ঢাকা, বাংলাদেশ ||
সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

ইউটিউবে এলো নতুন সুবিধা

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক

  ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১:২২
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় গান খুঁজতে খুঁজতে দীর্ঘ সময় স্ক্রল করার দিন যেন শেষ হতে চলেছে ইউটিউবে। এখন কয়েকটি শব্দ লিখলে বা বললেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার মনের মতো প্লেলিস্ট বা গানের তালিকা।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

ইউটিউব ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন এআইচালিত প্লেলিস্ট ফিচার চালু করেছে। আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েডদুই প্ল্যাটফর্মেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ব্যবহারকারী কেবল কয়েকটি শব্দে নিজের মুড বা পছন্দের ধরন জানালেই ইউটিউবের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি সেই অনুযায়ী মুহূর্তেই একটি প্লেলিস্ট তৈরি করে দেবে।

ধরা যাক, কেউ শুনতে চান বিষণ্ণ ধাঁচের পোস্ট রক, কিংবা শান্ত পার্টির জন্য হাউস মিক্স, আবার কেউ চাইছেন ডেথ মেটাল বা বলিউডের পুরোনো জনপ্রিয় গান। এখন আর আলাদা করে খুঁজে খুঁজে গান জোগাড় করতে হবে না। নিজের চাহিদা লিখে বা বলেই তৈরি করা যাবে সম্পূর্ণ নতুন একটি প্লেলিস্ট।

কীভাবে ব্যবহার করবেন
ইউটিউব গ্রাহকরা অ্যাপের লাইব্রেরি ট্যাবে গিয়ে নিউ অপশন নির্বাচন করবেন। এরপর এআই প্লেলিস্ট বেছে নিতে হবে। সেখানে সংক্ষিপ্তভাবে লিখে বা ভয়েসের মাধ্যমে জানাতে হবে কেমন গান চান। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে যাবে ব্যক্তিগত প্লেলিস্ট।

সংগীত স্ট্রিমিং বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ছে
শুধু ইউটিউব নয়, অন্যান্য জনপ্রিয় মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মও এআইভিত্তিক প্লেলিস্ট নিয়ে কাজ করছে। স্পটিফাই, অ্যামাজন মিউজিক ও ডিজারের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও ব্যবহারকারীর পছন্দ বিশ্লেষণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গান সাজানোর প্রযুক্তি উন্নত করছে। ফলে বিশ্বজুড়ে সংগীত স্ট্রিমিং বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হচ্ছে।

গ্রাহকদের আকৃষ্ট করার কৌশল
এই নতুন ফিচারকে সাবস্ক্রিপশন আরও আকর্ষণীয় করার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সম্প্রতি কিছু ফ্রি ব্যবহারকারীর জন্য গানের লিরিক দেখার সুবিধা সীমিত করা হয়েছিল পরীক্ষামূলকভাবে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এখন সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে নিয়মিত আয়ের উৎস শক্তিশালী হয়।

বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য কী অর্থ
বাংলাদেশে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের হার দ্রুত বাড়ছে। তরুণদের বড় একটি অংশ নিয়মিত অনলাইনে গান শোনেন। এআই প্লেলিস্টের মতো সুবিধা ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচাতে পারে এবং নতুন গান আবিষ্কারে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট মুড বা উপলক্ষ অনুযায়ী গান শুনতে চান, তাদের জন্য এটি কার্যকর হতে পারে।

তবে মনে রাখতে হবে, এই সুবিধা আপাতত শুধু প্রিমিয়াম গ্রাহকদের জন্য। ফলে যারা ফ্রি সংস্করণ ব্যবহার করেন, তারা এই ফিচার পাবেন না।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন শুধু কাজের ক্ষেত্রেই নয়, বিনোদন জগতেও বড় পরিবর্তন আনছে। কয়েকটি শব্দে নিজের পছন্দের প্লেলিস্ট তৈরি করার সুবিধা সংগীত শোনার অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক করে তুলছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রযুক্তি আরও উন্নত হলে ব্যবহারকারীরা আরও দ্রুত ও নিখুঁতভাবে নিজের পছন্দের গান খুঁজে পাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: ফার্স্ট পোস্ট

মন্তব্য করুন

বিশ্বব্যাপী এক্স বিভ্রাট
বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের বিভ্রাটের মুখে পড়েছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এক্স (সাবেক টুইটার)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার পর পরই হঠাৎ করে ব্যবহারকারীরা নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট হয়ে যান। বারবার লগইন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। কেউ কেউ লগইন করতে পারলেও ব্রাউজিং করতে পারছিলেন না নিউজফিড। ডাউনডিটেক্টরের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবহারকারীরা লগ ইন করতে, ফিড রিফ্রেশ করতে ও পোস্ট দিতে সমস্যার কথা জানান। বাংলাদেশের প্রায় ৭৪ জন ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছেন। এর মধ্যে ৭৩ শতাংশ ওয়েবসাইট এবং ২৭ শতাংশ লগইনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। ভারতে প্রায় ৩ হাজার ৩৫৭ ব্যবহারকারী অভিযোগ করেন; এর মধ্যে ৪৬ শতাংশ ওয়েবসাইট, ৪৫ শতাংশ অ্যাপ এবং ৯ শতাংশ ফিড রিফ্রেশ সংক্রান্ত সমস্যার কথা বলেন। এদিকে পাকিস্তানের প্রায় ২৬৬ জন অভিযোগ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ অ্যাপ, ২২ শতাংশ ওয়েবসাইট এবং ১০ শতাংশ ফিড রিফ্রেশ করতে ও পোস্ট করতে সমস্যায় পড়েন। বিভ্রাটের শিকার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ব্যবহারকারীরাও। ডাউনডিটেক্টরের মতে, যুক্তরাজ্যে সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে রিপোর্টের সংখ্যা সর্বোচ্চে পৌঁছে ১০ হাজার ৯৫৮ জনে দাঁড়ায়। এর মধ্যে ৫৬ শতাংশ অ্যাপ, ২১ শতাংশ টাইমলাইন ও ১৭ শতাংশ ওয়েবসাইট সমস্যার কথা জানান। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪১ হাজার ৩৬৯টি রিপোর্ট আসে। তাদের সিংহভাগই এক্স অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে সমস্যার কথা জানান। প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে অন্তত ২ লাখ ব্যবহারকারী এক্সের বিভ্রাট নিয়ে অভিযোগ করেছেন। পরে এক্স আংশিক স্বাভাবিক হলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।  উল্লেখ্য, গত মাসেও হাজার হাজার ব্যবহারকারী একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। সেসময় প্রায় ২ লাখ রিপোর্ট জমা পড়েছিল। ভ্যারাইটি জানায়, অধিকাংশ সমস্যা (৫৬ শতাংশ) ছিল অ্যাপ সংক্রান্ত, ৩৩ শতাংশ ওয়েবসাইট এবং ১০ শতাংশ সার্ভার সংযোগ নিয়ে। সূত্র: ফোর্বস, দ্য হিন্দু, সাবা নিউজ
বিশ্বব্যাপী এক্স বিভ্রাট
অ্যাপ ব্যবহার না করলেও আপনার তথ্য সংগ্রহ করছে টিকটক, থামানোর উপায়
টিকটক দ্রুত তাদের তথ্য সংগ্রহের পরিধি বাড়াচ্ছে। শুধু অ্যাপ ব্যবহার না করলেই যে আপনি নিরাপদ থাকবেন, বিষয়টি তেমন নয়। তবে কয়েকটি সহজ পদক্ষেপ নিলে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। টিকটক অ্যাপের ভেতরে ব্যবহারকারীদের কার্যকলাপ ট্র্যাক করে, এটি অনেকেরই জানা। কিন্তু খুব কম মানুষ জানেন, অ্যাপের বাইরে অন্য ওয়েবসাইটেও টিকটক ব্যবহারকারীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। এমনকি আপনি যদি কখনও টিকটক ব্যবহার না-ও করে থাকেন, তবুও আপনার তথ্য তাদের কাছে পৌঁছাতে পারে সহজেই। সম্প্রতি দেখা গেছে, বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ক্যানসার শনাক্তকরণ, বন্ধ্যত্ব পরীক্ষা, এমনকি মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্যও টিকটকের কাছে পাঠানো হচ্ছে। এই তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সীমা ছাড়িয়ে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত। নতুন কিছু ফিচার যুক্ত হওয়ায় এই নেটওয়ার্ক আরও বড় হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিবর্তনের পেছনের প্রেক্ষাপট ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের কার্যক্রম নতুন মালিকানায় যাওয়ার পর ব্যবহারকারীদের নতুন তথ্য সংগ্রহ নীতিতে সম্মতি দিতে হয়। এর অংশ হিসেবে চালু হয়েছে একটি নতুন বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক, যার মাধ্যমে টিকটক অন্য ওয়েবসাইটেও লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপন দেখাতে পারে। এই ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে তাদের ট্র্যাকিং টুল আপডেট করা হয়েছে। কীভাবে কাজ করে এই ট্র্যাকিং পদ্ধতি এখানে মূল ভূমিকা রাখে একটি প্রযুক্তি, যাকে বলা হয় পিক্সেল। এটি খুবই ছোট একটি অদৃশ্য কোড, যা ওয়েবসাইটে বসানো থাকে। ব্যবহারকারী কোনো ওয়েবসাইটে গেলে পিক্সেল তার কার্যকলাপ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে এবং বিজ্ঞাপনদাতার কাছে পাঠায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি অনলাইন জুতার দোকান তাদের সাইটে পিক্সেল বসাল। ফলে কে কোন জুতা দেখছেন, কিনছেন বা আগ্রহ দেখাচ্ছেন, সেই তথ্য বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্মে পৌঁছে যায়। এতে বিজ্ঞাপন আরও নির্দিষ্টভাবে দেখানো সম্ভব হয়। সমস্যা তৈরি হয় যখন এই প্রযুক্তি স্বাস্থ্য বা ব্যক্তিগত সংকটসংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করতে শুরু করে। একটি সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কেউ যদি কোনো স্বাস্থ্য সহায়তা সাইটে গিয়ে নিজের অসুস্থতার তথ্য দেন, সেই তথ্যও পিক্সেলের মাধ্যমে টিকটকের কাছে পৌঁছাতে পারে। এমনকি ই-মেইল ঠিকানাও পাঠানো হতে পারে। টিকটকের দাবি, ওয়েবসাইটগুলোকেই গোপনীয়তা আইন মানতে হয় এবং সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করা নিষিদ্ধ। তবে সমালোচকদের মতে, প্রযুক্তি জায়ান্টগুলো ধীরে ধীরে মানুষের অনলাইন জীবনের বড় অংশে নজরদারি বিস্তৃত করছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে, বিশ্বের শীর্ষ ওয়েবসাইটগুলোর প্রায় ৫ শতাংশে টিকটকের ট্র্যাকার রয়েছে। তুলনামূলকভাবে গুগলের ট্র্যাকার রয়েছে প্রায় ৭২ শতাংশ এবং মেটার রয়েছে প্রায় ২১ শতাংশ সাইটে। অর্থাৎ এটি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়, বরং পুরো ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ব্যবস্থার অংশ। ঝুঁকি কোথায় ব্যক্তিগত তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন দেখানো অনেকের কাছে সুবিধাজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এসব তথ্য যদি অ্যালগরিদমের মাধ্যমে ব্যবহার করে মানুষকে প্রভাবিত করা হয়, তাহলে ঝুঁকি তৈরি হয়। এর মাধ্যমে ভোক্তাকে নির্দিষ্ট পণ্য কিনতে প্রলুব্ধ করা, রাজনৈতিক প্রচারণায় প্রভাব বিস্তার করা বা ভিন্ন ভিন্ন দামে পণ্য দেখানোর মতো কাজও সম্ভব। ডিজিটাল বিজ্ঞাপন ডেটা অতীতে নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন ও বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগেও জড়িয়েছে। নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে ভালো খবর হলো, কিছু সহজ পদক্ষেপ নিয়ে আপনি ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে পারেন। প্রথমত, তুলনামূলকভাবে গোপনীয়তা-সুরক্ষিত ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করুন। গবেষণায় দেখা গেছে, বহুল ব্যবহৃত কিছু ব্রাউজার অন্যগুলোর তুলনায় বেশি তথ্য ফাঁস করে। গোপনীয়তা-ভিত্তিক ব্রাউজার ব্যবহার করলে ট্র্যাকিং অনেকটাই কমে যায়। দ্বিতীয়ত, ব্রাউজারে ট্র্যাকার ব্লকার বা বিজ্ঞাপন ব্লকার এক্সটেনশন ব্যবহার করতে পারেন। বিশ্বস্ত উৎস থেকে পাওয়া এক্সটেনশন ব্যবহার করা জরুরি। অনেক অ্যাড ব্লকারও ডেটা সংগ্রহের কোড আটকে দিতে সক্ষম। তৃতীয়ত, বিভিন্ন ওয়েবসাইটে একই ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন। কারণ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একই ইমেইল বা তথ্য ব্যবহার করলে সেগুলো মিলিয়ে আপনার অনলাইন আচরণ সহজে শনাক্ত করা যায়। টিকটকের নিজস্ব অ্যাপেও কিছু গোপনীয়তা সেটিং রয়েছে, যার মাধ্যমে সংগৃহীত ডেটা মুছে ফেলার অনুরোধ করা যায়। যাদের অ্যাকাউন্ট নেই, তারাও প্রয়োজনে ডেটা মুছে ফেলার আবেদন করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, এসব পদক্ষেপ শতভাগ সুরক্ষা দেয় না। অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো নিজেদের সার্ভার থেকে সরাসরি তথ্য বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠায়, যা ব্যবহারকারীর পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। বড় সমাধান কোথায় বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল সমাধান শক্তিশালী গোপনীয়তা আইন এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। এটি শুধু একটি প্ল্যাটফর্মের বিষয় নয়, বরং পুরো বিজ্ঞাপন প্রযুক্তি ব্যবস্থার সমস্যা। ব্যবহারকারীদের সচেতনতা এবং আইনপ্রণেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি না হলে বড় পরিবর্তন আসা কঠিন। ডিজিটাল যুগে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা বজায় রাখা কঠিন হয়ে উঠেছে। আপনি কোনো অ্যাপ ব্যবহার না করলেও আপনার অনলাইন কার্যকলাপ বিভিন্ন মাধ্যমে সংগ্রহ করা হতে পারে। তবে সচেতন ব্যবহার, নিরাপদ ব্রাউজার ও ট্র্যাকার ব্লকার ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারে সতর্কতা আপনাকে অনেকটাই সুরক্ষা দিতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজন কার্যকর নীতিমালা ও জবাবদিহিতা, যাতে প্রযুক্তি মানুষের সুবিধার জন্য কাজ করে, ব্যক্তিগত জীবনে অযাচিত নজরদারির জন্য নয়। সূত্র: বিবিসি
অ্যাপ ব্যবহার না করলেও আপনার তথ্য সংগ্রহ করছে টিকটক, থামানোর উপায়