ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
নাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে ১১ বিজিবির অধিনায়ক
ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২
ঘুমধুম সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২
বান্দরবানের  নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর পৃথক দুটি মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে দুইজনকে আটক করেছে বিজিবি।  উদ্ধার করা ইয়াবার মধ্যে ১০ হাজার পিসসহ দুইজনকে আটক করা হয় এবং বাকি ১ লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ঘুমধুম বিওপির একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার-৩২ থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামালের ঘের এলাকায় অভিযান চালায়।  এ সময় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এফডিএমএন সদস্য মো. ইসলাম (২৫) ও মো. মোজিবুল্লাহকে (২৩) আটক করা হয়। অন্যদিকে, রবিবার ১১ অক্টোবর ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাইশফাঁড়ী বিওপির বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার-৩৫ থেকে প্রায় ১২০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ লাখ ৯০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। বিজিবি জানায়, আটক দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা ইয়াবাসহ প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে, মালিকবিহীন উদ্ধার করা ইয়াবার ঘটনায় মামলা দায়ের করে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অভিযান প্রসঙ্গে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারাতেই নয়, বরং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিজিবি জানায়, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা এবং মাদক ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সীমান্তে মাদক চোরাচালান রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আল নজির ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় শিক্ষার্থীদের মাঝে পোশাক বিতরণ
বাইশারীতে সেনবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ
নাইক্ষ‍্যংছড়িতে অসহায় মানুষদের বিজিবির ফ্রি চিকিৎসা সেবা 
নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃহত্তর এগ্রোফার্ম সমবায় সমিতির ২০তম বার্ষিক সাধারণ সভা
নাইক্ষ্যংছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

“ডিজিটাল যুগে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা: তথ্য বিশৃঙ্খলা মোকাবেলায় তথ্য অধিকারের ভূমিকা”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আবু নাছের। প্রকল্প সহায়ক কর্মকর্তা সুইনু প্রু মার্মার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডা. চাইহলা থোয়াই মার্মা, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন টুক্কু, হেডম্যান থোয়াইম্যাচিং মার্মাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, নারী ও যুব প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আলোচনায় বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে ভুয়া তথ্য, গুজব ও তথ্য বিভ্রান্তি সমাজে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে তথ্যের সঠিকতা যাচাই, তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব গড়ে তোলা জরুরি। তারা আরও বলেন, তথ্য অধিকার নিশ্চিত হলে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আয়োজকরা বলেন, তথ্য অধিকার শুধু একটি আইন নয়; এটি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। সঠিক তথ্য, সচেতন নাগরিক ও উন্নত সমাজ গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি র‍্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেন এক্সপান্ডেন্ট প্রকল্প ও গ্রাউস (গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন)।

নাইক্ষ্যংছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

“ডিজিটাল যুগে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা: তথ্য বিশৃঙ্খলা মোকাবেলায় তথ্য অধিকারের ভূমিকা”-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড (সিইএফ)-এর আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. আবু নাছের। প্রকল্প সহায়ক কর্মকর্তা সুইনু প্রু মার্মার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ডা. চাইহলা থোয়াই মার্মা, নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন টুক্কু, হেডম্যান থোয়াইম্যাচিং মার্মাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, নারী ও যুব প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আলোচনায় বক্তারা বলেন, ডিজিটাল যুগে ভুয়া তথ্য, গুজব ও তথ্য বিভ্রান্তি সমাজে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতিতে তথ্যের সঠিকতা যাচাই, তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব গড়ে তোলা জরুরি। তারা আরও বলেন, তথ্য অধিকার নিশ্চিত হলে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়। ডিজিটাল মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আয়োজকরা বলেন, তথ্য অধিকার শুধু একটি আইন নয়; এটি গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। সঠিক তথ্য, সচেতন নাগরিক ও উন্নত সমাজ গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে একটি র‍্যালী বিভিন্ন সড়ক প্রদিক্ষণ করেন।  

বাইশারী বাজার ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী বাজার ব্যবসায়ী আবুল কালাম প্রকাশ আবু (৪৫)এর  ঝুলন্ত মরদেহ বাজারের  কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পশ্রাব খানার টিনের চালের সাথে রশিতে  ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ।  সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাজার এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত আবুল কালাম দক্ষিণ বড়বিল এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের  ছেলে। তিনি বর্তমানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার  দক্ষিণ বাইশারী এলাকায় বসবাস করেন। স্থানীয়ভাবে ‘আবু’ নামে পরিচিত আবুল কালাম চার সন্তানের জনক। তিনি বাইশারী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে একটি মুদির দোকানের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে মসজিদের ওয়াশরুমের পাশে পশ্রাব খানায়  তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন।  প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মনজুর আহসানকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে। এদিকে, এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাইশারীর ছাদুঅং পাড়ায় একটি বৌদ্ধ বিহারের মাঠে  কাঠ ব্যবসায়ী জাফর আলম বাবুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় দুটি মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে আবুল কালামের মৃত্যু এবং জাফর আলম বাবুলের মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য  রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বাইশারী বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির  সভাপতি মোঃ আবদুল করিম বান্টু বলেন, আবু নামের ছেলেটি অত্যন্ত ভাল ছিল।তবে এ ঘটনায় আমরা ব্যবসায়ীরাও উ বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মনজুরুল আহসান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্বার করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে হয়ত ব্যবসায়ীক আর্থিক সমস্যা না হয় পারিবারিক সমস্যা।তবে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে, বাজারের সিসি ক্যামরা চেক করলে হয়ত আরো কিছু নিশ্চিত হওয়া যাবে।পোষ্টমর্টেম এর পর জানা যাবে হত্যা নাকি অন্য কিছু । 

বান্দরবানকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তোলা কঠিন কিছু নয়: পার্বত্যমন্ত্রী

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি বলেছেন, বান্দরবান শহরটি  ছোট কিন্তু এটি একটি অপরূপ সৌন্দর্যের শহর। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা এটিকে একটি পরিচ্ছন্ন ও পর্যটনবান্ধব শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকলে বান্দরবানের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা মোটেও কঠিন কোনো কাজ নয়।  রবিবার সকালে  বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলায় পর্যটন শিল্পের সার্বিক বিকাশ, শহরের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাঙ্গু নদীকে কেন্দ্র করে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জনজীবনের মানোন্নয়ন বিষয়ে অংশীজনদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায প্রধান অতিথির  বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি। এসময় পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন মন্ত্রী। পর্যটন মৌসুমে  পার্বত্য চট্টগ্রামে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমনের নির্বিঘ্ন করতে নিরাপত্তা  জোরদার, শহরের যানজট নিরসন এবং স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষকে পর্যটকদের সাথে মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে পুরো শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকের বাসাবাড়ির পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে সকল কাজে স্পষ্ট জবাবদিহিতা এবং পারস্পরিক সমন্বয় থাকতে হবে। পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং পতিত জমিতে চাষাবাদের তাগিদ দেন মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি। বিশেষ করে বান্দরবানের মাটিতে কফি ও কাজুবাদাম চাষের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে কৃষকদের উৎসাহিত করার নির্দেশ দেন তিনি। পার্বত্য এলাকায় পানির তীব্র সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য বৃষ্টি, ঝিরি, নদী ও লেকের পানি সংরক্ষণের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ দেন তিনি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক কল্যাণে দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থাসমূহকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার অনুরোধ জানান মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি। বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ সানিউল ফেরদৌস-এর সভাপতিত্বে সকালে  জেলা প্রশাসকের হলরুমে  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার। এছাড়াও সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী এবং পর্যটন খাতের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং চার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় নাইক্ষ্যংছড়ি সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে এসব সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. আব্দুল হামিদের সঞ্চালনায় এবং উপজেলা আমীর মো. আবু নাছেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এস এম আব্দুচ সালাম আজাদ। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা জামায়াতের তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক হামেদ হাসান, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সহসভাপতি রফিক বশরী, নাইক্ষ্যংছড়ি শ্রমিক বিভাগের সভাপতি রফিক আহম্মেদ, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর জামায়াতের আমীর মাস্টার আব্দুল গফুর, বাইশারী সদর জামায়াতের আমীর সেলিম উদ্দিন, বান্দরবান জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি নুরুল আবছার এবং ছাত্রশিবিরের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা সভাপতি নূর সাদেক। এ ছাড়া উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর এস এম আব্দুচ সালাম আজাদ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আব্দুল মান্নান, ভাইস চেয়ারম্যান পদে অ্যাডভোকেট কামরুল আমিন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উম্মে সালমার নাম ঘোষণা করেন। এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ঘুমধুম ইউনিয়নে মো. হামিদুল হক, দোছড়ি ইউনিয়নে নুরুল আজিজ, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নে উপজেলা আমীর মো. আবু নাছের এবং বাইশারী ইউনিয়নে মওলানা রফিক বশরীর নাম ঘোষণা করা হয়। তবে সোনাইছড়ি ইউনিয়নে কোনো সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি। সমাবেশে ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষে এখন থেকেই সাংগঠনিকভাবে কাজ শুরু করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম আব্দুচ সালাম আজাদ বলেন, ইসলামের বিপরীতে যা কিছু রয়েছে, তা তাগুত। জামায়াতে ইসলামীর আকিদা কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ফতোয়া ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে। তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিরোধী দলে থাকার সময়ের তুলনায় বর্তমানে দলটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য ও ফতোয়া বেশি দেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত না হয়ে কোরআন-সুন্নাহর আলোকে নিজেদের আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানান তিনি। সমাবেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পাশাপাশি ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. আবু নাছেরের সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দায়িত্বশীল সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।  

পার্বত্য এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি, টেকসই উন্নয়নে দলমতের উর্ধে থেকে কাজ করতে হবে 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দলমত ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান। সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ির উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ কাজ করার কথা ও উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে তাঁর প্রথম সরকারি সফরে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় ও গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে  তিনি এসব কথা বলেন। দিনব্যাপী সরকারি সফরে মন্ত্রী উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফরের শুরুতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অংশ নেন পার্বত্য মন্ত্রী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, যোগাযোগব্যবস্থা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং স্থানীয় জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুল করিম, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোজাম্মেল হকসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা সভায় মন্ত্রী বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত নিরাপত্তা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে উপজেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরে মন্ত্রী উপজেলা কমপ্লেক্সে আয়োজিত মৎস্য পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় স্থানীয় মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মৎস্যচাষীদের উৎসাহিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।  স্থানীয় জলাশয়ে পোনা অবমুক্তের মাধ্যমে মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এরপর পার্বত্য মন্ত্রী উপজেলা সদরের একটি বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে পার্বত্য এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহাবস্থান ও স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সহযোগিতা থাকতে হবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সফরের শেষ পর্যায়ে রেস্ট হাউস চত্বরে স্থানীয় রাজনৈতিক ও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন পার্বত্য মন্ত্রী। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়ির যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সীমান্ত এলাকার সমস্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন, অবকাঠামো, আইনশৃঙ্খলা এবং স্থানীয় জনগণের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে মন্ত্রীর সংবর্ধনা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নুরুল কাশেম ও সদস্যসচিব সাইফুদ্দিন বাহাদুর সার্বিকভাবে সমন্বয় ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক  সাশৈ প্রু মুজিবুর রশিদ, জাহাঙ্গীর আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ভুঁইয়া, জেলা মৎস্য জীবিদলের সভাপতি আবুল হাসেম, জেলা বিএনপির সদস্য নুরুল আলম কোম্পানি, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান কামাল, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া খান মামু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান চৌধুরী, যুবদল নেতা আমিরুল কবির রাকিব, যুবদল নেতা আনোয়ারুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। মতবিনিময়কালে স্থানীয় নেতাকর্মীরা নাইক্ষ্যংছড়ির যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনগণের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরীর নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রথম সরকারি সফরটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর সফরের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-প্রত্যাশার বিষয়গুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে  ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে  ১১ বিজিবি অভিযান চালিয়ে ২০ হাজার ২০ পিস বার্মিজ ইয়াবা, একটি মোবাইল ফোনসহ এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় অভিযানে জড়িত আরও একজন পালিয়ে যাওয়ায় তাকে গ্রেপ্ততার করা সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়কের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহলদল দায়িত্বপূর্ণ ফাক্রিকাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে। আটক যুবকের নাম শফিকুল হাসান (১৯)। তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের আদর্শগ্রাম মুরাকাটা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। তার কাছ থেকে ২০ হাজার ২০ পিস বার্মিজ ইয়াবা ও একটি Redmi Note 13 মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। বিজিবি জানায়, অভিযানের সময় মো. রুবেল মিয়া (৩০), ফাক্রিকাটা এলাকার বাসিন্দা, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। জব্দ করা ইয়াবার সিজারমূল্য প্রতি পিস ৩শত  টাকা হিসেবে মোট ৬০ লাখ ৬ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার এবং মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে বিজিবি কাজ করছে এবং সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে।

আরও
X