ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি
দিনমজুর দবির উদ্দীন ভারতে পাচার করছিল প্রায় দেড় কোটি টাকার স্বর্ন; অতপরঃ
২৭ মামলার আসামি সাবেক ছাত্রদল নেতা পিয়াল পিস ট্যাপেন্টাডল ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
২৭ মামলার আসামি সাবেক ছাত্রদল নেতা পিয়াল পিস ট্যাপেন্টাডল ও দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে পিয়াল মাহমুদ ওরফে পিয়াল সাদ্দাম (৩৪) নামে ছাত্রদলের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ । তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে ২৭টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে ২০৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর মালিকানাধীন একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে চাপাতি, কুড়াল, ছুরি, বড় ছোরাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার পিয়াল সাদ্দাম জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আলমডাঙ্গা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের দলটি উপজেলার মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় জনৈক কুদ্দুসের বাড়ির পেছনে শমসের মল্লিকের ডোবা পুকুরের উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে পিয়াল সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর হেফাজত থেকে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে আলমডাঙ্গা থানাধীন গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামে তাঁর নিজস্ব গোডাউনে বিধি মোতাবেক তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গোডাউনের একটি টেবিলের নিচ থেকে ১৪ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার চাপাতি, কাঠের বাটযুক্ত একটি দেশীয় লোহার কুড়াল, ১০ দশমিক ৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের দুটি লোহার ছুরি, কাঠের বাটযুক্ত ২৪ ইঞ্চি লম্বা একটি বড় লোহার ছোরা, স্টিলের বাটযুক্ত ৩৩ ইঞ্চি লম্বা একটি বড় ছোরা এবং ৪৪ দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে মোট ২৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি মামলা বিচারাধীন। অপর একটি মামলায় চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে। জিআর-৪৪/২০ (আলমডাঙ্গা) নম্বরের ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তারের সময় ২০৩ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গোডাউনে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
দর্শনা পৌরসভার সাবেক সভাপতির স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল
ভারত থেকে কেনা ১৮ টি ব্রডগেজ রেলকোচ  দেশে এসেছে 
চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে হত্যা
জীবননগরে রাতের আঁধারে মাল্টা ও কলাগাছ কাটার অভিযোগ
দর্শনা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে পৌর প্রশাসকের মতবিনিময় 

দর্শনা পৌর প্রশাসক,  দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: সাজ্জাদ হোসেনের সাথে  দর্শনা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতির সকল সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।  মঙ্গলবার সকাল  ১০ টার সময় দর্শনা পৌরসভার আয়োজনে পৌর হলরুমে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায়  পৌর নির্বাহি কর্মকর্তা সাজেদুল আলমের সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন দর্শনা পৌর প্রশাসক,  দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) মো: সাজ্জাদ হোসেন। মতবিনিময় সভায় দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল,  সম্পাদক মনিরুজ্জামান সুমন,  যুগ্ম সম্পাদক হাসমত আলী,  সহসভাপতি চঞ্চল মাহমুদ,  রিফাত, মোস্তাফিজুর রহমান কচি, হানিফ মন্ডল,  হারুন রাজু, আহসান হাবিব মামুন, আব্দুল আলিমসহ দর্শনা  গণমাধ্যমকর্মীরা পৌর শহরের বিভিন্ন  সমসাময়িক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেন।  দর্শনা পৌর প্রশাসক, দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) অফিসার মো: সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আইনবিধি মেনে পৌরসভাকে জনবান্ধব করার জন্য যা যা করণীয় তা করা হবে। সে সাথে নিশ্চিত করা হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সরকারের উদ্দেশ্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা সংস্কার করে জনমুখী ও কল্যাণকর করা। এজন্য সকল সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ৪ পিস স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি আটক

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৪ পিস স্বর্ণের বারসহ মো. সেলিম হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় স্বর্ণ বহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও একটি ছোট মাইকও জব্দ করা হয়। সোমবার (১১ অক্টোবর) রাত ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)-এর অধীন গয়েশপুর বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার ৬৭-এমপি থেকে আনুমানিক এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার ৪ নম্বর সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামে যাত্রীছাউনির সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটক সেলিম হোসেনের বাড়ি জীবননগর উপজেলার ধোপাখালী গ্রামের সদরপাড়ায়। তার ভ্যানের সামনে লাগানো সাদা রঙের একটি ছোট মাইকের ব্যাটারি রাখার স্থান থেকে চার পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন ৫৪৭ দশমিক ৫১ গ্রাম। যার সিজার মূল্য ১ কোটি ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। আটক স্বর্ণ, ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও ছোট মাইকসহ জব্দ করা মালামালের সর্বমোট সিজার মূল্য ১ কোটি ১ লাখ ৯৭ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি। পরে আটক ব্যক্তিকে জব্দ করা মালামালসহ জীবননগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা স্বর্ণ চুয়াডাঙ্গা জেলা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি)-এর সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

শাপলা বিক্রি করেই বাঁচার লড়াই, সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় তরিকুলের পরিবার

বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা বর্ষা মৌসুমে গ্রামীণ জনপদেও বিল জলাশয়ে ধেথতে পাৗযঅ যায়। আবার অনেক মানুষের জীবিকা ও আয়ের প্রধান উৎস। বিল বা জলাশয় থেকে শাপলা তুলে হাটে-বাজারে বিক্রি করে সংসার চালান।  শাপলা ফুল তুলে বাজারে বিক্রি করে কোনমতে সংসার চালান দিনমজুর তরিকুল ইসলাম। দিন ভালো গেলে পেট ভরে খেতে পারেন স্ত্রী-সন্তানরা, না হলে অর্ধাহারেই কেটে যায় দিন। অথচ এই অভাবি মানুষটি এখনো পর্যন্ত পায়নি ইউনিয়ন পরিষদের হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত কোনো সরকারি ভিজিডি, ভিজিএফ বা টিসিবি কার্ড, নেই ১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাওয়ার তালিকায় নাম। সরেজমিনে জানা গেছে, দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চন্ডিপুর খামারী পাড়ার তরিকুল ইসলাম (৪৪)। স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে তার অভাব-অনটনের সংসার। ঠিকমতো মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। জীবিকার জন্য পরের বাড়িতে কামলা খাটা আর বষা মৌসুমে বিলে শাপলা তুলেই চলে সংসার। বেশ কয়েক বছর ধরে বাড়ির পাশেই কুড়ুলগাছি রায়সা বিলের শাপলা ফুল সংগ্রহ করে হাটে-বাজারে বিক্রি করে সংসার চলে।  রায়সা বিল প্রতিদিন বাবা-ছেলে কাক ডাকা ভোরে বিলের পানিতে নেমে সংগ্রহ করেন শাপলা। আর সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে দর্শনা শহরসহ আশেপাশের এলকার বাজারে বিক্রি করেন । প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০  আটি শাপলা ফুল তোলেন । আটি প্রতি ১০-১৫ টাকা দরে বিক্রি করেন শাপলা ফুল। দিনে ৫শ থেকে ৬শ টাকা আয় হয় । তাদিয়ে চলে সংসার । যেদিন  বেচা কিনা ভালো হয় না, সে দিন পরিবারের সকলকে না খেয়ে থাকতে হয়।  তরিকুল বলেন, বর্ষা মৌসুমে শাপলা তুলে বিক্রি করেই চলে সংসার। কষ্ট করে সংসার চালালেও আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি সহায়তা পাইনি। না আছে ভিজিডি কার্ড, না ভিজিএফ, না টিসিবির সাশ্রয়ী পণ্যের কার্ড। তিনি আরও বলেন, নুন আনতে পানতা ফুরায়। সরকারি কোনো সহায়তা পেলে সংসারটা একটু বাঁচত। এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা অভিজিত কুমার জানান, ‘‘বিষমুক্ত, ক্ষতিকর ক্যামিক্যাল মুক্ত নিরাপদ সবজি শাপলার চাহিদা ভোক্তা পর্যায়ে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। উৎপাদন খরচ নেই, সংগ্রহ খরচ খুবই কম, পক্ষান্তরে লাভজনক দামে বিক্রি হয় শাপলা। শাপলার কদর আছে সবার কাছে সমান ভাবে। তবে অতিরিক্ত সংগ্রহে যেন আমাদের জাতীয় ফুলের বীজ ধ্বংস হয়ে বিলুপ্তির পথে না যায় সেদিকেও লক্ষ্য রাথতে হবে।’’  

ভারতে প্রবেশের চেষ্টায় সীমান্তে বিজিবির হাতে দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। বুধবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বৃত্তিপাড়া গ্রামের একটি কাঠালবাগান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার উত্তম কুমার দেবনাথ (৫৩) এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার গুয়াখোলা রোড এলাকার অরুন কুমার পাল (৪৯)। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) অধীন বেনীপুর বিওপিতে কর্মরত হাবিলদার পীযুশ কান্তি সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন, দুই বাংলাদেশি নাগরিক বেনীপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। পরে বিজিবির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে বৃত্তিপাড়া গ্রামের আসাদুলের কাঠালবাগান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেন। পরে গ্রেপ্তারকৃত দুই ব্যক্তিকে জীবননগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে জীবননগর থানায়  তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।  

অবশেষে জীবননগরে অবৈধ মজুদের সার বিক্রি, কৃষকের মুখে স্বস্তি

অবশেষে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা জব্দকৃত ৯১২ বস্তা সার সরকারি মূল্যে সাধারণ কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রতি বস্তা সার ১ হাজার ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে জীবননগর থানা চত্বর ও হাসাদাহ পুলিশ ক্যাম্প চত্বর থেকে এ সার বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়।  জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে সার বিক্রি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিষয়টি তদারকি করেন জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। জীবননগর থানা-পুলিশ ও উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর জীবননগরের দত্তনগর সড়কের মেসার্স শান্তনা এন্টারপ্রাইজে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৪০০ বস্তা সরকারি ডিএপি সার জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানির নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এসব সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে পুলিশ। এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর জীবননগরের হাসাদাহ বাজারে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা আরও ৫১২ বস্তা সার জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় কীটনাশক ব্যবসায়ী মেসার্স তৌফিক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল খালেককে আটক করা হয়। জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। জব্দ করা ৫১২ বস্তা সারের মধ্যে ছিল ৪৫ বস্তা ইউরিয়া, ৩৫০ বস্তা ডিএপি, ৭৮ বস্তা টিএসপি ও ৩৯ বস্তা এমওপি। দুই দফায় জব্দ করা মোট ৯১২ বস্তা সার আদালতের নির্দেশে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হচ্ছে। সার কিনতে আসা কৃষক জমশেদ আলী বলেন, “কৃষক কার্ডের মাধ্যমে এক বস্তা ডিএপি সার ১ হাজার ৫০ টাকা দরে কিনেছি। এখানে স্বচ্ছতার সঙ্গে সার বিক্রি করা হচ্ছে। সার পেয়ে আমি অনেক খুশি।” জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে জীবননগর থানা কর্তৃক জব্দ করা ৯১২ বস্তা সার স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কৃষকের কাছে এক বস্তা করে সার ১ হাজার ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। সকাল থেকে কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে সার বিক্রি চলছে। জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ বলেন, আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত ৯১২ বস্তা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। সার বিক্রির সম্পূর্ণ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে।  

দামুড়হুদায় শারদীয় দুর্গাপুজা প্রস্ততিমুলক ও আইন শৃঙ্খলার সভা অনুষ্ঠিত 

দামুড়হুদায় হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপুজা  সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতি ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।   বুধবার দুপুর সাড়ে  ১২ টার সময় দামুড়হুদা উপজেলা হল রুমে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহি অফিসার লাভলী ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এসময় উপস্থিত ছিলেন,  দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী (ভুমি) কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন, দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মেজবাহ উদ্দিন,  দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু, দর্শনা পৌর বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট। সভায় আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে  আলোচনা করা হয়। শারদীয় দুর্গাপুজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের  পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজা মণ্ডপে নিরাপত্তার স্বার্থে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা। পূজা মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় মদ পান ও মাদক সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে আজান-নামাজের সময় উচ্চ শব্দে ডিজে গান ও অশ্লীল গান-বাজনা বন্ধ রাখা। প্রতিটি মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা পূজা উদযাপন কমিটির স্বেচ্ছাসেবক ও পালাক্রমে পাহারার ব্যবস্থা থাকবে। পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং টহল জোরদার করা হবে। প্রধান অতিথি বলেন, এই উৎসবকে ঘিরে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সাম্প্রদায়িক অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না। সরকার সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।  এসময় উপজেলার বিভিন্ন  পূজা মণ্ডপের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা, আনসার-ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিসসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দর্শনা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতির ইন্তেকাল

চুয়াডাঙ্গা দর্শনা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌর বিএন‌পির অন্যতম সমন্বয়ক এবং দর্শনা সিএ্যান্ডএফ এসো‌সিয়শ‌নের সভাপ‌তি হা‌জি মো: খন্দকার শওকত আলী (৬৮) আর নেই।  মঙ্গলবার ভোর ৫ টার দি‌কে হৃদযন্ত্র ক্রিয়া বন্ধ হ‌য়ে দর্শনা মোবারকপাড়াস্থ নিজ বাসভব‌নে ইন্তেকাল  ক‌রেন( ইন্না-------রা‌জিউন)।  মৃত্যুকা‌লে তি‌নি স্ত্রী, ২ ছে‌লে ও ১ মে‌য়ে সহ অসংখ্য গুনাগ্রহী রে‌খে গে‌ছেন। আজ মঙ্গলবার  আসর বাদ দর্শনা কেরুজ বাজার মা‌ঠে নামাজ যানাজা শেষে মোবারকপাড়া গোরস্থা‌নে বাবা-মা‌য়ের কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন করা হ‌বে।  হা‌জি খন্দকার শওকত আলীর মৃত্যু‌তে দলীয় নেতাক‌র্মি সহ সর্বমহল থেকে গভীর শোক প্রকাশ করে ‌শোকসপ্ত প‌রিবারের প্র‌তি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। 

আরও
X