ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

সারের ডিলার না দেন, বিষের ডিলার দেন: ফেসবুকে ছাত্রদল নেতা

কুড়িগ্রাম (রাজারহাট) প্রতিনিধি

  ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম

রাজারহাটে সারের ডিলারশীপ নিয়ে আত্মীয় করণের অভিযোগ তুলে ছাত্রদল নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,সারের ডিলারশিপ না দেন,বিষের ডিলারশিপ দেন-ত্যাগী কর্মীরা মরে যাক। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করেগত ১৭ অক্টোবর দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন মন্তব্য করেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান ফেরদৌস সজীব। বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপ না পাওয়া ও কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানান। তাঁর মন্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বুলেটিন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

রায়হান ফেরদৌস সজীব রায়হান ট্রেডার্সের মালিক। তাঁর দাবি,বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপের জন্য সুপারিশে তাঁর নাম দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল ডিলারশিপ পান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ফেসবুকে ওই মন্তব্য করেন।

সজীবের অভিযোগ,মোস্তফা জামাল ও তাঁর পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁর দাবি,দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরও তিনি ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল। তিনি বলেন,এগুলো সব মিথ্যা। আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।

ডিলারশিপ পরিচালনা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা জামাল বলেন, “হারুন উর রশীদ আমার জন্য একটু কথা বলাবলি করছিল। আমার নামে ডিলারশিপ,আর আমি চালাবো। অর্থাৎ ডিলারশিপের ব্যবসা তিনিই পরিচালনা করবেন বলে জানান তিনি।

রায়হান ফেরদৌস সজীবের দাবি,প্রায় ১৭ বছর ধরে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ২০১১ সালে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,২০১৩ সালে রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের কোষাধ্যক্ষ এবং ২০২১ সাল থেকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জিয়া মঞ্চের সহসভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানান তিনি।

রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময় হামলা-
মামলার শিকার হওয়ার দাবিও করেন সজীব। তাঁর ভাষ্য,২০১৩ সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা একটি মামলায় তিনি আসামি হন। ২০১৭ সালে রাজারহাট সোনালী ব্যাংক চত্বরের সামনে যাওয়ার সময়ও হামলার শিকার হন বলে দাবি করেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে কোমরের ব্যথায় ভুগছেন সজীব। তিনি জানান,বাংলাদেশে রংপুর ও ঢাকায় চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ২০২০সালে সকল প্রস্তুতি সম্পুর্ণ করেছিলো। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে বন্ধ হওয়ায় চিকিৎসা নিতে পারেনি। বর্তমানে আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর দাবি,অসুস্থতার কারণে দৌড়াতে পারেন না; এরপরও বিএনপির কোনো দলীয় কর্মসূচি বাদ দেননি।

সজীব আরও বলেন,আমি একজন জুলাই যোদ্ধা। ১৭ বছর ধরে বিএনপির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করলাম। বিএনপি সরকার ক্ষমতায়,কিন্তু আমি বিএনপি করেও ডিলারশিপ পেলাম না। অথচ আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা ডিলারশিপ পায় কিভাবে?”

এদিকে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ,ডিলারশিপ মোস্তফা জামালের নামে থাকলেও ব্যবসাটি নিয়ন্ত্রণ করছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন উর রশীদ।

তিনি বলেন,সবাই কেন জানি এটাই ভাবতেছে।” তাঁর দাবি,ডিলারশিপের সব কাগজপত্র মোস্তফা জামালের নামে এবং ডিলারশিপও তিনিই পেয়েছেন।

এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় বলেন,সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। সার ডিলারশিপ নিয়োগ কমিটিতে আমিও আছি,আরও অনেকে আছেন। সবার সুপারিশক্রমে যাঁকে ভালো মনে হয়েছে, তাঁকেই দেওয়া হয়েছে।

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
সৌদি আরবের হাইল শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার হোসেন (৪৮) মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে হাইলের কিং খালিদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আজ রবিবার (১৮ অক্টোবর) আনোয়ারের মৃত্যুর খবর জানাজানি হয়।  নিহত আনোয়ার হোসেন ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পূর্ব ইন্দ্রা পাশা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মনসুর হোসেন। তিনি সৌদি আরবের হাইল শহরে কর্মরত ছিলেন। নিহতের স্ত্রী জেসমিন বেগম জানান, তার স্বামী আনোয়ার হোসেন পেশায় একজন মাইক্রোবাস চালক। গত ১০ অক্টোবর হাইল শহরে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে গুরুতর আহত হন আনোয়ার হোসেন। পরে তাকে পুলিশ গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে কিং খালিদ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সকালে তার মৃত্যু হয়। জেসমিন বেগম বলেন, আমার স্বামীর মরদেহ যেন সন্তানরা দেখতে পারে। তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও সৌদি সরকারের দৃষ্টি কামনা করছি। রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফিরোজ কামাল বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কিছু জানানো হয়নি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছি। তারপরেও আমরা এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি।
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত আনোয়ার মারা গেছেন
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: এসআরবি’র অভিযানে আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনে আটক দুই মাদক কারবারিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১)। রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-১-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক শাহ আলম। ​গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—আকাশ হোসেন (২৩), মো. রাজিব (২৩), মো. নাজমুল হোসেন নাদিম এবং শিউলি আক্তার সুমি (৩৫)। ​এসআরবি সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ অক্টোবর জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনের প্ল্যাটফর্ম থেকে ইয়াবাসহ আনিছ (১৯) ও শিমলা আক্তার ওরফে বৃষ্টিকে (২২) আটক করে রেলওয়ে পুলিশ। আটককৃতদের ছিনিয়ে নিতে একদল দুষ্কৃতকারী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ফাঁড়ির দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। ​উক্ত ঘটনায় ১৬ অক্টোবর রেলওয়ে পুলিশের এটিএসআই মো. নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকা রেলওয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ​ঘটনার পর জড়িতদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-১-এর পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদ ও সোর্সের তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন পূর্ব চান্দনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি আকাশ ও রাজিবসহ তদন্তে প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামি নাজমুল ও শিউলিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য গাজীপুর মহানগরের সদর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ​উল্লেখ্য, হামলার ঘটনার পরপরই গত বৃহস্পতিবার রাতে জিএমপি সদর থানা পুলিশ মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রাথমিক ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল। এসআরবি’র নতুন অভিযানে এ মামলায় মোট গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ৭ জনে।   
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: এসআরবি’র অভিযানে আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাতিজার কোদালের কোপে চাচার মৃত্যু 
সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজা (চাচাতো ভাইয়ের ছেলের) কোদালের কোপে চাচা আবুল কালাম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাবি হাফিজা খাতুন ও ভাতিজা কামরুল হাসান গুরুতর আহত হয়ে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ​ শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বেলকুচি উপজেলার ভাঙাবাড়ী ইউনিয়নের উত্তর চন্দনগাঁতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহত আবুল কালাম উত্তর চন্দনগাঁতি গ্রামের মৃত গনি শেখের ছেলে। ​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে আবুল কালামের সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই মান্নান শেখের বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যের উপস্থিতিতে সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। ​এরই জেরে শনিবার সকালে আবুল কালামের মালিকানাধীন শালবাগানের গাছ কাটতে যায় চাচাতো ভাই মান্নান শেখ, তাঁর ছেলে আরিফসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। খবর পেয়ে আবুল কালাম ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ কাটতে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভাতিজা আরিফ তাঁর হাতে থাকা কোদাল দিয়ে আবুল কালামের মাথায় আঘাত করে। এ সময় আবুল কালামকে রক্ষায় তাঁর ভাবি হাফিজা খাতুন ও ভাতিজা কামরুল হাসান এগিয়ে এলে হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাঁদেও ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করে। আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ​পরে স্থানীয়রা মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবুল কালামের মৃত্যু হয়। ​এ বিষয়ে বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই বদিউজ্জামান বাদী হয়ে একটি হত্যাকান্ড জনিত মামলা দায়ের করেন। আমরা ইতিমধ্যে নিহতরের চাচাতো ভাই মান্নান শেখ ও তার বেয়াইনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকী আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাতিজার কোদালের কোপে চাচার মৃত্যু 
দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভাঙ্গুড়ায় প্রশাসনের তৎপরতা
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় শারদীয় দুর্গাপূজার তৃতীয় দিন রোববার (১৮অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা। পূজার সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে মাঠপর্যায়ে তৎপর রয়েছেন তাঁরা। পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাহান, ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাকিউল আযম এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম। পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি, পূজার প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা পূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক থাকার ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে নির্বিঘ্নে পূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়। স্থানীয় পর্যায়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সার্বিক প্রস্তুতি তদারকিতে প্রশাসনের এই উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ভাঙ্গুড়ায় প্রশাসনের তৎপরতা
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা 
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে রবিবার সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোনা ২ সদর ও বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হক এমপি। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক ওয়াহিদুজ্জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও মনিজা খাতুন, জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ম কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম প্রমুখ।  এসময় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় কমিটির সকল সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।  উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডাক্তার মোঃ আনোয়ারুল হক এমপি বলেন জেলার উন্নয়নে স্বচ্ছতার সাথে সকলকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রত্যেকটি উন্নয়ন কাজ যথাসময়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। 
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা 
আরও পড়ুন
দুর্গাপূজার তৈজসপত্র তৈরিতে ব্যস্ত রাজারহাটের কুমারপাড়া
সাদা ধানের ভিড়ে কালো ধানে নতুন স্বপ্ন, রাজারহাটের কৃষক আজমলের
পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিমা গড়ে লাখ টাকা আয় করছেন কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী বাঁধন
ইউনিয়ন পরিষদের নিলামকৃত গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু
X