ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সখীপুরে ১৩ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
সখীপুরে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়ির পাশে বৃদ্ধের মরদেহ, হত্যার অভিযোগ প্রথম স্ত্রীর
আড়াই মণ গাঁজাসহ গ্রেপ্তার কৃষকদল নেতা, অতঃপর...
আড়াই মণ গাঁজাসহ গ্রেপ্তার কৃষকদল নেতা, অতঃপর...
টাঙ্গাইলের সখীপুরে ১০০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হওয়া বহেড়াতৈল ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক হেলাল সিকদারকে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন ও সদস্যসচিব শাহাদত হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘১০০ কেজি গাঁজা নিয়ে ধরা পড়ার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। হেলাল সিকদারকে আগেই মৌখিকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছিল। কারও ব্যক্তিগত অপরাধের দায়ভার সখীপুর উপজেলা কৃষক দল নেবে না। তাই তার এই অনৈতিক কাজের জন্য কৃষক দল থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হলো।’ উল্লেখ্য, শনিবার রাতে সখীপুর থানার বেতুয়া তিন রাস্তার মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান ও সেটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে আসা একটি মোটরসাইকেলে তল্লাশি চালিয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় লুকিয়ে রাখা ১০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হেলাল সিকদারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে একটি কাভার্ডভ্যান, একটি মোটরসাইকেল, নগদ টাকা ও তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করা মাদক ও জব্দ করা মালামালসহ সখীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় এসআরবির উপসহকারী পরিচালক রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সখীপুর থানায় মামলা করেছেন। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সখীপুরে ১০০ কেজি গাঁজা নিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া সেই কৃষকদল নেতাকে আজীবন বহিষ্কার
সখীপুরে ৩ বছরের শিশুকে হত্যা করল এক পাষন্ড মা!
সখীপুরে সাপের কামড়ে শিশুর মৃত্যু 
সখীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সখীপুরে তিন আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার 

সখীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। রবিবার রাতে উপজেলা বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার অভিযোগ করা মামলার অজ্ঞাত আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত অভিযানে বৈষম্যবিরোধী মামলার অজ্ঞাতপরিচয় নামের তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাবেক কাউন্সিলর এখলাস হায়াত সরোয়ার, পৌর আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মজনু এবং যুবলীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক। জানা যায়, রবিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে রবিবার বিকেলে সখীপুর উপজেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দাড়িয়াপুর এলাকায় একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলের ভিডিও সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর রাতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করে।  

বাবার অপেক্ষায় সাত মাসের যমজ, সৌদি থেকে ফিরলেন নিথর দেহ

সাত মাস বয়সী যমজ সন্তান আদনান ও নুসাইবা। জন্মের পর বাবাকে তারা দেখেছে শুধু মোবাইল ফোনের পর্দায়। দেশে ফিরে সন্তানদের কোলে নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন বাবা নাছির হোসেন (২৫)। তবে সেই অপেক্ষা আর শেষ হলো না। সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নাছির ফিরেছেন নিথর দেহ হয়ে। নাছির টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কুতুবপুর আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা। গত ৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টার দিকে সৌদি আরবে সড়ক নির্মাণকাজের সময় রোড রোলারের চাপায় তার মৃত্যু হয়। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান নাছির। পরিবারের সচ্ছলতার আশায় প্রবাসে কঠোর পরিশ্রম করছিলেন তিনি। কয়েক মাস আগে ছুটিতে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আবার সৌদি আরবে কর্মস্থলে ফিরে যান। এরপর তার স্ত্রী আছিয়া খাতুনের ঘরে জন্ম নেয় যমজ সন্তান—একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। সন্তানদের জন্মের সময় নাছির সৌদি আরবে থাকায় সরাসরি তাদের দেখার সুযোগ হয়নি। স্বজনরা জানান, নিয়মিত ভিডিও কলে স্ত্রী ও সন্তানদের খোঁজ নিতেন নাছির। মোবাইল ফোনের পর্দায় সন্তানদের দেখে আনন্দিত হলেও তাদের কোলে নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা ছিল তার। দেশে ফিরে সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু দুর্ঘটনা সেই স্বপ্নের ইতি টেনে দেয়। নাছিরের বাবা শফিকুল ইসলাম স্থানীয় বাজারে একটি চায়ের দোকান চালান। ছয় বছর আগে অনেক কষ্টে ধারদেনা করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন নাছির। তার আয় দিয়েই চলত পরিবারের খরচ। কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে নাছিরের বাবা শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমার একমাত্র সন্তানকে নিজের হাতে দাফন করে গেলাম। আজ আমি একেবারে নিঃস্ব। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম পরিবারের সুখের আশায়। কিন্তু সেই ছেলেকেই আজ লাশ হয়ে বাড়িতে ফিরতে হলো।” পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাছিরের মরদেহ গতকাল (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে বাড়িতে পৌঁছায়। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর মা-বাবা, স্ত্রী ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। খবর পেয়ে স্থানীয়রাও নাছিরের বাড়িতে ছুটে আসেন। পরে রাত ১১টার পর নাছিরের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

সখীপুরে সংঘবদ্ধ চোরের হানা, এক রাতেই ৭ মহিষ-গরু চুরি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল তার গোয়ালঘর থেকে চারটি উন্নতজাতের গাভী ও তিনটি মহিষ নিয়ে গেছে। চুরি যাওয়া গবাদিপশুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ড প্রতিমা বংকী এলাকায় এ চুরির ঘটনা ঘটে। বিল্লাল হোসেনের গরুর খামারে কর্মরত মনির হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো গবাদিপশুগুলো গোয়ালঘরে রেখে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ঘুমাতে যান। ভোররাত সাড়ে ৩ টার দিকে গরুর পায়ের শব্দ ও গাড়ির শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বুঝতে পারেন, দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো। পরে তার চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর গোয়ালঘরে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের পেছনের দিকের দেয়াল ভেঙে চোরচক্রটি চারটি গাভী ও তিনটি মহিষ নিয়ে গেছে। এদিকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে প্রতিবেশী ও মুদি দোকানি খোকন মিয়া রাস্তায় বের হয়ে দেখতে পান, একটি ট্রাকে করে গরু-মহিষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি তাৎক্ষণিক দোকানের সামনে থাকা বাঁশ দিয়ে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করেন। তবে চোরেরা গাড়ি না থামিয়ে তাকে রামদা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দ্রুত পালিয়ে যায়। গবাদিপশুর মালিক বিল্লাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দেড় বছর আগেও আমার বাড়ি থেকে গাভী চুরি হয়েছিল। সেই শোক ভোলার আগেই এবার একসঙ্গে সাতটি পশু চুরি হলো। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া আমার জন্য অসম্ভব।’ একই বাড়িতে বারবার চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চোরচক্র এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। দ্রুত চোরচক্রটি শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গবাদিপশুগুলো উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।’

সখীপুরে সংঘবদ্ধ চোরের হানা, এক রাতেই ৭ মহিষ-গরু চুরি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোরের দল তার গোয়ালঘর থেকে চারটি উন্নতজাতের গাভী ও তিনটি মহিষ নিয়ে গেছে। চুরি যাওয়া গবাদিপশুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ড প্রতিমা বংকী এলাকায় এ চুরির ঘটনা ঘটে। বিল্লাল হোসেনের গরুর খামারে কর্মরত মনির হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো গবাদিপশুগুলো গোয়ালঘরে রেখে রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ঘুমাতে যান। ভোররাত সাড়ে ৩ টার দিকে গরুর পায়ের শব্দ ও গাড়ির শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বুঝতে পারেন, দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো। পরে তার চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন এগিয়ে এসে তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করেন। এরপর গোয়ালঘরে গিয়ে দেখা যায়, ঘরের পেছনের দিকের দেয়াল ভেঙে চোরচক্রটি চারটি গাভী ও তিনটি মহিষ নিয়ে গেছে। এদিকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে প্রতিবেশী ও মুদি দোকানি খোকন মিয়া রাস্তায় বের হয়ে দেখতে পান, একটি ট্রাকে করে গরু-মহিষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি তাৎক্ষণিক দোকানের সামনে থাকা বাঁশ দিয়ে গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করেন। তবে চোরেরা গাড়ি না থামিয়ে তাকে রামদা দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে দ্রুত পালিয়ে যায়। গবাদিপশুর মালিক বিল্লাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘দেড় বছর আগেও আমার বাড়ি থেকে গাভী চুরি হয়েছিল। সেই শোক ভোলার আগেই এবার একসঙ্গে সাতটি পশু চুরি হলো। এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া আমার জন্য অসম্ভব।’ একই বাড়িতে বারবার চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তাদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চোরচক্র এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। দ্রুত চোরচক্রটি শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। গবাদিপশুগুলো উদ্ধার ও জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।’

ট্রাকচাপায় সড়কেই প্রাণ গেল মা ও শিশুর

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ট্রাক চাপায় ইসরাত জাহান আঁখি (২২) ও তাঁর কোলে থাকা এক বছর বয়সী শিশুসন্তান ইফাতের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার নলুয়া-টাঙ্গাইল সড়কের বেড়বাড়ী বটতলা মিলপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ইসরাত জাহান আঁখি মির্জাপুর উপজেলার দেওভোড় গ্রামের শুভ তালুকদারের স্ত্রী। তাঁর বাবার বাড়ি একই উপজেলার আদাবাড়ি গ্রামে। নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে স্বামীর বাড়ি থেকে এক বছর বয়সী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে সখীপুরের পাহাড়কাঞ্চনপুর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন আঁখি। সিএনজিটি বেড়বাড়ী বটতলা মিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মা ও শিশু সিএনজি থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহত মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সখীপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সখীপুরে ডায়রিয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

টাঙ্গাইলের সখীপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জুনায়েদ তানবির নোমান (১২) নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত জুনায়েদ তানবির নোমান উপজেলার প্রতিমা-বংকী গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. রুবেল মিয়ার ছেলে। সে শাহীন স্কুল সখীপুর শাখার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গতকাল রোববার সকাল ৯ টার দিকে জুনায়েদের মা রুমা বেগমকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার কলেরা হাসপাতালে রেফার করা হয়। এদিকে আজ সোমবার সকাল ৯ টার দিকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছেলে জুনায়েদকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতালে আনার এক ঘণ্টার মধ্যেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) কাজী মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল ৯ টার দিকে ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে আনা হয়। এ সময় তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়। শাহীন স্কুলের সখীপুর শাখার সভাপতি শাহিন আল মামুন বলেন, ‘জুনায়েদ একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’

সখীপুরে নিখোঁজের ৪ দিন পর হিজাব, মোজা পড়া নারীর লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের চার দিন পর জুলেখা (৫৫) নামে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার বিকেলে উপজেলার শিরিরচালা মধ্যপাড়া এলাকার একটি জঙ্গল থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত জুলেখা ওই গ্রামের মোজাফফর আলীর স্ত্রী। নিহতের ছেলে জাকির হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে আমার মা নিখোঁজ ছিলেন। তিনি গত পাঁচ বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এর আগেও তিনি কয়েকবার নিখোঁজ হয়েছিলেন।’ স্থানীয়রা জানান, রোববার ওই জঙ্গলে অর্ধগলিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। সখীপুর থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি অন্য কোনো বিষয়, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে।

আরও
X