ঢাকা, বাংলাদেশ ||
মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||
মাদুরোকেই ‘বৈধ নেতা’ বললেন ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্পের হুমকি সত্ত্বেও চীন-উরুগুয়ের সম্পর্কে অগ্রগতি
কলম্বিয়ায় গেরিলা গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২৭
কলম্বিয়ায় গেরিলা গোষ্ঠীর সংঘর্ষে নিহত ২৭
মধ্যাঞ্চলীয় জঙ্গল এলাকার নিয়ন্ত্রণ ঘিরে সংঘর্ষে জড়িয়েছে কলম্বিয়ার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনীর (ফার্ক) দুই পক্ষ। এতে গোষ্ঠীটির একটি বামপন্থি গেরিলা সংগঠনের অন্তত ২৭ সদস্য নিহত হয়েছেন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ। সামরিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, সাম্প্রতিক মাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী এই সংঘর্ষটি ঘটেছে রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে গুয়াভিয়ার বিভাগের এল রেটোর্নো পৌরসভার একটি গ্রামীণ এলাকায়। অঞ্চলটি কোকেন উৎপাদন ও মাদক পাচারের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংঘর্ষে জড়িত গোষ্ঠীগুলো কলম্বিয়ার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী (ফার্ক) থেকে বিচ্ছিন্ন দুটি অংশ। একটির নেতৃত্বে রয়েছেন নেস্টর গ্রেগোরিও ভেরা, যিনি ‘ইভান মর্ডিস্কো’ নামে পরিচিত। অপর গোষ্ঠীর নেতা আলেকজান্ডার দিয়াজ মেন্ডোজা, যার যুদ্ধনাম ‘ক্যালারকা কর্ডোবা’। সামরিক সূত্র জানায়, উভয় পক্ষই আগে তথাকথিত ‘সেন্ট্রাল জেনারেল স্টাফ’-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল, তবে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে ২০২৪ সালের এপ্রিলে তারা আলাদা হয়ে যায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই সামরিক সূত্র জানিয়েছে, নিহত সবাই ভেরার নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর সদস্য। দিয়াজের গোষ্ঠীর একজন নেতা রয়টার্সকে সংঘর্ষের ঘটনা ও ২৭ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে দিয়াজের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোর সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় রয়েছে। বিপরীতে, সরকার দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি স্থগিত করার পর ভেরার গোষ্ঠী পুনরায় সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে। উভয় গোষ্ঠীই ২০১৬ সালের ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছিল। চুক্তিটির আওতায় প্রায় ১৩ হাজার ফার্ক সদস্য অস্ত্র সমর্পণ করে সামাজিকভাবে পুনর্বাসনের সুযোগ পেয়েছিলেন। ছয় দশকের বেশি সময় ধরে চলা কলম্বিয়ার সশস্ত্র সংঘাত মূলত মাদক পাচার ও অবৈধ খনির অর্থায়নে পরিচালিত হয়ে আসছে। এই সংঘাতে এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছে আরও লাখ লাখ মানুষ। প্রেসিডেন্ট পেট্রোর শান্তি উদ্যোগ বর্তমানে নানা জটিলতায় স্থবির অবস্থায় রয়েছে।
‘বিশেষ সুবিধা’ পেতে ৪৬ কারারক্ষীকে জিম্মি করল বন্দিরা
আরও