ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
উখিয়া থানার অভিযানে ৩ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ
উখিয়া থানার অভিযানে ৩ আসামি গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ
উখিয়ায় জিআর ওয়ারেন্টের আসামিসহ ৩ জন আদালতে
উখিয়ায় জিআর ওয়ারেন্টের আসামিসহ ৩ জন আদালতে
কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত উখিয়া উপজেলায় ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং তারিখ  উখিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমন অভিযানে জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত দুই আসামিসহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান এর নির্দেশে উখিয়া থানা পুলিশের পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে একটি মামলার এক আসামিকে রিমান্ড শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে— - জিআর ওয়ারেন্টের আসামি: ২ জন - রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরণ: ১ জন সর্বমোট: ৩ জনকে গ্রেপ্তার ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।   ওসি আতিকুর রহমানের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনার ফলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সহজ হবে এবং জননিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
নাফ নদী ও উপকূল রক্ষায় টেকনাফে পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি
উখিয়ায় পুলিশের অভিযানে দুইজন গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ
উখিয়ায় বিভিন্ন মামলায় ৭ আসামি গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ
উখিয়ায় পাচারকারীদের ফেলে যাওয়া এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার
উখিয়ায় একদিনে ১০ আসামি গ্রেফতার, আদালতে সোপর্দ

কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত উখিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে বিভিন্ন ধরনের মামলা ও ওয়ারেন্টে মোট ১০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অদ্য ০৯/০৯/২০২৬, তারিখ রোজ বুধবার উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান এর নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় উখিয়া উপজেলার অন্তর্গত বিভিন্ন জায়গায় রাতে ও দিনে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ওয়ারেন্ট মামলার আসামি সহ সর্বমোট ১০জনকে আটক করেছে উখিয়া থানা পুলিশ। থানা সূত্রে জানা যায়, অভিযানে জিআর (GR) ওয়ারেন্টভুক্ত ৪ জন, সিআর (CR) ওয়ারেন্টভুক্ত ২ জন এবং নিয়মিত মামলার ১ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া রিমান্ড শেষে ১ জন আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অপরদিকে, জনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) ২৯০ ধারায় আরও ২ জনকে গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ১০ জন আসামিকে গ্রেফতারপূর্বক আদালতে সোপর্দ করেছে উখিয়া থানা পুলিশ। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আতিকুর রহমান জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেফতার এবং উখিয়া উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান প্রতিনিয়ত অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন উখিয়া উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে তুলনামূলক স্বাভাবিক রয়েছে ওসি আতিকুর রহমান সাহেব আসার পর থেকে এটা সম্ভব হয়েছে তার কৃতিত্বের জন্য তিনি বিভাগীয় ডিআইজি থেকে পুরুস্কৃত হয়েছেন।

উখিয়া পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টসহ বিভিন্ন মামলার ১২ আসামি গ্রেফতার

কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত উখিয়া উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ও বিভিন্ন মামলার মোট ১২ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে উখিয়া থানা পুলিশ। শনিবার উখিয়া থানার উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিন-রাতব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির পাশাপাশি মাদক, মারামারি ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলার অভিযুক্তরাও রয়েছেন। উখিয়া থানা সূত্র জানায়, পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে থানা পুলিশের একাধিক টিম অংশ নেয় এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে একে একে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ও মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাহউদ্দিন আহমেদ জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নের জন্য যখন থেকে উদ্যোগ নিয়েছেন তখন থেকেই বাংলাদেশ পুলিশ তা গুরুত্ব সহকারে আমাদের নির্দেশ প্রদান করেন এবং আমরা অনবরত মাদক নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্ৰহন করে আসছি এবং বিভিন্ন অভিযানে সফল হওয়ায় তিন স্তরে বিভাগীয় সেরা ওসির পুরস্কার ও পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওসি আতিকুর রহমান। উখিয়া থানার পক্ষ থেকে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, অপরাধ দমন, ওয়ারেন্ট তামিল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উখিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৭

কক্সবাজারের উখিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন ওয়ারেন্ট ও নিয়মিত মামলার মোট ৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উখিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী ও রাতব্যাপী পরিচালিত বিশেষ অভিযানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন, পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনা এবং উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিনের ন্যায় আজকেও অভিযানের সময় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের কক্সবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান। উখিয়া উপজেলার বিশিষ্টজনদের মতে সমগ্র বাংলাদেশে উখিয়া উপজেলা ও টেকনাফ উপজেলা হচ্ছে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা বর্তমানে একদিকে ১৭/১৮, লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী, অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমারের অভ্যন্তরীণ যুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অবাধে সীমান্ত ক্রস করে এদেশের ভূমিতে ঢুকে পড়া এ যেন নিত্যদিনের ঘটনা এমতাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা খুবই কঠিন ব্যাপার, তবুও এই মুহূর্তে উখিয়ার পরিস্থিতি তুলনামূলক ভাবে স্বাভাবিক রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্টজনরা। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত মকর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান সাংবাদিকদের জানান অপরাধী যেই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে ।

উখিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযান: ওয়ারেন্ট মামলার ৫ আসামি গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের উখিয়া থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। উখিয়া থানা সূত্রে জানা যায়, আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা তামিলের লক্ষ্যে থানা পুলিশের একাধিক টিম একযোগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা বিভিন্ন মামলার পাঁচজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে  ২ জন জিআর ওয়ারেন্ট মামলার আসামি  ১ জন সিআর ওয়ারেন্ট মামলার আসামি  ১ জন নিয়মিত মামলার আসামি  ১ জন পূর্বের মামলার আসামিকে গ্ৰেফতার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কক্সবাজারের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উখিয়া থানা পুলিশ। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান জানান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং আদালতের পরোয়ানা বাস্তবায়নে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উখিয়া সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ৬ লাখ ৭২ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর বিশেষ অভিযানে ৬লাখ ৭২হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।   গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাত আনুঃ সোয়া ৯ টার দিকে বিজিবির উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)’র অধীনস্থ বালুখালী ও পালংখালী বিওপির বিশেষ টহলদল যৌথভাবে আঞ্জুমানপাড়া ও ফাইসাখালী এলাকায় অবস্থান নেয়। আনুমানিক সাড়ে ৯টায় থার্মাল ইমেজারের মাধ্যমে বিজিবি টহলদল ৭-৮ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে।   এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের হাতে থাকা ৫টি বস্তা ফেলে দ্রুত পার্শ্ববর্তী গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। পরে বিজিবি টহলদল ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া ৫টি বস্তার ভেতর থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটে সর্বমোট ৬লাখ ৭২হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের আটক করতে বিজিবি সদস্যরা ওই এলাকায় অধিকতর অভিযান পরিচালনা করলেও তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।   এ ব্যাপারে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবার সঙ্গে জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে।

আরও
X