ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীতে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
নীলফামারীতে স্বেচ্ছাসেবকদলের প্রচার পত্র বিতরণ
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ইজিবাইক ছিনতাই চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর জানান, শুক্রবার রাতে উপজেলার মাগুড়া এলাকা থাকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-সিঙ্গেরগাড়ী পাঠানপাড়া এলাকার মৃত পেলকা মামুদের ছেলে বাদল মিয়া (১৪) ও একই এলাকার আশোয়ার খানের ছেলে শাকিল খান (১৭)।   পুলিশ সূত্রে জানা গেল, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র ইজিবাইকে যাত্রীবেশে উঠে চালককে চেতনানাশক খাইয়ে ইজিবাইক ছিনতাই করতেন। কিছুদিন আগে একটি ইজিবাইক ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত করতে গিয়ে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাওয়ায় শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের মাগুড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর গফুর এ বিষয়ে বলেন, তারা যাত্রীবেশে ইজিবাইকে উঠে চেতনানাশক ব্যবহার করে ইজিবাইক ছিনিয়ে নিতেন। এসময় তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামি দ্জুনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সৈয়দপুর রেল কারখানায় ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৮টি রেলকোচ পৌঁছেছে 
ডোমারে ড্রেন নির্মাণ কাজ দ্রুত গতি এগিয়ে চলছে
নীলফামারীতে বাউল সম্রাট লালন সাঁইজির তিরোধান দিবস পালিত
সৈয়দপুরে পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৪
ডোমারে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার উপজেলার ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রাশেদ মাহমুদ, ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রেয়াজুল ইসলাম কালু, ভোগডাবুড়ী ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক ও ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রউফ। এছাড়া তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে নিয়োজিত ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী, একজন সুপারভাইজার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

জলঢাকা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত 

নীলফামারীর জলঢাকা প্রেসক্লাবের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার রাতে প্রেসক্লাব হলরুমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান।  এসময় বক্তব্য রাখেন, উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য প্রভাষক সেলিমুর রহমান সেলিম, হামিমুর রহমান হামীম, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির লেলিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান লেবু, সহ সাধারণ সম্পাদক মাঈদুল হাসান,আবেদ আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সফি,দপ্তর সম্পাদক হাসান সিদ্দিকী, কোষাধ্যক্ষ সানোয়ার হোসেন বাদশা, সাংবাদিক মোরতুজা ইসলাম, আসাদুজ্জামান স্টালিন,ফরহাদ হোসেন,হাফিজুর রহমান,রমজান আলী ও এডভোকেট  রবিউল ইসলাম। এছাড়াও প্রেসক্লাবের সকল সদস্যগন এসময় উপস্থিত ছিলেন। 

সৈয়দপুরে প্রাঃ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে দেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বাঙালিপুর নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর ও দপ্তরী কাম প্রহরীকে মারধর করে মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা।  এসময় তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়।  রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা দুপুরে সৈয়দপুর উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে ওই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। এসময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  স্মারকলিপি সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের সড়ক সংলগ্ন সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর করা হয়। এসময় বাঁধা দিতে গেলে বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী মো. গোলাম রব্বানীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। স্মারকলিপিতে বলা হয়, সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গতে বাঁধা দেওয়ায় অভিযুক্তদের একজন গোলাম রব্বানীর মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তাঁকে আবারও আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। আহত গোলাম রব্বানী বর্তমানে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো নিয়ে দু:শ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকেরা। সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর ও বিদ্যালয়ের কর্মচারীকে মারধরের ঘটনায় শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে মো. রুহুল আমিন (বাবু), মো. আমিন ও মো. আরিফসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা বলেন, বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গচুর ও দপ্তরীকে মারধরের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নীলফামারী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক লাঞ্চিত, আটক ১

নীলফামারী মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. রথীন্দ্রনাথ মন্ডলকে লাঞ্চিত ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে।  ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার দুপুরে। সহকারী অধ্যাপক ডা. রথীন্দ্রনাথ মন্ডল অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে।  এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ডা. রথীন্দ্রনাথ মন্ডলের অভিযোগ, ঘটনার সময় আলট্রাসনো গ্রাফির রিপোর্ট নিতে এসে রেডিওলজি বিভাগে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন নাঈম নামের এক যুবক। সে অ্যাম্বুলেন্স চালক। এ সময় তাঁকে অনাকাঙ্খিত হট্টগোল করতে নিষেধ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন এবং মারধর করেন। ঘটনার পরপরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত অ্যাম্বুলেন্স চালক নাঈমকে আটক করে সদর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এদিকে চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় হাসপাতালের অন্য চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। নীলফামারী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক(ইনসিটু) ডাঃ আব্দুল মতিন জানান, ডাক্তারের সাথে বেয়াদবি করার প্রতিবাদে এবং এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে সোমবার সকাল ১০টায় স্থানীয় স্মৃতি অম্লান পাদদেশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করা হবে।

দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা শুরু, সৈয়দপুরে মণ্ডপে মণ্ডপে উৎসবের আমেজ

১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তাই, সারাদেশের ন্যায় নীলফামারীর সৈয়দপুরেও হিন্দু ধর্মাবলন্বির মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সারা বছরের অপেক্ষা শেষ হওয়ার আকাংখা, চারদিকে সাজ-সাজ রব। অবশেষে দুয়ারে পা ফেলবেন দেবী, মাঝে আর কয়েকদিন বাকি। তাই ঘিরে সৈয়দপুরে ৮০টি মন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুুতি।  প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করে শিল্পীরা এখন রং-তুলির শেষ আঁচড় লাগাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। দম ফেলার ফুরসত নেই যেনো তাদের। তোরণ নির্মাণ ও মন্ডপ নানা রঙে সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে পূজা উদযাপন কমিটি। এদিকে পূজা চলাকালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। ইতিমধ্যে পূজামন্ডপ গুলোতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের নজরদারি। সৈয়দপুরের পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা জানিয়েছেন, এবার সৈয়দপুর উপজেলায় শহর ও গ্রাম মিলে ৮০টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।  স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবার ঘোড়ায় চড়ে কৈলাস থেকে দেবী দুর্গা আসছেন পৃথিবীতে, আর চলে যাবেন নৌকায় চড়ে। এখন পূজা ঘিরে মন্ডপে সাজ-সাজ রব। ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীর আগমনী বার্তা জানিয়ে দেওয়া হবে সবাইকে। এখন মন্ডপগুলো আলোক-সজ্জায় সাজানো হচ্ছে। দুর্গাদেবীকে সাজিয়ে তুলতে মৃতশিল্পীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। খড়কুটো ও কাদামাটির কাজ প্রায় শেষ, চলছে শুধু রং-তুলির শেষ আঁচড়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কারিগর জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় প্রতিমা তৈরিতে কোনও সমস্যা হয়নি। তাই রং-তুলির কাজও দ্রæত হয়ে যাবে। তিনি বলেন, ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে কাদা-মাটি দিয়ে দেবীকে সাজানোর মধ্যে দিয়ে শুরু হয় প্রতিমা তৈরির কাজ। এখন এটাই আমার পেশা।’ এসময় তিনি জানান, প্রতিমা তৈরি করা ভীষণ ধৈর্য্য ও মনোযোগের কাজ। যদি একবার ভুল হয়ে যায়, তা’হলে আবার নতুন করে সেটা তৈরি করতে হয়। মায়ের কাজ মন দিয়ে করতে হয়। সঠিকভাবে করতে গেলে একেকটি মন্ডপের প্রতিমা বানাতে প্রায় তিন থেকে চার মাস লেগে যায়।’ তিনি আরো জানান, চুক্তি অনুযায়ী তারা মজুরি পান। উপকরণ ও মালামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাজ শেষে হাতে কিছুই থাকে না। এখন এই পেশায় জীবন-জীবিকা চলে না। অনেকেই অন্য পেশায় চলে গেছেন। বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে কাজটি করছেন তারা। অপরদিকে একটি মন্ডপের সভাপতি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, উপকরণ এবং কারিগরদের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় এবার প্রতিমা তৈরি ও পূজামন্ডপের সামগ্রিক খরচ অনেকটাই বেড়ে গেছে। এজন্য হিমশিম খেতে হচ্ছে। অন্য খরচ বাদে শুধু কারিগদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা’ আগে এক লাখে করেয়েছি। তবু সবমিলিয়ে আশা করছি, পূজা সুন্দরভাবে শেষ হোক।’ নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খাঁন সংবাদকর্মীদের জানান, ‘দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে না পারে ? সে ব্যাপারে জেলা পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আশা করছি, কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই পূজা সুন্দরভাবে শেষ হবে।’ 

নীলফামারীতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে নীলফামারীতে বিশ্ব দৃষ্টি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে এবং ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচি ও ভিশনস্প্রিং এর সহযোগীতায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় চত্ত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শেষে সিভিল সার্জনের সন্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আতিউর রহমান শেখ, ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচীর এলাকা ব্যবস্থাপক মোঃ শাহিনুর ইসলাম, ব্র্যাক যক্ষা নিয়ন্ত্রন কর্মসুচীর জেলা ব্যবস্থাপক মোঃ কামরুজ্জামানসহ আরো অনেকে। বক্তারা বলেন, চোখ আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই চোখের দৃষ্টি ঠিক রাখতে প্রথমে চোখের দিকে নজর রাখতে হবে। চোখের সুরক্ষা নিতে হবে। বিশেষ করে শিশুদের দৃষ্টি শক্তির দিকে নজর দিতে হবে। শিশুদের মোবাইল আসক্তি কমিয়ে তাদের প্রতি যত্নবান হতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের চোখের যত্ন নিতে দেশীয় ফলমূল ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। পরে সদর উপজেলার ইটাখোলা মুন্সিপাড়ায় সিভিল সার্জন অনুষ্ঠিত কম্বাইন ক্যাম্পের মাধ্যমে চক্ষু পরীক্ষার কার্যক্রম পরিদর্শণ করেন।   ব্র্যাক স্বাস্থ্য কর্মসূচীর এলাকা ব্যবস্থাপক মোঃ শাহিনুর ইসলাম আলোচনা সভায় স্বাস্থ্য বিষয়ে তাদের কার্যক্রম তুলে ধরেন। এবং গত এক বছরে জেলার ৬টি উপজেলায় ৯৩৬টি চক্ষু পরীক্ষার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্প গুলোতে ৩৫ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে ৫৭ হাজার ৫০২জন বিনামূল্যে সেবা গ্রহণ করেন। নিকট দৃষ্টি সমস্যায় ২১ হাজার ৮শত ৪৫জন সেবা গ্রহীতার মধ্যে ১১হাজার ৪শত ৯৮জন এর মাঝে চশমা প্রদান করা হয়। বাকীদের চিকিৎসা পত্র ও সুপরামর্শসহ অন্যত্র প্রেরণ করা হয়।  

সৈয়দপুরে যুবলীগ নেতার কোয়ার্টার থেকে ট্রান্সফরমার উদ্ধার

নীলফামারীর সৈয়দপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উপজেলা শাখার আহ্বায়ক দিলনেওয়াজ খানের রেল কোয়ার্টার থেকে একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার (৭ অক্টোবর) পুলিশ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের সৈয়দপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক দিলনেওয়াজ খান ও সাজু খানের দখলে থাকা মুন্সিপাড়ার ওই রেল কোয়ার্টার থেকে ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিলনেওয়াজ খানের বড় ভাই মরহুম পারভেজ খান ও তাঁর এক পার্টনার মিলে কিল-কাঠির একটি কারখানা খুললে সেখানে ট্রান্সফরমারটি ব্যবহার করা হতো। পারভেজ খান মারা যাওয়ার পর কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেলে ট্রান্সফরমারটি বিক্রি করে দেওয়া হয়। পরে যুবলীগ নেতা দিলনেওয়াজ খান ও সাজু খান ট্রান্সফরমারটি নিয়ে এসে উল্লেখিত রেল কোয়ার্টারে রাখেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় শাহিন পারভেজ নামে এক ব্যক্তি ট্রান্সফরমারটির মালিকানা দাবি করে সৈয়দপুর থানায় অভিযোগ দেন। পরে থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে রেল কোয়ার্টার থেকে ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ট্রান্সফরমার উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল ইসলাম রেজা।

আরও
X