ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে শুধু পরিবর্তন নয় জানিয়ে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট হোক মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
তিনি বলেন, একইসঙ্গে সেই সংস্কারসংক্রান্ত সব কার্যক্রম ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে কার্যকর করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকার ব্যত্যয় যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে।
স্ট্যাটাসের মন্তব্যের ঘরে আহমাদুল্লাহ আরও লিখেছেন, এদেশের মানুষ সিস্টেমের পরিবর্তন চায়। কিন্তু সংস্কারের নামে সুকৌশলে মূল্যবোধ পরিপন্থি ও বিদেশি এজেন্ডা পুশ করার কোনো প্রচেষ্টা তারা মেনে নেবে না।
‘জুলাইয়ে উজ্জীবিত জনতার মূল প্রেরণা ছিল ইসলাম। চেতনা ছিল ইনসাফ এবং পরাধীনতা থেকে মুক্তি। সুতরাং পরিবর্তনের নামে বিদেশিদের এজেন্টদের চাপিয়ে দেওয়া একটি শব্দও সহ্য করা হবে না।’

এর আগে, মঙ্গলবার বিকেলে জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারিও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিন। Say ‘YES’ for Future Bangladesh.
এ ছাড়া পোস্টের মন্তব্য ঘরে তিনি আরও লিখেছেন, কিছু পয়েন্টে আপত্তি থাকলেও গণভোটের বেশিরভাগ পয়েন্ট ইতিবাচক। তাই, সার্বিক বিবেচনায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়াটাই মোটাদাগে বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য কল্যাণকর মনে করি। তুলনামূলকভাবে এটাই বেটার অপশন।
‘রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার এবং ক্ষমতাকে কেন্দ্রীভূত করার পথ বন্ধ করতে চাইলে— গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। তবে পরবর্তীতে জুলাই সনদের নাম করে, কৌশলে মূল্যবোধবিরোধী কোনো আইন প্রণয়ন করতে চাইলে অবশ্যই এ দেশের আপামর ধর্মপ্রাণ জনগণ সেটাকে রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।’
মন্তব্য করুন








