ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ফকিরহাটে মূলঘর স্কুলে সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ে সভা
ফকিরহাটে অবৈধভাবে সার নেওয়ার সময় জব্দ, তিনজনের জরিমানা 
চিতলমারীতে অশ্বিনী সেবাশ্রমে কপিল সভাপতি সঞ্জীবন সাধারণ সম্পাদক
চিতলমারীতে অশ্বিনী সেবাশ্রমে কপিল সভাপতি সঞ্জীবন সাধারণ সম্পাদক
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার গঙ্গাচন্না গ্রামের শ্রী অশ্বিনী সেবাশ্রমের কার্যানির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলকে সভাপতি ও সঞ্জীবন গাইন সাধারণ সম্পাদক এবং শংকর ঢালীকে কোষদাক্ষ পদে নির্বাচিত করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে অশ্বিনী সেবাশ্রম চত্বরে শত শত মতুয়া ভক্তদের উপস্থিতিতে প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।  এ সময় সেবাশ্রমের কার্যক্রম আরো গতিশীল ও সার্বিক উন্নয়ন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক কর্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষে এ কর্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়।  মতুয়া প্রতিনিধিদের পূর্ণ সমর্থনে ও সর্বসম্মতিক্রমে কমিটিতে পুনরায় কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলকে সভাপতি, সঞ্জীবন গাইন কে সাধারণ সম্পাদক এবং শংকর ঢালীকে কোষাদাক্ষ পদে মনোনীত করা হয়। কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলকে পূনরায় সভাপতি নির্বাচিত করায় তিনি সকল ভক্তবৃন্দ ও এলাকাবাসিকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।
ফকিরহাটে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস পালন
মোরেলগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা 
ফকিরহাটে বসতঘর থেকে সাবেক ইউপি সদস্য’র মরদেহ উদ্ধার  
মোরেলগঞ্জে ব্রি ধান-১০৩ চাষে উৎসাহিত করতে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ
মোরেলগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ঘোষিত বিএনপির কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে নব্বইরশী বাসস্ট্যান্ড থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কাপুড়িয়াপট্টি চৌরাস্তা মোড়ে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হন। পৌর বিএনপির সভাপতি শিকদার ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক বাবুল এবং প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা সোমনাথ দে। বিশেষ বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ইয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন। ​অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপি নেতা ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মজিদ জব্বার, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মতিউর রহমান বাচ্চু, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বি. এম. রেজাউল করিম সোহাগ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সাবিনা ইয়াসমিন এবং উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. মজনু মোল্লা। সভাটি সঞ্চালনা করেন মোরেলগঞ্জ পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান পলাশ। ​সভায় বক্তারা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারকে অস্থিতিশীল করতে নিষিদ্ধঘোষিত স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ ও তার দোসররা পরিকল্পিত নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পায়তারা করছে। তাদের এই নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির দলীয় নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।

গত ৪ মাস ধরে যে রেলস্টেশনে ‘বিদ্যুৎ নেই’

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর খুলনা-মোংলা রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হলেও বাগেরহাটের কাটাখালী রেলস্টেশনে প্রায় চার মাস ধরে বিদ্যুৎ নেই। গত ৩০ মে স্টেশনের ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ার পর থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বিদ্যুৎ না থাকায় স্টেশনের অপেক্ষমাণ কক্ষের ফ্যানগুলো বন্ধ। একই সঙ্গে পানি তোলার মোটরও চালানো যাচ্ছে না। ফলে প্রচণ্ড গরমে ট্রেনের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। পাশাপাশি টয়লেটে পানির সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিন পর খুলনা-মোংলা রেলপথে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হওয়ায় এ রুটে যাত্রী চলাচল বেড়েছে। মোংলা থেকে বেনাপোল পর্যন্ত চলাচলকারী ট্রেনের যাত্রীরা কাটাখালী স্টেশনে ওঠানামা ও অপেক্ষা করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনে দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক যাত্রীসেবা। সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেশনের অপেক্ষমাণ কক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যান থাকলেও বিদ্যুৎ না থাকায় সেগুলো বন্ধ রয়েছে। প্রচণ্ড গরমে অনেক যাত্রীকে বাইরে বা খোলা জায়গায় বসে কিংবা দাঁড়িয়ে ট্রেনের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। বিদ্যুৎচালিত মোটর বন্ধ থাকায় নিয়মিত পানির ট্যাংকেও পানি তোলা সম্ভব হচ্ছে না। এতে টয়লেট ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন যাত্রীরা। স্টেশনে অপেক্ষমাণ নারী যাত্রী রুখসানা রহমান রূপা বলেন, বাচ্চা নিয়ে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্যান চলে না। প্রচণ্ড গরমে অনেক কষ্ট হয়। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি। আরেক যাত্রী শিউলি বেগম বলেন, ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে এসে গরমে বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। ফ্যান থাকলেও বিদ্যুৎ না থাকায় সেটি চালানো যায় না। বাথরুমেও পানির সমস্যা রয়েছে। যাত্রীদের দুর্ভোগ বিবেচনায় দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া প্রয়োজন। যাত্রী মামুন বিশ্বাস বলেন, এই রুটে এখন নিয়মিত ট্রেন চলছে এবং প্রতিদিন অনেক মানুষ যাতায়াত করছেন। কিন্তু স্টেশনে বিদ্যুৎ না থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ আসাদুজ্জামান বলেন, প্রায় চার মাস ধরে স্টেশনে বিদ্যুৎ নেই। ট্রেন চলাচল শুরুর পর যাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের মৌলিক সুবিধাগুলো দ্রুত নিশ্চিত করা দরকার। কাটাখালী রেলস্টেশনের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আলী বলেন, গত ৩০ মে স্টেশনের ট্রান্সফরমার চুরি যাওয়ার পর বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রাজশাহীতে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ পাওয়ার পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ট্রান্সফরমার চুরির পর থেকেই স্টেশনে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। ফ্যান চালানো যাচ্ছে না এবং টয়লেটে পানি তোলার মোটরও চালানো সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রেল কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বলেন, কাটাখালী রেলস্টেশনে তিনটি ট্রান্সফরমার ছিল। এর মধ্যে দুটি চুরি হয়ে যায়। একটি অবশিষ্ট থাকায় সেটি মেরামত করে স্থাপন করা হয়েছিল। তবে নতুন করে সংযোগ দেওয়ার জন্য রেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত আবেদন পাওয়া যায়নি।

গরুকে কামড়ে নদীতে নিয়ে যাচ্ছিল কুমির, অতঃপর...

বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার বগির বলেশ্বর নদীর তীর থেকে কুমির একটি গরুকে কামড়ে নদীতে নিয়ে যাওয়ার সময় জেলেদের প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়। আজ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের সময় শরণখোলা উপজেলার ৪নং সাউথখালি ইউনিয়নের বগীর বলেশ্বর নদীতে এ ঘটনা ঘটে।  জেলে ও স্থানীয়রা কুমিরটিকে নদী ও সুন্দরবনে পাঠানোর জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলেও কুমিরটি সরেনি। পরে জেলে ও স্থানীয়রা নদীতে নেমে মাছের ট্রলারে করে ধাওয়া দিলে কুমিরটি নদীর মধ্যে চলে যায়। ওই কুমিরটি ডালিম হাওলাদারের গরুকে কামড়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুমিরটি এখনো বগির নদীতে দেখা যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত বন বিভাগের কর্মকর্তাসহ কোন সদস্যকে দেখা যায়নি।  বগিতে বসবাসকারী প্রত্যক্ষদর্শী ফুয়াদ বলেন, এর আগেও কুমিরটি কিছুদিন আগে এসেছিল। তাড়িয়ে দেওয়া হলেও কুমিরটি এখনও এই নদীতে অবস্থান করছে।

ফকিরহাটে ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন অজ্ঞাত ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার 

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভৈরব নদী থেকে মস্তকবিহীন ভাসমান অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মরদেহের আনুমানিক বয়স হবে ৪০বছর। উপজেলা মানসা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।  পুলিশ জানান, রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে পথচারীরা ভৈরব নদীতে মস্তকবিহীন মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় দেখে পান। পরে থানা পুলিশকে খবর দেয়। ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মরদেহটি রূপসা এলাকা থেকে জোয়ারের পানিতে ভাসতে ভাসতে ফকিরহাট এলাকায় আসে। ভাসমান মরদেহের খবর পেয়ে আশ-পাশের এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ ভৈরব নদীর দু’পাড়ে ভিড় করে।  ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: রজিউল্লাহ খান বলেন, ভৈরব নদী থেকে মস্তশবিহিীন অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটি ৩/৪ দিন পূর্বের বলে ধারনা করছেন। শরীরে পচন ধরেছে। নৌ পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডিকে অবগত করা হয়েছে। তারা আসলে মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এছাড়াও প্রাথমিক সুরোতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়না তদন্তের জন্য বাগেহরহাট সদর হাসপাতালে পাঠনো হবে। 

চিতলমারীতে ৭ বছরের শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী মোল্লাহাটের কচুৃরিয়া গ্রাম থেকে  মুসলিমা নামের ৭ বছরের এক শিশুর বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৬ সেপ্টেন্বর) রাত ৯টার দিকে মোল্লাহট উপজেলার কোদালিয়া ইউনিয়নের চিতলমারী- মোল্লাহাট সীমান্তবর্তী কচুড়িয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি পানের বরজের পাশে পলিথিনে মোড়ানো বস্তাবন্দি অবস্থায় মুসলিমার মরাদেহ উদ্ধার করা হয়। মোলাল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহাদাত হোসেন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে । নিহত মুসলিমা মোল্লাহাট উপজেলার কচুড়িয়া গ্রামের ইসলাম শেখের  মেয়ে। শিশুটির লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা পানের বরজের মালিক জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যাক্তির বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল পাঁচটার পর থেকে মুসলিমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে শিশুটির পরিবার ও স্বজনরা আশেপাশে তাকে খোঁজাখুঁজি  শুরু করেন। রাত আটার দিকে কচুড়িয়া মধ্যপাড়া মো. জাহাঙ্গির শেখের পানের বরজের পাশে পলিথিন মোড়ানো কলাকাটা বস্তবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ দেখতে পায় তারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা শিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন তিন জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। এ হত্যাকাÐের কারণ ও জড়িত ব্যাক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে চিতলমারীতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজাকে সামনে রেখে বাগেরহাটের চিতলমারীতে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।  আগামী (১৬অক্টোবর ) থেকে মহাষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে শুরু হবে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। সনাতন ধর্মাবলন্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসবকে সামনে রেখে দরজায় কড়া নাড়ছে খুশির আমেজ। উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরে দেখা গেছে, মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। প্রতিমা কারিগরদের যেন দম ফেলার ফুসরত নেই। নিখুঁতভাবে দেবী প্রতিমা গড়ে তুলছেন শিল্পীরা। রাত জেগে কাজ করছেন। বেশীরভাগ মণ্ডপে প্রতিমার মাটির কাজ প্রায় শেষের পথে।  এরপর শুরু হবে রঙের প্রলেপ, প্রতিমার পোষাক পরাণো ও রূপসজ্জার কাজ। প্রতিমা তৈরিতে দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন এসকল প্রতিমা শিল্পীরা। কাদা-মাটি,খড় বাঁশ আর কাঠের নিপুণ ছোঁয়ায় গড়ে উঠেছে দেবী  দুর্গা ও তার সন্তান কার্তিক, গণেশ, লক্ষী ও সরস্বতী আবয়ব। উপজেলার  সন্তোষপুর গ্রামের প্রতিমা শিল্পী কানাই মজুমদার ও কৃষ্ণনগর  গ্রামের সাগর বিশ্বাস জানান, তারা আলাদা ভাবে ২১ টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ করেছেন।  এ বছর প্রতিমা তৈরির প্রয়জেনীয় উপকরণের দাম অনেক বেশী কিন্তু শিল্পীরা সে তুলনায় তাদের ন্যায্য পরিশ্রমিক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তবে মুজুরি না বড়লেও তাদের কাজের উৎসাহের কোন কমতি নেই। প্রতি বছরের মতো এবারও ভক্তদের মন জয় করতে প্রতিমায় নতুনত্বের ছোঁয়া দিতে তারা সর্বচ্চ শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। অনেক শিল্পী  বংশানুক্রমে এই পেশায় যুক্ত থেকে উৎসবের রং ছড়িয়ে দিচ্ছেন মণ্ডপে মণ্ডপে।  পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের চিতলমারী উপজেলা শাখার আহবায়ক (অব:) সহকারী অধ্যাপক জহর লাল সরকার জানান, এ বছর এ উপজেলায় ১৩৭ টি শারদীয় দুর্গোপূজা ও ১০ টি বাসন্তি পূজা অনুষ্ঠিত হবে। মণ্ডপ গুলিতে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হবে। উপজেলা প্রশাসন পুলিশ প্রশাসনসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আমাদের সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন।

চিতলমারীতে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ 

বাগেরহাটের চিতলমারীতে হাতি নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিষয়টি দ্রুত বন্ধের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।  পথচারী চাণক্য বাড়ৈ জানান, শনিবার ( ২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর তিনটার সময় তিনি বাগেরহাট পাটগাতী প্রধান সড়ক দিয়ে ইজি বাইকযোগে গোপালগঞ্জ যাচ্ছিলেন। এ সময়  উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের কাছে পৌঁছালে হাতি দিয়ে তাদের গাড়ি অবরোধ করা হয়। যাত্রীদের কাছে হাতির খাবারের জন্য টাকা চাওয়া হয়। যাত্রীরা দশ-বিশ টাকা দিলে হাতির মাউত সেটি নিতে রাজি না হয়ে অধিক টাকা দাবি করেন। এসময় সে হাতি দিয়ে লোকজনকে মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এ ব্যাপারে হাতির মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।  এ বিষয়ে চিতলমারী থানার ওসি মো. শহিদুর রহমান জানান, হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি করার কোন নিয়ম নেই। কেউ যদি এ জাতীয় কাজ করে থাকে তাহলে থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

আরও
X