ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারে আগুন: যে কারণে প্রশংসায় ভাসছেন অটোচালক আমির হামজা!
কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের হতভাগ্য ৬ জন যারা
কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, ৫ পর্যটকের মৃত্যু
কক্সবাজারে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, ৫ পর্যটকের মৃত্যু
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ আগুনের ঘটনায় ৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত পাঁচজন নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে রিসোর্টের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয় সংবাদকর্মী শামিমুল ইসলাম ফয়সাল জানান, ভোরে হঠাৎ রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে সকাল ১০টা পর্যন্ত সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও অন্তত পাঁচজন নিখোঁজ থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিমন ঘোস জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়। এখন পর্যন্ত সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও কেউ নিখোঁজ রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তাজমিন হত্যাকাণ্ড: প্রেমিক রাজুর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা
কক্সবাজারে ঘুরতে এসে রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে কিশোরীর মৃত্যু
কুতুবদিয়ায় ভূমি অফিসের প্রতিবেদন নিয়ে বিতর্ক, ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
বাড়ি ফেরার পথে তুলে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা, ৪ ঘণ্টা পর মিলল ছাত্রদল নেতার মরদেহ
টেকনাফে জি-৩ রাইফেলসহ অস্ত্র-গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক জব্দ, আটক ৩

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে দুটি জি-৩ রাইফেল, দেশীয় অস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, বিস্ফোরক ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় অস্ত্র ও সরঞ্জাম পরিবহনের অভিযোগে তিন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। বিজিবি জানায়, জব্দ করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে দুটি জি-৩ রাইফেল, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৪২ রাউন্ড গুলি, চার কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, তিনটি টেজার, ছয়টি ওয়াকিটকি সেট ও একটি ম্যাগাজিন। এ ছাড়া অস্ত্র পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইকও জব্দ করা হয়েছে। বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে, লেদা বাজার এলাকা দিয়ে অস্ত্রের একটি চালান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থানরত একটি অপরাধী চক্রের কাছে হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় একটি আভিযানিক দল লেদা বাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সন্দেহজনক একটি ইজিবাইক থামিয়ে মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় একটি বস্তার ভেতর ধাতব পদার্থের উপস্থিতি শনাক্ত হলে ইজিবাইকসহ তিনজনকে লেদা বিওপিতে নিয়ে বিস্তারিত তল্লাশি করা হয়। সেখানে আলুর বস্তার ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় অস্ত্র, গুলি, বিস্ফোরক ও অন্যান্য সরঞ্জামগুলো পাওয়া যায়। আটক তিনজন হলেন—মো. উসমান বেলাল, পিতা রুবালি, ১ নম্বর কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্প; মো. মুসলিম, পিতা ফয়েজ আহমদ, ২৬ নম্বর মোচনি এফডিএমএন ক্যাম্প এবং মো. আনসার আলী, পিতা ইউনুস, ১ নম্বর কুতুপালং এফডিএমএন ক্যাম্পের বাসিন্দা। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্যের চোরাচালানসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক ও তৎপর রয়েছে। অবৈধ অস্ত্রের চালান প্রতিহত এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি, নিয়মিত টহল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুতুবদিয়ায় মাছ ধরতে গিয়ে খালে বৃদ্ধের মৃত্যু

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় খালে জাল দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে এক বৃদ্ধ মারা গেছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।  স্থানীয় বাসিন্দা জেএন কাজল ও আবু তাহের জানান, কৈয়ারবিল মলমচর গ্রামের মোজাফফর আহমদ (৬২) প্রকাশ বাঁশি শুক্রবার বিকাল ৫টার দিকে পাশের পিলটকাটা খালে মাছ ধরতে জাল বসায়। এক পর্যায়ে সে পানিতে তলীয়ে যায়। প্রায় দেড়ঘন্টা পর তাকে খাল থেকে মৃত উদ্ধার করা হয়।  ওই গ্রামের বাসিন্দা কৈয়ারবিল ইউপি' র ভারপ্রাপ্ত  চেয়ারম্যান শফিউল আলম বলেন, বৃদ্ধ মোজাফফর জাল নিয়ে খালে মাছ ধরতে গিয়ে ডুবে মারা গেছে। বিষয়টি থানায় জানানো হয়েছে।  থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মো. মাহবুবুল হক বলেন,প্রাথমিক তদন্তের পর ইউপি চেয়ারম্যানসহ আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

উখিয়া থানার অভিযানে ৩ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত অপরাধ দমন ও ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী পরিচালিত অভিযানের পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উখিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন জিআর সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টের আসামি। আদালতের রায় অনুযায়ী তার ৩ (তিন) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড রয়েছে। এছাড়া পূর্বের একটি মামলায় একজন এবং নিয়মিত একটি মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযান শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিনজনকেই আদালতে পাঠানো হয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি উখিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত এই অভিযান যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সন্ত্রাস দমন,মাদক, সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে থাকবেন। গ্রেপ্তারের বিবরণ - জিআর সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টের আসামি: ১ জন (৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড) - পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার: ১ জন - নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার: ১ জন - সর্বমোট গ্রেপ্তার: ৩ জন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছে, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমন ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উখিয়া থানার অভিযানে ৩ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত অপরাধ দমন ও ওয়ারেন্ট তামিল অভিযানে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী পরিচালিত অভিযানের পর তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উখিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন জিআর সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টের আসামি। আদালতের রায় অনুযায়ী তার ৩ (তিন) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড রয়েছে। এছাড়া পূর্বের একটি মামলায় একজন এবং নিয়মিত একটি মামলায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযান শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিনজনকেই আদালতে পাঠানো হয়। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি উখিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত এই অভিযান যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সন্ত্রাস দমন,মাদক, সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে থাকবেন। গ্রেপ্তারের বিবরণ - জিআর সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টের আসামি: ১ জন (৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড) - পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার: ১ জন - নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার: ১ জন - সর্বমোট গ্রেপ্তার: ৩ জন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছে, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আদালতের ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও অপরাধ দমন ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উখিয়ায় জিআর ওয়ারেন্টের আসামিসহ ৩ জন আদালতে

কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত উখিয়া উপজেলায় ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ  উখিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমন অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান এর নির্দেশে উখিয়া থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে একটি মামলার এক আসামিকে রিমান্ড শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে— - জিআর ওয়ারেন্টের আসামি: ২ জন - রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরণ: ১ জন সর্বমোট: ৩ জনকে গ্রেপ্তার ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।   ওসি আতিকুর রহমানের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার ফলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সহজ হবে এবং জননিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।

কুতুবদিয়ায় প্রথম পর্যায়ে ৬ কি:মি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে-প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, কক্সবাজারের দ্বীপ কুতুবদিয়ায় ধাপে ধাপে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে। মোট ৪০ কি: মি: মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৬ কি: মি: বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ খুব অল্প সময়ের মধ্যে শুরু হবে বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।  বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে বড়ঘোপ ও আলী আকবর ডেইল সংযোগ সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় বাঁধ পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় এসে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-২(কুতুবদিয়া-মহেশখালী) আসনের সাংসদ সদস্য  আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ,জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীসহ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল। এছাড়া, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, ওসি মাহবুবুর হকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।  এর আগে সকাল ৯ টায় বড়ঘোপ ঘাটে পৌঁছালে প্রশাসনসহ বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

নাফ নদী ও উপকূল রক্ষায় টেকনাফে পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি

কক্সবাজারের টেকনাফে সরকারি বিভিন্ন পানি উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। সোমবারের এ সফরে তিনি নাফ নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকা, উপকূলীয় সুরক্ষা বাঁধ এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তিনি প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সফরকালে মন্ত্রী স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে নাফ নদীর তীর সংরক্ষণ, বর্ষা মৌসুমে ভাঙনরোধ, উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বলেন, টেকনাফ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। নাফ নদীর ভাঙন, জোয়ারের প্রভাব এবং উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর পরিকল্পনা নিয়ে সরকার কাজ করছে। জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পরিদর্শনের সময় তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন, যাতে চলমান প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে এবং মান বজায় রেখে সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণের কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এ সফরকে ঘিরে টেকনাফে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সফরে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নাফ নদীর ভাঙন ও উপকূলীয় ঝুঁকি টেকনাফের দীর্ঘদিনের সমস্যা। তাই পানি সম্পদমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন ভবিষ্যৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং নদী তীর সংরক্ষণ কার্যক্রমে গতি আনতে সহায়ক হতে পারে।

আরও
X