ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিএনপির ৪১ সদস্যের মণ্ডপ পরিদর্শন কমিটি
মুকসুদপুরে সড়ক উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে তৎপর ইউএনও
মুকসুদপুরে ব্যবসা ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তুলে ধরল ইউনিটি গ্রুপ
মশিউর অর্ণব
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ব্যবসা সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনুসন্ধান এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে ‘বিজনেস অপরচুনিটি: এক্সপ্লোর মুকসুদপুর’ শীর্ষক বিশেষ সম্মেলন ও আলোচনা সভা করেছে ইউনিটি গ্রুপ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মুকসুদপুরের এভারগ্রীন হাইওয়ে ইন-এ আয়োজিত এ সম্মেলনে গ্রুপটির চলমান ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক উদ্যোগ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বিভিন্ন খাতে নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ‘মেক ইউনিটি ভিশন-২০৩০’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল হাসান সুমন। সূচনা বক্তব্য ও বিশেষ আলোচনা করেন গ্রুপটির করপোরেট ডিভিশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. হাফিজুর রহমান চাতক। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ইউনিটি ট্যুরিজম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিটি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ কো-অর্ডিনেটর মো. হুমায়ুন কবির। সম্মেলনে ইউনিটি গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে ভূমি উন্নয়ন, আবাসন, প্রপার্টি সলিউশন, পর্যটন ও কৃষি খাতে নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ এবং সম্ভাবনাময় উদ্যোগের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নাজমুল হাসান সুমন বলেন, “ইউনিটি গ্রুপ সবসময় পারস্পরিক আস্থা, অংশীদারিত্ব ও টেকসই ব্যবসায়িক ভবিষ্যতের ওপর বিশ্বাস করে। মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জ অঞ্চলে ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা ও যৌথ অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতেই আমাদের এই আয়োজন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে বদ্ধপরিকর।” তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবসার নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ইউনিটি গ্রুপের অন্যান্য পরিচালক ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় শিক্ষক, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক, উদীয়মান উদ্যোক্তা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি এবং গ্রুপটির সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনা সভা শেষে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মুক্ত মতবিনিময় করা হয়। এ সময় ব্যবসায়িক সম্ভাবনা, বিনিয়োগের ক্ষেত্র এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিজেদের মতামত ও ভাবনা তুলে ধরেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
টুঙ্গিপাড়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা
টুঙ্গিপাড়ায় EARN প্রকল্পে প্রশিক্ষণ পাবেন ২২৪০ যুবক-যুব নারী
মুকসুদপুরে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত
মুকসুদপুরে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত
কাশিয়ানীতে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত 

"ঘর থেকে শুরু করি,"দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়ি" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা ও দুর্যোগ বিষয়ক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।  উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ শাহিন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার পাপিয়া সুলতানা লিজা , উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম বরকত, ইন্সপেক্টর নাহিদ হাসান,উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ সেলিম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ মনোয়ার হোসেন, কাশিয়ানী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিজামুল আলম মোরাদ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শহীদুল আলম মুন্না, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফোরকান শরীফ টিটো, শিক্ষক খন্দকার নিজামুল হক, রিপোর্ট ফোরামের সভাপতি মোঃ ফারুক আহমেদ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোঃ আসিফ আহমেদ প্রমুখ।  

কাশিয়ানীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে (সংক্রান্ত)  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভা কক্ষে সোমবার ১২ অক্টোবর বিকাল সাড়ে তিনটায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।   উপজেলা সমাজসেবা অফিস আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের অবগতির জন্যে দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন, সহকারি কমিশনার ভূমি পাপিয়া সুলতানা লিজা,উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এ.বি.এম. সৌরভ রেজা শিহাব, উপজেলা বি.এন.পি’র সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা মোল্যা, সাধারন সম্পাদক শেখ মোঃ সেলিম, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ আমিনূল ইসলাম বরকত,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজা বেগম । ফ্যামিলি কার্ডে জরিপ ও ডাটা ব্যাজ তৈয়ারীতে সচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মুল বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এ.বি.এম. সৌরভ রেজা শিহাব।

টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ, শিক্ষার্থীদের দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান-এস এম জিলানী

বর্ণিল আয়োজন, ফুলেল শুভেচ্ছা আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে নতুন শিক্ষাবর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠান। নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যাশা আর উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কলেজে পদার্পণ করা নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা। এ সময় উচ্চশিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান তাঁরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় কলেজের একাডেমিক ভবনে এ নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সাইদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী। তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের কলেজ ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান এবং তাঁদের ভবিষ্যৎ জীবন ও শিক্ষাজীবন নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। বক্তব্যে প্রধান অতিথি এস এম জিলানী বলেন, কলেজ কেবল প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জনের স্থান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, চিন্তাশক্তি ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এখান থেকেই গড়ে ওঠে আগামী দিনের দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব। তাই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি শৃঙ্খলাবোধ, সততা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্যও তাঁদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাসজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নতুন সহপাঠী, নতুন শিক্ষাঙ্গন আর ভবিষ্যৎ গড়ার নানা স্বপ্ন নিয়ে দিনটি উপভোগ করেন নবীন শিক্ষার্থীরা। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নবীন শিক্ষার্থীরা জানান, কলেজজীবনের প্রথম দিনটি তাঁদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। নতুন পরিবেশে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি ভালো ফলাফল অর্জন এবং ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির সেবায় আত্মনিয়োগ করাই তাঁদের লক্ষ্য। নবীনদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠা কলেজ ক্যাম্পাস, অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় নতুন সম্ভাবনা, প্রত্যাশা ও আগামীর স্বপ্ন বুননের এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।

মুকসুদপুরে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় মুকসুদপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, মুকসুদপুর সার্কেলের প্রধান মো. নাফিসুর রহমান, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ল শাহিন মিয়া, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবিরুল ইসলাম, মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুস ছালাম খান এবং সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম রাজু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মুকসুদপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান শুভ। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে প্রথম পর্যায়ে ১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারের মধ্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রাকিবুল হাসান শুভ জানান, পর্যায়ক্রমে মুকসুদপুর উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত মোট ১৩৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারের মধ্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম শরীফ, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

মুকসুদপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মুকসুদপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর–কাশিয়ানী) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।’ বাংলাদেশ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সব ধর্মের মানুষের দেশ। এ দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সবাইকে সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রেখে দেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মুকসুদপুরে যেন সবাই নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি এ বছর উপজেলায় শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ, মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নাফিসুর রহমান, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া, মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবিরুল ইসলাম এবং মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন। সভাটি সঞ্চালনা করেন মুকসুদপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের সহকারী কর্মকর্তা মো. মাহাতাব উদ্দিন। এ সময় বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ জেলা দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মিহির কুমার বিশ্বাস, উজানী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা দিনেশ মন্ডল, কাশালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার বাড়ৈ, বাটিকামারী স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিশির মন্ডল, মুকসুদপুর সদর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক অখিল সাহা, সরকারি মুকসুদপুর সাবের মিয়া জসিমুদ্দীন (এসজে) মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল চন্দ্র মন্ডল ও সহকারী শিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ্র মন্ডল, বহুগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান পরিতোষ সরকার, উজানী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রানা ঠাকুর, দীপক কুমার বাকচী, প্রমথ রঞ্জন রায় এবং অরুণ কুমার বাড়ৈ। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মিজানুর রহমান লিপু, মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সোহরাব হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম শরীফ, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাশার টুল্টু বিশ্বাস, পশারগাতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মীর, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওবাইদুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মাহবুবুল হাসান এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান বিপ্লবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সভায় দুর্গাপূজা চলাকালে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

টুঙ্গিপাড়ায় দুই দিনব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের প্রশিক্ষণ

ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের প্রস্তুতি হিসেবে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদের বজ্রকণ্ঠ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ১০ ও ১১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ চলবে। এতে মোট ৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন। প্রথম দিনে ১৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হলো মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, সম্ভাব্য উপকারভোগীদের শনাক্তকরণ এবং ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রস্তুত করা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। সভাপতিত্ব করেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ দিদারুল আলম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম জিলানী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। প্রতিটি কার্ডের বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে হবে। এ কাজে কোনো ধরনের অবহেলা বা পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী জানান, দুই দিনের প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহের কাজ করবেন। পর্যায়ক্রমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির, যুবদলের সদস্যসচিব আমিনুর শেখ, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব জিহাদুল ইসলাম বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসেম্বরেই শুরু মুকসুদপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়ন কাজ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর পৌর এলাকায় দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও সড়কের বেহাল দশায় নাগরিক দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। এ অবস্থায় পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়নকাজ আগামী ডিসেম্বর মাসেই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মাহমুদ আশিক কবির। বাংলাদেশ বুলেটিনকে মুঠোফোন বার্তায় ইউএনও মাহমুদ আশিক কবির জানান, পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজ আগামী ডিসেম্বর থেকেই শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় সড়কগুলোর উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে গত ৪ আগস্ট ২০২৬ মঙ্গলবার পৌরসভার সদর বাজার, গোপীনাথপুরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন ইউএনও মাহমুদ আশিক কবির। এ সময় তৎকালীন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন এবং পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রকিবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে প্রশাসক সদর বাজারের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে কাজের গতি অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় টেংরাখোলা চৌরঙ্গী থেকে আটাডাঙা বাঁওড় পর্যন্ত খাল পুনঃখননের বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রশাসক জানান, খালটি পুনঃখননের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। খালটি পুনঃখনন করা হলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশন সহজ হবে এবং পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ফরিদমিয়া কমপ্লেক্স–উপজেলা পরিষদ–তেরাইসার মোড়–মিয়া বাড়ি মসজিদ হয়ে আটাডাঙা বাঁওড় সড়ক ব্যবহারকারী মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। পাশাপাশি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চালকদের নিয়মিত দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সড়কটির উন্নয়ন এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এ জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান করা হোক। পরিদর্শনের সময় গোপীনাথপুরসহ পৌরসভার যেসব ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে, সেসব এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়। পৌর প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নাগরিকদের জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৌর পরিবেশ নিশ্চিত করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আরও
X