ঢাকা, বাংলাদেশ ||
মঙ্গলবার
০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ||

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা

এপি নিউজ

  ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৪
ফাইল ছবি

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি (রুটিন) প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে দেশজুড়ে একযোগে এই পরীক্ষা শুরু হবে, যা চলবে ২০ মে পর্যন্ত।

পরিবর্তন অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সময়সূচি জানানো হয়।

লিখিত পরীক্ষা শেষে ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক ও ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বরসংক্রান্ত সব কাগজপত্র ১৮ জুনের মধ্যে বিভাগভিত্তিকভাবে রোল নম্বরের ক্রমানুসারে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনাগুলো হলো—

১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
২. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
৩. প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নিকট থেকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে সংগ্রহ করবে।
৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলোর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।
৬. পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) ফরমে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।
৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি প্রদান করা যাবে না।
৯. পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে পরীক্ষার্থীদের ভেতর প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।
১০. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।
১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবে না।
১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে।
১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।
১৪. পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে দৈনিক পত্রিকা ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদনপ্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

বদলে গেল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রগ্রামের পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন করা হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৪ ক্রেডিট কোর্সে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ২০ নম্বর এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৮০ নম্বরের। এই পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্লেষণধর্মী, ধারণাভিত্তিক, সংখ্যাগত ও সমালোচনামূলক বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ১২টি প্রশ্নের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ তিনটি উপ-প্রশ্নে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর। এ ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ২০ নম্বরের বিভাজন হলো– অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশন/কুইজ পরীক্ষায় ৫, ক্লাসে উপস্থিতিতে ৫ এবং দুটি ইন-কোর্স পরীক্ষার গড় নম্বর হিসেবে ১০। ৩ ক্রেডিট কোর্সে মোট নম্বর ৭৫। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ১৫ এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা ৬০ নম্বরের। পরীক্ষার সময় ৩ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় থেকে বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ৯টি প্রশ্নের মধ্যে ৬টির উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ তিনটি উপ-প্রশ্নে বিভক্ত করা যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর। এই কোর্সে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ১৫ নম্বরের মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশন বা কুইজে ৪, ক্লাসে উপস্থিতিতে ৩ এবং দুটি ইন-কোর্স পরীক্ষার গড় হিসেবে ৮ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ২ ক্রেডিট কোর্সে মোট নম্বর ৫০। এর মধ্যে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ১০ এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা ৪০ নম্বরের। পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ ঘণ্টা। প্রশ্নপত্রে পাঠ্যসূচির সব অধ্যায় থেকে বিস্তৃত প্রশ্ন থাকবে। মোট ৬টি প্রশ্নের মধ্যে শিক্ষার্থীদের ৪টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রতিটি প্রশ্ন সর্বোচ্চ তিনটি উপ-প্রশ্নে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১০ নম্বর। এই কোর্সে ধারাবাহিক মূল্যায়নের ১০ নম্বরের মধ্যে অ্যাসাইনমেন্ট ও প্রেজেন্টেশন/কুইজে ৩, ক্লাসে উপস্থিতিতে ২ এবং দুটি ইন-কোর্স পরীক্ষার গড় হিসেবে ৫ নম্বর থাকবে। বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে ক্লিক করুন।
বদলে গেল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পদ্ধতি
৫০তম বিসিএসের প্রিলি আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি)। সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে নানা নির্দেশনা। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) মাসুমা আফরীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়। যেখানে বলা হয়েছে, সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত এবং দৈবচয়ন ভিত্তিতে আসন বিন্যাস সাজানোর কারণে পরীক্ষার্থীদের নিজ নিজ আসন খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। সে কারণে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে, অর্থাৎ সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের পর কোনো পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষা কেন্দ্রে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার হলে সব ধরনের ঘড়ি— অ্যানালগ বা ডিজিটাল, মোবাইল ফোন ও সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, বই-পুস্তক ও ক্যালকুলেটর, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ডসদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট, ব্যাগ ও মানিব্যাগ বহন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। পরীক্ষার হলের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাই এবং মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশ করানো হবে। পাশাপাশি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীদের কান খোলা রাখতে হবে এবং কানের ওপর কোনো ধরনের আবরণ রাখা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে হিয়ারিং এইড ব্যবহারের ক্ষেত্রে আগেই কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। এছাড়াও কোনো পরীক্ষার্থীর কাছে নিষিদ্ধ সামগ্রী পাওয়া গেলে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। সে সঙ্গে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস বিধিমালা-২০১৪ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে কমিশনের ভবিষ্যৎ সব নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করাসহ বিভিন্ন মেয়াদে দণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে।
৫০তম বিসিএসের প্রিলি আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
এসএসসির পরীক্ষক নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
চলতি বছেরের এসএসসি পরীক্ষার প্রধান পরীক্ষক ও পরীক্ষক নিয়োগ নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এক্ষেত্রে ভুল তথ্য প্রদান করলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে পরীক্ষকদের। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে এ ই-টিআইএফ পূরণ করে বোর্ডে পাঠাতে হবে। নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, প্রধান পরীক্ষক হওয়ার জন্য অনেক শিক্ষক মাস্টার ট্রেইনার না হওয়া সত্ত্বেও TIF-এর ডাটায় মাস্টার ট্রেইনারের কলাম এন্ট্রি করেছেন। যারা প্রকৃতপক্ষে মাস্টার ট্রেইনার নন তারা অনতিবিলম্বে eTIF-এর ডাটা থেকে মাস্টার ট্রেইনার কলাম সংশোধন করবেন, নতুবা এরূপ প্রতারণামূলক তথ্য দেওয়ার জন্য আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান সত্যায়নকারীর দায় এড়াতে পারবেন না।  
এসএসসির পরীক্ষক নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে এ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যেসব জেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেসব জেলায় একাধিক ইন্টারভিউ বোর্ডের মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট স্মারক অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যেসব কাজগপত্র সঙ্গে আনতে হবে নির্বাচিত প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের সময় আপলোড করা ছবি, আবেদনপত্রের কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরের প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদও আবশ্যিক। মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান কোটায় আবেদনকারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধার গেজেট ও সম্পর্ক সনদের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে। এ ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধী (সুবর্ণ নাগরিক কার্ডধারী) ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের সমাজসেবা অধিদপ্তরের সনদ এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা জেলা প্রশাসকের সনদ জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সব কাগজপত্র ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা দিয়ে সত্যায়িত করে আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। এরপর প্রার্থীদের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে। এ সময় ফটোকপি জমার পাশাপাশি মূল কাগজপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রদর্শন করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌখিক পরীক্ষার দিন প্রার্থীদের সব মূল সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে আনতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার নির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও স্থান সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট এবং নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। এর আগে গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ প্রার্থী। ছয় শর্তে প্রার্থীদের নির্বাচিত গৃহীত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ছয়টি শর্তসাপেক্ষে ৬৯ হাজার ২৬৫ প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে: ১. এ ফলাফল সাময়িক ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রার্থীরা কেবল মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এ ফলাফল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্তত ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর কোনো শূন্য পদে নিয়োগের জন্য কোনো নিশ্চয়তা প্রদান করে না। ২. প্রকাশিত ফলাফলের যেকোনো পর্যায়ে কোনো প্রকার ভুল-ভ্রান্তি/ত্রুটি-বিচ্যুতি/মুদ্রণজনিত ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন করার বা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট ফলাফল বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। ৩. কোনো প্রার্থী ইচ্ছাকৃত কোনো ভুল তথ্য দিলে কিংবা কোনো তথ্য গোপন করেছেন মর্মে প্রতীয়মান/প্রমাণিত হলে কর্তৃপক্ষ তার ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করতে পারবে। ৪. প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে 'সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫' অনুসরণ করে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। ৫. মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। ৬. মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বর ক্রমানুসারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা (https://mopme.gov.bd) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (https://dpe.gov.bd)-এ পাওয়া যাবে।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
এসএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্ত ঢাকা বোর্ডের
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ফরম পূরণের সময়সীমা বাড়িয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ফরম পূরণ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
এসএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন সিদ্ধান্ত ঢাকা বোর্ডের
আরও পড়ুন
ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করল চুয়েট
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
২২ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি
রমজানে সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি