ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবসের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
নোয়াখালীতে জামায়াত সমর্থিত ব্যবসায়ীকে দোকানের ভেতর প্রকাশ্যে গুলি
সাবেক স্পিকার আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
সাবেক স্পিকার আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)।  এ উপলক্ষে তাঁর জন্মস্থান নোয়াখালীতে দোয়া মাহফিল, পবিত্র কোরআন খতম, কবর জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কাঙালি ভোজসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। আব্দুল মালেক উকিলের ভ্রাতুষ্পুত্র অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিন জানান, এ উপলক্ষে শনিবার সকালে নোয়াখালী জেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত আব্দুল মালেক উকিলের কবরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হবে। পরে তাঁর পরিবারের উদ্যোগে বাদ জোহর জেলা মডেল মসজিদে পবিত্র কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।  এ ছাড়া নোয়াখালী সদর উপজেলার বাঁধেরহাট আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রি/অনার্স কলেজ, নোয়াখালী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করবে। আব্দুল মালেক উকিল ১৯২৪ সালের ১ অক্টোবর নোয়াখালীর তৎকালীন সুধারাম থানার রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিল ১৯৮৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 
নোয়খালীতে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের অগ্রগতি নিয়ে মতবিনিময় সভা
নোয়খালীতে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
নোয়াখালীতে পল্লী উদ্যোক্তা নারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
বিয়ের মাস না পেরোতেই নববধূ উধাও, স্ত্রীকে ফেরত পেতে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলন
নোয়াখালীতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ভুক্তভোগী নারীদের মানববন্ধন 

নোয়াখালীতে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও কিশোরচক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছেন একদল নারী। সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের দরবেশপুর গ্রাম থেকে আসা ভুক্তভোগী নারীরা এ মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা অভিযোগ করেন, গত কয়েকদিন থেকে অস্ত্রধারী কিছু বহিরাগত কিশোর-যুবক দরবেশপুর গ্রামে সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না পেলে বাড়িঘরে হামলা এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করছে তারা। এসব অন্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ভয়ে সন্ধ্যার পর নারীরা ঘরে থেকে বের হতে পারছে না। সবশেষ রবিবার রাতে বরিাগত সন্ত্রাসীরা কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ৫ জনকে আহত করে। এ সময় সন্ত্রাসীদের ভয়ে কয়েকজ স্থানীয় সামছুন আর রশিদ জামে মসজিদের ভেতরে আশ্রয় নিয়েও রক্ষা পায়নি। সন্ত্রাসী মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, দাবিকৃত চাঁদা না পেলে পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের হলে হামলার হুমকি দিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় ভুক্তভোগী নারীরা অন্ত্রধারী সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার এবং এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারির দাবি জানান। পরে মানববন্ধনকারীদের কয়েজন জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে তাদের দাবি তুলে ধরেন। এ সময় পুলিশ সুপার এনএম নাসিরুদ্দিন ভুক্তভোগী নারীদের অভয় দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও কিশোরচক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ সব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের কেউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে আশ্বাস দেন তিনি।

রাতের আধারে দেওয়া হয় বিষ, খামারির ৫ লাখ টাকার মাছ নিমিশে শেষ

নোয়াখালী হাতিয়ায় রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে মেরে পেলা খামারির মাছ। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকার মাছ নিমিষে শেষ হয়ে যায়। সোমবার সকালে উপজেলার জাহাজমারা সেনটারবাজার সংলগ্ন বিরবিরি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।   স্থানীয়রা জানান, ধানিয়া মৎস্য খামার নামে এই খামারটি ভাড়া নিয়ে মাছের চাষ করে আসছে মহব্বত হোসেন নামে এই খামারি। প্রতিদিনের মতো সকালে সে খামারে এসে দেখেন পুকুরে থাকা সকল মাছ মরে ভেসে উঠছে। পরে পুকুরের কাছে গিয়ে নিশ্চিত হন পুকুরে বিষ দেওয়া হয়েছে। তার চিৎকারের আশে পাশের লোকজন এসে জাল টেনে পুকুরে থাকা সকল মাছ তুলে পেলেন। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। রাতেই বিষ দেওয়ায় সকাল পর্যন্ত সব গুলো মাছ মরে গিয়ে পছন ধরে গেছে। স্থানীয় প্রবাসী নুর হোসেন জানান, মহব্বত দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল। দুই বছর আগে বিদেশ থেকে এসে এই খামারটি ভাড়া নিয়ে মাছের চাষ শুরু করে।  কয়েকটি এনজিও থেকে মোটা অংকের ঋন নিয়ে এই কাজ শুরু করেন তিনি। এখন তার সবই শেষ হয়ে গেলো।   খামারের মালিক পূর্ব বিরবিরি গ্রামের বাসিন্ধা মহব্বহ হোসেন জানান, নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা চলছে। বেশি দামে বিক্রি করার জন্য অন্যান্য পুকুর থেকে এসব মাছ এনে একটিতে রাখেন। আজ সকালে এসব মাছ ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু রাতের আধারে পুকুরে বিষ দিয়ে সব মাছ মেরে পেলা হয়েছে।   তিনি আরো জানান, তার পুকুরে প্রায় ২০-২২ মন তেলাপিয়া মাছ ছিল। মোটামুটি এসব মাছ বর্তমান বাজার মূল্যে ৫ লাখ টাকায় বিক্রি করা যেতো। তাতে তার খরচ পুশিয়ে ভালো লাভ হতো। এখন সবই শেষ। বিষয়টি তিনি থানায় লেখিত ভাবে অভিযোগ করবেন বলে জানান। এই বিষয়ে সেন্টার বাজার বনিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি খুবই মর্মন্তিক। সকালে সংবাদ পেয়ে সবাই গিয়ে দেখে এসেছে। খামারি মহব্বত একেবারে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে। আইনগত ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।  

সবুজ চাটখিল গড়ার অঙ্গীকার: চারা পেল ৫০০ শিক্ষার্থী-অভিভাবক

পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার বার্তা নিয়ে নোয়াখালীর চাটখিলে অনুষ্ঠিত হলো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। শুক্রবার  বদলকোট ইউনিয়নের মেগা বাজারে ৫০০ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফলজ গাছের চারা। অনুষ্ঠানে সমাজ সেবক ইসমাইল হোসেন শাকিলের সভাপতিত্বে ও বিল্লাল হোসেন রনির পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি ওসমান গনি। বক্তব্য রাখেন স্থানীয় প্রতিনিধি জাকির হোসেন, গোলাম রব্বানী শিমুল, তানভীর হোসেন, ইমতিয়াজ শিশির, আব্দুল্লা রাহিম ও সাকিব। সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফলজ গাছ রোপণ যেমন পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে, তেমনই পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনে। বিতরণকৃত প্রতিটি চারা পরম যত্নে বড় করে তোলার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। এমন সবুজ উদ্যোগে দারুণ উচ্ছ্বসিত চারা গ্রহণকারীরা। তারা নিজ নিজ বাড়ির আঙিনায় গাছগুলো রোপণ ও সঠিক পরিচর্যার প্রত্যয় জানান।

সুবর্ণচরে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও গাছের চারা বিতরণ করেন ফজলুল হক ফাউন্ডেশন। আজ শনিবার (১০ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে এ কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি ও গাছের চারা বিতরণ করা হয়।  ফজলুল হক ফাউন্ডেশন জানায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১০৯ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।   বৃত্তি প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলফিকার আলী এর সঞ্চালনায় সৈকত সরকারি কলেজ এর সাবেক অধ্যক্ষ মোনায়েম খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান।  অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সাগরিকার সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম সুমন, সৈকত সরকারি কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক মীজানুর রহমান, চরবাটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মো. শামসুজ্জামান নিজাম, চরবাটা খাসেরহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক অসীম কুমার দাস, সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার মাইক্রোফাইন্যান্স পরিচালক শামসুল আলম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।   

সুবর্ণচরে কৃষিজমিতে ইটভাটা, গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন; মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা

সুবর্ণচরে কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপন ও কৃষিজমি থেকে ইট তৈরির জন্য মাটি কাটার অপরাধে এ,কে,বি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন একই সাথে মালিককে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।  বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার চরজব্বর ইউনিয়নের চর পানাউল্লাহ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে একেবি ব্রিকস ফিল্ডের মালিক মো. আকবর হোসেনকে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইনে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।  অভিযানকালে কৃষিজমি থেকে ইটের কাঁচামাল প্রস্তুতের জন্য মাটি কাটার পাশাপাশি কৃষিজমি এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্দেশে স্থাপিত ব্রিকস ফিল্ডটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রট ও সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আকিব ওসমান বলেন, কৃষিজমি রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে অবৈধভাবে কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা ও কৃষিজমিতে ইটভাটা স্থাপনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। কেউ আইন অমান্য করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, কৃষিজমি যাতে ইটভাটার কাঁচামাল সংগ্রহ বা ভাটা স্থাপনের কাজে ব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ছেনমং রাখাইনের নেতৃত্বে এবং উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে অভিযানটি পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে পরিবেশ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক রায়হান মোর্শেদ, চরজব্বর থানা পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ওসিভিল ডিফেন্স, প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মাছধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা মধ্য রাত থেকে

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা বুধবার রাত ১২ টার পর থেকে। শেষ দিনে নদীতে ও সাগরে ব্যাস্ত সময় পার করছে জেলেরা। অনেকে তীরে আড়ৎদারদের সাথে করছেন হিসাব নিকাশ। ২২ দিন সম্পূর্ণ মাছধরা বন্ধ রাখতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেলে ব্যবসায়ী ও ঘাট শ্রমিক ও সহ দ্বীপের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ।  সরকার প্রতিবছরের ন্যায় এবারও মা ইলিশ রক্ষায় মাছ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ৮ অক্টাবর থেকে ২৯ অক্টোবর থকে পর্যন্ত তা কার্যকর হবে। এসময় নদীতে কিংবা সমুদ্রে সকল ধরনরে মাছ ধরা ও মজুত করা সম্পূর্ণ নিষেধ। এসময় নদীতে মৎস্য অফিস ও আইন শৃংখলা বাহিনীর একাধিক টিম অভিযান করবে।  হাতিয়াতে ছোট বড় প্রায় ২০ টি ঘাটে ১০ হাজার জেলে নৌকা রয়েছে। তাতে প্রায় একলাখ লোক জেলে পেশার সাথে জড়িত। ৭ অক্টোবর বুধবার রাত ১২ টার পর থেকে সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। শেষ দিন হাতিয়ার চার পাশে মেঘনা নদীতে জেলেদের মাছধরায় ব্যাস্ত থাকতে দেখা যায়।  বুধবার সকালে উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে স্পীডবোটে আসতে নদীতে কথা হয় কয়েকটি জেলে নৌকার মাঝি মাল্লাদেও সাথে। তাদের একজন নবীর উদ্দিন (৪০)। সে সূখচর ইউনিয়নের বাসিন্ধা।  নবীর জানায়, তার নৌকায় ৮ জন কাজ করে। এবছর মৌসুমের প্রথম থেকে নদীতে মাছ শিকার করে লাভের মূখ দেখেন নি। গত দুই সপ্তাহ ধরে ভালো মাছ ধরা পড়ছে। এখন সরকার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। কালকে থেকে বেকার থাকতে হবে। আগের দেনাও পরিষোধ করা হয়নি। তাতে এই বছর সম্পূর্ন পেটে ভাতে থাকেতে হচ্ছে।  নবীর মাঝির পাশে নদীতে জাল পেলে অপেক্ষা করতে দেখা যায় আব্দুল মাঝিকে। আলাপ কালে আব্দুল মাঝি জানান, নদীতে মাছ না থাকায় মৌসুমের প্রথম থেকে নদীতে নামেন নি। গত দুই সপ্তাহ আগে নেমেছেন। ১০ জন মাঝি মাল্লার মধ্যে ৫ জন বেতন করা। তাদের বেতন দিয়ে এখনো লাভের মূখ দেখেন নি। এখন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। আইন মেনে তীরে অবস্থান করবেন। বর্ষা মৌসুম শেষ প্রায়। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে না এই জেলে। শেষদিন সকাল থেকে ব্যাস্ত থাকতে দেখা যায় নোয়াখালী দক্ষিনাঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের আড়ৎ চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ীদের। সাদিয়া ফিস এজেন্সীর মালিক মো: ছালা উদ্দিনকে দেখাযায় কর্মচারিদের নিয়ে হিসাব নিকাশ করতে। ছালা উদ্দিন জানান, নিষেধাজ্ঞা মৌসুমের শেষ সময়ে দেওয়া হয়েছে। এজন্য নিষেধাজ্ঞার পরে ব্যবসা চালু না করার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই বছরের হিসাব সম্পূর্ন শেষ করে নিচ্ছেন। ছালা উদ্দিন আরো জানান, তার আড়তে বিভিন্ন জেলোর নৌকা মাছ বিক্রি করে। তাদের সবাই নিজ নিজ জেলায় চলে যাবেন। এজন্য সবার হিসাব দিয়ে দিচ্ছেন। আগামীকাল থেকে আড়ৎ বন্ধ থাকবে। ২২ দিনে জন্য কর্মচারিদেও সবাইকে ছুঠি দিয়ে দিবেন বলে জানান তিনি।  হাতিয়া সূর্যমূখী মাছ ঘাটের মৎস্যজিবী সমিতির সভাপতি জবিয়ল হক জানান, হাতিয়াতে ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় দুই লাখ মানুষ মাছ ধরা ও ব্যবসার সাথে জড়িত। এদেও মধ্যে ২৪ হাজার জেলে নিবন্ধীত। সরকার প্রতিবছর নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধীত জেলেদের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট পরিমান চাল বিতরণ কওে থাকেন। যা সংখ্যা অনুপাতে অনেক কম।  হাতিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান বলেন, এই বছর নিষেধাজ্ঞার সময় ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এসময় জেলেরা নদীতে নামতে পারবে না। সরকার এই ব্যাপারে খুবই কঠোর। অসাধু জেলেদেও আইনের আওতায় আনতে মোবাইল টিম সহ একাধিক আইন শৃংখলা বাহিনী মাঠে কাজ করবে। প্রতিদিন দুইটি টিম হাতিয়ার চার পাশে মেঘনা নদীতে পাহারায় থাকবে। 

চাটখিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাবেক মেয়রের উদ্যোগে র‍্যালি

দেশজুড়ে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ নেওয়ায় সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে নোয়াখালীর চাটখিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যাপক সচেতনতামূলক র‍্যালি, মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান। বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাটখিল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক মোস্তফা কামালের সরাসরি নেতৃত্বে পৌরজুড়ে এই বিশেষ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অভিযানকালে সাবেক মেয়র নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, হাসপাতাল ও ব্যস্ততম বাজার এলাকায় জনসাধারণের মাঝে সচেতনতামূলক হ্যান্ডবিল বিতরণ করেন। একইসাথে ফগিং মেশিনের সাহায্যে মশা নিধনে ওষুধ স্প্রে করা হয় এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে সবাইকে নিজ নিজ ঘরবাড়ি ও আঙিনা পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানানো হয়। জনসংযোগে সাবেক মেয়র মোস্তফা কামাল বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমরা রাজপথে নেমেছি। 'সবার আগে বাংলাদেশ, পরিবেশ সচেতন করব দেশ'—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে চাটখিল পৌরবাসীকে ডেঙ্গুমুক্ত না করা পর্যন্ত আমাদের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে। অভিযানে চাটখিল পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর পাশাপাশি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ উৎসাহের সাথে অংশগ্রহণ করেন।  

আরও
X