ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
তেঁতুলিয়ায় গান-গল্প-কবিতায় পাঠদান, সাংস্কৃতিক চর্চায় উচ্ছ্বসিত খুদে প্রতিভারা
শারদীয় দুর্গাপূজায় ৭ দিন বন্ধ থাকবে আমদানি-রপ্তানি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর 
তেঁতুলিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিতর‍্যালি ​
তেঁতুলিয়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিতর‍্যালি  ​
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে। ​মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা)-র আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে র‍্যালিটি শেষ হয়। এরপর আলোচনা সভা এবং ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা চত্বরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা উপস্থিত সকলের সামনে ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ডকালীন জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে আত্মরক্ষা ও উদ্ধার তৎপরতা চালাতে হয়, তা বাস্তব প্রদর্শনী মাধ্যমে তুলে ধরেন। ​অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আনোয়ার হোসাইন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম শাহ, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আবু জাফর হাওলাদার, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা করুণা কান্ত রায়, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইনচার্জসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগন এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ​আলোচনা সভায় বক্তারা যেকোনো প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবেলায় পূর্বপ্রস্তুতি, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি হ্রাসে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
তেঁতুলিয়া সীমান্তে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা, চার তরুণ আটক
বছরে দেড় কোটি রাজস্ব, তবু অব্যবস্থাপনায় শালবাহান হাট
তেঁতুলিয়ায় চা শ্রমিক সম্মেলন, ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জোর দাবি
নাটকের মাধ্যমে পাঠ, তেঁতুলিয়ায় প্রান্তিক শিশু শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
নজরুলের সুরসাধনায় পাঁচ দশক নিজ এলাকাতেই উপেক্ষিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টিকর্ম, দর্শন ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে ‘নজরুল বর্ষ’। সরকারি উদ্যোগে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আয়োজন করা হচ্ছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি। এরই মধ্যে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নজরুল বর্ষের স্থানীয় আয়োজন নিয়ে দেখা দিয়েছে আক্ষেপ। স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমীদের অভিযোগ, দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে নজরুল সংগীত ও শুদ্ধ সংগীতচর্চায় অবদান রাখা তেঁতুলিয়ার কৃতী সন্তান, নজরুলসাধক, সুরকার ও সংগঠক তজিরুল ইসলামকে স্থানীয় সরকারি ও প্রশাসনিক আয়োজনে যথাযথভাবে সম্পৃক্ত করা হয়নি এই গুনী শিল্পীকে । জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন স্বীকৃতি ও সম্মাননা পাওয়া এই শিল্পী নিজ এলাকায় নজরুল বর্ষের আয়োজনে উপেক্ষিত থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিবর্গ। জানা যায়, তেঁতুলিয়ার প্রান্তিক জনপদে বেড়ে ওঠা তজিরুল ইসলাম প্রায় পাঁচ দশক ধরে সংগীতচর্চার সঙ্গে যুক্ত এই নজরুলসাধক । জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের শুদ্ধ সুর ও সংগীতের প্রচার-প্রসারে দীর্ঘদিন নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে দুই বছর মেয়াদি উচ্চতর বিশেষ ডিপ্লোমা সম্পন্নকালে তিনি সুধীন দাস, সোহরাব হোসেন ও খালিদ হোসেনের মতো বরেণ্য সংগীতজ্ঞের সান্নিধ্য লাভ করেন। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত এই শিল্পী সংগীত পরিচালক ও সুরকার হিসেবেও বর্তমানেও কাজ করছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদের জাতীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ সংগীতজীবনে তজিরুল ইসলাম একাধিক পদক ও সম্মাননা পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে শুদ্ধ সংগীত চর্চা পদক, শুদ্ধ নজরুল সংগীত প্রশিক্ষণ পদক, চলচ্চিত্র অভিনেতা খলিলুল্লাহ স্মৃতি পদক এবং বাংলাদেশ সংস্কৃতি পরিষদের সম্মাননা। তেঁতুলিয়া সংগীত বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবেও তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ ধ্রুব পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটি একাধিকবার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। একই সংগঠনের পক্ষ থেকে তজিরুল ইসলাম শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবেও নির্বাচিত হয়েছেন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের আয়োজনে লোকসংগীতের একটি বিশেষ প্রকল্পে জাতিসংঘের সমর্থিত অডিও ক্যাসেটে গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী হিসেবে কাজ করার স্বীকৃতিও রয়েছে এই গুনী শিল্পীর । শিক্ষকতা ও সংগীতচর্চার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়েও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন তজিরুল ইসলাম। রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে প্রায় ১৪ বছর সংগীত শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে উত্তরা কে.সি. মডেল কলেজে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। ২০২৪ সালে ঢাকার শিল্পকলা একাডেমিতে তার একক সুরে ‘সুরে সুরে মন পবন’ শীর্ষক মৌলিক গানের অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া করোনা-পরবর্তী সময়ে পঞ্চগড়ে ‘আদি-সুরে নজরুল সংগীত চর্চা’ শীর্ষক কর্মশালা পরিচালনা করে স্থানীয় শিল্পীদের শুদ্ধ নজরুল সংগীতের প্রশিক্ষণ দেন নজরুলসাধক । স্থানীয় সংস্কৃতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সংগীতচর্চা ও নজরুল সংগীতের প্রসারে অবদান রাখা এমন একজন গুনী শিল্পীকে তার নিজ এলাকার সরকারি সাংস্কৃতিক আয়োজনে যথাযথভাবে সম্পৃক্ত না করা দুঃখজনক। তাদের মতে, নজরুল বর্ষের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনে স্থানীয় গুণী শিল্পীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে একদিকে যেমন তাদের সম্মানিত করা হয়, অন্যদিকে স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গেও জাতীয় আয়োজনের একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি হয়। তাদের দাবি, প্রশাসনিক সমন্বয় বা যোগাযোগের কোনো ঘাটতি থাকলে তা দূর করে তজিরুল ইসলামের মতো স্থানীয় গুণী ও নিবেদিতপ্রাণ শিল্পীদের নজরুল বর্ষের কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করা হোক। একই সঙ্গে তেঁতুলিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করতে স্থানীয় শিল্পীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা ।  উপজেলা শিল্পকলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিঞা বলেন তজিরুল ইসলাম গুনী শিল্পী তার সংগীতের উপর অসম্ভব রকম দখল রয়েছে । তেতুলিয়া সংগীত বিদ্যলয়ের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম বলেন তজিরুল ইসলাম তেতুলিয়া সংগীত বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ থাকাকালীন সময়ে একাধিকবার ধ্রুব পরিষদ থেকে  শ্রেষ্ঠ সংগীত বিদ্যালয় এবং শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। 

৬ পদে একজন কর্মকর্তা, জনবল সংকটে তেঁতুলিয়া পল্লী উন্নয়ন বোর্ড

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় ও পল্লী জীবিকায়ন অফিস দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট। গুরুত্বপূর্ণ একটি মন্ত্রনালয়ের উপজেলা অফিসে ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ১জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে । সীমিত জনবল নিয়েও নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম ও সেবা দেওয়ার অত্যান্ত আন্তরিক ভাবে  চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ঐ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। তবে প্রয়োজনীয় জনবল পদায়ন করা হলে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন মুলক কাজের সেবার মান ও কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয়রা। উপজেলা পল্লী উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা, হিসাবরক্ষক, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা, উপ-প্রকল্প কর্মকর্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে ৬ টি পদের বিপরীতে ১ জন কর্মকর্তাকেই সমস্ত দাপ্তরিক কাজ, প্রকল্পের কার্যক্রম এবং উপকারভোগীদের সেবা দিতে হচ্ছে। জনবল সীমিত থাকলেও দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত ফাইল নিষ্পত্তি, প্রকল্পের কাজ তদারকি এবং উপকারভোগীদের সমগ্র সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন  সরকারি দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে এই কর্মকর্তাকে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আরমান ওয়াহিদ আনসারী বলেন, “৬ টি পদের বিপরীতে বর্তমানে একজন কর্মরত থাকায় কাজের চাপ অনেক বেশি। একই সঙ্গে একাধিক দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। নিজের পরিবার পরিজনের জন্য ১ দিন ছুটিও নিতে পারিনা। এরপরও যথাসাধ্য চেষ্টা করছি, যাতে সেবা নিতে আসা মানুষকে কোনো ধরনের সমস্যায় না পড়তে  হয়।” সেবাগ্রহীতা সুরাইয়া বেগম ও শিরীন আক্তার বলেন, “স্যার অত্যান্ত আন্তরিকতার সাথে  আমাদের কাজ করে দেন। জনবল আরও বাড়ানো হলে সেবা নিতে এসে আমাদের অপেক্ষার সময়ও কমবে।” সেবাগ্রহীতা জোছনা বেগম বলেন, “এখানে কর্মকর্তা কম থাকলেও আমাদের তাৎক্ষণিক ভাবে কাজ গুলো  করে দেওয়া হয় ।  আরও শুন্য স্যার গুলো থাকলে হয়তো আরো আগে কাজ সেরে চলে যেতে পারতাম । আমার মতো আর যারা সেবা নিতে আসতো তারাও আরও দ্রুত সেবা নিয়ে চলে যেতে পারতো।  স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু এবং রবিউল  বলেন, “জনবল কম থাকায় বিভিন্ন কাজে এসে কখনো অপেক্ষা করতে হয়। দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ বা পদায়ন করা হলে সাধারণ মানুষ আরও দ্রুত সেবা পাবেন।” এই অফিসে ১ জন সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা অতিরিক্ত দায়িত্বে পঞ্চগড় সদর উপজেলা থেকে আসেন । তিনি বলেন আমি যেদিন কাজ থাকে সেদিন আসি। এবং সেদিন আমাকে হিসাবরক্ষকের কাজগুলোও করতে হয়।  স্থানীয়দের মতে, পল্লী উন্নয়ন বোর্ড ও পল্লী জীবিকায়ন কার্যক্রম গ্রামীণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করা গেলে এসব কার্যক্রম আরও বিস্তৃতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তেঁতুলিয়ার মানুষের সেবার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শূন্য পদগুলোতে দ্রুত যোগ্য জনবল পদায়ন করা হবে। এতে একদিকে কর্মকর্তার ওপর কাজের চাপ কমবে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ আরও দ্রুত ও সহজে সরকারি সেবা পাবেন।

তেতুলিয়ায় পাথর-বালু উত্তোলনের মামলায় মৃত-নিরীহদের আসামি, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৫ জন মৃত ব্যক্তিসহ ২২ জনকে আসামি করার অভিযোগ উঠেছে।  এ ঘটনায় নিরীহ ব্যক্তিদের আসামি করার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঐ এলাকার স্থানীয়রা। ক্ষোভে এবং উত্তেজনার একপর্যায়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে তার ইউনিয়ন ভুমি অফিসেই অবরুদ্ধ করে পঞ্চগড় তেতুলিয়া জাতীয় মহাসড়কে অবস্থান নেন তারা। এতে শত শত  যানবাহন আটকা পড়ে সৃষ্টি হয় যানজট ও ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।  এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ সেপ্টেম্বর ভজনপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলনের অভিযোগে ৩ টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করে মামলা করা হয়। ওই মামলায় ফয়জুল নামে একজনকে প্রধান আসামি করাসহ মোট ২২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, আসামিদের মধ্যে ৫ জন বহু আগেই মারা গেছেন বলেও দাবি করেন উপস্থিত বিক্ষুব্ধ জনতা।  তাদের অভিযোগ, মামলায় মৃত ব্যক্তিদের পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার  নিরীহ মানুষকেও আসামি করা হয়েছে। অথচ এলাকায় ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে যারা পাথর ও বালু উত্তোলন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।  এমন কি জব্দকৃত ড্রেজার মেশিন মালিকদেরও মামলার আসামি না করে মামলায় মৃত ও নিরীহ ব্যক্তিদের আসামি করার অভিযোগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফুসে ওঠে ভজনপুর ইউনিয়নবাসী। তারা প্রথমে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন। পরে জাতীয় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন আটকে দেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, প্রকৃতপক্ষে যারা ড্রেজার দিয়ে পাথর-বালু উত্তোলন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে মৃত ও নিরীহ মানুষের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং যাদের আসামি করা হয়েছে তারা অনেক সভ্রান্ত পরিবার। তাই এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোড় দাবি জানান। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তৎক্ষনাৎ ঘটনাস্থলে যান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আকাশ। তাঁর হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ ভূমি কর্মকর্তাকে মুক্ত করা হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম আকাশ বলেন, মামলাটি প্রত্যাহার করে প্রকৃত অর্থে যারা অবৈধভাবে পাথর ও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।  এদিকে মামলার বাদী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা জানান- লোকমুখে শুনে আসামিদের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এদিকে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যারা প্রকৃতপক্ষে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে পাথর ও বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত তাদের বাদ দিয়ে কীভাবে এবং কোন ষড়যন্ত্রে মৃত ও নিরীহ ব্যক্তিদের নামে মামলা করা হলো।  এমতাবস্থায় মামলা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রতির আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুব্ধ জনতা। তবে স্থানীয়রা অবরুদ্ধ ও অবরোধ প্রত্যাহার করলেও বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোড় দাবি জানান তারা। 

তেঁতুলিয়ায় কাজীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, লাইসেন্স বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন কাজী অফিসের কাজী হযরত আলীর বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, বাল্যবিয়ে প্রদান, প্রথম স্ত্রীর ওপর নির্যাতনসহ বিভিন্ন সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর জুম্মার নামাজ শেষে মসজিদের সাথে রাস্তায় মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে তাঁর কাজীর লাইসেন্স ও নিয়োগ অবিলম্বে বাতিলসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাইপাড়ার ফুটকিবাড়ী এলাকায় আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তাদের হাতে থাকা ব্যানারে কাজী হযরত আলীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের কথা তুলে ধরে তারা। মানববন্ধনে এলাকাবাসীর অভিযোগ, একজন নিকাহ রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল। তাঁর মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধন ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নানা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে যদি বাল্যবিয়ে সম্পাদন, নারীসংক্রান্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও পারিবারিক নির্যাতনের মতো অভিযোগ ওঠে, তাহলে  বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ ।  বক্তারা বলেন,  নারী নির্যাতন ও সামাজিক অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান এলাকাবাসী। এলাকাবাসী প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন কাজী হযরত আলীর লাইসেন্স ও নিয়োগ বাতিল এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বাল্যবিয়ে ও নারী নির্যাতনের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে প্রশাসনকে আরও কঠোর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কাজী হযরত আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বাসায় পাওয়া যায়নি ।  মানববন্ধন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি অতি গুরুত্বের সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা।  এ সময় আঃ করিম, মজিবর রহমান, সহ আরো অনেকে জানান আমরা সমাজের সাথে আছি। সমাজের সবাই বিচার চাই আমরা বিচার চাই । 

তেঁতুলিয়ায় চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলায়  শুরু হয়েছে ‘চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬, সিজন-২’। শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর তিরনইহাটের ফকিরপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ২ নং তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এই চেয়ারম্যান  স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট।  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনোয়ার হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইছুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  তেঁতুলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন রঞ্জু এবং সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শাহীন। এ ছাড়াও  খেলা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক আমান, সদস্য সচিব আজিজুল হক, ২ নং তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম এবং মরহুম নাজির হোসেন ও মরহুম আজাহারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২ নং তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  আলমগীর হোসাইন। আয়োজকরা জানান, তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করা, মাদক ও সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রাখা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যেই এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। এসময় এই ফুটবল টুনামেন্টকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে ।  বক্তারা বলেন, খেলাধুলা তরুণদের শৃঙ্খলাবোধ, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হলে তেঁতুলিয়ার ক্রীড়াঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে।  এবং মাদকের প্রভাব অনেকাংশেই কমে আসবে।   

তেঁতুলিয়ায় ‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে বিএনপি নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায়  শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগকে কেন্দ্র করে নিজের নাম জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মানববন্ধনে মিথ্যা অভিযোগ, অপপ্রচার ও মানহানি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি নেত্রী সুলতানা রাজিয়া। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তেঁতুলিয়া প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। এ সময় নিজের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন সুলতানা রাজিয়া এবং এসব অভিযোগকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সুলতানা রাজিয়া বলেন, গত ২৯ আগস্ট তেঁতুলিয়া উপজেলার টাইয়াগছ এলাকায় এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ওই মানববন্ধনে একটি কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ ও অপবাদ দিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, শুধু মানববন্ধনেই নয়, পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের গুজব, মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং তিনি মানহানির শিকার হচ্ছেন। সুলতানা রাজিয়া দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তার ছেলে অসুস্থ থাকায় তাকে নিয়ে তিনি ঢাকায় ছিলেন। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা মুঠোফোনে তাকে ঘটনাটি জানান। বিষয়টি জানার পর তিনি শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানোর পাশাপাশি থানায় গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী , ভুক্তভোগী শিশুর বাবা পরবর্তীতে থানায় গেলেও সেখান থেকে ফেরত চলে আসেন। পরে তেঁতুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, ভুক্তভোগী শিশুর বাবার সঙ্গে অপর পক্ষের সমঝোতা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি আপোষনামাও থানায় জমা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানতে পারেন। সুলতানা রাজিয়া বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অথচ পরবর্তীতে তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এমনকি মানববন্ধনেও তাকে উদ্দেশ্য করে নানা অভিযোগ ও অপবাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপি নেত্রী সুলতানা রাজিয়া আরও বলেন, কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে তিনি সবসময় আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করার পক্ষে। কিন্তু কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকা সত্ত্বেও তার নাম জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো কোনোভাবেই কাম্য নয়। এতে শুধু তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন হচ্ছে না, প্রকৃত ঘটনাটিও আড়ালে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া বক্তব্য ও অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। একইসঙ্গে যারা পরিকল্পিতভাবে তার নাম জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও মানহানি করেছে, তাদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি। এ সময় তেঁতুলিয়া উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মতিকুল ইসলাম, সুলতানা রাজিয়ার দেবর আবু তাহের, ভাতিজা ও বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান সরকারসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুলতানা রাজিয়া তার বিরুদ্ধে চলমান কথিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের জিরো পয়েন্টে মার্কিন রাষ্ট্রদূত 

দেশের উত্তরাঞ্চলে​ তিন দিনের সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে পঞ্চগড়ের জেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ও জিরো পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। ​সফরের শুরুতে ভোরে তিনি তেঁতুলিয়ার সীমান্ত ঘেষা মহানন্দা নদী ও ইতিহাস সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক ডাকবাংলোর এলাকা ঘুরে দেখেন। এরপর তিনি বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে পৌঁছে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সেখানে কিছু সময় কাটিয়ে সেলফিও তোলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আনোয়ার হোসেন এবং তেঁতুলিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লাইছুর রহমান। ​বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট পরিদর্শন শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল ও রকস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সার্কিট হাউসে পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।  

আরও
X