ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বেলকুচিতে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাতিজার কোদালের কোপে চাচার মৃত্যু 
বেলকুচিতে যানজট নিত্যদিনের সঙ্গী, প্রশাসনের নানা উদ্যোগেও মিলছে না স্বস্তি
সিরাজগঞ্জে মেধাবীদের সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশন
সিরাজগঞ্জে মেধাবীদের সম্মাননা দিল খাজা মোজাম্মেল হক (রহ.) ফাউন্ডেশন
মানবকল্যানমুখী ফাউন্ডেশন খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন সিরাজগঞ্জের ৯ উপজেলার ১৫৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম ও দশম শ্রেণীর ৮৫২জন মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীকে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করেছে।  বৃহস্পতিবার (৮ই অক্টোবর) সকাল ১০:৫৫ মিনিটে আনন্দঘন মূহুর্তে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও প্রধান অতিথি খাজা টিপু সুলতান মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে বৃত্তি ও সম্মাননা সনদ প্রদান করেন।  সিরাজগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গনপতি রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান, সহকারী পুলিশ সুপার (বেলকুচি সার্কেল) মো: শহিদুল হাসান, জেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বেলকুচি থানার অফিসার ইন-চার্জ মোক্তারুজ্জামান।  শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সোহাগপুর নূতন পাড়া আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম সরকার (সোহেল) ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মেহেদী মাসুদ।  বেলকুচি উপজেলার সোহাগপুর নতুন পাড়া আলহাজ্ব সিদ্দিক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জেলার শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, আমন্ত্রিত অতিথি ও সমাজের বিভিন্নস্তরের পেশাজীবি মানুষের উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি খাজা টিপু সুলতান তাঁর বক্তব্যে বলেন- আজকের দিনে মহান ফাউন্ডেশনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমরা প্রার্থনা করি ভাল মানুষ হয়ে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো, সত্য কথা বলব, প্রতারনা করব না, অন্যের বৈধ অধিকারকে নিজের স্বার্থের চেয়ে প্রাধান্য দেব এবং আত্মশুদ্ধি অর্জন করব।  ফাউন্ডেশনের সিলেট অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী আরমান খানের উপস্থাপনায় নানাবিধ মেধা ভিত্তিক প্রতিযোগিতামুলক অনুষ্ঠান “মেধায় মাতি” পর্বটি ছিলো অন্যতম আকর্ষন। উপস্থিত সকলেই অনুষ্ঠানে আনন্দে মেতে ছিলেন। ফাউন্ডেশনের উত্তর অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী ছায়েদুল ইসলাম ভুঞা রোমেলের সার্বিক সমন্বয়ে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের কোষাধ্যক্ষ সোহেল হোসেন ইবনে বতুতা, ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ শাহজাহান, ঢাকা অঞ্চলের প্রধান সমন্বয়কারী মেজবাউল আলম রিপন, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মোঃ শামছুল আলমসহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য, বিগত ২০০১ সাল থেকে খাজা মোজাম্মেল হক (রঃ) ফাউন্ডেশন বৃত্তিপ্রদান কার্যক্রমের পাশাপাশি আরো ২টি মানবকল্যানমুলক কার্যক্রম করে আসছে সারাদেশজুড়ে। অভিজ্ঞ ডাক্তারের সমন্বয়ে ঢাকার শ্যামলীবাগ শ্যামলীতে ও শ্রীমঙ্গলের জান্নাতুল ফেরদৌস কমপ্লেক্সে বিনামুল্যে চিকিৎসাপত্র প্রদান কেন্দ্রের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং শুধুমাত্র খাজা শাহ ইউনুছ আলী এনায়েতপুরী (রঃ) এর নেছবতভুক্ত অসচ্ছল কর্মক্ষম ভক্তবৃন্দের মাঝে ‘ছাদকা- ই – জারিয়া’ হিসেবে এককালীন মুলধন প্রদান করে আসছে। 
রং ও সুতা মূল্য বৃদ্ধিতে বেলকুচিতে তাঁত শ্রমিকের সংসার চালাতে হিমশিম 
বেলকুচিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও এক মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
১৮ দিনেও পরিছন্ন হয়নি বেলকুচি উপজেলা পরিষদ চত্বর,পাখির মলমুত্রে নাকাল সেবাপ্রার্থীরা 
সদিয়া চাঁদপুরে চেয়ারম্যান পদে মরহুম লিয়াকত চেয়ারম্যানের ছেলে শুভর প্রার্থিতা ঘোষণা 
২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

২৭ মাস ধরে ডাইংয়ের বিষাক্ত বর্জ্যে বন্দি পরিবার, চুলা জ্বালাতেও ভোগান্তি 

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই নতুন পূর্বপাড়া গ্রামে ডাইং কারখানার কেমিক্যালযুক্ত বিষাক্ত ও দুর্গন্ধযুক্ত বর্জ্যের পানিতে দীর্ঘ ২৭ মাস ধরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এই বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোতে রান্না ও স্বাভাবিক বসবাস অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে বিকল্প স্থানে বা দূরসম্পর্কের স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে রান্নার কাজ সারতে হচ্ছে ভুক্তভোগীদের। যা তাদের চরম সামাজিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলেছে।  এ ঘটনায় আলী হাসান ও আবু তালহা নামের দুই ভুক্তভোগী যৌথ ভাবে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।  ​ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বসতবাড়ির ঘর, উঠান, শৌচাগার ও রান্নাঘরে কেমিক্যাল মিশ্রিত কালো পানি জমে রয়েছে। বিষাক্ত পানির তীব্র দুর্গন্ধ ও মশা-মাছির উপদ্রবে ঘরে টেকাই দায়। রান্নার জায়গায় পানি উঠে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ​ক্ষতিগ্রস্ত এক গৃহবধূ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "দিনমজুর স্বামীর সীমিত আয়ে বাজার খরচ চালানোই কঠিন, তার ওপর বাজারে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি থাকায় সিলিন্ডার কেনাও সাধ্যের বাইরে। বাধ্য হয়ে শুকনো খাবার খেয়ে বা অন্যের বাড়ি গিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই বিষাক্ত বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো বসতবাড়িতে। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান মেলেনি। দ্রুত এ পানি অপসারণ না করা হলে ভিটামাটি ছাড়া হওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।" ​এ বিষয়ে অভিযুক্ত ডাইং কারখানা মালিক হাজী আব্দুল মজিদ লাকীর বক্তব্য নিতে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের ওপর ক্ষিপ্ত হন। তবে পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ডাইং কারখানা মালিক সমিতির মধ্যস্থতায় বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তামাই গ্রামের ডাইং কারখানা মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোন্নাফ জমিদার জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। আমরা স্থানীয়ভাবে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুতই সর্বসম্মতিক্রমে একটি সুরাহা হবে।" এ বিষয়ে ​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন জাহান জানান, আমরা তামাই গ্রাম থেকে ডাইং কারখানা বর্জ্যের বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এই বিষয়ে আমরা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেব। এসময় তিনি  বিষয়টি সামাজি ভাবে সমাধানের কোন সুযোগ নেই বলেও জানান।  ​এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে পরিবেশদূষণকারী কারখানাগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জমা পানি অপসারণ করে একটি স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করবে এটাই প্রত্যাশা। 

খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজে বিশ্ব হার্ট দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

‘ডোন্ট মিস আ বিট’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে অবস্থিত খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে বিশ্ব হার্ট দিবস পালিত হয়েছে  মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিবসটি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিতে চিকিৎসক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নার্সসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। প্রতিষ্ঠানটি এর আগেও বিভিন্ন স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।  র‍্যালিটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে। পরে হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ ও সচেতনতা বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মোঃ সাইফুল ইসলাম, ডা. কামরুল হুদা মোহাম্মদ সোহেল, ডা. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, হৃদ্‌রোগ অনেক সময় নীরবে শরীরে বাসা বাঁধে। বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ক্লান্তি, বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা কিংবা সামান্য পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠার মতো লক্ষণকে অবহেলা করা উচিত নয়। সময়মতো এসব সতর্ক সংকেত শনাক্ত করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গেলে জটিলতা অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। তারা আরও বলেন, হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা, পরিমিত ও স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ধূমপান ও তামাক বর্জনের বিকল্প নেই। পাশাপাশি হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি রয়েছে এমন ব্যক্তিদের নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। বক্তারা বলেন, হৃদ্‌যন্ত্রের প্রতিটি স্পন্দনই জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই শরীরের ছোট কোনো পরিবর্তনকেও অবহেলা না করে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর জীবনাচারের মাধ্যমে হৃদ্‌যন্ত্রের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। বিশ্ব হার্ট দিবসের লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং হৃদ্‌স্বাস্থ্য রক্ষায় সারা বছরের সচেতনতা গড়ে তোলা। 

বেলকুচিতে পাখি শিকারির দায়ে ৭ দিনের সাজা

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা পরিষদের সামনের গাছ থেকে অতিথি পাখি শিকারের সময় আলম শেখ (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদের সামনের এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত আলম শেখ সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রেলওয়ে কলোনি এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত মোকছেদ আলীর ছেলে। বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তারুজ্জামান জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে অতিথি পাখি শিকারের খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলম শেখকে আটক করে। এ সময় তার কাছে ১৫টি অতিথি পাখি উদ্ধার করে। পরে উদ্ধার করা পাখিগুলোকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে মুক্ত করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পাখি শিকারের অভিযোগে আলম শেখকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ওসি আরও জানান, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজা শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয়রা জানান, শীত মৌসুমে বিভিন্ন জলাশয় ও গাছপালায় অতিথি পাখির আগমন ঘটে। এসব পাখি শিকার বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। 

আরও
X