ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল কুলিয়ারচরের ফুটবলার জুনায়েদের, শোকের ছায়া
কুলিয়ারচরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মোয়াজ্জেম গ্রেপ্তার
কুলিয়ারচরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান; গ্রেপ্তার-৯
কুলিয়ারচরে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান; গ্রেপ্তার-৯
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে অপরাধ দমন, মাদক উদ্ধার ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযানে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও গাঁজা জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর মঙ্গলবার রাতে উপজেলার দ্বাড়িয়াকান্দি পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- মো. লোকমান মিয়া (২৯), মো. সোহান মিয়া (২৫) ও মো. ফারুক মিয়া (৩৫)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে জুয়ায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ইয়াছিন ওরফে রাহিম মিয়া নামে আরও এক অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। অপর দিকে একই দিনে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ৪০ গ্রাম গাঁজাসহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন মো. রাকিব মিয়া (২৫), মো. রকি মিয়া (১৯), তানজিম (১৯) ও আবু সালাম (৫০)। তাঁদের প্রত্যেকের কাছে ১০ গ্রাম করে গাঁজা পাওয়া যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযানে আটককৃত আকরাম হোসেন (২০)-কে ৬ মাস এবং অনিক মিয়া (২৫)-কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত পরিচালনা করেন কুলিয়ারচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.এইচ.এম ইজাজুল হক। কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় ও কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান প্রসঙ্গে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন- "মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে থানা পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে নিয়মিত এই ধরনের অভিযানের পাশাপাশি অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। কুলিয়ারচরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে।"
কুলিয়ারচরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন
কুলিয়ারচরে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, কিশোরসহ ২ জন আটক
কুলিয়ারচরে সড়ক মেরামত করে দিলেন বিএনপি নেতা বাবুল
ফেসবুকে ‘মাদকবিরোধী লাইভ’ করায় যুবককে কু'পিয়ে জ'খম
কুলিয়ারচরে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ছিনতাই, ২৪ ঘণ্টায় দুই ঘটনায় আতঙ্ক

কুলিয়ারচরে রাতের আধারে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই ও চালককে কুপিয়ে জখম; অপর ঘটনায় যুবককে রক্তাক্ত করে নগদ টাকা লুট কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে আবারও ডাকাত ও ছিনতাইকারী চক্রের তাণ্ডব শুরু হয়েছে।  ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি স্থানে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই এবং এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করে নগদ টাকা ও মালামাল লুট করার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দা ও যানবাহন চালকদের মাঝে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের কুলিয়ারচর উপজেলার আগরপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ইসরাতুল জান্নাত কওমি মহিলা মাদ্রাসার কাছে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে ভৈরব থেকে ময়মনসিংহের দিকে যাচ্ছিলেন।  উপজেলার আগরপুর বাসস্ট্যান্ড পার হয়ে মাদ্রাসা সংলগ্ন নির্জন এলাকায় পৌঁছালে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীর একটি দল সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে তাঁর গতি রোধ করে। চালক মোটরসাইকেলটি থামানোর চেষ্টা করতেই ছিনতাইকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে এবং মোটরসাইকেলটি নিয়ে চম্পট দেয়। খবর পেয়ে সড়কে টহলরত কুলিয়ারচর থানার এসআই মনজুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই চালককে উদ্ধার করে। পরে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহগামী একটি বাসে তুলে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় পুলিশ। ওই অবস্থায় তাঁর নাম ঠিকানা জানা না গেলেও প্রাথমিক ভাবে জানাযায়, ওই চালকের বাড়ি শেরপুর। তিনি ভৈরবে একটি ব্র্যাক সমিতির অফিসে চাকুরী করেন।  অন্যদিকে, শুক্রবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্মীপুর রাজগোপাট সড়কে দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় উত্তর লক্ষ্মীপুর নজের বাড়ী গ্রামের মো. রতন মিয়ার ছেলে রিমন মিয়া (২৫) ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে তাঁর নতুন বাড়িতে যাওয়ার সময় নির্জন রাস্তায় একটি সশস্ত্র ছিনতাইকারীর দল তাঁর গতিরোধ করে।  ছিনতাইকারীরা রিমনের চোখ বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করে। পরে তাঁর কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা ও সাথে থাকা মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনিয়ে নিয়ে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী লক্ষ্মীপুর বাজারের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই কুলিয়ারচরের নোয়াগাঁও-আগরপুরসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে রাতের বেলায় ধারাবাহিক ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে আসছে। একই সড়কে যাত্রীবাহী বাস ও ছোট যানবাহনে ব্যারিকেড দিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। একের পর এক ঘটনা ঘটলেও স্থায়ী ও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। এ অবস্থায় ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে রাতে চলাচলের ক্ষেত্রে চালক ও যাত্রীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ দুটি ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, ঘটনাগুলোর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না: শরীফুল আলম এমপি

আমার নির্বাচনী এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ অবশিষ্ট থাকবে না। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকালে সারা দেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়াচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাফফাত আরা সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও বিভিন্ন ভাতা এবং অসহায় দরিদ্রদের মাঝে রিকশা সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে দুই বছরের সময় চেয়ে এ কথা বলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, এমপি। প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম আরও বলেন, যারা সাত মাসের মাথায় সরকারকে ফেলে দিতে চায়, টেনে নামাতে চায়, আমার মনে হয় তাদের অন্য রকম প্ল্যান আছে। তারা পতিত ফ্যাসিস্টের সঙ্গে মিলে সরকারের উন্নয়ন ধারাকে ব্যাহত করতে চায়। তাই যারা আজ সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিন ভাতা, চিকিৎসা ভাতাসহ নানা সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। সবাই মিলে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাত্র তো সরকারের পথচলা শুরু। এরমধ্যে ভৈরব-কুলিয়াচরচরে নানা উন্নয়ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ কুলিয়ারচর উপজেলার উছমানপুর ইউনিয়নের নাজিরদীঘি ব্লকে ১ হাজার ৭৮ কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন এবং ভৈরবেও অনুরূপ কার্ড বিতরণ করা হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার মর্জিনা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জের উপ-পরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম.এ হান্নান ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম প্রমুখ। সারাদেশে একযোগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়ালি কৃষক কার্ড উদ্বোধন শেষে দুজন কৃষকের হাতে প্রতীকী কৃষক কার্ড তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে উপকারভোগীদের মুঠোফোনে আর্থিক সহায়তার অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ১০ টি দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ চালিত ১০টি রিকশা বিতরণ করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার বাজরা মাছিমপুর খেলার মাঠে মাছিমপুর ক্রিকেট ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত নূরুল মিল্লাত স্মৃতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদেন তিনি। এর আগে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে কৃষি মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে নির্মিত উপজেলার রামদী ইউনিয়নের আগরপুর ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ- এর শুভ উদ্বোধন ও কৃষকের মাঝে চাবি হস্তান্তর করেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। এছাড়া তিনি রামদী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শাফি উদ্দিনের বাবার কবর জিয়ারত করে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়াও তিনি চিকিৎসাধীন রামদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বেনজির আহমেদকে দেখতে হাসপাতালে যান ও তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নেন।

কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াত আমীরের হুশিয়ারি: / জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না

গণভোটে জুলাই জাতীয় সনদের পক্ষে দেওয়া জনগণের রায় অস্বীকার করার পরিণতি ভালো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মো. রমজান আলী। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে তৎকালীন বিরোধীরা এই সনদের পক্ষে অবস্থান নিলেও ক্ষমতায় আসার পর তাদের অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার বাজরা বাসস্ট্যান্ডের আসাদ সুপার মার্কেটের নীচ তলায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর মাসব্যাপী দেশব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুলিয়ারচর উপজেলা জামায়াত এ সভার আয়োজন করে। অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, "দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে জুলাই সনদের পক্ষে মতামত দিয়ে সংবিধান সংস্কারের স্পষ্ট রায় দিয়েছিল। কিন্তু সরকার এখন সেই রায়কে আমলে নিচ্ছে না। জনগণের স্পষ্ট রায়কে অস্বীকার করার পরিণাম কখনো ভালো হতে পারে না।" নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী রাজনৈতিক অবস্থানের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকেও জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠনের পর বিষয়টি বাস্তবায়নে তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে আসা জনগণের রায়ের সাথে স্পষ্ট অসংগতিপূর্ণ ও বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে জেলা জামায়াত আমীর বলেন, "রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষার স্বার্থেই জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছিল। একজন দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে জামায়াত সরকারের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কাজে যেমন সহযোগিতা করবে, তেমনই জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানাবে।" বক্তব্যে তিনি দেশের বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির তীব্র সমালোচনা করেন। পাশাপাশি, একটি নির্দিষ্ট আইনকে ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে এর বিরুদ্ধে সংসদে জামায়াতের সংসদ সদস্যদের জোরালো প্রতিবাদের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। এসময় কুলিয়ারচর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং নায়েবে আমীর মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদীর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা জামায়াতের সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মেহেদী হাসান, কুলিয়ারচর পৌর শাখার সভাপতি হারুনউর রশীদ, রামদী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. মাহতাব উদ্দিন, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম সজিব, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মুহাম্মদ নূরুল আলম এবং সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ। এরপর দুপুরে উপজেলার ডুমরাকান্দা বাজারের জনতা ক্লাবে সালুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আয়োজনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নিয়ে দ্বিতীয় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সালুয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও উপজেলা সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে এতেও প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আমির মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মশিউর রহমান মহসিনের নাম ঘোষণা করেন। এছাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন-গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুদ্দিন ইসলাম তুহিন ও সালুয়া ইউনিয়নে সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজী। দলীয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসায় রামদী ও ফরিদপুর ইউনিয়নের প্রার্থীর নাম পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

কুলিয়ারচরে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের সাথে জামায়াতের মতবিনিময়

দেশব্যাপী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গণসংযোগ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে জামায়াতের কুলিয়ারচর উপজেলা শাখার উদ্যোগে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।   বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে প্রথমে উপজেলার বাজরা বাসস্ট্যান্ড আসাদ সুপার মার্কেটে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জামায়াতের কুলিয়ারচর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদীর সঞ্চালন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুলিয়ারচর উপজেলা শাখার সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান, বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা মেহেদী হাসান, কুলিয়ারচর পৌর শাখার সভাপতি হারুনউর রশীদ, রামদী ইউনিয়ন শাখা’র সভাপতি মো. মাহতাব উদ্দিন, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখা’র সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখা’র সভাপতি মো. কামরুল ইসলাম সজিব, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, সৌদি প্রবাসী রুকন মস্তোফা কামাল সিরাজী, রামদী ইউনিয়নের মো. ইদ্রিস আলী, মো. দৌলত খান ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মুহাম্মদ নূরুল আলমসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীবৃন্দ। এরপর দুপুরে উপজেলার ডুমরাকান্দা বাজারে জনতা ক্লাবে সালুয়া ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও উপজেলা শাখার সহ-সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে বাজারের ব্যবসায়ীদের নিয়ে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুলিয়ারচর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুর রহমান ও নায়েবে আমির মাওলানা মো. মাহবুব রহমান আবেদী। এসময় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে চেয়ারম্যান পদে মাওলানা মো. মাহবুবুর রহমান আবেদী ও ভাইরাস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা মশিউর রহমান মহসিনের নাম ঘোষণা করা হয়। এছাড়া উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করেন জামায়াতের কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী। এদের মধ্যে গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান মিজান, উছমানপুর ইউনিয়ন শাখা’র সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, ছয়সূতী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুদ্দিন ইসলাম তুহিন ও সালুয়া ইউনিয়নে সৌদি প্রবাসী রুকন মোস্তফা কামাল সিরাজী নাম রয়েছে। সংগঠনের সিদ্ধান্ত না আসায় রামদী ও ফরিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়নি।

কুলিয়ারচর থানার নতুন ওসি মোজাম্মেল হক

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোজাম্মেল হক।  গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে থানার দ্বায়িত্বে থাকা ওসি (তদন্ত) মো. মোবারক হোসেনের নিকট থেকে দায়িত্ব  বুঝে নেন তিনি। পেশাদারিত্ব ও অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ এই পুলিশ কর্মকর্তা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিতে নতুন অঙ্গীকার নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। মোজাম্মেল হক ২০০৭ সালে উপপরিদর্শক (এসআই) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি পুলিশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। কুলিয়ারচর থানায় যোগদানের পূর্বে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) শেরে বাংলা নগর থানায় প্রায় তিন মাস ওসির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে দায়িত্বে ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে মোজাম্মেল হকের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলায়। তিনি এক কন্যাসন্তানের পিতা এবং তাঁর স্ত্রী একজন সফল নারী উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী। দায়িত্ব গ্রহণের পর মোজাম্মেল হক জানান, কুলিয়ারচর থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুলিশের সেবা সহজ করাই হবে তাঁর প্রধান অগ্রাধিকার। এদিকে, একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা ওসির দায়িত্ব পাওয়ায় কুলিয়ারচর থানায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ এবং পুলিশি সেবার মান আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।  

কুলিয়ারচরে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীকে ফুলেল শুভেচ্ছা

কয়েকদিন আগে কিশোরগঞ্জ এল.জি.ই.ডির নির্বাহী প্রকৌশলী এনায়েত কবীর বদলী হয়ে ঢাকায় যোগদান করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ থেকে বদলী হয়ে কয়েকদিন আগে এল.জি.ই.ডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রফিকুল ইসলাম কিশোরগঞ্জে যোগদান করেছেন। এই উপলক্ষে নির্বাহী প্রকৌশলী মো: রফিকুল ইসলাম কুলিয়ারচরে বিভিন্ন রাস্তা পরিদর্শন করার পূর্ব মুহুর্তে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও অত্র অফিসের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। রাস্তা পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ইয়াসিন খন্দকার, উপসহকারী প্রকৌশলী কবির হোসেনসহ এলাকার গণমাধ্যমকর্মীরা।   

হাতকড়াসহ আ. লীগ নেতা পালানোর ঘটনায় থানার ওসি প্রত্যাহার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশ হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মামলা করেছে পুলিশ। একইসঙ্গে প্রশাসনিক কারণে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিনকে ক্লোজড করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে শোকজও করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা এবং হাতকড়াসহ আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানার এসআই শরাফিন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। রেনু মিয়া ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মাধবদী এলাকার মৃত ইল্লাল মিয়ার ছেলে। মামলার এজাহারে নাম থাকা আসামিরা হলেন- ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. রেনু মিয়া (৪৮), মনির হোসেন, সজিব মিয়া, মো. তারেক, তাহমুদা বেগম, রাবিয়া বেগম, তামান্না বেগম, পাখি বেগম, সামিকা বেগম, সেলিনা বেগম, সুফিয়া বেগম, ইতি আক্তার (২৩), সাদিয়া (২০), আকলিমা আক্তার (২৬) ও রত্না (৩০)। পুলিশ সূত্র জানায়, পরে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াসহ গ্রেফতার হওয়া আসামিদের মঙ্গলবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার দুই হাতে হাতকড়া পরানো হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে পুলিশকে ঘেরাও করে ধস্তাধস্তির মাধ্যমে রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেন। এ সময় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন। ঘটনার পর রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে পুলিশ। একাধিক দল নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে মাধবদী এলাকায় তাকে হাতকড়াসহ পুনরায় গ্রেফতার করা হয়। এদিকে রেনু মিয়াকে গ্রেফতারের পর তার পরিবারের সদস্য ও স্বজনসহ সাত নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাদের মধ্যে ইতি আক্তার, সাদিয়া, আকলিমা আক্তার ও রত্নাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। অন্য তিন নারীর বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় এসআই শরাফিন মিয়া, কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হন। পরে তারা কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রশাসনিক কারণে কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দিনকে ক্লোজড করা হয়েছে। হাতকড়াসহ আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তাকে শোকজও করা হয়েছে।

আরও
X