ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
চাঁদাবাজির মামলায় আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুরে কারাগারে সন্ত্রাসী বগা
আখাউড়ায় ৯০ দশক থেকে পাঠকের হাতে পত্রিকা তুলে দিচ্ছে অবসর বুকস্টল
রাজস্থলীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন
রাজস্থলীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন
রাঙামাটির রাজস্থলীতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন বহুল প্রতীক্ষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্পের মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১৮ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামপুর পাড়া গ্রামে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সূচনা করেন রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইউছুফ হাসান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত সুপারভাইজারদের হাতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য আধুনিক ট্যাব তুলে দেন। পরে তিনি সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং এর বিভিন্ন দিক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও ইউছুফ হাসান বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় নির্বাচনের সময় প্রতিটি মানুষকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, আজকের উদ্বোধনী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। এ সময় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও অনৈতিক সুবিধা আদায়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ইউএনও বলেন, “ফ্যামিলি কার্ডের নাম ভাঙিয়ে তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি যদি কারও কাছে অবৈধভাবে টাকা দাবি করেন, তাঁকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।” এ ধরনের অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি। ইউএনও আরও বলেন, রোববার থেকে রাজস্থলীতে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে নির্ভুলভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম সফল করতে রাজস্থলীর সর্বস্তরের বাসিন্দাদের তথ্য সংগ্রহকারীদের সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার পাশাপাশি ভুল তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা লিজা চাকমা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাস্টার খলিলুর রহমান শেখ, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলু মিয়া, বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান এমদাদুল হক মিলন, এমপি প্রতিনিধি জিকু কুমার দে, বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান প্রিন্স, মহিলা সদস্য সালমা আক্তার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে সোয়া কোটি টাকার স্বর্ণসহ যাত্রী গ্রেফতার
অবশেষে মিটল প্রবাসফেরত ছেলে ও বাবার বিরোধ, যে সিদ্ধান্ত হলো
চট্টগ্রামে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা, গ্রেপ্তার ৬
নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কাপ্তাইয়ে ৭ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ৪১ বিজিবি অধিনায়ক

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সাতটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী, সিগন্যালস।  শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তিনি এসব পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরিদর্শনকালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাওসার মেহেদী বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহাবস্থানের দীর্ঘ ঐতিহ্যের উজ্জ্বল প্রতিফলন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যেন নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছে। তিনি জানান, ১৬ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত কাপ্তাই ব্যাটালিয়নের (৪১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সাতটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় দুই প্লাটুন বিজিবি সদস্য দিন-রাত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। পাশাপাশি উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাটালিয়ন সদরে আরও দুই প্লাটুন সদস্যকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা উদযাপন নিশ্চিত করা কোনো একক সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। এ জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পূজা উদযাপন পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সমন্বয় প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ, জনগণের সচেতনতা ও সহযোগিতা এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকার মাধ্যমে দুর্গাপূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ সময় তিনি গুজবে কান না দেওয়া, যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক কোনো ঘটনা নজরে এলে দ্রুত বিজিবি বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। পরিশেষে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে তিনি সবার জীবন আনন্দ, শান্তি ও সম্প্রীতিতে পরিপূর্ণ হোক—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।  

চন্দনাইশে অসহায় ও দুস্থ সনাতনীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ 

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার  (১৭ অক্টোবর) সন্ধ‍্যায় গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম।  অনুষ্ঠানে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে মানবিক সহমর্মিতা, সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে ইতিবাচক অবদান রাখে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি বাবু অরূপ রতন চক্রবর্তী। গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডাঃ মিলন ধরের সভাপতিত্বে এবং চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মন্দির স্থায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ভব শংকর ধরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার ডিএসবি মো: রবিউল ইসলাম, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ রেজাউল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মোঃ মাহমুদুল হাসান, জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআইও-১ মোঃ আনোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার,  চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ হাশেম রাজু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।  

চন্দনাইশে অসহায় ও দুস্থ সনাতনীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে ধর্মীয় সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার  (১৭ অক্টোবর) সন্ধ‍্যায় গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি মো: রবিউল ইসলাম, চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ আবদুর রহমান এবং চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস. এম. দিদারুল ইসলাম সিকদার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণের মাধ্যমে মানবিক সহমর্মিতা, সামাজিক সংহতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলোর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ একটি শান্তিপূর্ণ, সহনশীল ও সম্প্রীতিময় সমাজ গঠনে ইতিবাচক অবদান রাখে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখা সম্ভব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি বাবু অরূপ রতন চক্রবর্তী। গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দির পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ডাঃ মিলন ধরের সভাপতিত্বে এবং চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও মন্দির স্থায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার ভব শংকর ধরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আবদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ রেজাউল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মোঃ মাহমুদুল হাসান, জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিআইও-১ মোঃ আনোয়ার হোসেন, চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম দিদারুল ইসলাম সিকদার,  চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ হাশেম রাজু, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।  

চৌদ্দগ্রামে সম্প্রীতির বার্তা, ডা. তাহের এমপি'র পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের উপহার সামগ্রী বিতরণ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের এম.পি’র পক্ষ থেকে উপজেলার মুন্সীরহাটের ডাকরা ও বাংপাইয়ের হিন্দু সম্প্রদায়ের মা বোনদের মাঝে উপহার বিতরণ করেছেন স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।  শনিবার (১৭ই অক্টোবর) বিকেলে উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সেক্রেটারি মু. বেলাল হোসাইন, মুন্সিরহাট ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন শামিম, যুব নেতা মোশাররফ হোসাইন, ৪নং ওয়ার্ড যুব বিভাগ সভাপতি মিজান ভূঁইয়া, স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপাল চন্দ্র দেবনাথ, হিন্দু ধর্মীয় নেতা নেপাল চন্দ্র দেবনাথ, চৌদ্দগ্রাম সাব রেজিস্টার অফিসের দলীল লিখক শ্যামল চন্দ্র দেবনাথ, পরিমল চন্দ্র দেবনাথ, মনমোহন সূত্রধর প্রমুখ।  

জুরাছড়িতে দুর্গাপূজামন্ডপ পরির্দশন করলেন ইউএনও

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে একমাত্র পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. আলাউল ইসলাম। শনিবার (১৭ অক্টোবর) উপজেলার যক্ষাবাজার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন তিনি। সেখানে পৌঁছালে পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যরা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে ইউএনও পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় দর্শনার্থী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে ইউএনও শেখ মো. আলাউল ইসলাম শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্ট সবার সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন, দুমদুম্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শান্তি রাজ চাকমা, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মো. মাজহারুল ইসলাম, পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি তপন কান্তি দে, রাধাকৃষ্ণ হরি মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি মদন মোহন নাথসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

নোয়াখালীতে জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীকে দোকানের ভেতর প্রকাশ্যে গুলি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় জিনু মার্কেটে মীযানুর রহমান মিজান (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীকে দোকানের ভেতর প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের জিনু মার্কেটের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘মিজান স্টোর’ এ কাজ করা অবস্থায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত ঢাকায় প্রেরণের পরামর্শ দেন। বেগমগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ​আহত মীযানুর রহমান বেগমগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে।  বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবু জায়েদ বলেন, গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী মিজান স্থানীয়ভাবে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। শনিবার রাতে কেনাবেচার সময় মিজান নিজ দোকানে কর্মরত ছিলেন। তখন স্থানীয় সন্ত্রাসী ‘কানা নিজাম’-এর নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিত তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় কানা নিজামের উপস্থিতিতে ছিল স্থানীয় চিহ্নিত সন্ত্রাসী মিজানুর রহমান পলাশ, কালা শহীদ, তারেক, রায়হান, শাহ আলম, রাজু, ফরহাদ, ফাহাদ, আসিফ, সৈকত, নজরুল, রনি, সাকিব, ফয়সাল ও শাহসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জন তার দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে মিজানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে একটি গুলি তার বুকের বাম পাশে বিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়লে সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করার পরামর্শ দেন। এদিকে, ঘটনার পর থেকে পুরো জিনু মার্কেট ও আমানউল্যাপুর এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।  বেগমগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে তার খোঁজ খবর নিয়েছি। ঘটনাস্থলে পরিদর্শন শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু-সহনশীল মৎস্য ও জলজ চাষ উন্নয়নে সার্ক কৃষি কেন্দ্রের কর্মশালা কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার জলজ প্রতিবেশ ও গ্রামীণ জীবিকা হুমকির মুখে পড়ায় জলবায়ু-সহনশীল মৎস্য ও জলজ চাষ উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং জনগোষ্ঠীভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় জনগোষ্ঠীভিত্তিক জলবায়ু-সহনশীল জলজ চাষ উন্নয়ন’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আহ্বান জানানো হয়। সার্ক কৃষি কেন্দ্র এবং শিক্ষা স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম (শিশুক)-এর যৌথ উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় সার্কভুক্ত বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা বন্যা, খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশসহ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওহাব জলবায়ু-সহনশীল মৎস্য ও জলজ চাষ উন্নয়নে আঞ্চলিক সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি অভিন্ন জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে জ্ঞান, প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (ফিশারিজ) ড. মো. শরীফুল ইসলাম অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান এবং কর্মশালার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। তিনি মৎস্য ও জলজ চাষে জলবায়ু অভিযোজন জোরদারে দেশভিত্তিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং জনগোষ্ঠীভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন। শিশুকের নির্বাহী পরিচালক সাকিউল মিল্লাত মোরশেদ টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল জলজ চাষ উন্নয়নে জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং মৎস্যচাষিদের ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে মৎস্য গবেষণা ও উদ্ভাবনের ভূমিকা তুলে ধরেন। সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক এবং সার্ক মহাসচিবের প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ তরফদার দক্ষিণ এশিয়ার অভিন্ন জলবায়ু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। সার্ক কৃষি কেন্দ্রের গভর্নিং বোর্ডের সভাপতি শবনম শিবাকোটি মৎস্য ও জলজ চাষে জলবায়ু-সহনশীলতা বৃদ্ধিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. গোলাম মাহবুব দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু-সহনশীল জলজ চাষ উন্নয়ন এবং জীবিকা সুরক্ষায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় ও জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি টেকসই জলজ চাষ পদ্ধতি গড়ে তোলা এবং জলবায়ু-সহনশীলতা বৃদ্ধিতে গবেষক, নীতিনির্ধারক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। তিন দিনব্যাপী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা জলবায়ু ঝুঁকি পর্যালোচনা, জলবায়ু-স্মার্ট জলজ চাষের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং টেকসই ও জলবায়ু-সহনশীল মৎস্য খাত উন্নয়নে দেশভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবেন। কর্মশালার সমাপনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সফল ‘দাউদকান্দি-কুমিল্লা প্লাবনভূমি মডেল’ পরিদর্শন করা হবে। এ পরিদর্শনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা টেকসই জলজ চাষ এবং প্লাবনভূমির সম্পদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন।

আরও
X