স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সংশোধীত নীতিমালা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এই নীতিমালা জারি করা হয়।
সংশোধিত নীতিমালার সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি হবে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এখন থেকে কোনো শিক্ষককে বদলির জন্য আর প্রভাবশালীদের দপ্তরে ধরনা দিতে হবে না।
এই নীতিমালার ফলে শিক্ষকরা নিজ জেলায় বদলি আবেদনের সুযোগ পাবেন। একইসঙ্গে নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় শূন্যপদের বিপরীতে বদলির আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য এ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।
এ ছাড়া শিক্ষকরা চাইলে এখন থেকে তাদের স্বামী অথবা স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলি হতে পারবেন।
আবেদনে যেসব শর্ত মানতে হবে
প্রথম যোগদানের পর চাকরির মেয়াদ ২ বছর পূর্ণ হলে বদলির আবেদন করা যাবে। একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী বদলির আবেদনের জন্য নতুন কর্মস্থলে ন্যূনতম ২ বছর কর্মরত থাকতে হবে। একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বিবেচনা করা হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য প্রদান করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
একইসঙ্গে কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।
বদলি আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব থাকবে মাউশি মহাপরিচালকের ওপর এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। তবে বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং কোনো শিক্ষক টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না।
নীতিমালাটি আজ (মঙ্গলবার) থেকেই কার্যকর হবে এবং এটি দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
মন্তব্য করুন








