ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাতিজার কোদালের কোপে চাচার মৃত্যু 
বেলকুচিতে যানজট নিত্যদিনের সঙ্গী, প্রশাসনের নানা উদ্যোগেও মিলছে না স্বস্তি
সিরাজগঞ্জে মেধাবীদের সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশন
সিরাজগঞ্জে মেধাবীদের সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশন
মানবকল্যানমুখী ফাউন্ডেশন খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন সিরাজগঞ্জের ৯ উপজেলার ১৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম ও দশম শ্রেণীর ৮৫২জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করেছে।  বৃহস্পতিবার (৮ই অক্টোবর) সকাল ১০:৫৫ মিনিটে আনন্দঘন মূহুর্তে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও প্রধান অতিথি খাজা টিপু সুলতান মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করেন।  সিরাজগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গনপতি রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান, সহকারী পুলিশ সুপার (বেলকুচি সার্কেল) মো: শহিদুল হাসান, জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বেলকুচি থানার অফিসার ইন-চার্জ মোক্তারুজ্জামান।  শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সোহাগপুর নূতন পাড়া আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম সরকার (সোহেল) ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মেহেদী মাসুদ।  বেলকুচি উপজেলার সোহাগপুর নতুন পাড়া আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি ও সমাজের বিভিন্নস্তরের পেশাজীবি মানুষের উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি খাজা টিপু সুলতান তাঁর বক্তব্যে বলেন- আজকের দিনে মহান ফাউন্ডেশনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমরা প্রার্থনা করি ভাল মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো, সত্য কথা বলব, প্রতারনা করব না, অন্যের বৈধ অধিকারকে নিজের স্বার্থের চেয়ে প্রাধান্য দেব এবং আত্মশুদ্ধি অর্জন করব।  ফাউন্ডেশনের সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী আরমান খানের উপস্থাপনায় নানাবিধ মেধা ভিত্তিক প্রতিযোগিতামুলক অনুষ্ঠান “মেধায় মাতি” পর্বটি ছিলো অন্যতম আকর্ষন। উপস্থিত সকলেই অনুষ্ঠানে আনন্দে মেতে ছিলেন। ফাউন্ডেশনের উত্তর অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী ছায়েদুল ইসলাম ভুঞা রোমেলের সার্বিক সমন্বয়ে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ সোহেল হোসেন ইবনে বতুতা, ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ শাহজাহান, ঢাকা অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী মেজবাউল আলম রিপন, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মোঃ শামছুল আলমসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য, বিগত ২০০১ সাল থেকে খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন বৃত্তিপ্রদান কার্যক্রমের পাশাপাশি আরো ২টি মানবকল্যানমুলক কার্যক্রম করে আসছে সারাদেশজুড়ে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের সমন্বয়ে ঢাকার শ্যামলীবাগ শ্যামলীতে ও শ্রীমঙ্গলের জান্নাতুল ফেরদৌস কমপ্লেক্সে বিনামুল্যে চিকিৎসাপত্র প্রদান কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং শুধুমাত্র খাজা শাহ ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর নেছবতভুক্ত অসচ্ছল কর্মক্ষম ভক্তবৃন্দের মাঝে ‘ছাদকা- ই – জারিয়া’ হিসেবে এককালীন মুলধন প্রদান করে আসছে। 
অডিট চলাকালে ‘আমাকে বাঁচতে দেওয়া হলো না’ বলে ব্যাংক ম্যানেজারের মৃত্যু!  
সিরাজগঞ্জে অটোরিকশা নিয়ে বেরিয়ে নিখোঁজ, দুদিন পর মিলল চালকের মরদেহ
রং ও সুতা মূল্য বৃদ্ধিতে বেলকুচিতে তাঁত শ্রমিকের সংসার চালাতে হিমশিম 
বেলকুচিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
১৮ দিনেও পরিছন্ন হয়নি বেলকুচি উপজেলা পরিষদ চত্বর,পাখির মলমুত্রে নাকাল সেবাপ্রার্থীরা 

​দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধিতে সরকারের ঘোষিত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম যখন চলমান, ঠিক সে সময় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা পরিষদ চত্বরে চরম অবহেলা ও অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগ উঠেছে। টানা ১৮ দিন ধরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো ছোঁয়া না পাওয়ায় পরিষদ চত্বরে জমেছে ময়লা-আবর্জনা ও পাখির মলমূত্র। ফলে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ তীব্র দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। জনগণের নাকাল অবস্থা। ​গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশজুড়ে শুরু হওয়া তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চললেও এর ব্যতিক্রম চিত্র দেখা গেছে খোদ উপজেলা প্রশাসনিক প্রাণকেন্দ্রে। পরিষদ চত্বরের গাছপালায় অবস্থান নেওয়া পাখিদের বিষ্ঠা ও অব্যবহৃত ময়লা জমে চত্বরের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। ​উপজেলা পরিষদে নানা কাজে আসা  মাহফুজুর রহমান, রাসেল রানা সহ একাধিক  সেবাপ্রার্থী জানান, আমরা সেবা নিতে এসে খোলা জায়গায় দাড়াতে পারছি না। উপজেলা পরিষদের যেখানেই দাড়ানো যায় সেখানেই পাখি মলত্যাগ করে, কখনো তা শরীরের উপরে পরে, না হয় মাটিতে। চারদিকের তীব্র দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে আমাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। তারা আরও বলেন, দেশব্যাপী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের বিশেষ উদ্যোগের মধ্যে প্রশাসনিক চত্বরের এমন বেহাল দশা আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। যেখানে সুন্দর মনোরম পরিবেশ থাকার কথা ছিল, সেখানেই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। ​এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের  বিষয়ে দ্রুত দৃষ্টি দিয়ে বেলকুচি উপজেলা পরিষদ চত্বর পরিচ্ছন্ন করা এবং সরকারি স্বাস্থ্যনির্দেশনা শতভাগ বাস্তবায়নের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সেবাপ্রার্থীরা। তবে এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহানের কাছে জানতে চাইলে তিনি  বলেন, অতিথি পাখি আমাদের পরিবেশ বন্ধু। তাই বরাবরই আমরা তাদের স্বাগত জানাই । তবে সেবা প্রার্থীদের সমস্যা কথা চিন্তা করে আমরা  উপজেলা পরিষদের যে সকল দপ্তরে সেবাপ্রার্থীদের যেতে সমস্যা হচ্ছে সে সকল দপ্তরের যাওয়ার পথে সেড নির্মাণের পরিকল্পনা করেছি। সেই সাথে উপজেলা পরিষদের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ের কথা জানান। তিনি আরও বলেন, পাখিদের বিষ্টা পরিছন্ন কর্মী দিয়ে সকাল বিকাল পরিষ্কার করানো হয়। 

সদিয়া চাঁদপুরে চেয়ারম্যান পদে মরহুম লিয়াকত চেয়ারম্যানের ছেলে শুভর প্রার্থিতা ঘোষণা 

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার ১নং সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারণা তুঙ্গে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় এখন একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন আগামী দিনের যোগ্য জনপ্রতিনিধি।  এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে শিক্ষিত মার্জিত ও তরুণ সমাজসেবক মোঃ ইসমাইল হোসেন শুভ-র নাম। ​তিনি এই ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম মোঃ লিয়াকত আলীর সুযোগ্য সন্তান। বাবার রেখে যাওয়া উন্নয়ন ও সমাজসেবার ধারাকে আধুনিক রূপ দিতে এবং ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নে শুভ সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন। স্থানীযরা জানান, ​ভৌগোলিক দিক থেকে সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়নটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। ইউনিয়নের অর্ধেক অংশ চরাঞ্চল ও ক্রমাগত নদীভাঙনের শিকার, আর বাকি অর্ধেক কাইম (সমতল ভূমি)। প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের কবলে পড়ে বাস্তুচ্যুত হওয়া চরাঞ্চলের মানুষ এবং কাইম অঞ্চলের সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, এই সংকটময় মুহূর্তে একজন দূরদর্শী ও মেধা সম্পন্ন যোগ্য জনপ্রতিনিধিই পারবে সঠিক অবকাঠামোগত পরিকল্পনা নিয়ে ইউনিয়নের পাশে দাঁড়াতে।  ​প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকেই সমগ্র ইউনিয়নজুড়ে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মতে, নদীভাঙন রক্ষা, পাকা রাস্তাঘাট নির্মাণ, সেতু ও কালভার্ট স্থাপন এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য শুভর বিকল্প নেই।  ​স্থানীয় ভোটাররা জানান, "মরহুম লিয়াকত আলী চেয়ারম্যানের সন্তান শুভ শুধু সুশিক্ষিতই নন, তিনি  অত্যন্ত নম্র ভদ্র ও মার্জিত। নদীভাঙ্গন কবলিত চরাঞ্চল ও কাইম এলাকার মধ্যে সুষম উন্নয়ন করতে তার চেয়ে যোগ্য প্রার্থী আর হতে পারে না। ​নিজের প্রার্থিতা ও পরিকল্পনা নিয়ে মোঃ ইসমাইল হোসেন শুভ বলেন, "আমার মূল লক্ষ্য সদিয়া চাঁদপুরের নদীভাঙ্গন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা, চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন করা এবং কাইম এলাকার সাথে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যানের মাধ্যমে আমি সদিয়া চাঁদপুরকে একটি সমৃদ্ধ ও মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করতে চাই।" ​প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকে শুভ ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও প্রবীণদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। চরাঞ্চল ও কাইম—উভয় অঞ্চলের সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ও সমর্থনে তিনি এখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন।   

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

আরও
X