কোরআন আল্লাহর কথা। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ কোরআন, এতে কোনো ভুল নেই। কোরআন তিলাওয়াত করা আল্লাহর সঙ্গে কথোপকথন করার মতোই। কোরআনে আছে, ‘দয়াময় আল্লাহ কোরআন শেখানোর জন্য মানুষ সৃষ্টি করলেন, তাকে ভাব প্রকাশ শেখালেন।’ (সুরা রহমান, আয়াত : ১-৪)
কোরআন তিলাওয়াত করলে সওয়াব হয়। পৃথিবীতে অন্য কোনো বই পড়লে সওয়াব হয় না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে কোরআনের একটি হরফ পড়বে, সে একটি সওয়াব পাবে। একটি সওয়াব দশ সওয়াব সমতুল্য। তিনি বলেন, আমি বলছি না যে, আলিফ লাম মিম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মিম একটি হরফ।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৯১)
অর্থ না বুঝলেও মুমিন নারী-পুরুষের জন্য কোরআন পড়া জায়েজ। তবে অর্থ বোঝার জন্য চিন্তাভাবনা ও চেষ্টা করা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এ ক্ষেত্রে তাফসিরগ্রন্থের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। কোরআন পড়তে গিয়ে কোনো প্রশ্ন মনে উদ্রেক হলে বিশেষজ্ঞ আলেমদের কাছে জানতে হবে। কোরআন অনুধাবনের চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এক পবিত্র কিতাব, এটা আমরা আপনার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, যাতে মানুষ এর আয়াতসমূহে গভীরভাবে চিন্তা করে। যাতে বোধশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিরা উপদেশ গ্রহণ করে।’ (সুরা সোয়াদ, আয়াত : ২৯)
মুমিন গুরুত্ব দিয়ে কোরআন পড়বে। কোরআনের অর্থ নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে। অর্থ বোঝার চেষ্টা করবে। আল্লাহ বলেন, ‘তবে কি তারা কোরআন নিয়ে গভীর চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তরসমূহে তালা রয়েছে?’ (সুরা মুহাম্মাদ, আয়াত : ২৪)
আল্লাহ আমাদেরকে তার বাণী বুঝে ও চিন্তাভাবনা করে পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধ করেছেন। তাই মুমিন নারী-পুরুষের জন্য আল্লাহর কিতাব চিন্তাভাবনাসহ বুঝে ও গুরুত্বসহকারে পড়া জরুরি। যাতে সে আল্লাহর কালাম থেকে উপকৃত হতে পারে। কথাগুলো বুঝতে পারে। সে অনুযায়ী আমল করতে পারে।
মন্তব্য করুন








