ঢাকা, বাংলাদেশ ||
সোমবার
০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

নিয়মিত কী খেতে ভালোবাসেন আলিয়া ভাট

অনলাইন ডেস্ক
  ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৩৩
অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। ছবি: সংগৃহীত

গ্ল্যামার আর ব্যস্ততার ভিড়েও খাবারের বেলায় বেশ সহজ-সরল আলিয়া ভাট। বলিউডের অন্যতম সফল এই অভিনেত্রী বরাবরই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও ঘরোয়া খাবারের প্রতি তার ভালোবাসার কথা বলে এসেছেন। নানা সাক্ষাৎকার ও সামাজিক মাধ্যমে আলিয়ার খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আগ্রহের কমতি নেই ভক্তদের। কী খেতে ভালোবাসেন এই তারকা, চলুন জেনে নেওয়া যাক আলিয়া ভাটের পছন্দের খাবারের তালিকা। খবর: ইন্ডিয়ার এক্সপ্রেস

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। ছবি: সংগৃহীত

আলিয়ার খাবারের পছন্দে সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে আছে ঘরোয়া ভারতীয় রান্না। সাধারণ ডাল-চাল তার অন্যতম প্রিয় খাবার। শুটিংয়ের ফাঁকে কিংবা বাড়িতে থাকলে এই সহজ খাবারেই তিনি স্বস্তি খুঁজে পান। সবজির মধ্যে ঢেঁড়স ভাজি আলিয়ার খুব পছন্দের। পাশাপাশি টমেটোর ঝোল বা হালকা টক-ঝাল সবজিও তার খাবারের তালিকায় নিয়মিত থাকে।

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। ছবি: সংগৃহীত

সকালের নাশতায় তিনি পছন্দ করেন হালকা ও পুষ্টিকর খাবার। পোহা ও ছাশ (ঘোল) তার প্রিয় সকালের খাবারের মধ্যে অন্যতম। দইও আলিয়ার ডায়েটে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে—বিশেষ করে তড়কা দেওয়া দই তার বেশ পছন্দ।

স্বাস্থ্য সচেতন এই অভিনেত্রী নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের সালাদ খান। রাজমা সালাদ, বিটরুট সালাদ কিংবা চিয়া সিড পুডিং—এসব খাবার আলিয়ার ফিটনেস রুটিনের অংশ। শরীর ভালো রাখতে খাবারে ভারসাম্য বজায় রাখার দিকেই তার বেশি ঝোঁক।

অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। ছবি: সংগৃহীত

তবে সব সময় যে কড়া ডায়েট, তা নয়। ‘চিট ডে’-তে আলিয়ার পছন্দের তালিকায় থাকে ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। মাঝেমধ্যে পাস্তা বা স্প্যাগেটিও খেতে ভালোবাসেন তিনি। মিষ্টির মধ্যে মুং ডাল হালুয়া আলিয়ার বিশেষ প্রিয় বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে।

সব মিলিয়ে আলিয়া ভাটের খাবারের পছন্দে বিলাসিতার চেয়ে স্বাদ ও স্বাস্থ্যই বেশি গুরুত্ব পায়। ঘরোয়া রান্না, হালকা খাবার আর মাঝেমধ্যে প্রিয় জাংক ফুড—এই ভারসাম্যই হয়তো তাকে ফিট ও সতেজ থাকতে সাহায্য করে। তার খাবারের এই সাধারণ পছন্দই ভক্তদের কাছে আলিয়াকে আরও আপন করে তোলে।

মন্তব্য করুন

পাকিস্তানি নাট্যভুবনে তুফানের আভাস
পাকিস্তানি নাটকের চিত্রনাট্যের ‘পরীক্ষামূলক’ বছর যদি ২০২৫ হয়ে থাকে, তাহলে ২০২৬ হতে যাচ্ছে নাট্যভুবনের বেসিক স্টার পাওয়ারের। গত এক দশকে ভক্তরা পাকিস্তানি নাটকের যে রকম শক্ত চিত্রনাট্য ও অভিনয় দেখেছেন, এবার দেখতে পারবেন তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী চিত্রনাট্য ও হৃদয়কাড়া অভিনয়। ওয়াহাজ ও মাহিরার স্বপ্নিল জুটি, উমেরা আহমেদের ফিরে আসা—এ সবই ঘটতে যাচ্ছে শিগগির। কয়েকটি নাটকের টিজার প্রকাশের পর তো রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন পাকিস্তানি নাটকগুলো দর্শকের হৃদয়কে আন্দোলিত করবে নিশ্চিত। তেমনি কয়েকটি সিরিজ-নাটক নিয়েই এবারের আলোচনা। ১. মিট্টি দে বাওয়ে ২০২৬ সালের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত পাকিস্তানি নাটকগুলোর একটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে ‘মিট্টি দে বাওয়ে’। এই পিরিয়ড ড্রামাটিতে অভিনয় করবেন পাকিস্তানি টেলিভিশনের রাজা ওয়াহাজ আলী ও সিনেমার রানি মাহিরা খান। এতে আরও থাকবেন অমর খান, লিখেছেন ফয়জা ইফতিখার এবং পরিচালনা করেছেন সৈয়দ ওয়াজাহাত হুসেন। ওয়াহাজ আলীর লুক প্রকাশ পেলেও, মাহিরা খানের চরিত্রটি রহস্যময় রয়ে গেছে। নাটকটি গ্রিন এন্টারটেইনমেন্টে প্রচারিত হবে। মাটির নান্দনিকতা, ভারী সংলাপ এবং ওয়াহাজ-মাহিরার রসায়ন ইন্টারনেটে তোলপাড় ফেলে দেবে বলেই বিশ্বাস ভক্তদের। ২. জাঞ্জিরে হৃদয়গ্রাহী প্রেমের সঙ্গে অর্থপূর্ণ সামাজিক ভাষ্যের এক দুর্দান্ত মিশেলের গল্প ‘জাঞ্জিরে’। বিখ্যাত পাকিস্তানি সিরিজ ‘হামসাফার’-এর লেখক ফারহাত ইশতিয়াকের লেখা গল্পে নাটকটিতে উঠে আসবে সামাজিক চাপ এবং ব্যক্তিগত দ্বিধা-দ্বন্দ্বের এক সামাজিক প্রেক্ষাপট। যেখানে একজন ব্যক্তির মানসিক সংগ্রামের দৃঢ়তার অন্বেষণ করা যায়। সজল আলি, আহসান খান, সাহার হাশমি, দানিয়েল জাফর, আমির গিলানির মতো হাই-প্রোফাইল তারকারা আসছেন প্রেম ও হৃদয়বিদারক একটি জটিল জাল ছিন্ন করতে। নাটকটি ৩০ মার্চ থেকে উপভোগ করা যাবে হাম টিভিতে। ৩. হামরাহি বিশ্বাস, সাহচর্য ও ত্যাগের মহিমার অন্বেষণ ‘হামরাহি’র গল্প দুটি বিপরীত আত্মার চারপাশের পরিবেশ নিয়ে আবর্তিত। যে আত্মার পথ মিশে যায় অপ্রত্যাশিতভাবে। দানিশ তাইমুর ও হিবা বুখারির চরিত্রগুলো এমনভাবে চিত্রিত হয়েছে, যারা প্রেম, ভাগ্য ও পারিবারিক চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বন্ধন ক্রমাগত পরীক্ষিত হয়, যা দর্শকদের আকৃষ্ট করে রাখে। এরই মধ্যে ‘হামরাহি’ নিয়ে ক্রেজ সৃষ্টি হয়েছে। এর নাট্যকার জাঞ্জাবিল আসিম শাহ বরাবরই পারিবারিক বন্ধন-দ্বন্দ্বের এক সুনিপুণ চিত্রকর হিসেবে পরিচিত। পাকিস্তানের কিছু প্রতিভাবান অভিনেতার সমন্বয়ে নির্মিত নাটকটি হাম টিভিতে দেখা যাবে। ৪. লোড ওয়েডিং এবারের রমজানের স্পেশাল হতে যাচ্ছে কমেডির রানি সায়মা আকরাম চৌধুরীর রচনায় ‘লোড ওয়েডিং’। ২০১৮ সালে মুক্তি পওয়া একই নামের সিনেমার ওপর ভিত্তি করেই এই রমজান মাতাতে আসছে নাটকটি। ইয়ুমনা জায়েদি ও হামজা সোহেলের নতুন জুটি দর্শকপ্রিয়তা পাবে বলেই ধারণা অনেকের। প্রতিদিন ইফতারের আগে রোজাদারদের একঘেয়েমি দূর করতে ‘লোড ওয়েডিং’ ভূমিকা রাখবে। কমেডির পাশাপাশি এটি বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জকে প্রতিফলিত করে এবং একটি মনোমুগ্ধকর পারিবারিক বন্ধনকে উপস্থাপন করবে। হাম টিভিতে রমজান স্পেশাল হিসেবে দেখা যাবে সিরিজটি। ৫. দার-ই-নিজাত এই বছর ‘দার-ই-নিজাত’ হতে যাচ্ছে একটি পাকিস্তানি মাস্টারপিস নাটক। এআরওয়াই ডিজিটাল মিডিয়ায় আগামী মে থেকে এটি শুরু হবে। পরিচালক সাকিব খানের সঙ্গে নাট্যকার উমেরা আহমেদ এবং অভিনেত্রী দূরেফিশান সালিমের ত্রিফলা জুটি এ বছরের সেরা আর্কষণ হতে যাচ্ছে। নাটকটিতে দূরেফিশানের সঙ্গে জুটি বাঁধবেন শেহেরইয়ার মানোয়ার। উমেরা আহমেদের লেখা নাটক বরাবরই গভীরতা ও অর্থপূর্ণ গল্প বলার প্রতিশ্রুতি দেয়। ভক্তরা এর আবেগঘন এবং শক্তিশালী আখ্যানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। প্রেম, সাসপেন্স ও মানসিক উত্তেজনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়ে সামাজিক বিষয়গুলো এই নাটকে প্রতিফলিত হবে। এতে দর্শকদের মধ্যে তীব্র প্রতিফলন সৃষ্টি হবে বলে ধারণা করা যায়।
পাকিস্তানি নাট্যভুবনে তুফানের আভাস
‘মিম সে মহব্বত’-এর জন্য দর্শকের আকুতি
গত বছরের এপ্রিলে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয় পাকিস্তানের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘মিম সে মহব্বত’-এর প্রথম সিজন। সবাই এখন অপেক্ষায় কবে আসবে সিরিজটির দ্বিতীয় সিজন? নাকি, এখানেই পরিসমাপ্তি ঘটবে সাড়া জাগানো সিরিজটির। সাম্প্রতিক সময়ে সিরিজটির ভবিষ্যৎ নিয়ে দোটানায় ভক্তরা। আবেগঘন গল্পের গাঁথুনির পাশাপাশি দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য সব শ্রেণির দর্শকের কাছে সিরিজটি হয়ে ওঠে অনন্য। আহাদ রাজা মীর ও দানীর মবীন অভিনীত ‘মিম সে মহব্বত’ নিয়ে দর্শকের চাহিদা পৌঁছে যায় তুঙ্গে। এ সিরিজটি প্রেম, স্থিতিস্থাপকতা এবং মানবিক সংযোগের মধ্যে পাওয়া শক্তির একটি প্রাণবন্ত প্রতিকৃতি চিত্রিত করে। এ দেশের দর্শকরাও বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে সিরিজটি উপভোগ করেন। ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’ সূত্রে জানা যায়, ইউটিউবে সিরিজটির ভিউ এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। এতেই বোঝা যায়, কতটা জনপ্রিয় ছিল দর্শকের কাছে। এমনকি সিরিজটির প্রথম সিজনের সমাপনী অনুষ্ঠানও সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং অব্যাহত রেখেছে। সামাজিক মাধ্যমগুলোয় পরের সিজন দ্রুত ফেরানোর জন্য ভক্তরা অনুরোধের ঝড় তুলছেন। সরাসরি আবেগপূর্ণ ভালোবাসা প্রকাশ করে তারা অনুরোধ করছেন যেন সিরিজটি একেবারে শেষ করে না দেওয়া হয়। দানীর ও আহাদের দুর্দান্ত রসায়ন দ্বিতীয় সিজনেও দেখার অপ্রতিরোধ্য চাহিদা ভক্তদের। অবশ্য চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পরিচালক আলী হাসান নিশ্চিত করেছেন যে, গল্পটি আর বাড়ানো হবে না। ফারহাত ইশতিয়াক রচিত এবং মোমিনা দুরাইদ প্রযোজিত এ সিরিজটিটি মূলত পরিকল্পনা অনুসারেই শেষ হয়েছিল, কোনো ধারাবাহিকতা ছাড়াই। ফরিদুন শাহরিয়ার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে, নাটকটি ঠিক যেমনটি আশা করা হয়েছিল তেমনই শেষ হয়েছে। গল্পটি তার স্বাভাবিক পরিণতি পেয়েছে এবং এর বিকাশের প্রয়োজন নেই। ‘মিম সে মহব্বত’ হলো এক অপ্রত্যাশিত সাক্ষাতের গল্প। যেখানে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ তাদের সীমানা পরীক্ষা করে। রয়েছে প্রেমের এক নীরব আকুতি, যা সব যুক্তি ও পরিস্থিতিকে দূরে সরিয়ে রাখে। দানীর মবীনের সেই চাহনি আর আহাদ রাজা মীরের আবেগি অভিনয়ে এখনো দর্শকরা বুঁদ হয়ে আছেন। শেষ পর্বে দানীর ও আহাদের আবেগঘন মিলন দর্শকদের মনে অনুরণিত হয়। হৃদয়গ্রাহী এক পরিণতিতে শেষ হয় প্রথম সিজন। প্রথমবারের মতো পর্দা শেয়ার করা দানীর ও আহাদের অনন্য জুটি ব্যাপক প্রশংসিত হয়। তাদের রসায়ন দেখতে উন্মুখ হয়ে যান দর্শক। যদি সংশ্লিষ্টদের কথা সত্যি হয়ে ‘মিম সে মহব্বতে’র দ্বিতীয় সিজন আর না আসে, তবে দর্শকরা সেই পারিবারিক থিম, আবেগভরা রোমান্স, দুর্দান্ত অভিনয়ে ভরা মাস্টারপিস একটি সিরিজ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হবেন।
‘মিম সে মহব্বত’-এর জন্য দর্শকের আকুতি
ছয় বছর পর জুটি বাঁধছেন বিজয়-রাশমিকা
অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা আরও একবার নতুন একটি অ্যাকশন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরতে প্রস্তুত। তার আসন্ন সিনেমা ‘রানাবালি’–র একটি ঝলক প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে নায়িকার ভূমিকায় থাকছেন রাশমিকা মান্দানা। এর মাধ্যমে ‘ডিয়ার কমরেড’ (২০১৯)–এর পর আবারও বড় পর্দায় জুটি বাঁধছেন বিজয় ও রাশমিকা। ‘রানাবালি’–র প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় ১৮৭৮ সালের প্রেক্ষাপটে গড়ে ওঠা এক গল্প, যেখানে এক সাহসী যুবক ব্রিটিশদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে নিজের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে চায়। তাদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে তিনি নিজেকে এক ‘নির্দয় যোদ্ধা’তে পরিণত করেন। ভিডিওতে বিজয়কে দেখা যায়—একটি ঘোড়ার পিঠে চড়ে তিনি এক ব্রিটিশ অফিসারকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে বিজয় লেখেন, ‘ব্রিটিশরা তাকে ‘বর্বর’ বলত। আমি একমত। সে ছিল ‘আমাদের’ বর্বর! একমাত্র ‘রানাবালি’-কে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। আর আমাদের সেই ইতিহাস সামনে আনছি, যেটা তারা চাপা দিতে চেয়েছিল।’ ‘রানাবালি’ মুক্তি পাবে ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ। ছবিটি তেলেগু, হিন্দি, তামিল, কন্নড় ও মালায়ালাম—একাধিক ভাষায় মুক্তি দেওয়া হবে। ‘শ্যাম সিংহা রায়’ খ্যাত পরিচালক রাহুল সাঙ্কৃত্যায়ন এটি পরিচালনা করেছেন। সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন জনপ্রিয় জুটি অজয়–অতুল। এটি বিজয়-রাশমিকার তৃতীয় ছবি। এর আগে তারা একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন রোমান্টিক কমেডি ‘গীতা গোবিন্দম’ এবং পরে ‘ডিয়ার কমরেড’–এ। বাস্তব জীবনেও তাদের প্রেমের গুঞ্জন বহুদিনের। বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল স্পাই অ্যাকশন থ্রিলার ‘কিংডম’–এ। গৌতম তিন্নানুরি পরিচালিত এই ছবিতে এক পুলিশ অফিসারের গল্প দেখানো হয়েছে, যিনি একটি গ্যাংয়ে অনুপ্রবেশ করতে গিয়ে আবিষ্কার করেন—গ্যাংটির নেতৃত্ব দিচ্ছে তার নিজের বড় ভাই। ছবিটি বর্তমানে নেটফ্লিক্সেও দেখা যাচ্ছে। আগামীতে বিজয়কে দেখা যাবে অ্যাকশন ছবি ‘রাউডি জানার্ধনা’–তে, যার পরিচালক রবি কিরণ কোলা। এই হাই-অকটেন অ্যাকশন ছবিতে তার সঙ্গে সহ-নায়িকার ভূমিকায় থাকবেন কীর্তি সুরেশ। ছবিটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা।
ছয় বছর পর জুটি বাঁধছেন বিজয়-রাশমিকা
‘আমি অপমানিত, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’
গেল কয়েক দিন ধরেই আলোচনায় ভারতীয় অভিনেত্রী মৌনি রায়। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে ভয়াবহ হয়রানির শিকার হন তিনি।  হরিয়ানার করনালে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে গিয়ে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন, যা তাকে গভীরভাবে মানসিকভাবে আঘাত করেছে।    এরপর ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের ক্ষোভ ও যন্ত্রণার কথা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। মৌনি জানান, অনুষ্ঠানের মঞ্চের দিকে যাওয়ার সময়ই পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। কয়েকজন বয়স্ক পুরুষ এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা ছবি তোলার অজুহাতে তার কোমরে হাত দেন। তিনি স্পষ্টভাবে আপত্তি জানালে, উল্টো তারা ক্ষুব্ধ হন। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয় মঞ্চে ওঠার পর। মৌনি তার স্টোরিতে লেখেন, দুইজন বয়স্ক ব্যক্তি ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে অশালীন মন্তব্য করছিলেন, কুৎসিত হাতের ইশারা দিচ্ছিলেন এবং নাম ধরে গালিগালাজ করছিলেন। প্রথমে তিনি শান্তভাবে তাদের থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও কাজ না হওয়ায় তারা তার দিকে গোলাপ ফুল ছুড়তে শুরু করেন। অভিনেত্রী আরও জানান, মঞ্চটি উঁচু হওয়ায় ওই ব্যক্তিরা নিচ থেকে আপত্তিকর অ্যাঙ্গেলে ভিডিও করছিলেন। কেউ বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজ করা হয়। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হিসেবে মৌনি উল্লেখ করেন, উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা কেউই এই আচরণের প্রতিবাদ করেননি। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ নোটে মৌনি রায় আরও লেখেন, একজন প্রতিষ্ঠিত ও পরিচিত অভিনেত্রী হওয়া সত্ত্বেও যদি তাকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তবে ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন শিল্পীরা কী ধরনের অভিজ্ঞতার শিকার হন, তা সহজেই অনুমেয়। তিনি বলেন, আমি অপমানিত, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং চাই কর্তৃপক্ষ এই অসহনীয় আচরণের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিক। তার মতে, শিল্পীরা কেবল তাদের কাজের মাধ্যমে সৎভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে চান। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর মৌনির পাশে দাঁড়িয়েছেন অসংখ্য অনুরাগী ও সহকর্মী। অনেকেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন।
‘আমি অপমানিত, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’
‘কিং’ মুক্তির তারিখ ঘোষণা করলেন শাহরুখ খান
বলিউডের বাদশা শাহরুখ খান আবারও প্রস্তুত পর্দা কাঁপাতে। ভক্তদের কাছে ‘কিং খান’ নামে পরিচিত এই তারকার নতুন সিনেমার নামও রাখা হয়েছে ‘কিং’। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সিনেমাটির একটি নতুন ঝলক প্রকাশের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে মুক্তির তারিখ। প্রকাশিত ভিডিওর শুরুতেই দেখা যায় তুষারঢাকা পাহাড়ের পটভূমিতে রক্তাক্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন শাহরুখ খান। ঠিক তখনই শোনা যায় তার গর্জন। এরপর সংলাপে তিনি বলেন, ‘গর্জনের সময় এসে গেছে।’ মুহূর্তেই ভিডিওটি সামাজিকমাধ্যমে ঝড় তোলে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সিদ্ধার্থ আনন্দ। তিনি এর আগে শাহরুখকে নিয়ে নির্মাণ করেছিলেন ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘পাঠান’। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের ২৪ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে মুক্তি পাবে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমা ‘কিং’। ২০২৩ সালে ‘পাঠান’, ‘জওয়ান’ ও ‘ডাঙ্কি’—এই টানা তিনটি ব্লকবাস্টার উপহার দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পর্দায় অনুপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খান। প্রায় তিন বছরের বিরতি ভেঙে তিনি ফিরছেন ‘কিং’ সিনেমার মাধ্যমে। এই সিনেমার আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় শাহরুখ খানের সঙ্গে অভিনয় করছেন তার মেয়ে সুহানা খান। এ ছাড়া খলনায়কের চরিত্রে দেখা যাবে অভিষেক বচ্চনকে, আর শাহরুখের বিপরীতে অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন। বড়দিনকে ঘিরে মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করায় সিনেমাটি বক্স অফিসে বড় ধরনের ঝড় তুলবে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
‘কিং’ মুক্তির তারিখ ঘোষণা করলেন শাহরুখ খান
সমুদ্রের বুকে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী
তামিল সিনেমার দুই তারকা নয়নতারা ও তৃষা কৃষ্ণন। সিনেমায় দুজন  প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ব্যক্তী জীবনে তারা খুবই ভালো বন্ধু। সম্প্রতি দুবাইয়ে ছুটি কাটাতে গিয়ে এই দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে সময় কাটান এবং সেই মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেন নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপরই ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়, তৈরি হয় আলোচনা। সামাজিকমাধ্যমে শেয়ার করা যৌথ পোস্টে দেখা যায়, ইয়টের ওপর দাঁড়িয়ে সমুদ্রের বুকে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন নয়নতারা ও তৃষা। দিনের শেষের এই মুহূর্তে দুজনকেই দেখা যায় একেবারে স্বচ্ছন্দ ভঙ্গিতে। গ্ল্যামার আর প্রশান্তির এক অপূর্ব মেলবন্ধন যেন ধরা পড়েছে ছবিগুলোতে। স্টাইলের দিক থেকেও দুজনই নজর কেড়েছেন। নয়নতারা কালো পোশাকের সঙ্গে সাদা সানগ্লাস পরে এক মিনিমাল ও এলিগ্যান্ট লুকে হাজির হন। অন্যদিকে, তৃষা কালো টপের সঙ্গে লেদার জ্যাকেট ও নীল আভাযুক্ত সানগ্লাসে নিজের চিরচেনা স্মার্ট ও আধুনিক স্টাইলকে তুলে ধরেন। বর্তমানে দুজনই দুবাইয়ে অবকাশ যাপন করছেন। শহরের ব্যস্ততা ছেড়ে সমুদ্রের ধারে সূর্যাস্তের শান্ত পরিবেশে সময় কাটানো যেন তাদের এই মুহূর্তকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। নয়নতারা এখন ব্যস্ত একাধিক বড় প্রজেক্ট নিয়ে। তাকে পরবর্তীতে দেখা যাবে যশ অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত গ্যাংস্টার অ্যাকশন ছবি ‘টক্সিক’-এ। গীতু মোহন্দাস পরিচালিত এই ছবিটি আগামী ১৯ মার্চ, ২০২৬, উগাদি উপলক্ষে মুক্তি পাওয়ার কথা। ছবিতে ‘গঙ্গা’ চরিত্রে অভিনয় করছেন নয়নতারা। তার সঙ্গে আরও রয়েছেন কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি, রুক্মিণী বসন্ত ও তারা সুতারিয়া। এ ছাড়াও নয়নতারার হাতে রয়েছে ‘ডিয়ার স্টুডেন্টস’, ম্যামুট্টি ও মোহনলাল অভিনীত ‘প্যাট্রিয়ট’, ‘হাই’সহ একাধিক ছবি। পাশাপাশি, বর্ষীয়ান পরিচালক আদূর গোপালকৃষ্ণনের পরিচালনায় ম্যামুট্টির সঙ্গে একটি নতুন ছবিতেও তাকে দেখা যেতে পারে। অন্যদিকে, তৃষা কৃষ্ণনের সামনে রয়েছে সূর্যের সঙ্গে ফ্যান্টাসি অ্যাকশন ছবি ‘কারুপ্পু’। পাশাপাশি, চিরঞ্জীবীর সঙ্গে তার অভিনীত সিনেমা ‘বিশ্বম্ভরা’ নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে। সূত্র: পিংকভিলা
সমুদ্রের বুকে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী
পুলিশ চরিত্রে প্রথমবার
প্রাইম ভিডিও সম্প্রতি প্রকাশ করেছে তাদের আসন্ন মনস্তাত্ত্বিক ক্রাইম থ্রিলার ‘দলদল’-এর ট্রেলার। যা প্রকাশের পরপরই সিরিজটি দর্শক ও সমালোচকদের নজন কেড়েছে, বিশেষ করে মুম্বাই পুলিশের ডেপুটি কমিশনার রীতা ফেরেইরা চরিত্রে ভূমি পেডনেকরের অভিনয় ঘিরে। বরাবরই সাহসী ও ব্যতিক্রমী চরিত্র বেছে নেওয়ার জন্য পরিচিত ভূমি, এই সিরিজে প্রথমবারের মতো একজন পুলিশ অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। চরিত্রটি নিয়ে ভূমি জানান, এই চরিত্রটি তার কাছে শুধুমাত্র অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নয়, বরং ব্যক্তিগত আবেগের সঙ্গেও জড়িত। মুম্বাইয়ে বড় হওয়ার সুবাদে শহরের রাস্তায় প্রতিদিন কর্তব্যরত পুলিশদের তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন, যা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। চরিত্রটি নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ভূমি বলেন, মুম্বাই পুলিশের সাহস, শৃঙ্খলা আর দায়িত্ববোধ এই শহরের আত্মার অংশ। একজন মুম্বাই পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে আমি বুঝেছি, প্রতিদিন তারা কতটা ভারী দায়িত্ব বহন করেন, প্রায়ই নীরবে এবং স্বীকৃতি ছাড়াই। সেই ইউনিফর্ম পরা মানেই ছিল এক বিশাল সম্মানের অনুভূতি। ভারতীয় লেখক ভিশ ধামিজার জনপ্রিয় উপন্যাস ‘ভেন্ডি বাজার’ অবলম্বনে নির্মিত এই সিরিজটি পরিচালনা করেছেন অমৃত রাজ গুপ্ত। প্রযোজনায় রয়েছেন বিক্রম মালহোত্রা ও সুরেশ ত্রিবেণী। ভূমি পেডনেকরের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সামারা তিজোরি ও আদিত্য রাওয়াল। ‘দলদল’ সিরিজটি আগামী ৩০ জানুয়ারি প্রাইম ভিডিওতে ভারতসহ বিশ্বের ২৪০টি দেশে একযোগে প্রকাশ পাবে। সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা  
পুলিশ চরিত্রে প্রথমবার
শীতের সাজে তারা
শীতের পোশাক মানেই যে শুধু উষ্ণতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এমন নয়। বর্তমানে বলিউডের বেশ কয়েকজন অভিনেত্রী শীতকালীন ফ্যাশনে এমন কিছু স্টাইল তুলে ধরছেন, যেখানে আরাম ও স্টাইল দুটিই সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এই লুকগুলো প্রমাণ করে যে শীতের পোশাক হতে পারে দৃষ্টিনন্দন।                     অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান। ছবি: সংগৃহীত কারিনা কাপুর খান কারিনা কাপুর খান শীতের জন্য বেছে নিয়েছেন একটি আরামদায়ক সিলুয়েট। তিনি পরেছেন গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা অলিভ সবুজ রঙের ওভারসাইজড কুইল্টেড কোট। হুডযুক্ত ডিজাইন দেখিয়ে দেয়, কীভাবে ঝামেলাহীন আউটারওয়্যার প্রতিদিনের শীতের পোশাকে কার্যকর হতে পারে।                       অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। ছবি: সংগৃহীত শিল্পা শেঠি শিল্পা শেঠি শীতকালীন ফ্যাশনে ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিক স্টাইলের সুন্দর মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন। তিনি চেক শাড়ির সঙ্গে পরেছেন কালো টার্টলনেক ও ব্লেজার। হাউন্ডস্টুথ প্যাটার্ন শাড়ির ড্রেপে এনেছে গঠন ও ভারসাম্য, যা ঠান্ডা আবহাওয়ার জন্য বেশ উপযোগী।                       মালাইকা আরোরা। ছবি: সংগৃহীত মালাইকা আরোরা মালাইকা আরোরা শীতের লুকে বেছে নিয়েছেন একদম সহজ ও পরিমিত স্টাইল। কালো টার্টলনেক ও টেইলার্ড সিলুয়েটের অল-ব্ল্যাক পোশাকের সঙ্গে তিনি ব্যবহার করেছেন লাল চামড়ার গ্লাভস, যা হালকা কনট্রাস্ট তৈরি করেছে। লো বান হেয়ারস্টাইল ও সীমিত অ্যাকসেসরিজ তার লুককে রেখেছে পরিষ্কার ও পরিমার্জিত।                   অভিনেত্রী ইশা কোপিকার। ছবি: সংগৃহীত ইশা কোপিকার ভারতীয় অভিনেত্রী ইশা কোপিকার লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে শীতের একটি স্টাইলিশ আউটফিট তুলে ধরেছেন। তিনি ডেনিম ও কর্ডুরয় কাপড়ের বোম্বার জ্যাকেটের সঙ্গে পরেছেন ক্রিম রঙের কেবল-নিট সোয়েটার। এ ছাড়া তাকে আরও পরতে দেখা যায় কালো মিনি স্কার্ট, প্ল্যাটফর্ম বুট ও লেগ ওয়ার্মার। সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা
শীতের সাজে তারা
কার জন্য পরিচালনায় ফিরছেন ফারাহ খান
বলিউডের প্রখ্যাত পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার ফারাহ খান নিশ্চিত করেছেন, তিনি তার পরবর্তী চলচ্চিত্র পরিচালনার কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। যদিও তিনি ইউটিউবের সহজ ও বিনোদনমুখর ভ্লগের মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন, অনেক ভক্ত অপেক্ষা করছেন তার সিনেমা পরিচালনায় ফেরার জন্য। ফারাহ খান, যিনি মেইন হু্ন না, ওম শান্তি ওম এবং তিস মার খান মতো জনপ্রিয় ছবি পরিচালনা করেছেন, সম্প্রতি তার ভ্লগে এই তথ্য শেয়ার করেন। মুম্বাইয়ে অভিনেতা নকুল মেহতার বাড়ি পরিদর্শনের সময় তিনি জানান, এই বছরের শেষের দিকে তিনি তার পরবর্তী পরিচালনামূলক প্রকল্প শুরু করার পরিকল্পনা করছেন। ফারাহ খান বলেন, আমার আগামী কাজের জন্য অনেকেই অনুরোধ করেছেন। আমি ভাবছি, এবার সময় হয়েছে। আমার সন্তানরা কলেজে চলে গেলে আমি ছবির কাজ শুরু করব। তিনি আরও বলেন, যদি তিনি পরিচালনায় ফেরেন, তবে সেটা হবে শাহরুখ খানের সঙ্গে। অন্যথায় তিনি ইউটিউবেই কাজ চালিয়ে যাবেন। এনডিটিভির একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফারাহ খানের এই ঘোষণা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি করেছে। অনেক ভক্ত আশা করছেন, শিগগিরই তারা তার নতুন সিনেমায় তাকে দেখতে পাবেন। এটি বলিউডের প্রভাবশালী নির্মাতাদের মধ্যে একজনের নতুন রূপায়ণের জন্য একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। ফারাহ খানের ইউটিউব ভ্লগ এবং সিনেমার কাজের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করার পরিকল্পনা তাকে ভক্তদের কাছে আরও প্রিয় করে তুলেছে। শাহরুখ খানের সঙ্গে নতুন পরিচালনামূলক কাজের সম্ভাবনা বলিউডে একটি বড় আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। ভক্তরা আশা করছেন, এই বছরের শেষের দিকে ফারাহ খান তাদের নতুন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আবার একবার মুগ্ধ করবেন।
কার জন্য পরিচালনায় ফিরছেন ফারাহ খান
আরও পড়ুন
‘কিং’ মুক্তির তারিখ ঘোষণা করলেন শাহরুখ খান
সমুদ্রের বুকে সূর্যাস্ত উপভোগ করছেন জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী
পুলিশ চরিত্রে প্রথমবার
শীতের সাজে তারা