ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
কালকিনিতে তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে ঝাপ দিয়ে প্রবাসির স্ত্রীর আত্নহত্যা!
পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিষ্কার রাখতে হবে: এমপি খোকন তালুকদার
শারদীয় দুর্গোৎসবে কালকিনিতে ১৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
শারদীয় দুর্গোৎসবে কালকিনিতে ১৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মাদারীপুরের কালকিনিতে সুবিধাভোগী ও দুস্থ ১৫ শতাধিক হিন্দু পরিবারের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়েছে। বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সিঙ্গাপুর ​প্রবাসী ফিরোজ মাহমুদ বুলু বেপারী প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘শিকারমঙ্গল মানব কল্যাণ সংগঠন’-এর উদ্যোগে বুধবার বিকেলে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে এসব শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করা হয়। ​বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বেপারী, আনিচ বেপারী, শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া, লোকমান বেপারী, খোকন বেপারী, মোতাহার হাওলাদার, রুহুল আমীন বেপারী, মালেক সরদার ও মিজান সরদার। ​এছাড়াও সংগঠনটির সভাপতি রিয়াজ বেপারী, সাধারণ সম্পাদক পারভেজ বেপারী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির সরদার, সহ-সভাপতি সাব্বির বেপারী এবং দপ্তর সম্পাদক সাকিব বেপারীসহ ​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইমন হাওলাদার, হাচান সরদার, আশিক সরদার, শাওন সরদার, সোহান বেপারীসহ সংগঠনটির বিভিন্ন ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। ​বস্ত্র বিতরণকালে বক্তারা বলেন, "উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই মানব কল্যাণের মূল লক্ষ্য। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের অবহেলিত ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে সমাজসেবক ফিরোজ মাহমুদ বুলু ও শিকারমঙ্গল মানব কল্যাণ সংগঠন ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।" উৎসবের মুহূর্তে নতুন বস্ত্র উপহার পেয়ে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারগুলোর মাঝে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
কালকিনিতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
শিশু ধ'র্ষণচেষ্টার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ জনতার অগ্নিসংযোগ!
কালকিনিতে চাঁদা দাবির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
কালকিনিতে আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ​
কালকিনিতে ইসাহাক হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় নিহত সেই বৃদ্ধ মো. এছাহাক সরদার(৭৫) হত্যা মামলার বাকি সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার বিকালে ঘন্টাব্যাপী ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসীর ব্যানারে নিহতের বাড়ির সামনে একর্মসুচি পালন করা হয়। মামলা ও নিহতের পরিবার জানায়, পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামের নশাই সরদারের ছেলে এছাহাকের সঙ্গে একই এলাকার ঝালু মোল্লার দীর্ঘদিন পূর্বশত্রুতা চলছিল। গত ২২ আগস্ট রাতে এছাহাক মোল্লা একা পাশের দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় পথে ওতপেতে থাকা ঝালু মোল্লার নেতৃত্বে মোঃ তুহিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লা, রবিউল মোল্লা, লিমন মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন মিলে এছাহাকের পথরোধ করে। এরপর তারা অতর্কিতভাবে এছাহাক সরদারকে কুপিয়ে জখম করে দুই পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কালকিনি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার। এ মামলার প্রধান আসামী তুহিন মোল্লাকে রাজধানী ঢাকা থেকে পলাতক অবস্থায় গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে বাকি সকল আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নিহতের পরিবার-এলাকাবাসী সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। এই কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন আলাউদ্দিন সরদার, সাবেক কাউন্সিলর ইয়াসমিন খানম, ইসমাইল, নিহতের মেয়ে মোসাঃ ফাহিমা বেগম। এসময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, আমাদের একটাই দাবি ইসাহাক সরদারের সকল আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করেতে হবে। আসামিদের দৃষ্টান্তমুলক বিচার চাই আমরা। এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত ঝালু মোল্লাকে এলাকায় বা ফোনে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, এছাহাক হত্যা মামলার প্রধান আসামী তুহিন মোল্লাকে পলাতক অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।

কালকিনিতে বৃদ্ধ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

মাদারীপুরের কালকিনিতে পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের অতর্কিত হামলায় নিহত সেই বৃদ্ধ মো. এছাহাক সরদার(৭৫) হত্যা মামলার প্রধান  আসামী মোঃ তুহিন মোল্লাকে(২৫) পলাতক অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া তুহিন মোল্লা পৌর এলাকার উত্তর জনারদন্দি গ্রামের জালাল মোল্লার ছেলে। গ্রেফতার শেষে তাকে আজ রোববার দুপুরে মাদারীপুর জেল হাজতে প্রেরন করে পুলিশ। মামলা ও নিহতের পরিবার জানায়, পৌরসভার উত্তর জনারদন্দী গ্রামের নশাই সরদারের ছেলে এছাহাকের সঙ্গে একই এলাকার ঝালু মোল্লার দীর্ঘদিন পূর্বশত্রুতা চলছিল। গত ২২ আগস্ট রাতে এছাহাক মোল্লা একা পাশের দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় পথে ওতপেতে থাকা ঝালু মোল্লার নেতৃত্বে মোঃ তুহিন মোল্লা, পারভেজ মোল্লা, রবিউল মোল্লা, লিমন মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন মিলে এছাহাকের পথরোধ করে। এরপর তারা অতর্কিতভাবে এছাহাক সরদারকে কুপিয়ে জখম করে দুই পায়ের রগ কেটে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে গত মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় কালকিনি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার। এ মামলার প্রধান আসামী তুহিন মোল্লাকে রাজধানী ঢাকা থেকে পলাতক অবস্থায় গ্রেফতার করে পুলিশ।   নিহতের ভাতিজা রাসেল সরদার জানান, আমার চাচা এছাহাক সরদারকে একা পেয়ে ঝালু মোল্লা ও তার লোকজন কুপিয় জখম শেষে দুই পায়ের রগ কেটে দেয়। এতে করে হাসপাতাকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পরের দিন ২৩ আগস্ট পুনরায় ঝালু মোল্লার নেতৃত্বে দেলোয়ার হাওলাদারসহ বেশ কয়েজন বৃদ্ধ এছাহাকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দুটি বসতঘর ভাঙচুর করে। তাদের বাধা দিলে জাহিদ খান, রাজিব সরদার, নাজমুল বেপারী আহত হন। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে খবর পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।  এ বিষয় জানতে চাইলে অভিযুক্ত ঝালু মোল্লাকে এলাকায় বা ফোনে পাওয়া যায়নি।  এ ব্যাপারে কালকিনি থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, এছাহাক হত্যা মামলার প্রধান আসামী তুহিন মোল্লাকে পলাতক অবস্থায় গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।

শিশুর জন্মে গাছ উপহার, কালকিনিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ উপজেলা প্রশাসনের

পৃথিবীতে আসার প্রথম প্রহরেই যেন এক সবুজ ভবিষ্যতের বার্তা পেল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নবজাতকেরা। “আজকের শিশু আগামীর প্রাণ, একটি চারা গাছ পৃথিবীর নতুন প্রাণ”—এই স্লোগানকে ধারণ করে নবজাতকদের হাতে একটি করে ফলদ ও ভেষজ চারা গাছ তুলে দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ​শনিবার দুপুরে কালকিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন ও পৌরসভার অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে নবজাতক ও তাদের মা-বাবার হাতে এসব সবুজ স্মারক উপহার দেন কালকিনির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কিশোর কুমার দাশ। ​শিশুর জন্মলগ্নে গাছ উপহার দেওয়ার এই ব্যতিক্রমী প্রয়াস প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও কিশোর কুমার দাশ বলেন, “শিশুরা যেমন পরম স্নেহে বড় হয়, একটি চারা গাছও ঠিক সেভাবেই যত্নে ডালপালা মেলে। নবজাতকের সাথে এই গাছের চারাটি বড় হয়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে তাকেই ছায়া ও ফল দেবে। নতুন সবুজ প্রাণ সৃষ্টির মাধ্যমে জলবায়ু সুরক্ষায় আগামী প্রজন্মকে যুক্ত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” ​গাছ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইদুল বাশার, কালকিনি খিদমা হাসপাতালের পরিচালক আনিস মোল্লা, যুবদল নেতা মুভিন এবং কালকিনি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। ​হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নবজাতকদের স্বজনেরা উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

কানকিনিতে নবজাতকদের চারাগাছ উপহার দিলেন ইউএনও

পৃথিবীতে আসার প্রথম প্রহরেই যেন এক সবুজ ভবিষ্যতের বার্তা পেল মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নবজাতকেরা। “আজকের শিশু আগামীর প্রাণ, একটি চারা গাছ পৃথিবীর নতুন প্রাণ”—এই স্লোগানকে ধারণ করে নবজাতকদের হাতে একটি করে ফলদ ও ভেষজ চারা গাছ তুলে দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন। ​শনিবার দুপুরে কালকিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজন ও পৌরসভার অর্থায়নে উপজেলার বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে নবজাতক ও তাদের মা-বাবার হাতে এসব সবুজ স্মারক উপহার দেন কালকিনির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কিশোর কুমার দাশ। ​শিশুর জন্মলগ্নে গাছ উপহার দেওয়ার এই ব্যতিক্রমী প্রয়াস প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও কিশোর কুমার দাশ বলেন, “শিশুরা যেমন পরম স্নেহে বড় হয়, একটি চারা গাছও ঠিক সেভাবেই যত্নে ডালপালা মেলে। নবজাতকের সাথে এই গাছের চারাটি বড় হয়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে তাকেই ছায়া ও ফল দেবে। নতুন সবুজ প্রাণ সৃষ্টির মাধ্যমে জলবায়ু সুরক্ষায় আগামী প্রজন্মকে যুক্ত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” ​গাছ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. সাইদুল বাশার, কালকিনি খিদমা হাসপাতালের পরিচালক আনিস মোল্লা, যুবদল নেতা মুভিন এবং কালকিনি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। ​হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নবজাতকদের স্বজনেরা উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

কালকিনিতে মোবাইল ছেড়ে পড়াশোনায় মনোযোগ, ৮ শিক্ষার্থী পেল পুরস্কার

বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের মধ্যে মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে। এরই মধ্যে মোবাইল ফোন থেকে দূরে থেকে ছুটির সময় নিয়মিত পড়াশোনা করায় আট শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগে খুশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মাছ বাজার সংলগ্ন আল-হেরা মদিনাতুল উলূম মাদ্রাসায় এ শিক্ষামূলক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সাত দিনের ছুটিতে থাকা শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থেকে নিয়মিত পড়াশোনা ও নির্ধারিত শিক্ষামূলক কার্যক্রমে মনোযোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়। ছুটি শেষে শিক্ষার্থীদের কার্যক্রম পর্যালোচনা করে ভালো ফল ও নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা আট শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।  বুধবার বিকেলে মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন, চার শিক্ষার্থীর হিফজ সবক গ্রহণ এবং মাসিক পড়ায় নির্ধারিত ছক সফলভাবে শেষ করায় সাত জন শিক্ষার্থীকে বই ও শিক্ষা সামগ্রী পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা জানায়, মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্ত না হয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার মাধ্যমে তারা আরও ভালো ফলাফল করতে চায়। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগ তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে বলেও জানায় তারা। অভিভাবকরাও এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, শিশু-কিশোরদের হাতে দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন থাকলে পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোবাইলের অপব্যবহার থেকে শিক্ষার্থীদের দূরে রাখার এমন উদ্যোগ নিয়মিত নেওয়া প্রয়োজন। মাদ্রাসা শিক্ষকরা বলছে, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, বরং শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও সময়ের সঠিক ব্যবহার শেখানোও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মোবাইল আসক্তি কমিয়ে পড়াশোনা ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করে তোলাই তাদের লক্ষ্য। মাদ্রাসা প্রধান হাফেজ হাসান বলেন, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রাখছি।

কালকিনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারধর ও হত্যার হুমকি

মাদারীপুরের কালকিনিতে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে মারধর ও জীবননাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভূক্তভোগী বৃদ্ধ আব্দুল মান্নান বেপারী (৭৯) বাদী হয়ে কালকিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছেন। ​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কালকিনি থানাধীন  কালাই সরদারের চর গ্রামের বাসিন্দা আঃ গনি বেপারীর ছেলে আব্দুল মান্নান বেপারীর সাথে একই এলাকার নাদিরা সুলতানা (৩৫), আরিফুল ইসলাম বাবু বেপারী (৪০), সাজ্জাদ হোসেন (২৭) ও হান্নান মিয়ার (৬৫) দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। উক্ত বিরোধের বিষয়ে মাদারীপুর বিজ্ঞ দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা (নং-৯৬/১১) বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। ​ঘটনার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ১২ আগস্ট দুপুরে আব্দুল মান্নান বেপারীর বসতবাড়ির সামনের ডোবা দিয়ে একটি গাছের গুঁড়ি ভেসে যাওয়ার সময় তাদের গৃহপরিচারিকা মঞ্জিলা বেগম সেটি তোলার চেষ্টা করেন। এ সময় বিবাদীরা ঘটনাস্থলে এসে মঞ্জিলা বেগমের ওপর চড়াও হয়। এসময় প্রতিবাদ করলে তার উপর অতর্কিত হামলা করে আহত করে।  মঞ্জিলা বেগমের ডাক-চিৎকারে পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে। এসময় মান্নান বেপারীর পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসলে বিবাদীরা পরিবারটিকে জীবননাশের হুমকি এবং মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলা দিয়ে হয়রানি করার ভয় দেখিয়ে স্থান ত্যাগ করে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাদিরা সুলতানার মা ফাহিমা বেগম বলেন, জমিজমা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে, আদালত যে রায় দিবে আমরা সেটা মেনে নেবো। ​কালকিনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহিরুল আলম জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও
X