ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা ধরে রাখতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ জরুরি: এমপি গোলাম রসুল
দখল ও ভাঙনে বিপর্যস্ত ভৈরব নদ, হুমকিতে শিল্পনগরী
মাশরুম চাষে সফল অভয়নগরের নিপা রানী
মাশরুম চাষে সফল অভয়নগরের নিপা রানী
সকল সামাজিক প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে রীতিমত তাক লাগিয়ে দিয়েছেন যশোরের অভয়নগর উপজেলার  সিদ্ধিপাশা ইউনিয়নের সিদ্ধিপাশা গ্রামের নিপা রানী দাস। তবে তার এই সফলতার পথ মসৃণ ছিল না। জীবিকার প্রয়োজনে মাগুরা ড্রিম মাশরুম সেন্টারে চাকরি করতেন তিনি। সেই চাকরিরত  অবস্থায় ২০১৫ সালে খুব অল্প পরিসরে পরীক্ষা মূলক ভাবে মাশরুম উৎপাদন শুরু করেন । এরপর ২০২২ সালে সিদ্ধিপাশায় বাবার আর্থিক সহযোগিতায় নিজে ল্যাব তৈরি করার পাশাপাশি ২টি কালচার হাউজ তৈরির মাধ্যমে শুরু হয় তার পথ চলা। সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে তার ২ টি শেডে মাশরুম চাষ হচ্ছে । সেখানে ওয়েস্টার মাশরুম, ঋষি মাসরুম ও মিল্কি মাশরুম চাষ হচ্ছে। মাশরুম চাষের জন্য প্রথমে একটি বড় পলিথিনের মধ্যে ধান গাছের খড়কে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে রাখা হয়। তারপর এর মধ্যে মাশরুম বীজ রাখার ২৫ দিন থেকে ১ মাসের মধ্যে পরিপক্ব মাশরুম পাওয়া যায়। পলিথিন ব্যাগের ছিদ্র দিয়ে বীজের  অঙ্কুরোদগম হয়ে ধবধবে সাদা বর্ণের মাশরুম বের হয়ে আসে। মাশরুমগুলো যখন পরিপক্ব হয়ে ওঠে তখন সেগুলো কেটে প্রক্রিয়াজাত করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। নিপার খামাররে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ কেজি মাশরুম উৎপাদিত হয়। যা বিক্রি করে মাসিক অন্তত ২৫-৩০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। এই আয় তাকে এনে দিয়েছে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। তার পুরো বাড়িই মাশরুম উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খামারে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও তিনি মাদার কালচার, মাসরুমের বীজ উৎপাদন ও বিক্রি করেন ।  কঠোর পরিশ্রম আর তীব্র ইচ্ছা শক্তির মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অভয়নগর উপজেলার একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসাবে । মাশরুম চাষ ও উৎপাদনের পাশাপাশি এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকেন তিনি। অনেকে মনে করেন,  নিপা মাশরুম চাষে এখন অভয়নগরের আদর্শ মডেল চাষী। এখন তিনি একজন সফল পরিবার প্রধান। পুরো সংসার তার আয়ের উপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিতা নিপার রয়েছে অত্যন্ত মেধাবী এক ছেলে ও এক মেয়ে ।  পরিবারের সদস্যদের বিশেষ করে তার মায়ের সহযোগিতা পান সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও তার রয়েছে ২ জন নারী সহযোগী।  নিপা বলেন, আমার স্বপ্ন মাশরুম নিয়ে সাধারণ মানুষদের সাথে কাজ করে আমার মতো আরও নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা।  অভয়নগর  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন বলেন, নিপার এই সাফল্য এলাকার অন্যান্য বেকার নারী ও যুবকদের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা। অন্যদিকে স্বল্প খরচে সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় মাশরুম চাষ অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। আমারা তাকে উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাসহ প্রদর্শনীতে অংশ গ্রহণের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। তার ব্যবসার পরিধি বড় করার জন্য ঋণ গ্রহণেও সাহায্য করেছি। ভবিষ্যতে তাকে আরও আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে । 
অভয়নগরে  মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
অভয়নগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত 
অভয়নগরে গ্যাস সিলিন্ডারের মারাত্মক সংকট
অভয়নগরের ভৈরব নদে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার 
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশে জায়গা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ

গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা যশোরের নওয়াপাড়াতে অবস্থিত  অভয়নগর  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।  এই  উপজেলার রোগী ছাড়াও পাশ্ববর্তী উপজেলার রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন এখানে। ফলে প্রতিদিনই রোগী বহনকারী যানবাহনের চাপ লেগেই থাকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীর ঘেষে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলছেন স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি। এর ফলে সড়কে চলা যানবাহনের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগী ও তাদের স্বজনেরা। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীরের মাঝের সরকারি জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে  চায়ের দোকান সহ বেশ কিছু স্থাপনা। দখলকৃত সে সব দোকানে কেউ কেউ নিজে ব্যবসা করছেন, আবার কেউ অন্যের কাছে ভাড়া দিয়ে টাকা আদায় করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাবসায়ী বলেন, আমি তো এখানে কোন জায়গা দখল করিনি, নিয়মিত মাসিক ভাড়া দিয়ে এখানে ব্যবসা করছি।  দীর্ঘদিন ধরে এই সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও তা  উচ্ছেদের তৎপরতা নেই প্রশাসনের। প্রায়শই দোকানে বসে থাকা বখাটেদের ইভটিজিং এর শিকার হতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা নারীদের। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি এক রোগীর আত্মীয় রহিমা বলেন, রোগীর জন্য ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী আনতে আমার দিন বা রাতের যে কোন সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানার বাইরে যেতে হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীর ঘেষা  দোকানে প্রায়ই বসে বখাটেদের আড্ডা । সেই জন্য হাসপাতালে সীমানা থেকে বের হবার পরে আমি নিরাপত্তাহীনতায় থাকি।  স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ দখলের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশ পথ ও সংকুচিত হয়ে গেছে। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রশাসন  সম্পূর্ণ উদাসীন।  অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুন রাজীব বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানার বাইরে হওয়ার জন্য আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারছিনা। এ জন্য আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি। 

অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের জায়গা দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ

গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা যশোরের নওয়াপাড়াতে অবস্থিত  অভয়নগর  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।  এই  উপজেলার রোগী ছাড়াও পাশ্ববর্তী উপজেলার রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন এখানে। ফলে প্রতিদিনই রোগী বহনকারী যানবাহনের চাপ লেগেই থাকে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীর ঘেষে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলছেন স্থানীয় একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি। এর ফলে সড়কে চলা যানবাহনের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগী ও তাদের স্বজনেরা। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীরের মাঝের সরকারি জায়গায় গড়ে তোলা হয়েছে  চায়ের দোকান সহ বেশ কিছু স্থাপনা। দখলকৃত সে সব দোকানে কেউ কেউ নিজে ব্যবসা করছেন, আবার কেউ অন্যের কাছে ভাড়া দিয়ে টাকা আদায় করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাবসায়ী বলেন, আমি তো এখানে কোন জায়গা দখল করিনি, নিয়মিত মাসিক ভাড়া দিয়ে এখানে ব্যবসা করছি।  দীর্ঘদিন ধরে এই সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা হলেও তা  উচ্ছেদের তৎপরতা নেই প্রশাসনের। প্রায়শই দোকানে বসে থাকা বখাটেদের ইভটিজিং এর শিকার হতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা নারীদের। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি এক রোগীর আত্মীয় রহিমা বলেন, রোগীর জন্য ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী আনতে আমার দিন বা রাতের যে কোন সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানার বাইরে যেতে হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীর ঘেষা  দোকানে প্রায়ই বসে বখাটেদের আড্ডা । সেই জন্য হাসপাতালে সীমানা থেকে বের হবার পরে আমি নিরাপত্তাহীনতায় থাকি।  স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ দখলের জন্য স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রবেশ পথ ও সংকুচিত হয়ে গেছে। কিন্তু এ ব্যাপারে প্রশাসন  সম্পূর্ণ উদাসীন।  অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুন রাজীব বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সীমানার বাইরে হওয়ার জন্য আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারছিনা। এ জন্য আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি। 

অভয়নগরে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা

যশোরের অভয়নগরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। জ্বর নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের মধ্যে ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে উপজেলা সহ আশেপাশের  বিভিন্ন এলাকার মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা  অভিযোগ করে বলেন , ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও মশার বংশবিস্তার রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ  চোখে পড়ছে না। বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি, বসতবাড়ি, দোকান পাটের নোংরা-আবর্জনা, ঝোপ জঙ্গল ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে এডিস মশার বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি করছে। এসব জায়গায় নিয়মিত নজরদারি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা না থাকলে ডেঙ্গুর বিস্তার আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম, মশার প্রজনন স্থল ধ্বংস এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে ।  সচেতন মহলের দাবি, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে।  একই সঙ্গে ডেঙ্গু আক্রান্তের সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মশক নিধন অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন তারা। অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে সেখানে ২১ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। কেউ বিছানায় এবং কেউ ফ্লোরে চিকিৎসারত রয়েছেন ।  অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলিমুর রাজীব বলেন,  জুলাই মাসে ১২৫ জন, আগষ্ট মাসে ১৬১ জন সেপ্টেম্বর মাসে এ পর্যন্ত ১৯২ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।  তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আন্তরিক ভাবে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন এবং আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে।

অভয়নগরে যুবদল স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদলের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে, যশোরের অভয়নগর  উপজেলা ও নওয়াপাড়া  পৌর  যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের  উদ্যোগে ২৬  সেপ্টেম্বর শনিবার বিকালে নওয়াপাড়া ইনিস্টিটিটিট মাঠে এক প্রতিবাদ  সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অভয়নগর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক বাকিউজ্জামান রানা, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি আবু নঈম মোড়ল, বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন অভয়নগর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী গোলাম হায়দার ডাবলু, সহ সভাপতি হাবিবুর রহমান খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এফ এম গিয়াসউদ্দিন, যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, আল মহিউদ্দিন বাপ্পি,  বক্তব্য রাখেন অভয়নগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোল্লা হাবিবুর রহমান হাবিব, থানা যুবদলের সদস্য সচিব ভিপি হারুন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ পারভেজ সাথী, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান আতা, সদস্য সচিব আল মামুন সোহাগ, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলম মোল্লা, থানা কমিটির সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন রাহাদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম বিশ্বাস, মাহাবুব হোসেন, গাজী ইউসুফ আকাশ, মউন উদ্দিন, ইমরুল কায়েস, সাইফুল ইসলাম অনিক, হাফিজুর রহমান মুরাদ, সদস্য সচিব সফিকুজ্জাম্মান সবুর, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ রাজু আহমেদ, বিল্লাল হোসেন রনি, সুমন মোল্লা, সুজন ফারাজী, শহিদ আহমেদ মনি, সোহাগ হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি মোঃ মাসুদ রানা তুহিন, জেলা কমিটির সাবেক সদস্য সাজ্জাদ হোসেন,  থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব তকিবুর রহমান, নওয়াপাড়া পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান ইমন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নয়ন হোসেন, নওয়াপাড়া কলেজ কমিটির সভাপতি জিহাদ বিশ্বাস,  সাধারণ সম্পাদক রাজু বিশ্বাস, পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাব্বির আলম, এস এম মামুন, যুবদল নেতা  জাহাঙ্গীর আলম, আনিচ মোল্লা, মুস্তাফিজুর রহমান, আমিনুর রহমান, আক্তার হোসেন, সাগর হোসেন, ইউসুফ গাজী, নাসির উদ্দীন, মুন্না বিশ্বাস, শাহিন হোসেন, ইকবল হোসেন, রমজান আলি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাগর শেখ, সরিফুল ইসলাম, সাগর হোসেন, মাসুম কাজী, ইসরাফিল বিশ্বাস, আজাদ খান, আবু মুসা মহলদার, সাহিদুল ইসলাম, খন্দকার মঈন, রাকিবুল ইসলাম, আবু হানিফ, শাহিন হোসেন, তৌহিদ হোসেন, আলমগীর মোড়ল, সরিফুল ইসলাম, মারুফ হোসেন, আলাউদ্দিন খান, ছাত্রদল নেতা মাহাফুজুর রহমান ইউসুফ, অনিক রহমান জুয়েল, রাশিদুল ইসলাম , মাহামুদুর রহমান, নিলয় বিশ্বাস জনি, আলিউল ইসলাম স্বার্থ, মেহেদী হাসান মিঠুন। প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নওয়াপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে। 

আরও
X