ঢাকা, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
নেত্রকোনায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা 
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ হত্যার ঘটনায় আটক-১
সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে কেন্দুয়ায় মানববন্ধন 
সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে কেন্দুয়ায় মানববন্ধন 
সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী ও দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।  রোববার সকাল ১১ টায় কেন্দুয়া প্রেসক্লাব কার্যালয়ে সামনে নেত্রকোনা কেন্দুয়া সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ও  প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই সেলিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য বক্তব্য রাখেন কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক হারেছ উদ্দিন ফকির, প্রেসক্লাব সিনিয়র সদস্য আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া, উপজেলা মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি সমকাল প্রতিনিধি সমরেন্দ্র বিশ্বকর্মা, প্রেসক্লাব সদস্য নাট্যকার এবং আমাদের সময় কেন্দুয়া প্রতিনিধি  রাখাল বিশ্বাস , দিনকাল প্রতিনিধি, সালাউদ্দিন সালাম, দৈনিক আজকের খবর-এর মঞ্জুরা আক্তার লিলি, কেন্দুয়া ও স্থানীয় সাংবাদিকরা। বক্তারা বলেন, সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সাংবাদিককে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে না হয়। তাঁরা আরও বলেন, আলিফের মৃত্যুতে তাঁর স্ত্রী ও দুই ছোট সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি তাঁদের ভরণপোষণ, আর্থিক সহায়তা ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা। মানববন্ধন শেষে সাংবাদিক আলিফ হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সোয়া আটটার দিকে দুর্গাপুর উপজেলার তেলনজিয়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন বেসরকারি আইপি টেলিভিশন রূপসী বাংলার নেত্রকোণা প্রতিনিধি লুৎফুজ্জামান ফকির আলিফ। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে তাঁর স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় আটজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পরে ১৭ অক্টোবর রাতে অপূর্ব (২১) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ১৭ অক্টোবর দিবাগত রাতে অপূর্ব (২১) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সাংবাদিক আলিফের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন : ডেপুটি স্পিকার
নেত্রকোনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শাড়ি বিতরণ 
দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে ২৪ ঘণ্টা পর থানায় স্ত্রীর মামলা
দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি: জামায়াত নেতা মনজুরুল ইসলাম ভূইঁয়া 

নেত্রকোনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির রুকন সম্মেলন (জেলা আমির নির্বাচন) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নেত্রকোনা জেলা পাবলিক হল ও জেলা প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে পুরুষ ও মহিলা রুকনদের প্রত্যক্ষ ভোটে এ নির্বাচনী কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আমির মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ বদরুল আমিনের সঞ্চালণায় এসময় নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করেন প্রধান অতিথি  জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ মনজুরুল ইসলাম ভূইয়া।  ভোট গ্রহণ পরবর্তী বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির প্রধান অন্তরায় দুর্নীতি। চাঁদাবাজি, লুটপাট , টেন্ডারবাজি, মিডিয়াকে কুক্ষিগত করতে  সাংবাদিক হত্যা। প্রতিদিন  মানুষকে গুম, খুন, নির্যাতন দেখে মনে হচ্ছে এগুলো  ফ্যাসিবাদের নতুন প্রতিধ্বনি।  তিনি বলেন, আমি নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ  ফকির  হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এসময় তিনি আরও বলেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোন অপশক্তি যদি নির্বাচন বানচাল, কারচুপি বা কেন্দ্র দখল করতে অপচেষ্টা চালায়  নেত্রকোণাবাসী সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ইনশাল্লাহ।  মনজুরুল ইসলাম ভূঁইয়া আরো বলেন, বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইল জামায়াতে ইসলামীর প্রতিটি কর্মীর কাছে আমানত। ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ১৮ কোটি মানুষ আমাদের কাছে আমানত। যদি এ দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকে সরকার দেশ পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয় তাহলে নতুন করে আবার জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হবে। তিনি আরো বলেন, জুলাই চেতনাকে মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলার জন্য এ সরকার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।  আমরা বিশ্বাস করি যে জুলাই আন্দোলনের ফসল এই সরকার তাকে জুলাই আন্দোলনকে মুছে ফেলার সুযোগ দেওয়া হবে না। ভোট গ্রহণের আগে জামায়াতের কেন্দ্রীয়  নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিভঙ্গি সম্বলিত একটি চিঠি পড়ে শোনান। জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও ময়মনসিংহ অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক মাওলানা এনামুল হক। অনুষ্ঠানের শুরুতে দারসুল কোরআন পেশ করেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও নেত্রকোণা -৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা এমপি।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জহিরুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক বিভাগের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন, জেলা ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা নুরুল্লাহ ভূইয়াসহ জেলা শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ, জেলা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি শায়েরা খাতুন মুক্তা, নেত্রকোণা ১০ টি উপজেলার আমির, সেক্রেটারিসহ প্রায় ৮ শত রুকন।

নেত্রকোনা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের ব্রিফিং 

নেত্রকোনা জেলা পুলিশের উদ্যোগে শুক্রবার শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার  মোঃ তরিকুল ইসলাম। নেত্রকোনা পুলিশ লাইন্সে সকাল ১০ব্রিফিংয়ে টায় এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, দূর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য। তিনি বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে সতর্ক নজরদারি রাখতে হবে।আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সাথে সদাচরণ ও বিনয়ী ব্যবহার করতে হবে। ডিউটির সময় সর্বোচ্চ ধৈর্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। সিসিটিভি ক্যামেরা, চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম সর্বদা সক্রিয় রাখতে হবে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা কার্যকলাপ চিহ্নিত হলে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে সচেতনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যেন কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ট্রাফিক পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে।  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনে স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রাখতে হবে। ডিউটিরত অবস্থায় মোবাইল ফোন বা অন্যান্য কাজে অমনোযোগিতা করা যাবে না। জরুরি অবস্থায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। জনগণের মধ্যে আস্থা ও নিরাপত্তাবোধ জাগিয়ে তোলার মতো আচরণ করতে হবে। উৎসব চলাকালীন প্রতিটি সদস্যকে সতর্ক, সজাগ ও দায়িত্বশীল থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন  “আপনাদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সতর্কতাই জনগণের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি। পুলিশ ও জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই শান্তিপূর্ণভাবে এই উৎসব উদযাপন সম্ভব।  ব্রিফিং এ উপস্থিত ছিলেন   অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্বপন কুমার সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বারহাট্টা সার্কেল) সাব্বির হাসান,  সহকারী পুলিশ সুপার (কেন্দুয়া সার্কেল) গোলাম মোস্তফা, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আবুল খায়েরসহ জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাগণ।

দুর্গাপুরে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক সাংবাদিককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের তেলুঞ্জিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাংবাদিকের নাম লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। তার গ্রামের বাড়ি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সুনই গ্রামে। তিনি আইপিটিভি রূপসী বাংলা টেলিভিশনের নেত্রকোনা প্রতিনিধি এবং ডিটেকটিভ আর্টিকেল নামের একটি ফেসবুক পেজের মালিক। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপুরের তেলুঞ্জিয়া গ্রামে লুৎফুজ্জামানের শ্বশুরবাড়ি। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বাড়ির সামনের একটি দোকানে গিয়েছিলেন। এ সময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান নেওয়া দুই অজ্ঞাতপরিচয়ের যুবক তার ওপর একাধিক গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকও মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শী রবীন রাংসা বলেন, আলিফ ফকির আমার দোকানে সিগারেট নিতে আসে। যাওয়ার সময় মোবাইল ফোন রেখে চলে যায়। এরপর আবার ফোন নিতে আসে। মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ার সময় দুইজন ব্যক্তিও পিছন দিয়ে যায় পরেই আমি গুলির শব্দ শুনি। আমি ভয় পেয়ে আমিও দোকানের ভেতরে চলে যাই। এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, নিহতের শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে পাঠানোর হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। রাতেই  নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো : তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন খুনিদের মোটিভ দেখে বুঝা যায় এটা পূর্বপরিকল্পিত ছিল তুমি আশ্বাস দেন অচিরেই খুনিদের  চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

স্কুলের দপ্তরির বিরুদ্ধে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধ'র্ষণচেষ্টার অভিযোগ 

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ১৩নং পাইকুড়া ইউনিয়নের মজলিসপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ঘটে। ভুক্তভোগী মজলিশপুর গ্রামের মো. মানিক মিয়ার কন্যা ও মজলিশপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যাযনরত এবং অভিযুক্ত দিদারুল আলম (বিদ্যুৎ) একই গ্রামের রেজাউল আলম ঢালু'র ছেলে ও অত্র বিদ্যালয়ে দপ্তরির হিসেবে কর্মরত। সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা জানান, ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী কেঁদে কেঁদে বিদ্যালয় থেকে দৌড়ে বের হওয়ার সময় স্থানীয়রা কান্নার কারণ জানতে চাইলে ভুক্তভোগী তাঁদের জানায়, বিদ্যালয়ের দপ্তরি তাকে জাপটে ধরে অনৈতিক কাজ করার জন্য টানাহেঁচড়া শুরু করলে জোরজবরদস্তি করে ওই ছাত্রী কোনমতে ছুটে দৌড়ে বের হয়ে আসে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি মোঃ.শফিকুল ইসলাম শফিক (দিলু মাষ্টার) বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা আমরা শুনেছি। তবে আমরা ঘটনাটি জানা মাত্রই বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করে বিষয়টি শুক্রবার সালিশির মাধ্যমে মিমাংসার দিন ধার্য করা হয়েছে। আপাতত সংবাদ প্রকাশের কোন প্রয়োজন নেই। ভুক্তভোগী ছাত্রী এবং অভিযুক্ত দপ্তরির বাড়িতে গিয়ে কাউকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।  কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি জানার পর পেমই তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে, অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বারহাট্টায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করায় নারীর কারাদণ্ড

নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগ করানোর দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। লিপি আক্তার নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। ওই মামলায় তিনি নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করেন। পরে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। তিনি প্রায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ত নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত তাকে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে খালাস দেন। পরে মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগ করানোর প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানার আদেশ দেন।  

দুর্গাপুরে বাকলজোড়া ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে বাকলজোড়া ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাকলজোড়া ইউনিয়নে সিংহা বাজারে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাসের সভাপতিত্ব ও মাঠ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান আতিকের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রায়হানুল হক, উপজেলা বিএনপির সহ:সভাপতি এম. রফিকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার, বাকলজোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাত্তার মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার খলিফা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার বলেন, কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সকলকেই সহযোগিতা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কৃষক কার্ডের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে সজাগ থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি প্রকৃত কৃষকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি কিংবা অনিয়মের শিকার না হন সে বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।  সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলার সব ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ এগিয়ে নেওয়া হবে।

দুর্গাপুরে বাকলজোড়া ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে বাকলজোড়া ইউনিয়নে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বাকলজোড়া ইউনিয়নে সিংহা বাজারে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাসের সভাপতিত্ব ও মাঠ কর্মকর্তা আতিকুর রহমান আতিকের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রায়হানুল হক, উপজেলা বিএনপির সহ:সভাপতি এম. রফিকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার, বাকলজোড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সাত্তার মাস্টার ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার খলিফা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার বলেন, কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সকলকেই সহযোগিতা করতে হবে। তিনি আরো বলেন, কৃষক কার্ডের কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কেউ যেন কোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন করতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এ সময় তিনি দলের নেতাকর্মীদের এ ব্যাপারে সজাগ থাকার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি প্রকৃত কৃষকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি কিংবা অনিয়মের শিকার না হন সে বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।  সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলার সব ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ এগিয়ে নেওয়া হবে।  

আরও
X