ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সারিয়াকান্দি পৌর এলাকার পাঁচটি পুজা মন্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করলেন - কাজী এরফানুর রহমান রেন্টু 
ত্যাগীদের সম্মান দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ দিতে হবে: এনামুল হক শাহিন
বগুড়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মন্দির ও পুজা মন্ডপে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ 
বগুড়া জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে মন্দির ও পুজা মন্ডপে শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ 
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সারিয়াকান্দি উপজেলার মন্দির ও পূজামণ্ডপসমূহে বগুড়া জেলা পরিষদ কর্তৃক শুভেচ্ছা উপহার বিতরণ করলেন প্রধান অতিথির বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম. আহসানুল তৈয়ব জাকির।  শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলা কনফারেন্স রুমে জেলা পরিষদের আয়োজনে ২৮ টি মন্দিরে ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করেন। বগুড়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মো. শাহনেওয়াজের সভাপতিত্ব বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মিকাইল ইসলাম, বগুড়া জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী হক, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামল মাহমুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. নূরে আজম বাবু, সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা পরিষদের সভাপতি অরুনাংশ কুমার সাহা, পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা শাখার সভাপতি প্রভাত কুমার সাহা, সাধারণ সম্পাদক নিরাঞ্জন সরকার ।  এতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ফুল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, বগুড়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম বাদশাসহ বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এবং ২৮ টি পূজা মণ্ডপের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক প্রমুখ। উক্ত শুভেচ্ছা উপহার বিতরণের সময় প্রধান অতিথির বগুড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.কে.এম. আহসানুল তৈয়ব জাকির বলেন,  এই মাটির সন্তান জনাব তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তার উপহার হিসেবে আমরা কিছু অর্থ দেব। সনাতন ধর্মের জিনারা রয়েছেন । তিনাদের আমরা যারা বিএনপি করি আত্মার আত্মীয় মনে করি।   আপনারা দেখেছেন গত কয়েকটি পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমাদের দলে যে অঙ্গ দল রয়েছে একটি হেল্প সেন্টার করেছিলাম। প্রতিটা মন্ডপে দিন রাত উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করেছে। তারেক রহমানের নির্দেশ হিসেবে আমরা বলে দিয়েছি আপনাদের মন্ডপের উপরে যেন সব সময় তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেয়। আপনাদের রমনা পার্কে একটা বিশাল কালিমণ্ডপ ছিল ঐতিহ্যবাহী। তৎকালীন সরকার বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে দিয়েছিল। আগে আপনারা পেতেন ৫০০ কেজি চাল আর এখন ৬০০ কেজি হয়েছে আগামীতে আরো বাড়বে । যারা ষড়যন্ত্র করে, যারা প্রতিমা ভেঙ্গে বিশৃঙ্খলা করতে চায়, তারা কিন্তু বসে নেই। তারা ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। আমাদের লোক থাকবে প্রশাসনের লোক থাকবে। এর পরও যদি মনে হয় এখানে ডিস্টার্ব হতে পারে কোন সমস্যা হতে পারে আপনারা প্রশাসনকে জানাবেন।  আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রশাসন যেমন ২৪ ঘন্টা রেডি রয়েছে। আমরাও ২৪ ঘন্টা রেডি রয়েছি। কোন অবস্থাতেই এটা বরদাস্ত করা হবে না। কারণ কোন ধর্মে বলা নাই একটা ধর্ম আর একটা ধর্মকে ডিস্টার্ব দেয়া । অতএব আপনারা নির্বিঘ্নে, নির্দ্বিধায়, নির্ভয়ে আপনাদের পূজা-অর্চনা করেন। সমস্যা হলে যোগাযোগ করবেন, সমস্যা হতে দেরি হবে অ্যাকশন নিতে দেরি হবে না। তারেক রহমানের সরকার সেই অবস্থাতেই রয়েছে। এসময় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মী, সনাতনী ধর্মালম্বীদের প্রতিনিধি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 
সারিয়াকান্দিতে ২৮ পূজা মণ্ডপে অনুদান ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সহায়তা প্রদান 
সারিয়াকান্দি বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি
সাবেক স্ত্রীর ‘আপত্তিকর ভিডিও’ ফাঁস করল রাজু, অতঃপর...
সারিয়াকান্দিতে ৯শ ৫৫ লিটার চোলাই মদ উদ্ধারের পর ধ্বংস 
দুয়ারে দুর্গাপূজা, দুপচাঁচিয়ায় রঙ-তুলিতে দেবীকে সাজাতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

দুয়ারে নাড়ছে কড়া। আর মাত্র ক’দিন পড়েই শুরু হবে সনাতন ধর্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা।  উৎসবকে ঘিরে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহুর্তের ব্যাপক প্রস্তুতি। মাটির কাঠামোর কাজ শেষ করে প্রতিমার রঙ তুলির শেষ আঁচড় দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, মৃৎশিল্পীদের যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। কোথাও রঙের তুলির আঁচড়ে প্রতিমার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে মনের মাধুরী মিশিয়ে কাজে ব্যস্ত আবার কোথাও চলছে দেবীর গহনা ও পোশাকের সাজসজ্জার কাজ। সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ দেবীর চক্ষুদান বা চোখ আঁকার কাজে নিখুঁত মনোযোগ দিচ্ছেন প্রধান কারিগররা। তারা বলেন, ভক্তদের প্রতিমার সৌন্দর্য ভালো লাগলে তাদের কাজের সার্থকতা আসে। কয়েকজন মৃৎশিল্পী জানান, প্রতিমা তৈরী মূল কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। এখন চলছে ফিনিশিং ও রঙের কাজ। তবে বাঁশ, খড়, মাটি ও রঙের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবার প্রতিমা তৈরীর খরচ গত বছর তুলনায় অনেকটায় বেড়ে গেছে। প্রতিমা সৌন্দর্যের পাশাপাশি মণ্ডপের সাজসজ্জার কাজেও ব্যস্ততা দেখা গেছে মণ্ডপ কর্তৃপক্ষকে। মণ্ডপের প্রবেশ পথ হতে মণ্ডপ পর্যন্ত কি ধরনের সাজসজ্জা করলে আকর্ষণীয় হবে তা নিয়ে আলোচনা করছেন মণ্ডপ কর্তৃপক্ষ ও ডেকোরেশন মালিক। এমনি এক পূজা মণ্ডপ উপজেলার তালোড়া পার্শী বাড়ি পূজা মণ্ডপ। মণ্ডপের সামনে থেকে গেট হতে শুরু করে ভিতরে নান্দনিক সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলেছেন তারা। একান্ত আলাপচারিতায় পার্শী বাড়ি পূজা মণ্ডপের স্বত্বাধিকারী দিলীপ পার্শী জানান, মা রূপী দেবী দুর্গা পূজায় প্রতিমার পাশাপাশি গেট ও আনুসঙ্গিক কাজ সুন্দর করার চেষ্টা করেছি। প্রতিমার পাশাপাশি মণ্ডপের সৌন্দর্য দর্শনার্থীদের যেন উপভোগ্য হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ এগিয়ে চলছে। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসীম কুমার দাস বলেন, প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর উৎসবের প্রত্যাশা করছি। দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে উপজেলার সকল পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ও পূজা মণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে।

শাজাহানপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপন

‘শিশুবিয়ে আর নয়, কন্যা করবে বিশ্বজয়’ এই প্রতিপাদ্যে বগুড়ার শাজাহানপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সোমবার ১২ অক্টোবর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তাইফুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোছাঃ অলিফা খাতুন।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শাহানাজ পারভীন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা শহিদুল ইসলাম, মাঝিড়া মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল হালিম দুদু সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন। প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

দুপচাঁচিয়ায় প্রধান শিক্ষক আনিছুল ইসলামের বিদায় সংবর্ধনা

বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত দুপচাঁচিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনিছুল ইসলাম লিটন স্যারের পিআরএল এ গমন উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ১২অক্টোবর সোমবার বেলা ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তহিদুল ইসলাম মিঞা এর সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক রাজু আহমেদ এর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার(ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম। বিদায়ী অতিথির বক্তব্য রাখেন আনিছুল ইসলাম লিটন।  অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার শাহ মোঃ মাহমুদুন নবী, উপজেলা শিক্ষার মানন্নোয়ন ফোরামের সদস্য আজিজুল হক, দুপচাঁচিয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরে আলম সিদ্দিকী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দ্বিজেন্দ্রনাক মন্টু, দুপচাঁচিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম ফারুক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু কালাম আজাদ, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সুদেব কুÐু, শিক্ষার্থী আজিজুল হক, দেওয়ান যীবা তাসনিয়াহ প্রমুখ।  বক্তারা বিদায়ী শিক্ষক আনিছুল ইসলাম লিটন স্যারের কর্মময় জীবনীর ওপর আলোকপাত করে বলেন, তিনি অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা এবং দক্ষতার সাথে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যালয়টি শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের মানোন্নোয়নের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। তাঁর এ অবদানের কথা বিদ্যালয়ের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিদায়ী অতিথির বক্তব্যে আনিছুল ইসলাম লিটন স্যার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।  তিনি তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির জন্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এবং শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।  অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষকমন্ডলী, স্কাউটস দল, বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।    

সারিয়াকান্দিতে রং তুলির আঁচড়ে সাজছে প্রতিমা, এখন শুধু মন্ডপে তোলার অপেক্ষা 

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে আগামী ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব। উপজেলার সারিয়াকান্দি বাজার, সাহাপাড়া, মানিকদাইড় উত্তর হিন্দুকান্দি, নারচী, মাঝবাড়ী, ফুলবাড়ী, হরিনা, ডোমকান্দি, দেবডাঙ্গা, রামচন্দ্রপুর, কুপতলা, কুতুবপুর, মথুরাপাড়া বাজার, রৌহাদহ/কড়িতলা চন্দনবাইশা, নিজবলাইল, হাটশেরপুর খোর্দ্দবলাইলসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ২৮ টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। উৎসবকে ঘিরে প্রতিমা নির্মাণ, প্যান্ডেল তৈরি, আলোকসজ্জা ও আনুষঙ্গিক প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পী ও পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা। অন্যদিকে, পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা এবং প্রশাসনিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার আবহাওয়া ভালো থাকায় প্রতিমা তৈরির কাজে কোন বিঘ্ন ঘটেনি। তাই সকল প্রতিমা নির্ধারিত সময়ে প্রস্তুত হয়েছে। তাই এবার সময়মত উৎসবের আয়োজন সম্পন্ন করতে পারবেন বলছেন শিল্পী ও আয়োজকেরা। বিভিন্ন প্রতিমা তৈরির কর্মশালা ঘুরে দেখা যায়, কোথাও বাঁশ ও খড় দিয়ে প্রতিমার কাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে, কোথাও চলছে মাটির প্রলেপ দেওয়ার কাজ। কোনো কোনো কর্মশালায় মাটির কাজ শেষে প্রতিমার মুখাবয়ব, সূক্ষ্ম কারুকাজ, রং ও অলংকার সংযোজনের প্রস্তুতি চলছে। সময়মতো প্রতিমা সরবরাহ নিশ্চিত করতে অনেক কারিগরকে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। মৃৎশিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিমা নির্মাণ একটি ধারাবাহিক ও সময় সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। প্রথমে বাঁশ ও খড় দিয়ে কাঠামো তৈরি করা হয়। এরপর কয়েক ধাপে মাটি প্রয়োগ করে দেবদেবীর অবয়ব গড়ে তোলা হয়। মাটি যথা- যথভাবে শুকানোর পর সূক্ষ্ম কারুকাজ, রং, অলংকার ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হয়। সবশেষে আঁকা হয় দেবীর চোখ-মুখ। প্রতিটি ধাপে আবহাওয়া, কারিগরি দক্ষতা ও পর্যাপ্ত সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মৃৎশিল্পী নয়ন কুমার রাজভর বলেন, “আমি  এবার ৬ টি প্রতিমা তৈরির কাজ করছি। কাজ এখন মোটামুটি শেষ পর্যায়ে। রাতদিন পরিশ্রম করে শেষ করে ফেলেছি প্রতিমা তৈরীর কাজ। এখন রং তুলির আচর পরবে। মাটিসহ সকল সরন্জামের দাম বেড়ে গিয়েছে তাই খরচ একটু বেশি হচ্ছে প্রতিমা তৈরীতে। আমি আশা করছি  সময়মতো সব প্রতিমার কাজ শেষ করতে পারবো।  শিল্পী রঘুনাথ পাল বলেন, একটি প্রতিমা তৈরি করতে সাধারণত চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে। কাঠামো নির্মাণ থেকে শুরু করে মাটি শুকানো, রং করা ও সাজসজ্জা—প্রতিটি পর্যায়ে সতর্কতা প্রয়োজন। পূজার নির্ধারিত সময়ের আগেই সব প্রতিমার কাজ শেষ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি। ২৮ মণ্ডপে সাজসজ্জা, বাড়ছে উৎসবের আমেজ দুর্গোৎসব সামনে রেখে সারিয়াকান্দির বিভিন্ন এলাকায় পূজামণ্ডপের অবকাঠামোগত প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। কোথাও বাঁশের কাঠামোর ওপর প্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে, কোথাও বসানো হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাতি ও আলোকসজ্জার সরঞ্জাম। পাশাপাশি মাইক, দর্শনার্থীদের চলাচলের ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পরিচালনার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন আয়োজকেরা। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সড়কের আশপাশের মণ্ডপগুলোতে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে নতুন পোশাক কেনাকাটা, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ এবং মণ্ডপ পরিদর্শনের পরিকল্পনা করছেন অনেকে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়স্কদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে উৎসাহ। তবে উৎসবের প্রস্তুতির পাশাপাশি দর্শনার্থীদের নিরাপদ চলাচল, ভিড় ব্যবস্থাপনা, বৈদ্যুতিক সংযোগের নিরাপত্তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়গুলোও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বড় জনসমাগমের সময় এসব ক্ষেত্রে আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তৎপরতা প্রয়োজন। সারিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আ.ফ.ম আছাদুজ্জামান বলেন, থানা পুলিশ, সিসিটিভি, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে নজরদারি  দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকে সকল ধরনের নিরাপত্তা - মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনসার সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও জনপ্রতিনিধিরা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকবেন। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। ইউএনও আরও জানান, আজান ও নামাজের সময়ের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রেখে পূজা-অর্চনা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কিংবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে শুধু ক্যামেরা স্থাপন নয়, সেগুলোর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সক্রিয় উপস্থিতি এবং অভিযোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। উৎসব চলাকালে এসব ব্যবস্থার বাস্তবায়ন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সারিয়াকান্দি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক নিরঞ্জন সরকার বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।  সবার সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপন করতে পারবেন বলে তাঁরা আশাবাদী। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী ধর্মীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী, ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীর পূজা এবং অন্যান্য ধর্মীয় আচার - অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে পাঁচ দিনের উৎসব। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব। দুর্গোৎসব সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। দেবী দুর্গার আগমনকে অশুভ শক্তির বিনাশ এবং শুভ শক্তির বিজয়ের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। সারিয়াকান্দির পূজারিরা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সামাজিক বন্ধন জোরদারের প্রত্যাশা করছেন। তাঁদের আশা, সব সম্প্রদায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় এবারের দুর্গোৎসব আনন্দমুখর, নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হবে।

সারিয়াকান্দিতে বগুড়া নিসচা শাখার সমাবেশ ও ট্রাফিক ক্যাম্পেইন

জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে অক্টোবর মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে সচেতনতামূলক ট্রাফিক ক্যাম্পেইন পরিচালনা ও সমাবেশ করেছে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বগুড়া জেলা কমিটি। “নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১০ অক্টোবর) সারিয়াকান্দির টিপুর মোড় থেকে মুক্তিযোদ্ধা মোড় পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, চালকদের সচেতন করা এবং সড়ক দখল করে যানজট সৃষ্টি রোধ করাই ছিল এ ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য। ক্যাম্পেইন শুরুর আগে একটি সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ.ফ.ম. আছাদুজ্জামান। সমাবেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, ট্রাফিক আইন মেনে চলা, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং থেকে বিরত থাকা এবং যান চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পরে বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি সড়ক দখল ও যানজট সৃষ্টির ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে চালকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। নিসচা বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রকিবুল ইসলাম সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান তালুকদার নিপু, ক্রীড়া সম্পাদক মিটন আকন্দ এবং কার্যনির্বাহী সদস্য মো. হারুনুর রশিদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফুল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম হিরা, বিশিষ্ট ঠিকাদার সাব্বির আহম্মেদ চম্পক, ট্যালেন্ট আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরিচালক আহসান হাবীব সবুজ, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চন্দন চক্রবর্তী, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন এবং ব্যাংকার সাদিক স্বপনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে নিসচা বগুড়া জেলা কমিটির অক্টোবর মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

শাজাহানপুরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত 

বগুড়া শাজাহানপুরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ১০ অক্টোবর উপজেলার মাড়িয়া স্কুল মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বগুড়া জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। খেলাটির উদ্বোধন করেন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হাসান।  শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম আহব্বায়ক  মোঃ বাদশা সরকার এর সভাপতিত্বে এ খেলায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি আতাউর রহমান শম্ভু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন রশীদ সুজন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন বাবু ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, মাড়িয়া যুব কল্যান সংঘের উদ্যোগে এ খেলায় উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী সহ এলকোর হাজার হাজার দর্শক খেলাটি উপভোগ করে।  

সোনাতলায় মা ইলিশ সংরক্ষণে ১৬০ জেলে পরিবারে ৪ টন চাল বিতরণ

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞার সময় কর্মহীন জেলেদের সহায়তায় বগুড়ার সোনাতলায় ১৬০টি নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে চার টন ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়ন কমপ্লেক্সে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চাল বিতরণ করেন বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মা ইলিশ সংরক্ষণ কর্মসূচির আওতায় বিশেষ বরাদ্দের এ খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়। নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের খাদ্যসংকট মোকাবিলা ও আর্থিক দুর্ভোগ কিছুটা কমাতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক নিবন্ধিত জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি করে মোট চার হাজার কেজি চাল দেওয়া হয়। চাল বিতরণের আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামাণিক, সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবীর হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, পাকুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম লতিফুল বারী টিম ও জোড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এদিকে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে একই দিন দুপুর ১২টায় সোনাতলা উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বীকৃতি প্রামাণিক। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আলহাজ কাজী রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় সোনাতলা পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৫৩টি পূজামণ্ডপের কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। আসন্ন দুর্গাপূজা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়।

আরও
X