। মাসুদ আক্ষেপ করে বলেন, ফারিয়া বলেছিল সে তো একা কোথাও যেতে পারে না, সবাই মিলে একসঙ্গে গেলে সে সমুদ্র দেখতে পারবে। আমরা দুইবার ওকে কোলে করে এবং চেয়ারে বসিয়ে সমুদ্রের পাড়ে নিয়ে গেছি। ও পানির সাথে খেলা করেছে, ভীষণ আনন্দ পেয়েছে। আসার পথে চাঁদের গাড়িতে বসে সে বলেছিল, ‘আমি যদি এই সমুদ্রের পাড়ে সবসময় থাকতে পারতাম, খুব শান্তি লাগত।’ আজ সত্যিই সে চিরতরে সমুদ্রের পাড়েই রয়ে গেল। দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য শনিবার রাতে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। ঢামেকে আসার পর ইসমাইল রুহুল মাসুদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ আছেন এবং তার স্ত্রী মেহেরুন্নেসা মিনাকে বার্ন ইউনিটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
স্ত্রীকে দোতলা থেকে ফেলে দিয়ে নিজেও লাফ, বেঁচে ফেরা মাসুদের বর্ণনা
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৯ সালের মধ্যে সেখানে সচিবালয়ের কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নিয়ে শিগগির নির্মাণকাজ শুরু করা হবে। রোববার মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে পিআইডির সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, নতুন সচিবালয় কমপ্লেক্সে প্রায় ৩১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ভবন নির্মাণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোনো বাণিজ্য মেলার এলাকায় তিনটি বেজমেন্টসহ ১৪টি ১২ তলা ভবন নির্মাণ করা হবে। সেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ গাড়ি রাখার ব্যবস্থা, একটি মসজিদ ও ক্যাফেটেরিয়া থাকবে। পাশাপাশি আশপাশের সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আন্ডারপাস ও ভূগর্ভস্থ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রাজধানীর জন্য প্রণীত আগের মহাপরিকল্পনায় যে এলাকায় সচিবালয়ের জন্য জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছিল, নতুন কমপ্লেক্সটি সেই এলাকাতেই গড়ে তোলা হবে। এ জন্য প্রায় ৩১ একর জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নতুন সচিবালয়ের নকশায় নান্দনিকতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। স্থানটির আগের পরিকল্পনার সঙ্গে নতুন উদ্যোগের কিছু মিল থাকলেও পুরো পরিকল্পনা এক নয়। তবে উভয়ের মধ্যে একটি যোগসূত্র রয়েছে।
শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) দুই সদস্য ড. মো. মহিউদ্দিন ও অধ্যাপক এম সোহেল রহমান পদত্যাগ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর আজ রোববার তা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। পদত্যাগপত্রে দুই সদস্যই ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, রোববার (১৮ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি তাঁদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং শনিবার (১৭ অক্টোবর) পদত্যাগপত্র জমা দেন আরেক সদস্য ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান। দুই সদস্যের বিদায়ের পর ২০ সদস্যের পিএসসিতে বর্তমান সদস্যসংখ্যা কমে ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে গত আগস্ট মাসে সংস্থাটির তৎকালীন চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দায়িত্ব ছেড়েছিলেন। নতুন করে দুই সদস্য সরে দাঁড়ানোর পর আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
পিএসসি থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই সদস্য
আরও পড়ুন
মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম আল মাদানি আর নেই
মক্কার আকাশে ড্রোন হা'মলার ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল!
মক্কার আকাশসীমার কাছে হুতিদের ড্রোন ভূপাতিত করল সৌদি
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশি নুরুদ্দিন জাকারিয়া
X