নোয়াখালীর হাতিয়ায় ধর্ষণ অভিযোগের প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১১ দলীয় জোটের বিজয়ী প্রার্থী ও এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ফেসবুক পোস্ট -এর মাধ্যমে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যায় জেলা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নে বিএনপি-লীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত এক নারী অভিযোগ করেছেন তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।’ সাথে সাথে আমি এসপিকে জানাই। অথচ এখন রাত ১২টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত পুলিশ তার জবানবন্দি নেয়নি। আমি হাতিয়া থেকে জেলা সদরের হাসপাতালে এসে জানতে পারি এখন পর্যন্ত তার জবানবন্দি নেওয়া হয়নি। আমি সাংবাদিকদের সামনেই ফোন দিই পুনরায় এসপিকে। তিনি বললেন— ব্যবস্থা নিচ্ছেন।
হান্নান মাসউদ আরও জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত ওই নারীর মেডিকেল টেস্ট পর্যন্ত করাচ্ছেন না, থানায় অভিযোগ না দিলে তিনি করাবেন না। হাসপাতালে বসেই হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে কয়েকবার কল করি, তিনি ফোন ধরেননি। এমনকি কোনো ডিউটি ডাক্তারও কথা বলতে এগিয়ে আসেননি।
এখন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে সুশীল আর বিএনপি নেতাকর্মীদের পোস্ট দেখছি যে, ‘এটা সাজানো নাটক’ বলে জানান হান্নান মাসউদ।
মাসউদ আরও বলেন, যে নারীর অভিযোগ তার মেডিকেল টেস্ট করালেই তো সত্য বের হয়ে আসার কথা। পুলিশ জবানবন্দি নিয়ে তদন্ত করে মিথ্যা প্রমাণিত হলে, তাহলে যে অভিযোগ করেছে তার আমিও বিচার চাইবো।
হান্নান মাসউদ তার পোস্টে জানান, পরিকল্পিত এক মিডিয়া ব্লক আউট আর প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছে। আরেক ফ্যাসিজমের উত্থান দেখতে যাচ্ছে জাতি। পুরো হাতিয়ায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে বিএনপি প্রার্থীর যে তাণ্ডবলীলা চলছে তার শত ভিডিও ও ও ছবি রয়েছে। আমি পোস্ট করেছি, সবাই নির্বিকার। শত শত এনসিপি-জাময়াত নেতাকর্মীরা হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে, অথচ কোনো অ্যাকশন নেই। সাধারণ জনগণ প্রতিহত করা শুরু করলে কানতে আইসেন না।
মন্তব্য করুন








