ঢাকা, বাংলাদেশ ||
মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

ইউআইইউ ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মধ্যে গবেষণা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

এপি ডেস্ক

  ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৭
ছবি: সংগৃহীত

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ) ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মধ্যে একটি গবেষণা সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইউআইইউ ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী এবং ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান জনাব হাসান মাহমুদ রাজা, ইউআইইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া এবং ইউআইইউ ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ (আইএআর)-এর নির্বাহী পরিচালক ও প্রফেসর ইামেরিটাস ড. এম. রিজওয়ান খান।

ইউআইইউ’র উপাচার্য এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের প্রধান, রেজিস্ট্রার, পরিচালক, অনুষদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতা চুক্তির আওতায় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মধ্যে যৌথ গবেষণা সহযোগিতা জোরদার করা হবে এবং সম্মিলিত গবেষণা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের এক্সচেঞ্জ কার্যক্রম এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীদের যৌথ তত্ত্বাবধান পরিচালিত হবে। এ ছাড়া গবেষণা সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ সদস্যরা গবেষণা তহবিল প্রাপ্তির সুযোগ পাবেন।

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ (আইএআর) বিভিন্ন বিষয়ে গুণগত গবেষণা ও গবেষণা কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষকদের জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন (আরএন্ডডি) তহবিল প্রদানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৯ সাল থেকে ইউনাইটেড গ্রুপের সক্রিয় আর্থিক সহায়তায় আইএআর এ পর্যন্ত ৮০ মিলিয়ন টাকারও বেশি গবেষণা তহবিল প্রদান করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বছরে দু’বার গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করে এবং বর্তমানে ১২০টিরও বেশি গবেষণা প্রকল্পে অর্থায়ন করছে।

মন্তব্য করুন

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নতুন উপাচার্য হলেন ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট-২০১০ এর ৩১ (১) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য চার বছরের জন্য তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগ কার্যকর হয়েছে তার যোগদানের তারিখ থেকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ফারাহনাজ ফিরোজের প্রস্তাবের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ আদেশ দেন। ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একজন একাডেমিক নেতা, কৌশলবিদ ও সুশাসন বিশেষজ্ঞ। তার কর্মজীবন তিন দশকেরও বেশি সময়জুড়ে বিস্তৃত। স্টামফোর্ডে যোগদানের আগে তিনি ওমানের Sultan Qaboos University-এর ব্যবস্থাপনা বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের Principles for Responsible Management Education মধ্যপ্রাচ্য অধ্যায়ের ভাইস চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার RMIT University-এ সহযোগী অধ্যাপক, ডেপুটি হেড, অ্যাসোসিয়েট ডিন গবেষণা ও উদ্ভাবন, ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে তিনি টেকসই উন্নয়নভিত্তিক মাস্টার অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস প্রোগ্রাম চালু করেন এবং Jean Monnet Sustainable Development Goals Network-এ ক্লাস্টার লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি Monash University-এ এমফিল (ইন্ডাস্ট্রি) প্রোগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা প্রোগ্রামের পরিচালক ছিলেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক বোর্ডের নির্বাচিত সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া University of Tasmania এবং Massey University-এ একাডেমিক নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ইউনিভার্সিটি অব তাসমানিয়া থেকে পিএইচডি, মনাশ ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র সুশাসন, জননীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, নৈতিকতা ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা কৌশল। তিনি অস্ট্রেলিয়ান রিসার্চ কাউন্সিলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণা অনুদান লাভ করেছেন এবং একাধিক পিএইচডি গবেষক তত্ত্বাবধান করেছেন। একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে স্থানীয় সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা, গবেষণা ও জনসম্পৃক্ততায় তার অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত। রাষ্ট্রপতির নিয়োগাদেশের প্রতি আনুগত্য ও শ্রদ্ধা জানিয়ে সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের আনুষ্ঠানিকভাবে উপাচার্যের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময় বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ও সদস্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের নতুন উপাচার্য হলেন ড. শরীফ নাফে আস্-সাবের
বিইউবিটির ট্রিপল-ই বিভাগের ‘BAC অ্যাক্রেডিটেশন’ অর্জন উদযাপন
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগ সফলভাবে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল (BAC) কর্তৃক ‘অ্যাক্রেডিটেশন’ অর্জনের গৌরব লাভ করেছে। এই অনন্য মাইলফলক উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স হলে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিইউবিটির প্রাতিষ্ঠানিক মান নিশ্চিতকরণ সেলের (IQAC) উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের (BAC) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিইউবিটির ইইই বিভাগের এই অর্জন উচ্চশিক্ষার মানদণ্ড বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত।’  তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানে বিইউবিটি ট্রিপল-ই ডিপার্টমেন্টের সম্মানিত চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আহমেদ আল মনসুর এই অর্জনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ‘শুরু থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। বিইউবিটির এই অর্জন আমাদের সব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সম্মিলিত কঠোর পরিশ্রমের ফল।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শওকত আলী। তিনি বলেন, বিইউবিটি শিক্ষার মান উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় এই অর্জন। BAC অ্যাক্রেডিটেশন আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিল এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য বিষয়েও আমরা এই মান অর্জনে বদ্ধপরিকর। অনুষ্ঠানে অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ইইই বিভাগের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মো. শামসুল আরেফিন ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর মো. সাব্বির হাসান সোহাগকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিইউবিটির ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেসের ডিন প্রফেসর ড. মুন্সী মাহবুবুর রহমান, IQAC এর ডিরেক্টর প্রফেসর ড. কে. আহমেদ আলম এবং ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্সের প্রফেসর শান্তি নারায়ণ ঘোষ। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আমন্ত্রিত অতিথিরা কেক কেটে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই আনন্দঘন মুহূর্তটি উদযাপন করা হয়।
বিইউবিটির ট্রিপল-ই বিভাগের ‘BAC অ্যাক্রেডিটেশন’ অর্জন উদযাপন
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে নতুন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে ২৭ জানুয়ারি নতুন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই সময় নতুন শিক্ষার্থীদের ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি পরিবারের সদস্য হিসেবে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মডার্ন ই-লার্নিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. বদরুল হুদা খান ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার সাফায়েত মোহাম্মদ রাজু। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল, মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী, নৈতিক ও পেশাগতভাবে দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। তারা বলেন, উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে সমাজে নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব এবং শিক্ষার্থীদের সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে নতুন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাঠামো, বিভিন্ন সেবা, ক্লাব কার্যক্রম এবং ক্যাম্পাস জীবন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আয়োজনটি শেষ হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা, রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশলী অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহফুজুর রহমান, আইন অনুষদের ডিন এবিএম ইমদাদুল হক খান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম ইকবাল আজিম, কলা অনুষদের ডিন ড. শাফিয়া আখতার এবং জীবন বিজ্ঞান অনুষদের অ্যাডভাইজার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমেদ। তারা উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান এবং নতুন শিক্ষার্থীদের সফল ও সুন্দর শিক্ষাজীবনের শুভকামনা জানান।
ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে নতুন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে ‘২৪তম এশিয়ান বায়োএথিক্স সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত
স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে ৫ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী ২৪তম এশিয়ান বায়োএথিক্স সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নৈতিকতা জাতি-রাষ্ট্র গঠনে টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি বাংলাদেশ বায়োএথিক্স সোসাইটি এবং এশিয়ান বায়োএথিক্স অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সহযোগিতা করে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং ইউবিওস এথিক্স ইনস্টিটিউট, যা নিউজিল্যান্ড, জাপান ও থাইল্যান্ডভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান। সম্মেলনে ১৩ বিদেশি প্রতিনিধিসহ প্রায় ২০০ নীতিনির্ধারক, গবেষক, চিকিৎসক, পরিবেশবিদ, শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। ৫ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. ড্যারিল ম্যসার, প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব সোভেরিন নেশনস, যুক্তরাষ্ট্র এবং সচিব, এশিয়ান বায়োএথিক্স অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়া বক্তব্য দেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান এবং বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সায়েবা আখতার। উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তারা বলেন, টেকসই জাতি-রাষ্ট্র গঠনে নৈতিকতা কেবল নীতি নির্ধারণের বিষয় নয়। বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও শাসনব্যবস্থার প্রতিটি স্তরে নৈতিকতা একটি মৌলিক ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। ৭ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ড. হালিদা হানুম আখতার। সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন খান বলেন, আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের সাফল্য এখন আর শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে পরিমাপ করা যায় না। রাষ্ট্র কতটা দায়িত্বশীলভাবে বিজ্ঞান পরিচালনা করে, পরিবেশ রক্ষা করে, মানব মর্যাদা নিশ্চিত করে এবং প্রজন্মগত ন্যায় বজায় রাখে সেটিই আজ জাতি গঠনের মূল মানদণ্ড। জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সময়ে নৈতিকতাভিত্তিক শাসনই টেকসই উন্নয়নের কার্যকর পথ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও স্বাস্থ্যসেবায় স্বায়ত্তশাসন, সমতা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে গ্রামীণ ও বস্তি এলাকায় চিকিৎসা সিদ্ধান্তে পর্যাপ্ত অবহিতকরণের অভাব নৈতিক প্রশ্ন তৈরি করছে। সম্মেলনে বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. শামিমা পারভীন লাস্কার। তিনি বলেন, বায়োএথিক্স গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধ তৈরি করে। জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, জৈবপ্রযুক্তি, যুদ্ধ, গণঅভিবাসন, বৈষম্য ও সংঘাতের মতো বৈশ্বিক সংকটে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও শাসনব্যবস্থার প্রতিটি সিদ্ধান্তে বায়োএথিক্স গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেয়। বাংলাদেশ বায়োএথিক্স সোসাইটি ২০০৯ সালে ইউনেস্কোর পৃষ্ঠপোষকতায় অধ্যাপক ড. শামিমা পি. লাস্কার ও অধ্যাপক আরিফ হোসেনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বায়োএথিক্স বিষয়ক সংস্থা। সংস্থাটি দুর্নীতি প্রতিরোধ, মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নৈতিকতা ও নৈতিক চর্চা প্রসারে কাজ করে যাচ্ছে। এটি একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সফল আয়োজন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের একাডেমিক নেতৃত্ব, বৈশ্বিক সংযোগ এবং নীতিনির্ভর গবেষণা ও আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে ‘২৪তম এশিয়ান বায়োএথিক্স সম্মেলন’ অনুষ্ঠিত
বসন্তকে ঘিরে বিশ্বরঙের ‘ফাল্গুন কালেকশন ২০২৬’ উন্মোচন
  বসন্তের রঙ ও বাঙালিয়ানার আবহকে সামনে রেখে বিশেষ ‘ফাল্গুন কালেকশন ২০২৬’ উন্মোচন করেছে দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড বিশ্বরঙ। নতুন এই সংগ্রহে ঋতুর উচ্ছ্বাস, ভালোবাসা ও উৎসবের আমেজ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্যাশন ব্রান্ডটি। ব্র্যান্ড সূত্রে জানা গেছে, ফাল্গুনের প্রাণবন্ত অনুভূতিকে কেন্দ্র করে কালেকশনে ব্যবহার করা হয়েছে উজ্জ্বল হলুদ, বাসন্তী, গোলাপি, সবুজ ও অফ-হোয়াইটসহ নানা রঙের সমন্বয়। পোশাকগুলোতে হালকা ও আরামদায়ক ফেব্রিকের পাশাপাশি নান্দনিক ডিজাইনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রতিদিনের আড্ডা থেকে শুরু করে উৎসবের দিন—সব ক্ষেত্রেই পরা যায় স্বাচ্ছন্দ্যে। এই কালেকশনে নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য শাড়ি, কুর্তি, থ্রি-পিস, পাঞ্জাবি ও টপস রাখা হয়েছে। দেশীয় মোটিফ ও হ্যান্ডলুম অনুপ্রাণিত নকশার সঙ্গে আধুনিক কাটিংয়ের মেলবন্ধন ঘটিয়ে পোশাকগুলো তৈরি করা হয়েছে বলে জানায় ডিজাইন টিম। তাদের ভাষ্য, “ফাল্গুন মানেই রঙে রঙে অনুভূতির প্রকাশ। বসন্তের ভালোবাসা, আনন্দ এবং দেশীয় শিকড়কে ফ্যাশনের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আমরা।” বিশ্বরঙ জানিয়েছে, ‘ফাল্গুন কালেকশন ২০২৬’ দেশের সব শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন অর্ডারের সুবিধাও রাখা হয়েছে। ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ফাল্গুনের রঙ মানেই নতুন শুরু। এই কালেকশনের মাধ্যমে মানুষের অনুভূতি, উৎসব ও ভালোবাসাকে পোশাকের ভাষায় প্রকাশ করতে চেয়েছি আমরা।”
বসন্তকে ঘিরে বিশ্বরঙের ‘ফাল্গুন কালেকশন ২০২৬’ উন্মোচন
‘ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে পুষ্টি’ সিম্পোজিয়াম ও ‘অপটিমা’ ব্র্যান্ড উদ্বোধন
‘ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে পুষ্টি : জিএলপি-১ থেকে হৃদরোগ মুক্তি’ বিষয়ক সিম্পোজিয়াম এবং ‘নিউট্রিকা লিমিটেড’-এর ‘অপটিমা’ খাবার প্রতিস্থাপক ব্র্যান্ডের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন কনভেনশন সেন্টারে উদ্বোধন করা হয়। সিম্পোজিয়ামে চেয়ারপারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- দেশের স্বনামধন্য পুষ্টিবিদ, বারডেম-এর খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান এবং প্রধান নিউট্রিশন অফিসার আখতারুন নাহার আলো, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পুষ্টিবিদ সৈয়দা লিয়াকত এবং বারডেমের খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের সদ্য সাবেক প্রধান এবং প্রধান নিউট্রিশন অফিসার সামসুন নাহার মহুয়া, নিউট্রিকা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ আমিন, পরিচালক ফজলুর রাশিদসহ অন্যরা। বক্তারা ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে জিএলপি-১ থেকে হৃদরোগ মুক্তির বিভিন্ন পর্যায়ে পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ খাদ্য-প্রতিস্থাপকের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পুষ্টিবিদ সৈয়দা লিয়াকত বলেন, হৃদরোগ পরবর্তী রিকভারিতে সুষম খাবার প্রতিস্থাপক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আবার রোগীদের দৈনন্দিন জীবনযাপনে সুষম খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রখ্যাত খাদ্য ও পুষ্টিবিদ সামসুন নাহার মহুয়া উপস্থিত ডায়াটিশিয়ানদের জিএলপি-১ চর্চায় সাবধানতা অবলম্বন করে রোগীর ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী চর্চার আহ্বান জানান। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে, ‘নিউট্রিকা’ ডায়াবেটিস, অর্থোপেডিক এবং অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের সুষম খাদ্য এবং দ্রুত আরোগ্যের প্রয়োজন মেটাতে চারটি থেরাপিউটিক ফর্মুলা তৈরি করেছে, যা বাংলাদেশের বাজারে ‘অপটিমা’ ব্র্যান্ড নামে চালু করা হয়েছে। উদ্বোধনী বক্তব্যে, ‘নিউট্রিকা’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ আমিন বলেন, আমরা দেশের অপুষ্টি সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করছি এবং রোগীদের যত্নের জন্য আমদানি-বিকল্প পুষ্টি সমাধান তৈরি করছি। আমরা আশাবাদী যে আমাদের ‘অপটিমা’ ব্র্যান্ড ডায়াবেটিস, অর্থোপেডিক এবং অস্ত্রোপচার পরবর্তী রোগীদের খাবার প্রতিস্থাপন ফর্মুলার মাধ্যমে আরোগ্য করতে সাহায্য করবে। আমরা বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে পণ্য দিয়ে জাতির সেবা করার প্রত্যাশা করছি। স্বনামধন্য পুষ্টিবিদ মিসেস আখতারুন নাহার আলো সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণকারী প্রায় ১৫০ ডায়াটিশিয়ানকে ধন্যবাদ জানান। দেশে আমদানি-বিকল্প মানসম্পন্ন খাদ্য-প্রতিস্থাপকের উৎপাদন উদ্যোগের জন্য নিউট্রিকা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন, এতে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সঙ্গে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।
‘ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে পুষ্টি’ সিম্পোজিয়াম ও ‘অপটিমা’ ব্র্যান্ড উদ্বোধন
ব্র্যাক ব্যাংকের ডিএমডি ও চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার হলেন মনজুলা মোরশেদ
ব্র্যাক ব্যাংক সম্প্রতি মনজুলা মোরশেদকে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। একজন অভিজ্ঞ এইচআর প্রফেশনালের এই নিয়োগ ব্যাংকটির পিপল-ফার্স্ট এজেন্ডার প্রতিফলন এবং সিনিয়র লিডারশিপ টিমকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। মনজুলা মোরশেদের নিয়োগ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। মনজুলা মোরশেদের টেলিকমিউনিকেশন, ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্যাংকিং, এফএমসিজি খাতে মানবসম্পদ এবং সাংগঠনিক নেতৃত্বে ২৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি কৌশলগত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৃহৎ পরিসরের সাংগঠনিক রূপান্তর বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে পরিচিত। ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, মনজুলা মোরশেদের নিয়োগ ব্র্যাক ব্যাংকের রূপান্তরমুখী কৌশলগত পরিকল্পনার প্রতিফলন। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে ব্যাংক দেশের সবচেয়ে আস্থার, উদ্ভাবনী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তার সক্ষমতা প্রতিষ্ঠানকে একটি লক্ষ্যমুখী এবং উচ্চ কর্মক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার যাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মনজুলা মোরশেদের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা ব্যাংকে কর্মসহায়ক সংস্কৃতি নিশ্চিত করবে এবং চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট ও ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্টে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে, যা দ্রুত এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদানের আগে মনজুলা মোরশেদ সেকেন্ড মাউন্টেন কনসাল্টিংয়ে লিড কনসালট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানে কৌশলগত মানবসম্পদ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। এর আগে তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড এবং লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট লিমিটেডে চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশে সিনিয়র লিডারশিপ দায়িত্বও পালন করেছেন। তার প্রফেশনাল জার্নি শক্তিশালী একাডেমিক ও এক্সিকিউটিভ ডেভেলপমেন্ট অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে বিবিএ, এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ইনসিয়াড, লন্ডন বিজনেস স্কুল ও ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড থেকে এক্সিকিউটিভ লিডারশিপ, অ্যাডভান্সড এইচআর প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন।
ব্র্যাক ব্যাংকের ডিএমডি ও চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার হলেন মনজুলা মোরশেদ
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম সমাবর্তন রাজধানীর আফতাবনগর খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিপিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিগ্রি প্রদান করেন। সমাবর্তনে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট ও গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের মোট ১ হাজার ৮৫৭ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়। এ ছাড়া সিজিপিএ ৪.০০-এর মধ্যে ৪.০০ অর্জনকারী অনন্য মেধাবী ৯ জন শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। ডিগ্রি প্রদান শেষে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম বলেন, জ্ঞান ও দক্ষতা তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা নৈতিকতার আলোকে পরিচালিত হয়। এ সময় সমকালীন বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি জাতীয় ও বৈশ্বিক অস্থিরতা দূর করে একটি শান্তিপূর্ণ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রকৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, মানুষের অস্তিত্ব প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল; তাই প্রকৃতি রক্ষার নৈতিক দায়িত্ব সবারই রয়েছে। অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী। তিনি বলেন, আমাদের জাতি এখন শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, বরং সমস্যার সমাধানকারী ও নৈতিক পেশাজীবী খুঁজছে। তার মতে, উচ্চ বেতন, পদবি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আকর্ষণীয় প্রোফাইলই সফলতার একমাত্র মাপকাঠি নয়; বরং সমাজ, দেশ ও বিশ্বের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারাই প্রকৃত সফলতা। তিনি আরও বলেন, বারবার ব্যর্থতার মধ্য দিয়েই একসময় সাফল্য আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদা মেধাকে প্রাধান্য দিয়ে সকলকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে এগিয়ে চলার চেষ্টা করেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এখান থেকে অর্জিত দক্ষতা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ কাজে লাগিয়ে গ্র্যাজুয়েটরা ভবিষ্যতে একটি বৈষম্যহীন ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শামস রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ডিগ্রি অর্জনের আত্মতৃপ্তিতে ‘কমফোর্ট জোনে’ থেমে থাকলে স্থবিরতা চলে আসে। তাই ভবিষ্যৎ নির্মাণে কমফোর্ট জোন ছেড়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতা শুধু সহকর্মীদের সঙ্গেই নয়, বরং বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ ব্যক্তির সঙ্গেও হতে পারে। পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্টজন, ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারপার্সন, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, গ্র্যাজুয়েট ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা জীবনের শেষে সময়মতো সনদ হাতে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।
ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত
জুলাই গ্রাফিতির নতুন নোট আসছে মঙ্গলবার
‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাজারে ছাড়া হচ্ছে এ নোট। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের সব মূল্যমানের (১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫ ও ২ টাকা) নোট মুদ্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে ১০০০, ৫০০, ১০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট বাজারে প্রচলনে এসেছে। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার নোট আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থেকে প্রথমবারের মতো বাজারে ছাড়বে। প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে নোটটি ইস্যু করা হবে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকেও বিতরণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, নতুন ১০ টাকার নোটটির আকার ১২৩ মিলিমিটার × ৬০ মিলিমিটার। নোটের সম্মুখভাগে বাঁ পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে জাতীয় ফুল শাপলার ছবি রয়েছে। পেছন ভাগে মুদ্রিত হয়েছে গ্রাফিতি ২০২৪-এর চিত্র। নোটটির রঙে গোলাপির আধিক্য রয়েছে। নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে—নোটের সম্মুখভাগের বাঁ পাশে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ, ঢাকার ছবি ও মাঝখানে ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা, কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি এবং নোটের পেছনভাগে গ্রাফিতি ২০২৪-এর ছবি মুদ্রিত আছে। তা ছাড়া জলছাপে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘১০’, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম, ২ মিলিমিটার চওড়া রং পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা সুতা, See-Through ইমেজ ও মাইক্রোপ্রিন্ট। এর নিচে উজ্জ্বল ইলেকট্রোটাইপ জলছাপে ‘10’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ রয়েছে। নোটটিতে গোলাপি রঙের আধিক্য রয়েছে। নোটটি নাড়াচাড়া করলে নিরাপত্তা সুতার রং লাল থেকে সবুজে পরিবর্তিত হবে বলেও জানানো হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, নতুন ১০ টাকার নোট বাজারে এলেও বর্তমানে প্রচলিত সব কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রা আগের মতোই বৈধ থাকবে। পাশাপাশি মুদ্রা সংগ্রাহকদের জন্য ১০ টাকার নমুনা (Specimen) নোটও মুদ্রণ করা হয়েছে, যা বিনিময়যোগ্য নয়। এসব নমুনা নোট নির্ধারিত মূল্যে টাকা জাদুঘর বিভাগ, মিরপুর থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
জুলাই গ্রাফিতির নতুন নোট আসছে মঙ্গলবার