ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
পঞ্চগড়ের ২৬৮ মণ্ডপে দুর্গাপূজা, নিরাপত্তায় এসআরবির বিশেষ ব্যবস্থা
পঞ্চগড় সীমান্তে বিজিবির হাতে ৮০ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপসহ মাদককারবারী আটক
পঞ্চগড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আসামি গ্রেপ্তার
পঞ্চগড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় আসামি গ্রেপ্তার
পঞ্চগড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলাসহ একাধিক ধারার মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুনকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১১ অক্টোবর রাত আনুমানিক ২টা ৫ মিনিটে পঞ্চগড় পৌরসভার ইসলাম প্লাজার ইসলাম আবাসিক হোটেল থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুল্লাহ আল-মামুন পঞ্চগড় পৌরসভার নতুনবস্তি রাজনগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত নুর ইসলামের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পঞ্চগড় সদর থানার জিআর নম্বর-৪৬৫/২৬-এর এজাহারনামীয় আসামি তিনি। মামলাটি ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯খ ধারা এবং দণ্ডবিধির ৩১৩, ৩২৩, ৩২৫ ও ৫০৬(২) ধারায় করা হয়েছে। এসব ধারায় যথাক্রমে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে গর্ভপাত ঘটানো, স্বেচ্ছায় আঘাত করা, গুরুতর আঘাত করা এবং অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নির্ধারণে মামলার এজাহার ও প্রাসঙ্গিক আইনি বিধান যাচাই করা প্রয়োজন। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাঁকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নতুন সেতু নির্মাণের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান গ্রেপ্তার
পঞ্চগড়ে ৬ কোটির সেতু ও সংযোগ সড়ক খুলে দেয়ার দুই মাসেই ধস, এলাকাবাসীর ক্ষোভ
পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে আলোচনায় রেজাউল করিম শাহীন
পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, গর্ভের সন্তান মৃত্যুর অভিযোগ

পঞ্চগড় সদর উপজেলার জগদল বাজারে পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করা রোকসানা আক্তারের বিরুদ্ধে চিকিৎসক না হয়েও রোগীদের প্রেসক্রিপশন লিখে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে সাত মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ দেওয়ার পর তাঁর গর্ভের সন্তান মারা গেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সরেজমিনে জগদল বাজারের ওই ফার্মেসিতে গিয়ে রোকসানা আক্তারের সঙ্গে কথা হলে তিনি নিজেই রোগীদের প্রেসক্রিপশন লেখার বিষয়টি স্বীকার করেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, ওষুধ লেখার অনুমতি রয়েছে তাঁর। জানা যায়, গত ১৪ আগস্ট জগদল বাজারের মাতৃসেবা ফার্মেসিতে গিয়ে রোকসানা আক্তার একই এলাকার মিজানুরের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শারমিন আক্তারের জন্য প্রেসক্রিপশন লেখেন। পরিবারের অভিযোগ, সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ওই নারী অসুস্থ হয়ে রোকসানা আক্তারের কাছে গেলে তিনি অ্যান্টিবায়োটিকসহ কয়েক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ লিখে দেন। পরে ওই নারীর গর্ভের সন্তান মারা যায়। পরিবারের দাবি, চিকিৎসক না হয়েও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা অন্তঃসত্ত্বা নারীকে এভাবে ওষুধ দেওয়ার কারণেই তাঁর গর্ভের সন্তানটির মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে সচেতন মহলের একরামুল হক বলেন, রোগীটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিলেন। চিকিৎসক না হয়ে এভাবে প্রেসক্রিপশন করে ওষুধ দেওয়া ঠিক হয়নি। প্রশাসনের উচিত এ ধরনের সব ওষুধের দোকানে বিশেষ নজরদারি রাখা। পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, চিকিৎসক না হলে এ ধরনের ওষুধ লেখার কোনো সুযোগ নেই। এ বিষয়ে অভিযোগ করা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোগীদের প্রেসক্রিপশন দেওয়া এবং অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ বিক্রির বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা প্রয়োজন। বিশেষ করে গর্ভবতী রোগীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

আরও
X