ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
চৌদ্দগ্রামে সম্প্রীতির বার্তা, ডা. তাহের এমপি'র পক্ষ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীদের উপহার সামগ্রী বিতরণ
চৌদ্দগ্রামে অস্বচ্ছল হিন্দু পরিবারকে জামায়াতের ঘর উপহার
চৌদ্দগ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বিদায়ী সংবর্ধনা
চৌদ্দগ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে বিদায়ী সংবর্ধনা
কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের কালিকসার-দূর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধরকে অবসর জনিত কারনে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান। বৃহস্পতিবার বিকালে বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন মাস্টারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবু বকর মোহাম্মদ সিদ্দিক, চিওড়া বালিকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুল হক, কুলিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাহিদ আকতার, বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক পঙ্কজ কুমার ভোমিক, স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র আবুল কালাম আজাদ, মাসুদুর হক, আবদুল হান্নান, মানপত্র মাঠ করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোস্তফা নুর উদ্দিন সাফিন। শাহজালাল ভূঁইয়া সুমন ও ইদ্রিস ফরায়েজি বাবলু পরিচালনায় এ সময় অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন স্কাইল্যাব হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মাঈন উদ্দিন মাসুদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক একেএম জাকারিয়া, মুকবুল আহমেদ, পেয়ার আহমেদ ফরায়েজি, আমির হোসেন মেম্বার প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায়  ৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিদে কৃতিত্ব অর্জনকারীদের মাঝে ক্রেস প্রদান করা হয়। বিদায়ী প্রধান শিক্ষক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমি দীর্ঘ ৩২বছর এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে আসছি। আজকের এই বিদায়ী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে দেয়ার মত অবস্থায় নেই। তবে এই স্কুল আপনাদের সম্পদ, এটি আপনারা রক্ষনাবেক্ষণ  করবেন। আমরা ৬ জন শিক্ষকের মধ্যে আমিসহ ৩জন শিক্ষক বিদায়ী নিচ্ছি। বাকি ৩জন মহিলা শিক্ষক রেখে গেলাম। আপনারা তাদের খেয়াল রাখবেন। ভুল হলে শুধড়ে দিবেন। আর এই শিক্ষক জীবনে যদি আমি কাউকে কখনো কষ্ট দিয়ে থাকি, আমাকে আপনারা ক্ষমা করে দিবেন। আপনারা আমার জন্য দোয়া  করবেন যাতে বাকি জীবনটা সুস্থ থাকতে পারি।
চৌদ্দগ্রামে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে পূজা মন্ডপে অনুদান হস্তান্তর
চৌদ্দগ্রাম পরকিয়ার জেরে যুবককে গণপিটুনি, অস্ত্রসহ পুলিশে সোপর্দ
চুরির মামলায় গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থী ফরিদ আমিন আটক
প্রস্রব বেদনা উঠলে সাংবাদিকদের কাছে যেতে বললেন নারী চিকিৎসক
চৌদ্দগ্রামে মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে ভূমির সুষ্ঠু ব্যবহার ও কৃষিজমি সংরক্ষণে মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং বিষয়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  বুধবার উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের টিম লিডার এ.আর.এম খালেকুজ্জামান।  বিশেষ অতিথি ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের জিআইএস স্পেশালিস্ট মোঃ মাহবুবুর রহমান।  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি সৈয়দ সাফকাত আলী, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবীদ জোবায়ের হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী জাকির হোসেন আকন্দ, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজী, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউপির চেয়ারম্যান-প্যানেল চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্টেকহোল্ডারবৃন্দ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং প্রকল্পের টিম লিডার এ.আর.এম খালেকুজ্জামান বলেন, দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে মৌজা ও প্লটভিত্তিক ভূমির তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  ডিজিটাল ভূমি জোনিংয়ের মাধ্যমে কৃষিজমি, আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা, শিল্পাঞ্চল, জলাশয় ও অন্যান্য ভূমি আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যাবে। ফলে অপরিকল্পিত ভূমি ব্যবহার রোধের পাশাপাশি কৃষিজমি ও জলাশয় সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে।  ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরি হলে ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাজ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি ভূমি ব্যবহারের ধরন পরিবর্তনের তথ্য সংরক্ষণ ও পর্যবেক্ষণ করাও সম্ভব হবে।

মসজিদে ফজরের নামাজের আগেই মুয়াজ্জিমের মৃত্যু

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফজরের নামাজ পড়তে মসজিদে প্রবেশ করেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মোঃ শাহজাহান মিস্ত্রী নামে এক মুয়াজ্জিন মৃত্যুবরণ করেছেন।  মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রাম পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহজাহান মিস্ত্রী একই গ্রামের আর্মি বাড়ির মৃত সুজত আলীর ছেলে। বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো বাগৈগ্রাম পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন শাহাজাহান মিস্ত্রী মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের আজান দেয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদের সামনে যান। সেখানে তিনি তিনি হুজুরাখানা থেকে ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলামকে ঘুম থেকে ডেকে তুলেন। এরপর তিনি যথারীতি মসজিদে প্রবেশ করেই নির্দিষ্ট সময়ে আজান দেয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। হঠাৎ তিনি মাথা ঘুরে নিচে পড়ে যাওয়ার আওয়াজ শুনে ইমাম দৌড়ে মসজিদে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি মসজিদের মুসল্লি আবদুল ওয়াদুদ, মোঃ ইয়াছিন, ইসমাইল হোসেন, মুয়াজ্জিনের ছেলে হাসান আর্মিকে খবর দেন। তারা মসজিদে প্রবেশ করেই মুয়াজ্জিনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। ওই সময় আবদুল ওয়াদুদ ফজরের নামাজের আজান দেন। নামাজ শেষে হাসান আর্মিসহ মুসল্লিগণ মুয়াজ্জিন শাহাজাহান মিস্ত্রীর লাশ বাড়িতে নিয়ে যায়। মুয়াজ্জিনের মৃত্যুর খবর শুনে আশ-পাশের লোকজন বাড়িতে ভীড় করে। নামাজে জানাযা শেষে তাকে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। বাগৈগ্রাম পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে বলেন, আমি এ মসজিদে যোগদান করেছি বেশি দিন হয়নি। মুয়াজ্জিন শাহজাহান মিস্ত্রী প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে আজান দেয়ার উদ্দেশ্যেই মসজিদে আসেন। এরপর আমাকে সজাগ করার পর আজান দেয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে অপেক্ষা করেন। এর কিছুক্ষণ পর তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার আওয়াজ শুনে মসজিদে ঘিয়ে দেখি, তিনি মারা গেছেন। মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হারিছ মাস্টার বলেন, ইমামের মাধ্যমে জানতে পেরে মুয়াজ্জিন শাহাজাহান মিস্ত্রীর বাড়িতে গিয়ে শোকাহত পরিবারকে শান্তনা দিয়েছি। শ্রীপুর ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান শাহ আলম বলেন, লোক মারফত জানতে পেরেছি, বাগৈগ্রাম পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন শাহজাহান মিস্ত্রী ফজরের আজান দেয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থানকালে লুঠিয়ে পড়ে ইন্তেকাল করেছেন।

আজান দিতে মসজিদে ঢুকেই মৃ'ত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন মুয়াজ্জিন

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফজরের নামাজের আজান দেওয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে গিয়েই মৃত্যুবরণ করেছেন মুয়াজ্জিন মো. শাহজাহান মিস্ত্রী। আজ মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাগৈগ্রাম পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। মসজিদের ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলাম বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। শাহজাহান মিস্ত্রী একই গ্রামের আর্মি বাড়ির মৃত সুজত আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে আজান দেওয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে যান তিনি। মসজিদে যাওয়ার আগে শাহজাহান মিস্ত্রী হুজুরাখানা থেকে ইমাম মাওলানা নুরুল ইসলামকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। মসজিদে প্রবেশের পর নির্ধারিত সময়ে আজান দেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। মসজিদের ভেতরে হঠাৎ পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে ইমাম সেখানে যান। পরে মুসল্লি আবদুল ওয়াদুদ, মো. ইয়াছিন, ইসমাইল হোসেন এবং মুয়াজ্জিনের ছেলে হাসান আর্মিকে খবর দেওয়া হয়। মসজিদে পৌঁছে তাঁরা শাহজাহান মিস্ত্রীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। ওই সময় আবদুল ওয়াদুদ ফজরের আজান দেন। নামাজ শেষে হাসান আর্মিসহ মুসল্লিরা শাহজাহান মিস্ত্রীর মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান। জানাজা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামের কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এ মসজিদে যোগদান করেছি বেশি দিন হয়নি। মুয়াজ্জিন শাহজাহান মিস্ত্রী প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার ভোরে আজান দেওয়ার উদ্দেশ্যেই মসজিদে আসেন। এরপর আমাকে সজাগ করার পর আজান দেওয়ার উদ্দেশ্যে মসজিদে অপেক্ষা করেন। এর কিছুক্ষণ পরই সম্ভবত তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। পড়ার আওয়াজ শুনে মসজিদে গিয়ে দেখি, তিনি মারা গেছেন।’

চৌদ্দগ্রামে কিশোর গ্যাং গ্রুপ ‌‌‘১২০৭’এর দুই লিডার গ্রেফতার

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় আলোচিত কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় রয়েছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে রোববার রাতে কিশোর গ্যাং-১২০৭ গ্রুপের দুই লিডারকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো; লনিশ্বর গ্রামের তারেক হোসেন সৈকত ও কোমারডোগা গ্রামের জাফর আহমেদ। সোমবার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন। জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বেড়েছে। ফলে সাধারণ বিষয় নিয়েও আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটছে। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান পিপিএম এর নির্দেশে পুলিশের প্রতিটি ইউনিট কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে রোববার রাতে চৌদ্দগ্রাম থানা এলাকা ১২০৭ গ্যাং এর মূলহোতা লনিশ্বর গ্রামের তারেক হোসেন সৈকত ও কোমারডোগা গ্রামের মোঃ জাফর আহমদকে গ্রেফতার করেছে। তাদের গ্রেফতারে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষা এবং সমাজকে অপরাধমুক্ত রাখতে কিশোর গ্যাং ও অন্যান্য অপরাধ দমনে পুলিশের সাড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের দমনে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

বাসায় ঝগড়া করে দুই মাদ্রাসাছাত্রী কক্সবাজারে, অবশেষে হোটেলে...

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়া দুই কিশোরী মাদ্রাসা ছাত্রীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কক্সবাজার ডিপি পুলিশের একটি টিম ও চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের টিমের যৌথ সমন্বয়ে মঙ্গলবার রাতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত এলাকার গ্রীণ প্যারাডাইজ হোটেলের ১০১ নম্বর কক্ষ থেকে নিখোঁজ দুই কিশোরী মাহিমা ইসলাম মাহি (১২) ও তানিসা আক্তার (১৪) কে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।  প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোরী জানায়, পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে তারা স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে কক্সবাজার চলে যায়।       জানা যায়,  গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ০৮.৩০ ঘটিকার সময় মাহিমা ইসলাম মাহি (১২) ও তানিসা আক্তার (১৪) চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কাশিনগর এলাকার আল-আমিন মহিলা মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। পরবর্তীতে তারা মাদ্রাসায় না পৌঁছানো এবং বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও তাদের সন্ধান না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে চৌদ্দগ্রাম থানায় পৃথকভাবে দুইটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। নিখোঁজের বিষয়টি অবগত হওয়ার পর কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুজ্জামান, পিপিএম মহোদয়ের নির্দেশনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হয়। নিখোঁজ দুই কিশোরীর সন্ধান ও উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এরপর চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার একটি চৌকশ দল এবং জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লার একটি চৌকশ দল সমন্বিতভাবে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও বিভিন্ন মাধ্যমে অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করে। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে নিখোঁজ দুই কিশোরীর অবস্থান কক্সবাজার জেলায় শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে কক্সবাজার ডিবি পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে সমুদ্রসৈকত এলাকার গ্রীণ প্যারাডাইজ হোটেলের ১০১ নম্বর কক্ষ থেকে নিখোঁজ দুই কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোরী জানায়, পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে তারা স্বেচ্ছায় বাড়ি থেকে বের হয়ে কক্সবাজার চলে যায়। চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন জানান, উদ্ধারকৃত দুই কিশোরীকে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

চৌদ্দগ্রাম বাজারে ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড মালামাল পুড়ে ছাঁই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারে বনফুল ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোর সুপারশপে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে অন্তত কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাঁইয়ে পরিণত হয়েছে। সোমবার সকাল আনুমানিক ৯টায় রহস্যজনকভাবে সুপারশপটির ভিতর থেকে আগুনের সুত্রপাত হয়। মূহুর্ত্বের মধ্যেই পুরো ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।  দোকানের মালিক ফয়সাল জানান, সোমবার (২৮শে সেপ্টেম্বর) সকালে আগুনের খবর পেয়ে ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরে আসি। এসে দেখি ষ্টোরের সকল মালামাল পুড়ে ছাইয়ে পরিণত হয়েছে। অন্তত কোটি টাকার মালামাল পুড়ে যাওয়ায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। আগুনের ভয়াবহতায় কোন মালামালি সেভ করা সম্ভব হয়নি। এদিকে ভয়াবহ এই অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ঘটনাাস্থল পরিদর্শন করেন চৌদ্দগ্রাাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মোঃ ইয়াছিন, পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব বদিউল আলম খাঁ নোমান  ও চৌদ্দগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন। চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোঃ মেহেদী হাসান জানান, সোমবার সকাল আনুমানিক ৯টায় রহস্যজনকভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে চৌদ্দগ্রাাম ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট অন্তত ঘন্টাব্যাপী কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মহিম উদ্দিন জানান, আগুনের খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখি। যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সকল উৎসুক জনতাকে নিয়ন্ত্রন করি।

চৌদ্দগ্রামে মাদরাসার উদ্দেশ্যে বের হয়ে দুই কিশোরী নিখোঁজ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কাশিনগরে মাদরাসার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছে মাহিমা আক্তার মাহি ও তানিশা আক্তার নামের দুই কিশোরী। গত চার দিনেও তাদের সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটায় কাশিনগর আল-আমিন মাদরাসার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় জুগিরকান্দি গ্রামের মাহিমা আক্তার মাহি ও তানিশা আক্তার। এরপর রাত পর্যন্ত তারা বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুজি শুরু করেন। কিন্তু দীর্ঘ চার দিন অতিবাহিত হলেও তাদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফলে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। মাহিমা আক্তার মাহির নিখোঁজের বিষয়ে তাঁর মাতা তাছলিমা আক্তার বাদি হয়ে থানায় জিডি করেছেন।   চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করতে তাদেরকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও
X