ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: এসআরবি’র অভিযানে আরও ৪ জন গ্রেপ্তার
কালকিনিতে তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে ঝাপ দিয়ে প্রবাসির স্ত্রীর আত্নহত্যা!
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের পূজামণ্ডপে আর্থিক উপহার
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের পূজামণ্ডপে আর্থিক উপহার
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটিকে বিশেষ আর্থিক উপহার দিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ।  রোববার(১৮ অক্টোবর) সকালে জেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক আনন্দঘন অনুষ্ঠানে মণ্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে উপহারের চেক তুলে দেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির। চেক বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল হক নাসির বলেন, আবহমান বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের ধারা অক্ষুণ্ন রাখতে বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ অনুদান নিশ্চিত করা হয়েছে। শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু সনাতন সম্প্রদায়ের নয়, এটি আমাদের সামগ্রিক উৎসবের অংশ। এই আনন্দকে সর্বজনীন রূপ দিতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ টেনে জেলা পরিষদের প্রশাসক আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন- এই ভূখণ্ডে কোনো ‘সংখ্যালঘু’ শব্দ থাকবে না, আমরা সবাই পরিচয়গতভাবে বাংলাদেশি। তাঁরই সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় দুর্গাপূজা যেন নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ হয়, সে জন্য প্রতিটি পূজামণ্ডপে বিএনপির নেতাকর্মীরা পাহারায় নিয়োজিত থাকবেন। ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করব- এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামছুন্নাহার স্বপ্নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলার রসুলপুর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী সুভাস চন্দ, সাবালিয়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ, শ্রী শ্রী কালীবাড়ি পক্ষে রিপন সরকার, ঘাটাইল উপজেলার লাহেরী বাড়ি পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি গোপীনাথ, পাকুটিয়া চকপাড়া পূজা মন্ডপের পক্ষে বাদল চন্দ্র দাশ সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মণ্ডপ প্রতিনিধি ও সনাতন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ।  চেক গ্রহণকারী পূজামণ্ডপ কমিটির প্রতিনিধিরা জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনে এ ধরনের সহযোগিতা পূজামণ্ডপগুলোর জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন।
পাকুন্দিয়া থানার নতুন ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন
মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিএনপির ৪১ সদস্যের মণ্ডপ পরিদর্শন কমিটি
পাকুন্দিয়ায় অটোবাইকের চাপায় ৬ বছরের শিশু নিহত
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীর চলতি দায়িত্বে সুদীপ বসাক ‎
টাঙ্গাইলে লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস পালিত

টাঙ্গাইলে অসাম্প্রদায়িক চেতনার আলোকবর্তিকা, আধ্যাত্মিক সাধক ও বাউল সম্রাট ফকির লালন সাঁইয়ের ১৩৬তম তিরোধান দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।  শনিবার (১৭ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। লালনভক্ত ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে ‘জনসেবা চত্বরে’ এসে শেষ হয়। পরবর্তীতে সেখানে এক আলোচনা সভা ও লালনগীতির আসর অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম।  অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) মো. সেলিম মিয়া।  অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান তুহীন, টাঙ্গাইল ল’ কলেজের অধ্যক্ষ খান মোহাম্মদ খালেদ ও  স্থানীয় লালনভক্ত, গবেষক ও স্কৃতিকর্মীরা।  অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার সৈয়দা সেলিনা আক্তার ও জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা খন্দকার নিপুন হোসাইন।  আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক উপ-মন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি বলেন, ‘লালন সাঁইজির দর্শন কেবল গান বা সুরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের আত্মিক মুক্তির পথ দেখায়। জাত-পাত ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে তিনি যে মানবতার বাণী প্রচার করে গেছেন- তা বর্তমান সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে অত্যন্ত জরুরি।’  সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, ‘লালনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা তরুণ প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে জেলা প্রশাসন ও শিল্পকলা একাডেমি নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি কেবল একজন সাধকই ছিলেন না বরং তিনি ছিলেন বাঙালি সংস্কৃতির এক আলোকবর্তিকা।’ আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী ও আমন্ত্রিত লালনভক্ত বাউল শিল্পীরা একতারা-দোতারার সুরে লালন সাঁইয়ের আধ্যাত্মিক ও দেহতত্ত্বের গান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক লালন অনুরাগী উপস্থিত ছিলেন।

মনোহরদীতে এসএসসি ও জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদেরকে সংবর্ধনা 

নরসিংদীর মনোহরদীতে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (GPA-5) প্রাপ্ত ৫৪ জন এবং জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৩৩ জনসহ মোট ১৮৭ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে মনোহরদী উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) আসনের সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের অর্জিত মেধা ও যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে অবদান রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া এবং তাঁদের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও ভালো ফলাফল অর্জনে শিক্ষক-অভিভাবকদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনুষ্ঠান শেষে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী ৫৪ জন এবং ২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৩৩ জন শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মনোহরদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন, পৌর বিএনপির সভাপতি আ. হান্নান শেখ,গোলাম মোস্তফা  উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাসুদুর রহমান সোহাগসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, গণমাধ্যমকর্মী, কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ  নেন।

টঙ্গিবাড়ীতে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা 

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার (১৭ অক্টোবর ) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত  হয়।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলো, টঙ্গিবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলী আজগর রিপন মল্লিক, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি রেজওয়ানা চৌধুরী, টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল মালেক, টঙ্গিবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামীম আহাম্মেদ,টঙ্গিবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাফফর হোসেন শেখ,মৎস কর্মকর্তা নিগার সুলতানা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শরিফ মোঃ মোরতেজা এহসান ,আনসার বিটিভি কর্মকর্তা আঃ মান্নান টঙ্গিবাড়ী সরকারী ডিগ্রী কলেজের প্রভাসক বাবু পরিতোষ ঘোষ,বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী টঙ্গিবাড়ী উপজেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ধীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আক্তার হোসেন মোল্লা, মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও বেতকা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কে এম জহিরুল ইসলাম লেলিন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান ইকু,উপজেলা বিএনপি দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব ইসলাম রন্টি,উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক গন্যব্যাক্তি বর্গ।  সভায় বক্তারা বলেন, উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে মাদক, ও কিশোর অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং আরো বলেন আমরা জনগন যদি সচেতন না হই তাহলে প্রশাসনের উপজেলা নিয়ন্ত্রন কঠিন হবে।

মনোহরদীতে জুয়া খেলার অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার

নরসিংদীর মনোহরদীতে জুয়া খেলার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত ১০০টি তাস ও নগদ ৬ হাজার ২৫০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।  পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর রাত ১২টা ৫ মিনিটে মনোহরদী থানাধীন লেবুতলা ইউনিয়নের নরেন্দ্রপুর গ্রামে জুয়া খেলার অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। রামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই (নিরস্ত্র) মো. জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এ অভিযান চালায়।   অভিযানে নজরুল ইসলাম (৪৫), কাশেম (৩৭), আলমগীর (৩৫), সোহেল (৩৬) ও মারফত আলী (৫৫) নামে পাঁচজনকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা সবাই নরেন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।  পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালিয়ে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ১০০টি তাস এবং নগদ ৬ হাজার ২৫০ টাকা উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।  এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া খেলার অভিযোগে এবং একজনের বিরুদ্ধে জুয়া পরিচালনার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মনোহরদী থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।  উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। তাদের কে আদালতে প্রেরন করা হয় 

কালিয়াকৈরে ইবনে সিনা ঔষধ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুর এলাকায় ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যাল লিমিটেড কারখানার হারবাল সেকশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর ২০২৬ইং) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল আনুমানিক ৪:৩০ মিনিটে সফিপুরে অবস্থিত ইবনে সিনা ওষুধ কারখানার একটি ৬ তলা ভবনের নিচতলার হারবাল সেকশন বা স্টোরেজ এরিয়া থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ভবনের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং চারপাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে কালিয়াকৈর ও কোনাবাড়ী ফায়ার স্টেশন থেকে প্রথমে ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নির্বাপণের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে আগুনের ভয়াবহতা বৃদ্ধি পাওয়ায় গাজীপুর চৌরাস্তা ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ২টি ইউনিট এসে যোগ দেয়। ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যাল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে আসেন কালিয়াকৈর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম ফখরুল হোসাইন এবং পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল আলম তালুকদার। ঢাকার জিরো ফোর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান বলেন ,ফায়ার সার্ভিসের মোট ৬টি ইউনিট অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

পরিবারের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিষ্কার রাখতে হবে: এমপি খোকন তালুকদার

মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন,​আমাদের নিজ পরিবারের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজেদের প্রতিষ্ঠান মনে করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এগুলোকে যেন আমরা সবসময় বাসযোগ্য ও ব্যবহারোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারি, সে বিষয়ে সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ রইল। শনিবার সকালে কালকিনি পৌরসভার আয়োজনে ডেঙ্গুসহ অন্যান্য মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ​এমপি খোকন তালুকদার আরও বলেন, আপনারা যেখানেই সেবা নিতে যাবেন, সেই সেবা প্রতিষ্ঠানটিকে নিজের বাড়ি ও ঘর বলে মনে করবেন। যেভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে এবং তাদের পাশে থাকতে চান। তাঁর কর্মী হিসেবে আমরাও আপনাদের পাশে থাকতে বদ্ধপরিকর। তবে এর জন্য আপনাদের সচেতন হতে হবে এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। ​এ সময় কালকিনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক বেপারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সি, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন সরদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম হাওলাদার, যুবদল নেতা শামীম মোল্লা ও মামুন সিকদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, অতঃপর...

ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি বলেছেন, মাদক কারবারিরা যে দলেরই হোক, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি তার নিজের দলের কেউ মাদক কারবারে জড়িত থাকলে তার শাস্তি আরও বড় হবে। ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকের আস্তানায় আকস্মিক অভিযান চালান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশে ইশরাক হোসেন বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নাই। স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সরকার পতন করেছি। আর এই মাদক কারবারিদের কোনো টাইম আছে? এই এলাকায় যত বড় মাদক কারবারি হোক না কেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, যদি আমার দলের হয়, তাহলে তাদের শাস্তি আরও বড় হবে। মাদকাসক্তির কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মাদকের কারণে আমাদের তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। যারা বাইরে থেকে এসে মাদক দিয়ে যায়, তাদের আটক করতে পারবে—এমন ব্যক্তিদের আমার মাথায় করে রাখব। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। সারা বাংলাদেশ অভিযান চলবে, বাংলাদেশে কোথাও মাদকের জায়গা হবে না। অভিযানের সময় আটক ব্যক্তিরা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হাতজোড় করলে তাদের আশ্বস্ত করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তোমাদের গায়ে কেউ হাত দেবে না, তোমাদের কেউ কিছু করবে না। তোমরা থানায় যাবা, পুলিশ তোমাদের ব্যবস্থা নেবে। তোমাদের মারার জন্য আমরা আসি নাই। এই দেশ আইনের মাধ্যমে চলবে। তাদের বিচার হবে, বিচারের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হবে। এর আগেও ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আসনটিকে মাদকমুক্ত করতে এ অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছয়জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসেন। ওসি বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কি না, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও
X