ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
রিসোর্টে তরুণীকে ধ'র্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেফতার
নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ১১ বিজিবির অধিনায়ক
মশিউর অর্ণব
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে উদযাপন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ও বাইশারী ইউনিয়নসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বিজিবি সদস্যরা। এর মধ্যে এক প্লাটুন সদস্য পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন এবং অপর প্লাটুন নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে দায়িত্বপূর্ণ নাইক্ষ্যংছড়ি  উপজেলার  সদর ইউনিয়নের নাইক্ষ্যংছড়ি কেন্দ্রীয় শ্রী শ্রী  সার্বজনীন হরিমন্দির পূজামণ্ডপ ও বাইশারী এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে বিজিবির অধিনায়ক দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।  তিনি দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিজিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। এ সময় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর নবাগত উপ-অধিনায়ক মেজর তাহ্সিন উদ্দিন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ দমন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ করে আসছে। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাহিনীটি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। বিজিবি জানায়, সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় উৎসব নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে উদযাপন নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
‘বস্তাবন্দী ভিডিও’ পাঠিয়ে সেই তিন ছাত্রীর জন্য ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি!
ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২
আল নজির ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক বিতরণ
বাইশারীতে সেনবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ
বান্দরবান বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারে জনবল সংকটে সেবা ব্যাহত

বান্দরবান শহরের বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারে ৩৩ পদের বিপরীতে কর্মরত ১৫ জন, শূন্য ১৮ পদ—ব্যাহত হচ্ছে দাপ্তরিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম জনবল সংকটে বাগান ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন ও কৃষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় বাড়ছে চাপ ফার্ম লেবারের ১৬ পদের ১১টিই শূন্য, ১০ দিনের কাজ শেষ করতে লাগছে ৩০ দিন দ্রুত শূন্য পদ পূরণের দাবি—জনবল বাড়লে সেবার মান ও কাজের গতি বাড়বে: উপপরিচালক উদ্যানতত্ত্ববিদ, উপসহকারী উদ্যান কর্মকর্তা, মালি ও চালকসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে জনবল ঘাটতি ।  দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পদ শূন্য থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।  জনবল সংকট কাটাতে শূন্য পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থার কথা বাংলাদেশ বুলেটিন পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাথে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সাক্ষাৎকারে এবার্তা জানিয়েছেন বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্রিকায় হর্টিকালচার সেন্টারে ফলজ ও বনজ বিষয় নিয়ে অনিয়মের কথা তুলে ধরেন, তবে গাফিলতি ওঅনিয়ম হওয়ার পিছনে বিভিন্ন পদে জনবল কম থাকাতে এটি প্রধান কারন হিসেবে দাঁড়িয়েছে। তিনি জানান, এ জনবল সংকট বিষয়টি যদি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্যামাচিং মার্মা ও পার্বত্যমন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী কাছে বার্তাটি পৌঁছালে আমার বিশ্বাস শূন্য পদে অবশ্যই ফিলাপ করার জন্য ব্যবস্থা করবে। ফার্মলেবার মো. আলমগীর বলেন, হর্টিকালচার সেন্টারে নিয়মিত লেবারে কাজ করি মাত্র ৫জন। কাজের গতি বাড়াতে পারছি না ১০দিনের কাজ ৩০দিনেও শেষ করতে পারি না,যদি শূন্য পদের নিয়োগ দিলে আমাদের কাজের মান আরো গতিশীল হবে বলে আশাবাদী।  সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রস্তাবনায় দেখা যায়, হর্টিকালচার সেন্টারে মোট ৩৩টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১৫ জন। ফলে ১৮টি পদই শূন্য রয়েছে। জনবল ঘাটতির কারণে দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি বাগান ব্যবস্থাপনা, চাষাবাদ, উৎপাদন ও কৃষকদের প্রযুক্তিগত সহায়তা কার্যক্রমে চাপ তৈরি হচ্ছে। প্রস্তাবনায় ১২ ধরনের পদে জনবল কাঠামোর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে উপপরিচালক পদে ১ জন কর্মরত থাকলেও উদ্যানতত্ত্ববিদের ১টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া ৪টি অনুমোদিত উপসহকারী উদ্যান কর্মকর্তার মধ্যে ১ জন কর্মরত এবং ৩টি পদ শূন্য রয়েছে। প্রস্তাবিত তালিকা অনুযায়ী, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক, মালি, ড্রাইভার ও ট্রাক্টর/পাওয়ার টিলার ড্রাইভার প্রতিটি পদে ১টি করে শূন্য পদ রয়েছে। গার্ড পদে ৪টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩ জন কর্মরত এবং ১টি পদ শূন্য। সবচেয়ে বেশি ঘাটতি রয়েছে ফার্ম লেবার পদে। এ পদে ১৬টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৫ জন, ফলে ১১টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া এমএলএসএস পদেও একটি পদ শূন্য রয়েছে। হর্টিকালচার সেন্টারের মতো কৃষি উৎপাদন, ফলদ ও উদ্যানজাত ফসলের সম্প্রসারণ, চারা উৎপাদন এবং কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে সহযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে ফলদ ও উদ্যানজাত ফসলের উৎপাদন সম্প্রসারণে হর্টিকালচার সেন্টারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক না থাকলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও সেবামূলক কার্যক্রম কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা হলে বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং স্থানীয় কৃষক ও উদ্যোক্তারা সেন্টারটির সেবা থেকে অধিকতর উপকৃত হবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

পাহাড়-পর্বতে ট্যুরিস্টের ভালোলাগার গল্প

পাহাড়ের গায়ে মেঘের আলিঙ্গন, দূরে নীলচে পর্বতমালা, সবুজ বন আর পাহাড়ি ঝরনার স্বচ্ছ জলের ছন্দ প্রকৃতির এমন অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন অসংখ্য পর্যটক।  শহরের ব্যস্ততা, যানজট ও কোলাহল পেছনে ফেলে পার্বত্য অঞ্চলে সবুজ পাহাড়ে এসে অনেকেরই মনে হয়, প্রকৃতির কাছে ফিরে পাওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতেই নেই বাংলাদেশ বুলেটিন সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছেন আব্দুল মান্নান নামে এক পর্যটক। বান্দরবানের পাহাড়ি জনপদে পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ তৈরি করে পাহাড়, মেঘ, ঝরনা ও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রা। ভোরের আলো ফুটতেই পাহাড়ের চূড়ায় মেঘের আনাগোনা, বিকেলে সূর্যের নরম আলো আর সন্ধ্যায় পাহাড়ের নীরবতা,সব মিলিয়ে পর্যটকদের কাছে তৈরি হয় ভিন্ন এক অনুভূতি। পর্যটক ইসমাইল হোসেন বলেন, পাহাড়ে এসে শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখাই নয়, এখানকার মানুষের জীবন, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তাও তাদের ভ্রমণকে আরও অর্থবহ করে তোলে। পাহাড়ি পথে হাঁটা, ঝরনার পানিতে পা ভেজানো কিংবা কোনো উঁচু পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে চারপাশের বিস্তীর্ণ সবুজ দেখা প্রতিটি মুহূর্তই যেন আলাদা গল্প হয়ে ফিরে যায় স্মৃতিতে। বিশেষ করে বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে পাহাড়ের সৌন্দর্য যেন আরও বহুগুণ বেড়ে যায়। পাহাড়ের গায়ে নেমে আসে মেঘের আস্তরণ। কোথাও ঝরনা হয়ে নেমে আসে পাহাড়ি জলধারা, আবার কোথাও সবুজ পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা পথে ছুটে চলে পর্যটকদের গাড়ি। প্রকৃতির এই রূপ মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখতেও ব্যস্ত থাকেন অনেকে। ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে পাহাড়ে ঘুরতে আসা রাকিব ইসলাম বলেন, শহরের জীবনে প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে প্রকৃতিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ খুব কম। পাহাড়ে এসে মনে হচ্ছে কয়েক দিনের জন্য অন্য এক জগতে চলে এসেছি। এখানকার পরিবেশ ও দৃশ্য সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। আরেক পর্যটক নাসিমা আক্তার বলেন, পাহাড়ের ওপর দাঁড়িয়ে চারপাশের মেঘ ও সবুজ প্রকৃতি দেখার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ছবি তুলে রাখছি, কিন্তু বাস্তবে যে সৌন্দর্য দেখছি, ছবিতে তার পুরোটা ধরা যায় না। রুমার ট্যুরিস্ট গাইডে সভাপতি মো. বেলাল উদ্দিন বলেন , প্রতিদিনে পর্যটকেরা ধুঁকে প্রায় ২শ-৫শত জনের বেশি। পাহাড়ি এলাকায় পর্যটনের সম্ভাবনা অনেক। পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো, নিরাপদ যাতায়াত, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।  একই সঙ্গে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও পরিবেশের প্রতি সম্মান রেখে পর্যটন ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তবে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে পরিবেশের ক্ষতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পর্যটকদের ফেলে যাওয়া প্লাস্টিক ও বোতলসহ বিভিন্ন বর্জ্য পাহাড়ি পরিবেশের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। তাই প্রকৃতিকে ভালোবেসে ভ্রমণ এবং যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলার বিষয়ে সচেতন হওয়ার তাগিদ রয়েছে। এদিকে উপজেলা প্রশাসন,সেনাবাহিনী ও পুলিশ পক্ষ থেকে ট্যুরিস্টদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন স্থানে কটেজ,যাত্রী ছাউনি, রেস্টুরেন্টসহ আরো অনেককিছু দেখার স্থান জায়গা করে দিয়েছে। পাহাড় শুধু ভ্রমণের জায়গা নয়, এটি প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের এক ধরনের নীরব সম্পর্ক তৈরির স্থান। পাহাড়ের নীরবতা, মেঘের ভেলা, ঝরনার শব্দ আর সবুজের মায়া অনেক পর্যটকের মনে তৈরি করে দীর্ঘস্থায়ী স্মৃতি। তাই ছুটির দিনে কিংবা অবসর পেলেই অনেকে আবারও ফিরে আসতে চান পাহাড়ের সেই চেনা-অচেনা সৌন্দর্যের কাছে। প্রকৃতির এই টানেই পাহাড়ে আসা পর্যটকদের মুখে শোনা যায় একটাই কথা পাহাড়ে এলে মন ভালো হয়ে যায়। আর সেই ভালোলাগার গল্পই বারবার মানুষকে টেনে নেয় পাহাড়-পর্বতের পথে।  

রুমায় ৬ শতাধিক মানুষের পানির কষ্ট দূর করল সেনাবাহিনী

বান্দরবানে রুমা উপজেলার বেথেল পাড়ায় ৬ শতাধিক মানুষের পানি-সংকট  স্থায়ীভাবে নিরসনে ১ লক্ষ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোন। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এ পাড়াবাসীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল শুষ্ক মৌসুমে সুপেয় পানির সংকট। বিশেষ করে, নভেম্বর-এপ্রিল মাস পর্যন্ত এ সংকট আরো তীব্র আকার ধারণ করতো।   তবে বেথেল পাড়াবাসীর সমস্যার মধ্যে এগিয়ে আসে বাংলাদেশে সেনাবাহিনী।   সেনাবাহিনী সূত্রে জানায়, জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন এই এলাকা পরিদর্শনকালে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন। এরই ফলশ্রুতিতে, বান্দরবান সেনা রিজিয়নের দিকনির্দেশনায় রুমা জোন কতৃক অতিসত্বর '১ লক্ষ লিটার ধারণক্ষমতা'  সম্পন্ন একটি ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। সেনাসদস্য ও পাড়াবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও তত্ত্বাবধানে দ্রুতই এ প্রকল্পের কাজ শেষ হয়, পাড়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়। বর্তমানে এই ওয়াটার রিজার্ভার থেকে সহজেই  পাড়াবাসীসহ পথচারীরাও পানি সংগ্রহ করতে শুরু করেছে।   এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পাড়াবাসীরা জানিয়েছেন যে, আগে প্রায় ৭০০-৮০০ মিটার দূরের পাহাড়ি ঝিরি থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করে উঁচু পাহাড়ে উঠতে অনেক কষ্ট হতো। শুষ্ক মৌসুমে ঝিরি শুকিয়ে গেলে সেই পানিটুকুও পাওয়া যেত না। এখন আমাদের এই কষ্ট দূর হয়েছে। প্রাক্তন মেম্বার লাল লুঙ থাং বম বলেন, আমাদের যে কোন প্রয়োজনে আমরা সেনাবাহিনীকে পাশে পাই। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের কাছে আস্থার প্রতীক। ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণের ফলে পাড়াবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। আমাদের পাড়ার দীর্ঘদিনের পানি-সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা সেনাবাহিনীর কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে রুমা উপজেলার বিভিন্ন পাড়ায় পানি-সংকট নিরসনে রুমা জোন  বিশেষ অবদান রেখে আসছে। এর মধ্যে আরথাপাড়াতে ওয়াটার পাম্প ও জেনারেটর প্রদান, হ্যাপিহিল পাড়াতে ২ হাজার লিটার, চাইরাগ্র পাড়াতে ৫ হাজার লিটার, সালেম পাড়াতে ১ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার  পানির ট্যাংক প্রদান ও বিভিন্ন পাড়াতে ওয়াটার পয়েন্ট নির্মাণ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।    এ এলাকার মানুষের  দুর্দশা ও দুর্ভোগ লাঘবে সেনাবাহিনীর এরকম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জোন কমান্ডার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষই বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি বিভেদ ও বিবাদের চক্রান্ত রুখে দিয়ে সম্প্রীতি সুনিশ্চিত করতে আমরা সদা কাজ করে যাচ্ছি।' শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবদান দেশ ও দেশের সীমানা ছাড়িয়ে সারা বিশ্বেই আজ সমাদৃত।  এরকম মানবিক ও জনগণের সেনাবাহিনী যেকোনো দেশের জন্যই গর্বের অহংকার।

নাইক্ষ‍্যংছড়িতে অসহায় মানুষদের বিজিবির ফ্রি চিকিৎসা সেবা 

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নে  বিজিবি কর্তৃক সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত অসহায়, গরীব ও দুঃস্থ জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।এছাড়া স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসা, কিয়াংঘরে আর্থিক সহায়তা ও ছাত্রদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা  সামগ্রী এবং অসহায় দুঃস্থদের মাঝে রেশন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। কক্সবাজার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর ৩৪ ব্যাটালিয়ন কর্তৃক সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত অসহায়,গরীব ও দুঃস্থ জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান, ঔষধ বিতরণ, স্থানীয় স্কুল, মাদ্রাসা, কিয়াংঘরে আর্থিক সহায়তা ও ছাত্রদের মাঝে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী এবং অসহায় দুঃস্থদের মাঝে রেশন সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।  মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন,বিজিবি হবে “সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক” এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কক্সবাজার রিজিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার অসহায়, গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদানের পরিকল্পনা করা হয়েছে।  এরই ধারাবাহিকতায় (২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পযর্ন্ত কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর ব্যবস্থাপনায় অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি এর নেতৃত্বে ২ জন অভিজ্ঞ ডাক্তার এর তত্ত্বাবধানে নাইক্ষ‍্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের রেজুপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ ফাত্রাঝিরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত প্রায় ৩৩০ জন অসহায়, গরীব ও দুঃস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান এবং ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।    অধিনায়ক বলেন, বিজিবি সীমান্ত পাহারা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি সব সময় সীমান্তবর্তী অসহায়, দরিদ্র ও বিপন্ন মানুষের কল্যাণে পাশে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ফুফুর কক্ষের বাক্সে পাওয়া গেল ফুটফুটে তায়িফার ম'রদেহ

বান্দরবান সদর উপজেলায় নিজ ফুফুর কক্ষের একটি বাক্স থেকে তায়িফা সুলতানা (৩) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ফুফু নার্গিস সুলতানাকে (৪৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা তিনটার দিকে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক বাজারসংলগ্ন ময়দার মিল এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তায়িফা ওই এলাকার ইলিয়াস খানের মেয়ে। গতকাল রাত ১০টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, সোমবার সকাল থেকেই শিশু তায়িফা নিখোঁজ ছিল। চারদিকে খোঁজাখুঁজি করে তাকে না পেয়ে তার বাবা ইলিয়াস খান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। পরে তাদের বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ফুফু নার্গিস সুলতানা শিশু তায়িফাকে নিজের কক্ষে নিয়ে যাচ্ছেন। এর ভিত্তিতে নার্গিসের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বাক্সে তায়িফার নিথর দেহ পাওয়া যায় এবং রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নার্গিস সুলতানা ভাতিজিকে গলাটিপে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে ঠিক কী কারণে তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো কিছু জানাননি। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নার্গিস সুলতানা স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর ভাই ইলিয়াস খানের সঙ্গেই একই বাড়িতে বসবাস করতেন। আপন ভাতিজিকে এমন নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পুরো পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের ধারণা, ভাইঝির মায়ের সঙ্গে কোনো ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন নার্গিস। বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তের ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃহত্তর এগ্রোফার্ম সমবায় সমিতির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের করলিয়ামুরা বৃহত্তর এগ্রোফার্ম সমবায় সমিতি লিমিটেডের ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাইশারী ইউনিয়নের করলিয়ামুরা আমতলী বাজার এলাকায় সমিতির উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। সমিতির সভাপতি আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন লামা উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা জাবেদ মীরজাদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ক্যবুরী মার্মা ও থানচি উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মংখাই মার্মা। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বাইশারী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও সমিতির উপদেষ্টা জালাল আহমদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মওলানা জামশেদুল ইসলাম। সমিতির ২০তম বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক মংলাচিং মার্মা। এ সময় বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট নুরুল হুদা, বাইশারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. রফিক বসরী, বিএনপি নেতা আব্দুল করিম বান্ডু, মো. আবুল কালামসহ অনেকে। সভায় সমিতির বিভিন্ন কার্যক্রম, আর্থিক হিসাব, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়েও মতবিনিময় করেন অংশগ্রহণকারীরা। সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, সমিতির জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও দখলকে কেন্দ্র করে কথিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রধান অতিথি জাবেদ মীরজাদা বলেন, সমবায় সমিতির মাধ্যমে সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে সমিতির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সভায় সমিতির সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সমিতির উদ্যোগে অতিথি, আমন্ত্রিত অতিথি, সাংবাদিক ও সদস্যদের জন্য মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

নাইক্ষ্যংছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

“ডিজিটাল যুগে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা: তথ্য বিশৃঙ্খলা মোকাবেলায় তথ্য অধিকারের ভূমিকা”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আবু নাছের। প্রকল্প সহায়ক কর্মকর্তা সুইনু প্রু মার্মার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডা. চাইহলা থোয়াই মার্মা, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন টুক্কু, হেডম্যান থোয়াইম্যাচিং মার্মাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, নারী ও যুব প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আলোচনায় বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে ভুয়া তথ্য, গুজব ও তথ্য বিভ্রান্তি সমাজে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে তথ্যের সঠিকতা যাচাই, তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব গড়ে তোলা জরুরি। তারা আরও বলেন, তথ্য অধিকার নিশ্চিত হলে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আয়োজকরা বলেন, তথ্য অধিকার শুধু একটি আইন নয়; এটি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। সঠিক তথ্য, সচেতন নাগরিক ও উন্নত সমাজ গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি র‍্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন এক্সপান্ডেন্ট প্রকল্প ও গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন)।

আরও
X