শিক্ষা ও গবেষণায় ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও ইউনিভার্সিটি অব রিডিং।
সম্প্রতি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে একাডেমিক বিভিন্ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি।
বৈঠকে নিজেদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কীভাবে একসঙ্গে একাডেমিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় দুটির প্রতিনিধিরা।
এতে বিশ্ববিদ্যালয় দুটির মধ্যে ভবিষ্যতে একাডেমিক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়াসহ গবেষণায় পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর (ইন্টারন্যাশনাল) ড. ক্যারোলিন বেইলন বলেন, ট্রান্সন্যাশনাল শিক্ষায় ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারা এমন সহযোগিতা গড়ে তুলতে চান, যা হবে অর্থবহ, টেকসই এবং সবার জন্য উপকারী।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার যৌথ ডিগ্রি প্রোগ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ভবিষ্যতে গ্লোবাল সাউথের অন্যতম শীর্ষ একটি বিশ্ববিদ্যালয় হতে উঠতে চায়। এটি শুধু স্বপ্ন নয়। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা তা করতে পারব।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পক্ষে সভায় উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য সাদাফ সাজ সিদ্দিকী, প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক, স্কুল অব লাইফ সায়েন্সেসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিন প্রফেসর অপর্ণা ইসলাম এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ইফতেখার বিন নাসের।
ইউনিভার্সিটি অব রিডিংয়ের প্রতিনিধিদলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কুল অব অ্যাগ্রিকালচার ও পলিসি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ডিরেক্টর অব ইন্টারন্যাশনালাইজেশন প্রফেসর সারাহ কার্ডি, স্কুলের হেড প্রফেসর সাইমন মর্টিমার এবং হেড অব গ্লোবাল পার্টনারশিপস অ্যাশলে বার্ক।
মন্তব্য করুন








