ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
বাজিতপুর ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
বাজিতপুর-কুলিয়ারচর-নিকলীতে পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্বে আনসার-ভিডিপির সদস্যরা
বাজিতপুরে রোগী আছে, ডাক্তার নেই, সংকটে খাবার ও ঔষধ
বাজিতপুরে রোগী আছে, ডাক্তার নেই, সংকটে খাবার ও ঔষধ
বাজিতপুর উপজেলাটি একটি পৌরসভা সহ ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই উপজেলায় প্রায় ৪ লক্ষ লোকের বসবাস। যেখানে ডাক্তার থাকার কথা ২০ জন সেখানে মূলত ডাক্তার রয়েছে ৫-৬ জন।  প্রতিদিন আউটডোরে ৪০০ থেকে ৫০০ জন রোগীর বড় লাইন লেগে যায়। রোগীরা ডাক্তারদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এই হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬৮ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ১০ জন, শিশু রোগী, বৃদ্ধ রোগীরা বিভিন্ন ধরনের কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও ভর্তি হওয়ার পর স্যালাইন থেকে শুরু করে সব ঔষধ বাহির থেকে কিনে আনতে গিয়ে তাদের সবই যেন শেষ হয়ে যায়।  হাসপাতালের সামনে কয়েকটি নামে মাত্র ডায়াগনষ্টিক সেন্টার থাকলেও তাদের পরীক্ষার মান নিম্ন পর্যায়ে থাকার কারণে ডাক্তারগণ সঠিক চিকিৎসা দিতে পারছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও বাজিতপুরের বিভিন্ন এলাকায় নামে বেনামে ডায়াগনষ্টিক সেন্টার স্থাপিত হয়েছে। ডাক্তাররা কমিশন বাণিজ্য করছে বলে এলাকায় অভিযোগ রয়েছে।  হাসপাতালে গেলে সাধারণ রোগীরা প্যারাসিটামল ও কিছু ঔষধ ছাড়া বাকি ঔষধগুলো বাহির থেকে ক্রয় করতে হয়। অর্থপ্রেডিক্স, মেডিসিন বিভাগে গেলে একই অবস্থা। এছাড়াও প্রসূতি মায়েদের ঔষধপত্র সবই যেন এক অন্য জগতের উপায়ের মধ্যে রয়েছে হাসপাতালটি। গরিব প্রসূতি মায়েরা তাদের সন্তান প্রসব করার জন্য  হাসপাতালে যায় কিন্তু মোটা অংকের টাকা তাদেরকে গুণতে গিয়ে তারা সর্বশান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভর্তিরত রোগীদের খাবারের মান খুবই নিম্নমানের বলে রোগীদের অভিযোগ। গত সরকারের আমলে এই হাসপাতালটি মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হিসেবে পরিগণিত হয়েছে। এখন এলাকাবাসীর দাবি, এই ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি ১০০ শয্যা হাসপাতালে পরিণত হলে তাদের উপকার হবে বলে অনেকে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন।  বাজিতপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প: প: ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রাবেয়া আক্তার বলেন, ডাক্তার সংকট বহুদিন ধরে। হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডাক্তার আসলে রোগীদের আর কোন কষ্ট হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।   
বাজিতপুরে আন্তজার্তিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত
বাজিতপুরে রোগী আছে, ডাক্তার নেই, সংকটে খাবার ও ঔষধ
বাজিতপুর ও কুলিয়ারচরে জাতীয় শিশু কন্যা দিবসের আলোচনা সভা
বাজিতপুরে সমাজসেবায় মানবতার ফেরিওয়ালা নাসির উদ্দিন সোহাগ
বাজিতপুরে সড়ক দূর্ঘটনায় ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌরশহরের পৌরসভার সামনে রাস্তায় গুরুতর আহত আফতাব উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম সালফি (১৪) এর দাফন গত রবিবার তার গ্রামের বাড়ী বলিয়ার্দী পুরানবাড়ীতে দাফন সম্পন্ন হয়েছে তার পিতার নাম রফিকুল ইসলাম রোকন ও বলিয়ার্দী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শিল্পী আক্তারের একমাত্র ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার পৌরসভার সামনে হোন্ডা দিয়ে রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয়।  প্রথমে তাকে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা অবনতি দেখে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তার মৃত্যুতে আফতাব উদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী গভীর শোক প্রকাশ করেন। 

বাজিতপুরে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি: চাপে সাধারণ মানুষ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে বাড়তি চাপ। বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, পেঁয়াজ, রসুন, আলু, ডিম, মাছ-মাংস ও বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। আয়-রোজগার আগের মতো থাকলেও প্রতিদিনের বাজার খরচ বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষকে হিসাব কষে সংসার চালাতে হচ্ছে। সরেজমিনে বাজিতপুর পৌর বাজার, কলেজ রোড, সরারচর ও আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই নিত্যপণ্য কিনতে ক্রেতাদের ভিড়। তবে অনেকেই প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিমাণ কমিয়ে কিনছেন। কেউ এক কেজির পরিবর্তে আধা কেজি, কেউ সপ্তাহের বাজার একবারে না করে দুই-তিন দফায় করছেন। ক্রেতাদের অভিযোগ, একই পণ্যের দাম দোকানভেদে ভিন্ন। আবার কয়েক দিন পরপরই দাম পরিবর্তন হচ্ছে। ফলে বাজারে এসে নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিক্রেতাদের বক্তব্য বাজিতপুর পৌর বাজারের এক মুদি দোকানের বিক্রেতা ‘রহিম’ (ছদ্মনাম) বলেন, “আমরা ইচ্ছা করে দাম বাড়াই না।  পাইকারি বাজার থেকে যে দামে মাল কিনি, তার সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যোগ করে বিক্রি করতে হয়। পাইকারিতে দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ে।” আরেক বিক্রেতা ‘করিম’ (ছদ্মনাম) বলেন, “আগে যে পরিমাণ পণ্য বিক্রি হতো, এখন অনেক ক্রেতাই পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। দাম বাড়ার কারণে বিক্রিও কমেছে। এতে ক্রেতা যেমন সমস্যায় আছেন, ছোট ব্যবসায়ীরাও চাপের মধ্যে আছেন।”  পাইকারি বাজারের চিত্র বাজিতপুরের এক পাইকারি ব্যবসায়ী ‘সেলিম’ (ছদ্মনাম) জানান, “বিভিন্ন পণ্য আমাদের স্থানীয় বাজারে আসে বাইরের জেলা ও মোকাম থেকে। সেখানে পরিবহন ব্যয়, শ্রমিক খরচ ও অন্যান্য খরচ বেড়েছে। সরবরাহ কমে গেলে বা মোকামে দাম বাড়লে এখানেও দাম বাড়ে।” তবে বাজারসংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করেন, শুধু সরবরাহ ব্যয় নয়Ñমধ্যস্বত্বভোগী, অতিরিক্ত মুনাফা এবং বাজার তদারকির দুর্বলতাও কোনো কোনো পণ্যের দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। এ বিষয়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা। ভোক্তাদের ক্ষোভ বাজিতপুর উপজেলার এক মধ্যবিত্ত চাকরিজীবী ‘জাহাঙ্গীর’ (ছদ্মনাম) বলেন, “মাসের শুরুতে বাজারের জন্য যে টাকা রাখি, মাস শেষ হওয়ার আগেই তা শেষ হয়ে যায়। আগে যে টাকায় কয়েক দিনের বাজার করা যেত, এখন একই টাকায় প্রয়োজনীয় জিনিসও ঠিকমতো কেনা যায় না।” একজন নিম্নআয়ের শ্রমজীবী ‘আবদুল হক’ (ছদ্মনাম) বলেন, “দিনে যা আয় করি, তার বড় অংশই বাজার খরচে চলে যায়।  চাল-ডাল, তেল আর সবজির দাম দিতে গিয়ে মাছ-মাংস তো দূরের কথা, অনেক সময় প্রয়োজনীয় অন্য জিনিসও বাদ দিতে হয়।” এক গৃহিণী ‘শাহানা’ (ছদ্মনাম) বলেন, “সংসারের বাজেট ঠিক রাখতে বাধ্য হয়ে অনেক পণ্য কম কিনছি। আগে সন্তানদের জন্য কিছু বাড়তি খাবার কিনতাম, এখন দাম দেখে অনেক কিছুই বাদ দিতে হয়।” বাজারে প্রয়োজন কঠোর নজরদারি স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, বাজারে নিয়মিত মূল্যতালিকা প্রদর্শন, পণ্যের ক্রয়মূল্য যাচাই এবং অতিরিক্ত মুনাফার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না গেলে সাধারণ ভোক্তাদের দুর্ভোগ কমবে না। তাদের মতে, উপজেলা প্রশাসন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট বাজার মনিটরিং কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের মূল্য, সরবরাহব্যবস্থা এবং মজুত পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।  প্রশাসনের বক্তব্য এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি বলেনÑ বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। বাজিতপুরের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, বাজারে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান ও কার্যকর বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে। কারণ, বাজারের আগুনে সবচেয়ে বেশি পুড়ছে সেই মানুষটি, যার আয় বাড়েনিÑকিন্তু প্রতিদিনের খরচ বেড়েই চলেছে।

কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু ও হামের রোগির সংখ্যা বেড়েই চলেছে

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর, কুলিয়ারচর, নিকলী, অষ্টগ্রাম, মিঠামইন ও ইটনায় দিন দিন ডেঙ্গু ও হামের রোগির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একদিকে গড়ে যেখানে ডাক্তার থাকার কথা ১৫-২০ জন সেখানে রয়েছে মাত্র ৬-৭ জন। প্রতিটি হাসপাতালে গরীব রোগির সংখ্যা ৮০-৯০ জন রোগি ভর্তি হচ্ছে। প্রতিটি হাসপাতাল ৫০ শয্যা বিশিষ্টি।  কিন্তু ৩০-৪০ জন রোগি সারাধন সীটে না থেকে তাদের’কে নিচে পর্যন্ত গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। এতে করে ডেঙ্গু ও হামের রোগিদের সেবার মান খুব একটা ভালো হচ্ছে না বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। এসব হাসপাতালে খাবারের মান খুব একটা ভালো নয় বলে রোগিদের অভিযোগ। গত বৃহঃস্পতিবার বাজিতপুর সরকারি হাসপাতালে কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মী সরজমিনে গেলে দেখা যায়. যেখানে ৫০ জনের সীট রয়েছে কিন্তু সেখানে ৮০-৯০ জন রোগি ভর্তি হয়েছে। এসব রোগিরা জানান, প্যারাসিটামল ছাড়া হাসপাতালে ঔষধ পাওয়া যায় না। বাহির থেকে স্যালাইন এনে ডেঙ্গু জ্বরের রোগিদের চিকিৎসা করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া মেডিসিন বিভাগ ও অর্থপেডিক্স বিভাগে ডাক্তার প্রায় সময়েই ছুটিতে আছে বলে জানা গেছে।  অন্য দিকে এসব হাসপাতালে বিদ্যুৎ খুব কম থাকার কারণে শিশু ও বৃদ্ধ রোগিরা সবচেয়ে বেশি দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাজিতপুর সরকারি হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা রাবেয়া আক্তার বলেন, গত এক মাসে ডেঙ্গু রোগি হয়েছে ১০৪ জন ও হামের আসিলেও পার্শ্ববর্তী বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় বলে উল্লেখ করেন।

বাজিতপুরে এসএসসি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ অভিযান 

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে গত সমপ্রতি স্কুল প্রাঙ্গনে এস.এস.সি- ২০২৬ এর উত্তীর্ণ ২১ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন এলাকার সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ। এই অনুষ্ঠানে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপন করা হয়। সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। আজকের শিক্ষার্থী আগামী ভবিষ্যতের জন্য জাতিকে চূড়ায় তোলায় একমাত্র উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের এক সময়ের ছাত্র ছিলাম। তোমরাও তোমাদের ভবিষ্যৎকে গড়তে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। এই ইউনিয়নের এই বিদ্যালয় থেকে কেউ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় বড় বিসিএস ক্যাডার অফিসার পর্যন্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাই শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ের  ৮ জন এমপিও ভূক্ত শিক্ষক ও ৪০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে স্কুলটি চলছে। একসময় ১৯৯৪ সনে তার চাচা প্রয়াত এমপি আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জুর হাত দিয়ে স্কুলটির জয়যাত্রা শুরু হয়। তখন স্কুলটি টিন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজ তোমরা চারতলা বিল্ডিংয়ের মধ্যে নিয়মিতভাবে শিক্ষা অর্জন করছো এবং উচ্চ পর্যায়ে চলে যাও সেই দোয়া ওই করি। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবুল কালাম। দিঘীরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি কাজল ভূইয়া, প্রাক্তন শিক্ষক সুকুমার দাস, সমাজসেবক ও ছাত্রনেতা আমজাদ মিয়া বাজিতপুর উপজেলা শাখা ও দিঘীরপাড় বাজার শিল্প ও বণিক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, আপন মিয়া, মর্নিং সান কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবিব, দিঘীরপাড় বোর্ড বাজার শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস মিয়া, শফিকুল ইসলাম, দিঘীরপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফজলে নূর রাব্বী। অনুষ্ঠান শেষে স্কুল করিডোরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ করেন নাসিরউদ্দিন সোহাগ।   

বাজিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এস.এস.সি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপন করলেন সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে গত সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে স্কুল প্রাঙ্গনে এস.এস.সি- ২০২৬ এর উত্তীর্ণ ২১ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন এলাকার সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ। এই অনুষ্ঠানে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপন করা হয়। সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। আজকের শিক্ষার্থী আগামী ভবিষ্যতের জন্য জাতিকে চ‚ড়ায় তোলায় একমাত্র উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের এক সময়ের ছাত্র ছিলাম। তোমরাও তোমাদের ভবিষ্যৎকে গড়তে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। এই ইউনিয়নের এই বিদ্যালয় থেকে কেউ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় বড় বিসিএস ক্যাডার অফিসার পর্যন্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাই শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ের  ৮ জন এমপিও ভ‚ক্ত শিক্ষক ও ৪০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে স্কুলটি চলছে। একসময় ১৯৯৪ সনে তার চাচা প্রয়াত এমপি আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জুর হাত দিয়ে স্কুলটির জয়যাত্রা শুরু হয়। তখন স্কুলটি টিন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজ তোমরা চারতলা বিল্ডিংয়ের মধ্যে নিয়মিতভাবে শিক্ষা অর্জন করছো এবং উচ্চ পর্যায়ে চলে যাও সেই দোয়া ওই করি। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবুল কালাম। দিঘীরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি কাজল ভ‚ইয়া, প্রাক্তন শিক্ষক সুকুমার দাস, সমাজসেবক ও ছাত্রনেতা আমজাদ মিয়া বাজিতপুর উপজেলা শাখা ও দিঘীরপাড় বাজার শিল্প ও বণিক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, আপন মিয়া, মর্নিং সান কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবিব, দিঘীরপাড় বোর্ড বাজার শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস মিয়া, শফিকুল ইসলাম, দিঘীরপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফজলে নূর রাব্বী। অনুষ্ঠান শেষে স্কুল করিডোরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ করেন নাসিরউদ্দিন সোহাগ। 

বাজিতপুরে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে সাত দফা দাবি আদায়ের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন দলিল লেখকরা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাজিতপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন এলাকায় দলিল লেখক সমিতির আহ্বায়ক মো. তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে দুপুর ১২টার দিকে একই এলাকায় তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, দলিল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রতিটি দলিলের জন্য ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা। বক্তারা আরও বলেন, সারাদেশে বিপুলসংখ্যক লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট থানা, জেলা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দলিল লেখার লাইসেন্স দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারিরও দাবি জানান তারা। এ ছাড়া দলিল লেখকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য ‘দলিল লেখক কাউন্সিল’ গঠনের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন বাজিতপুর দলিল লেখক সমিতি ও জেলা দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রায়হান উদ্দিন, জেলা সহদপ্তর সম্পাদক হাজী আনোয়ার উদ্দিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিয়াকত আলী, মো. কামাল হোসেন ও মো. সিহাব উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের দলিল লেখকরা। বক্তারা তাদের সাত দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

বাজিতপুরে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড় উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ আশরাফুল হকের সভাপতিত্বে গত সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে স্কুল প্রাঙ্গনে এস.এস.সি- ২০২৬ এর উত্তীর্ণ ২১ জন শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিলেন এলাকার সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ। এই অনুষ্ঠানে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপন করা হয়। সমাজসেবক নাসির উদ্দিন সোহাগ বলেন, শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। আজকের শিক্ষার্থী আগামী ভবিষ্যতের জন্য জাতিকে চূড়ায় তোলায় একমাত্র উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, আমি এই বিদ্যালয়ের এক সময়ের ছাত্র ছিলাম। তোমরাও তোমাদের ভবিষ্যৎকে গড়তে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। এই ইউনিয়নের এই বিদ্যালয় থেকে কেউ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বড় বড় বিসিএস ক্যাডার অফিসার পর্যন্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তাই শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ের  ৮ জন এমপিও ভূক্ত শিক্ষক ও ৪০০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে স্কুলটি চলছে। একসময় ১৯৯৪ সনে তার চাচা প্রয়াত এমপি আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জুর হাত দিয়ে স্কুলটির জয়যাত্রা শুরু হয়। তখন স্কুলটি টিন দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আজ তোমরা চারতলা বিল্ডিংয়ের মধ্যে নিয়মিতভাবে শিক্ষা অর্জন করছো এবং উচ্চ পর্যায়ে চলে যাও সেই দোয়া ওই করি। এসময় উপস্থিত ছিলেন দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবুল কালাম। দিঘীরপাড় ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি কাজল ভূইয়া, প্রাক্তন শিক্ষক সুকুমার দাস, সমাজসেবক ও ছাত্রনেতা আমজাদ মিয়া বাজিতপুর উপজেলা শাখা ও দিঘীরপাড় বাজার শিল্প ও বণিক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন, আপন মিয়া, মর্নিং সান কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবিব, দিঘীরপাড় বোর্ড বাজার শিল্প ও বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস মিয়া, শফিকুল ইসলাম, দিঘীরপাড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফজলে নূর রাব্বী। অনুষ্ঠান শেষে স্কুল করিডোরে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ করেন নাসিরউদ্দিন সোহাগ। 

আরও
X