আসন্ন গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে ইতোমধ্যে প্রচার শুরু করেছে সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় এবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির সঙ্গে এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করতে সকল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও মাদরাসা পর্যায়ে প্রচার চালাবে সরকার।
প্রচারের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবর্তনের জন্য ‘হ্যাঁ’ শিরোনামের লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ, মোবাইল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে গণভোটের ওপর নির্মিত ডকুমেন্টারি, ভিডিও ক্লিপ ও গান রিলিজ, বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ব্যানার, ফেস্টুন ও স্টিকার সাঁটানো হবে।
সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আলী রীয়াজ বলেন, একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ-তে রায়ের কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে এবারের গণভোট ।
এদিকে রোববার রাতে জামায়াত নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কেউ কেউ বলছেন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচার আইনসম্মত কি না, কিন্তু আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছি এতে কোনো আইনগত বাধা নেই।
তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সংস্কারের পক্ষে থাকা। এবারের ভোট ও গণভোট সফলভাবে করতেই হবে। যে যাই বলুক না কেন, ১২ ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচন কোনো গোঁজামিলের নির্বাচন হবে না।
এ সময় নির্বাচনে জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন সফল এবং দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন








